৪২টি কেন্দ্রে জেতানোর প্রার্থী নেই, অন্য দল থেকে আসা নেতার ভরসায় দিলীপ

543
৪২টি কেন্দ্রে জেতানোর প্রার্থী নেই, অন্য দল থেকে আসা নেতার ভরসায় দিলীপ/The News বাংলা
৪২টি কেন্দ্রে জেতানোর প্রার্থী নেই, অন্য দল থেকে আসা নেতার ভরসায় দিলীপ/The News বাংলা

“আমাদের ৪২টি কেন্দ্রে জেতানোর প্রার্থী নেই”, শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে স্বীকার করেই নিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ৪২ টি কেন্দ্রে বিজেপির যোগ্য প্রার্থী নেই, তাই অন্য দল থেকে আসা সাংসদ, বিধায়ক বা অন্যান্য হেভিওয়েটদের নিয়ে ভোট লড়বে বিজেপি, এই মন্তব্যই করলেন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূলের মন্তব্যেই শেষ পর্যন্ত শিলমোহর দিলেন দিলীপ ঘোষ।

শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যে কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের নাম যেভাবে রাজ্যের নামে চালানো হচ্ছে এবং কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ অর্থ কীভাবে হাইজ্যাক করছে তৃণমূল, সেই বিষয়ে সরব হন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল গড়ার টাকা দিচ্ছে মোদী সরকার, নাম হচ্ছে মমতা সরকার এর।

আরও পড়ুনঃ অর্জুনকে ওপেন চ্যালেঞ্জ অভিষেকের, দীনেশ ত্রিবেদীকে ২ লাখ ভোট জেতাব

রাজ্যের অপশাসন, তৃণমূলের দলীয় বিশৃঙ্খলা, লাগামহীন সন্ত্রাস, দুর্নীতি; এই সব ইস্যুতেই তৃণমূলকে এক হাত নেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে ভয় পাচ্ছেন। তাই জোরপূর্বক মানুষের গনতান্ত্রিক অধিকার হরণ করছেন তিনি।

বুধবার নির্বাচন কমিশনে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গকে স্পর্শকাতর ঘোষনার দাবি জানিয়েছিল বিজেপি নেতৃত্ব। তার প্রতিবাদে ধর্মতলায় ২ দিনের অবস্থান বিক্ষোভ করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এই পদক্ষেপকেও কটাক্ষ করেছেন দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

এরপরেই তাকে বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ এবং অন্য দল থেকে বিজেপিতে যোগদানের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি অকপটে স্বীকার করেন, ৪২টি কেন্দ্রে আসন দেওয়ার মতো প্রার্থী তাদের নেই। এক্ষেত্রে তাদের নির্ভর করতে হবে অন্য দল থেকে আসা নেতাদের ওপর। যোগ্য নেতার অভাবে ভুগছে দল, স্বীকার করে নিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির

রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বের মধ্যে এই প্রশ্ন বরাবরই ছিল যে, রাজ্য বিজেপির হয়ে হাল ধরার মতো উল্লেখযোগ্য নেতার উপস্থিতি নেই। উল্টে হাতে গোনা নেতারাই বারবার জড়িয়েছেন দলীয় কোন্দলে। এমনকী অন্য দল থেকে আসা নেতাদেরও কটাক্ষ করতে শোনা গিয়েছে দিলীপ ঘোষের গলায়। এই অবস্থায় ভোটের মুখে দিলীপ ঘোষের মুখে উঠে এল অন্য দল থেকে আসা নেতাদের ওপর নির্ভরশীলতার কথা।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

দক্ষিনপন্থী আদর্শে লালিত দল বিজেপি অন্য দল থেকে আসা নেতাদের নির্ভরশীলতায় কতটা আসন ঘরে তুলতে পারবে, তা যদিও ভোটেই প্রমানিত হবে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ যদিও ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, আদর্শের বিচার পরে হবে, আপাতত যেনতেন প্রকারেন ক্ষমতা দখলই লক্ষ্য।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।