কালো পতাকা দেখানোয় বিক্ষোভকারীদের পেটানোর নির্দেশ দিলেন কানহাইয়া কুমার

393
কালো পতাকা দেখানোয় বিক্ষোভকারীদের পেটানোর নির্দেশ দিলেন কানহাইয়া কুমার/The News বাংলা
কালো পতাকা দেখানোয় বিক্ষোভকারীদের পেটানোর নির্দেশ দিলেন কানহাইয়া কুমার/The News বাংলা

কালো পতাকা দেখানোয় বিক্ষোভকারীদের পেটানোর নির্দেশ দিলেন কানহাইয়া কুমার। প্রার্থী হয়েই পেটানোর আদেশ দিচ্ছেন! সাংসদ হলে কি করবেন? উঠেছে প্রশ্ন। তবে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন কানহাইয়া কুমার।

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিও নিয়ে তোলপাড় বিহারের রাজনীতি। ছাত্রনেতা তথা সিপিআই প্রার্থী কানহাইয়া কুমারের নির্দেশে পেটানো হচ্ছে কালো পতাকা দেখানো বিক্ষোভকারীদের, এমনই দেখা গেছে ভিডিওতে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন কানহাইয়া কুমার।

আরও পড়ুনঃ সাতসকালে মায়ের হাতে প্রসাদ খেয়ে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

বিহারের বেগুসরাই লোকসভা কেন্দ্র থেকে সিপিআইয়ের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিতর্কিত ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমার। রবিবার নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন কানহাইয়া কুমার। তাকে ঘিরে স্থানীয়রা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়। এরপরেই কানহাইয়ার সভায় অংশ নেওয়া সমর্থকদের ক্ষোভ আছড়ে পড়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর।

কানহাইয়া সমর্থকরা স্থানিয়দের বাড়ি বাড়ি ঢুকে ভাংচুর চালায় এবং বিক্ষোভকারীদের পেটাতে শুরু করে৷ পুরো ঘটনায় কানহাইয়কে গাড়িতে বসে বিষয়টি পরিচালনা করতে দেখা যায়৷ স্থানীয় একজন প্রতিবাদ করতে এলে তাকেও ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় কানহাইয়া সমর্থকরা। এরপর পুলিশকে গিয়ে অবস্থার সামাল দিতে হয়।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ভোট শুরুতেই বোমা হামলা, বুথের কাছেই বোমা ফেটে গুরুতর আহত তৃণমূল নেতা

কানহাইয়াকে নিয়ে বিক্ষোভ এবারই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিক বার কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। গত সপ্তাহেই নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র বেগুসরাইয়ে জনসাধারণের প্রশ্নের সম্মুখীন হন তিনি৷ তাকে ঘিরে উত্তেজিত জনতা প্রশ্ন করেন, কিসের এবং কোন ধরনের আজাদি চাইছেন তিনি?

শুধু আজাদির প্রশ্নই নয়, অন্যান্য বিভিন্ন ইস্যুতেই কানহাইয়াকে প্রশ্ন করেন বিক্ষুব্ধ জনতা। মোদী সরকারের আনা অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়াদের জন্য ১০% সংরক্ষনের বিরোধিতা করছেন কেনো, সেই প্রশ্নও করা হয় তাকে। একের পর এক প্রশ্নবানে জর্জরিত হয়ে মুখের ভাষা হারিয়ে ফেলেন তিনি। জনতার মধ্য থেকে কানহাইয়াকে ‘দেশদ্রোহী’ বলেও সম্বোধন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ মঙ্গলবার তৃতীয় দফার ভোট, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে ভোট হবে বাংলায়

এক সময়ে ভিড়ের জনতার উদ্দেশ্যে কানহাইয়া প্রশ্ন করেন, তারা বিজেপির সমর্থক কিনা; কিন্তু সেই বিষয়ে জনতার তরফে বলা হয়, তারা নোটার সমর্থক। অনতিবিলম্বে কোনওক্রমে পাশ কাটিয়ে কানহাইয়ার গাড়ি বেরিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ভিডিও সামনে আসে। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু ছাত্র ছাত্রী কাশ্মীরের আজাদির পক্ষে শ্লোগান দিচ্ছে। শোনা যায় “ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে, ইনশাল্লাহ ইনশাল্লাহ” শ্লোগানও। সেই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন কানহাইয়া কুমার।

আরও পড়ুনঃ নিরাপত্তায় বুড়ো আঙুল, দ্বিতীয় হুগলী সেতুতে বাইক দাঁড় করিয়ে আড্ডা, দেদার ভিডিও

এরপরেই দেশদ্রোহীতার অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেফতার করা হয় কানহাইয়া কুমারকে। এদিন সেই শ্লোগানের ব্যাপারেও তাকে প্রশ্ন করে উত্তেজিত জনতা৷ পুলিশি জেরায় যদিও তখন কানহাইয়া জানিয়েছিলেন, কাশ্মীরের আজাদি নয়, দেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা থেকে আজাদি চান তিনি।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন