বিজেপি প্রার্থী জয়া প্রদার সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে দেশজুড়ে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খান। তার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন তার ভোট প্রচারের ওপর ৭২ ঘন্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আজম খানের পুত্র আবদুল্লাহ খানের দাবি, মুসলিম বলেই আব্বার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিজেপির হয়ে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে বলেও তোপ দাগেন আজম খানের পুত্র।
প্রিয়াঙ্কা বঢরাকে চোরের স্ত্রী হিসেবেই জানবে দেশবাসী, বিস্ফোরক উমা ভারতী
আবদুল্লাহ খান বলেন, আব্বা মুসলিম বলেই তার ভোট প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন৷ বিজেপির পক্ষে নির্বাচন কমিশন এক তরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তার দাবি। এই সংক্রান্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি নির্বাচন কমিশন আগে জানায়নি এবং দলিত ও মুসলিমদের কন্ঠরোধ করতেই নির্বাচন কমিশন কারসাজি করছে বলে বিতর্কিত মন্তব্য করেন আজম খানের পুত্র।
আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঝাঁটা মেরে এলাকা থেকে তাড়ানোর ফতেয়া তৃণমূল বিধায়ক ও মন্ত্রীর
আজম পুত্রের আরও অভিযোগ, বিজেপি মুসলিম মহিলাদের বোরখা পরতে বাধা প্রদান করছে, জয়া প্রদা তার আব্বা আজম খানকে অসুর বলে সম্বোধন করছে, অমর সিং তার আব্বাকে মারার চেষ্টা করছে; অথচ নির্বাচন কমিশন এই সব মন্তব্যের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিতে অসমর্থ হয়েছে। শুধুমাত্র নিরপেক্ষতা প্রমান করতে যোগী আদিত্যনাথের প্রচারের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বলে তিনি নির্বাচন কমিশনের ওপর তোপ দাগেন।
আরও পড়ুনঃ রাতের অন্ধকারে ভারতী ঘোষের বাড়িতে মমতার পুলিশ
রবিবার এক নির্বাচনী জনসভা থেকে আজম খান তার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা বলিউড অভিনেত্রী জয়া প্রদা সম্পর্কে নারীবিদ্বেষী মন্তব্য করেন, যার ফলে নিন্দার ঝড় ওঠে দেশ জুড়ে। সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবের সাথে একই মঞ্চে নির্বাচনী জনসভায় প্রচার চলাকালীন জয়া প্রদার সাথে আরএসএসের সম্পর্ক নিয়ে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ করেন আজম খান। তিনি বলেন, জনসাধারণ যা ১৭ বছরেও বুঝতে পারেননি, তা তিনি ১৭ দিনের মধ্যেই বুঝেছেন যে জয়া প্রদা খাকি রঙের অন্তর্বাস পরেন।
আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের প্রচার করায় ফেরদৌসকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের
এর পরেই বিজেপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে এই বক্তব্যের নিন্দা শুরু হয়। উত্তরপ্রদেশের রামপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি মুখপাত্র চন্দ্রমোহন এই বক্তব্যকে সমাজবাদী পার্টির নেতাদের নীচ মানসিকতা বলে উল্লেখ করেন। অখিলেশ এবং মায়াবতী কোন ধরনের নেতাদের সমর্থন করছেন, তা নিয়েও জোটকে প্রশ্ন করেন তিনি। আজম খানের বিরুদ্ধে বিজেপি ও জাতীয় মহিলা কমিশন অভিযোগ দায়ের করে। এরপরেই অভিযোগ খতিয়ে ব্যবস্থা নেয় নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবারই কমিশন ৭২ ঘন্টার জন্য আজম খানের ভোট প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
আরও পড়ুনঃ দেশকে চমকে দিয়ে লোকসভা নির্বাচনে রূপান্তরকামী রাধা
আরও পড়ুনঃ কোটি কোটি কালো টাকা উদ্ধারের পর ভোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন
আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।



















