কেন ধ’র্ম নিয়ে ‘সু’ড়সুড়ি’ দেওয়া সিনেমা তৈরি হয় বাংলায়, কাউকে ‘তু’ষ্ট’ করতেই কি

97
কেন ধর্ম নিয়ে 'সুড়সুড়ি' দেওয়া সিনেমা তৈরি হয় বাংলায়, কাউকে 'তুষ্ট' করতেই কি
কেন ধর্ম নিয়ে 'সুড়সুড়ি' দেওয়া সিনেমা তৈরি হয় বাংলায়, কাউকে 'তুষ্ট' করতেই কি

কেন ধ’র্ম নিয়ে ‘সু’ড়সুড়ি’ দেওয়া সিনেমা তৈরি হয় বাংলায়, কাউকে ‘তু’ষ্ট’ করতেই কি? পরপর দুটি বাংলা ফিল্ম, আর দুটি-তেই রয়েছে ধ’র্ম নিয়ে সু’ড়সুড়ি, এমনটাই অভিযোগ। তাই ব’য়কটের ডাক রাজ চক্রবর্তীর ‘ধর্মযু’দ্ধ’ ও ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত পরিচালিত ‘বিস’মিল্লা’ ফিল্ম দুটিকে। অন্যদিকে, এই দুই পরিচালকের ফ্যানরা আবার ব’য়কটের বিরুদ্ধে বলছেন। কিন্তু কেন বলিউডে ‘লাল সিং চাড্ডার’ মত ব’য়কটের ডাক দেওয়া হল, টলিউদের ‘ধর্মযু’দ্ধ’ ও ‘বিস’মিল্লা’ ফিল্ম দুটিকে?

রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘ধর্মযু’দ্ধ’ মুভিটিতে নাকি, হি’ন্দুদের উ’গ্রপ’ন্থী বলে প্রচার করা হয়েছে, এই অভিযোগ নিয়েই ফিল্মটিকে ব’য়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে। ফিল্মের টিজারে দেখা যাচ্ছে, অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী গীতার শ্লোক বলছে আর এক বৃদ্ধার গলায় অ’স্ত্র ধরেছে। আর সেখানেই আপত্তি অনেকের। কেন ভিলেন বা খলনায়কের চরিত্রে থাকে হি’ন্দুরা। সিনেমার শেষেও হি’ন্দু ধ’র্মকে তিরষ্কার ও উ’গ্রবা’দিদের ধ’র্ম বলা হয়েছে, এমনটাই অভিযোগ। সনাতন হি’ন্দু ধ’র্মের একজনকে ইস’লাম ধ’র্মে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে, সিনেমা শেষ হয়, এমনটাও অভিযোগ। যদিও সব অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, নির্মাতাদের তরফে।

অন্যদিকে বিস’মিল্লা ফিল্মে এক মুস’লিম যুবক-কে, কৃষ্ণ-রূপে দেখানো হয়েছে। এক হি’ন্দু মেয়ের সঙ্গে প্রেম দেখানো হয়েছে। সেটা নিয়েই আপত্তি অনেকেরই। ফলে, বিস’মিল্লা ফিল্ম-কেও বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে। অভিনেতা কৌশিক সেনের ছেলে ঋদ্ধি সেন নিজে এই ফিল্মের রিলিজ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, “যত ভাঙন তুলে নিক এ মন, বলতেই হবে বিস’মিল্লা”। আর তাতে আরও চটেছেন, সাধারণ মানুষের একাংশ।

একদল বলছে ফিল্ম বয়’কট করুন, আর একদল বলছে এটা ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, উগ্র-ধ’র্মীয় মানসিকতা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কেন ধ’র্ম নিয়ে ‘সুড়’সুড়ি’ দেওয়া সিনেমা তৈরি হয় বাংলায়, কাউকে ‘তুষ্ট’ করতেই কি? কাকে তুষ্ট করতে? রাজ্যের শাসক দলকে নাকি দলনেত্রিকে? কাকে তুষ্ট করতে, একটি বিশেষ ধর্মের মানুষকে সন্তুষ্ট করতে, গীতার শ্লোক বলে বৃদ্ধার গলায় অ’স্ত্র ধরা দেখানো হয়? মুস’লিম যুবক-কে, কৃষ্ণ রূপে দেখানো হয়।

ধ’র্ম নিয়ে কোন মানুষকে আ’ঘাত দেবার অধিকার কি কারোর আছে? হিন্দু যুবককে ‘নবী’ রূপে দেখিয়ে ফিল্ম বানাতে পারবেন ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত? বা ‘কোরান’ উচ্চারণ করে কারোর গলায় অ’স্ত্র ধরা দেখাতে পারবেন রাজ চক্রবর্তী? প্রশ্ন কিন্তু উঠেছে।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন