‘অপারেশন অক্টোপাস’, দেশের ভিতরে থাকা জঞ্জাল সাফ ভারত সরকারের

89
'অপারেশন অক্টোপাস', দেশের ভিতরে থাকা জঞ্জাল সাফ ভারত সরকারের
'অপারেশন অক্টোপাস', দেশের ভিতরে থাকা জঞ্জাল সাফ ভারত সরকারের

‘অপারেশন অক্টোপাস’, দেশের ভিতরে থাকা জঞ্জাল সাফ ভারত সরকারের। দফায় দফায় তল্লাশি, হানা চলছিলই। পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া, মুস’লিম মৌল’বাদী সংগঠন-টিকে নিয়ে এবার আরও কঠোর অবস্থান নিল কেন্দ্র সরকার। পাঁচ বছরের জন্য দেশে নিষিদ্ধ হল PFI, নিষিদ্ধ করা হল তাদের সহযোগী এবং শাখা সংগঠনগুলিকেও। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন বা UAPA-তে ওই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হল। শুধু তাই নয়, UAPA-র ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দেশে নিষিদ্ধ ৪২টি জ’ঙ্গি সংগঠনের অন্তর্ভুক্তও করা হয়েছে PFI-কে।

সিঁদুরে মেঘ দেখতে পেয়েছে ভারত সরকার। ‘অপারেশন অক্টোপাস’, দেশজুড়ে পিএফআই এর দফতরে ফের হানা দিল এনআইএ। ২২শে সেপ্টেম্বর ও ২৭শে সেপ্টেম্বর, দেশ জুড়ে ১৫-১৭টি রাজ্যে এদের দফতরে হানা দেয় এনআইএ। দুদিন দেশজুড়ে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া বা পিএফআই বা PFI এর নানান দফতরে তল্লাশি চালায় এনআইএ বা ন্যাশান্যাল ইন্টলিজেন্স এজেন্সি বা NIA।

এই বিষয়ে আরও পড়ুনঃ ‘অপারেশন অক্টোপাস’, দেশজুড়ে পিএফআই এর দফতরে ফের হানা দিল এনআইএ

মঙ্গলবার দিল্লি থেকে আটক করা হয়েছে, সমাজকর্মী শাহিন কওসরকে। শাহিনবাগে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের, অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন এই কওসর। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনেও, তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, অসম, গোয়া, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশের নানা জায়গায় তল্লাশি চলেছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৭৫০ জনকে আটক করা হয়েছে, এই দুদিনের রেডে।

এই বিষয়ে আরও পড়ুনঃ ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে পিএফআই

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, PFI-এর শাখা সংগঠন, রেহাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন (RIF), ক্যাম্পাস ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (CFI), অল ইন্ডিয়া ইমামস কাউন্সিল (AIIC), ন্যাশনাল কনফেডারেশন অফ হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন (NCHRO), ন্যাশনাল উইমেন্স ফ্রন্ট, জুনিয়র ফ্রন্ট, এমপাওয়ার ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন এবং রেহাব ফাউন্ডেশন কেরলকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, PFI এবং তার সহযোগী ও শাখা সংগঠনগুলিকে বেআইনি ঘোষণা করা হল। UAPA-র আওতায়, ‘বেআইনি’ ঘোষিত হল ওই সংস্থা। কেন্দ্রের দাবি, PFI ও সহযোগী সংগঠনগুলি বেআইনি কাজকর্মে যুক্ত ছিল, যা দেশের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর। তাদের দ্বারা দেশের অন্দরে শান্তি এবং সা’ম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন