“মুকুল রায় হাল ছাড়লেও, পিএসি চেয়ারম্যান পদ নিয়ে তৃণমূলের ‘বদমায়েশি’ থামছে না”

85
"মুকুল রায় হাল ছাড়লেও, পিএসি চেয়ারম্যান পদ নিয়ে তৃণমূলের 'বদমায়েশি' থামছে না"

“মুকুল রায় হাল ছাড়লেও; পিএসি চেয়ারম্যান পদ নিয়ে তৃণমূলের ‘বদমায়েশি’ থামছে না”; অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর। মুকুল রায় পদত্যাগ করলেও বিতর্ক অব্যহত; ফের ভোটের পর তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিজেপি বিধায়ক-কেই পিএসি চেয়ারম্যান করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান পদে মুকুল রায়ের ইস্তফা গ্রহণের দিনেই; রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর নাম চূড়ান্ত করল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা, এমনটাই সূত্রের খবর। তবে সরকারিভাবে মঙ্গলবার কৃষ্ণর নাম; রাজ্য বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেননি।

ঠিক কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়ের মতই অবস্থা; রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর। দুজনেই বিজেপির টিকিটে; রাজ্য বিধানসভা ভোটে যেতেন। কিন্তু ভোটে জেতার পরেই; বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। তাঁরা এখন তৃণমূল নেতা; কিন্তু অফিসিয়ালি বিধানসভায় তাঁরা বিজেপি বিধায়ক। কোন নিয়ম না থাকলেও; সাধারণত বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান হন বিরোধী দলের বিধায়করা। অলিখিত ভাবে এটাই চলে আসছে। আর এই নিয়মকেই এবার হাস্যকর বানিয়ে দিয়েছে; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ কলেজে অনলাইনে ভর্তি নয়, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য, ফের দুর্নীতির আশঙ্কায় শিক্ষাবিদরা

গেরুয়া শিবির আদলাতের শরণাপন্ন হতেই; পিএসি চেয়ারম্যান পদ থেকে মুকুল রায় ইস্তফা দেন। ফের নতুন করে পিএসি প্রার্থী নিয়ে; বিজেপি শিবিরে তৎপরতা শুরু হয়েছিল। কিন্তু বিজেপির বিধায়কদের উপর অনাস্থা প্রকাশ করে, বিজেপির টিকিটে জিতেও তৃণমূল শিবিরে যোগ দেওয়া; বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর নাম চূড়ান্ত করে ফের গেরুয়া শিবিরকে চাপে ফেলল বিধানসভা।

আরও পড়ুনঃ ‘হাজার-হাজার চাকরি রেডি আছে’, বাংলায় কর্মসংস্থান নিয়ে বিরাট বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতার

বিজেপি নেতাদের সঙ্গে মতভেদ হওয়ায়; ২০২১ সালের ১ অক্টোবর বিজেপি ছাড়েন বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। ২৬ দিন বাদে ২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর; তৃণমূল শিবিরে যোগ দেন রায়গঞ্জের বিধায়ক। যদিও সরকারিভাবে এখনও তিনি বিজেপির বিধায়ক।

সংবিধানে কোথাও নির্দিষ্ট করে বলা নেই যে; বিরোধী শিবিরের বিধায়ককেই লোকসভা বা বিধানসভায় পিএসি চেয়ারম্যান পদ দিতে হবে। কোথাও লেখা নেই, এই পদ শাসকদল নিজেদের কাউকে দিতে পারবে না। তবে যেহেতু বিরোধীদের এই পদ ছাড়া হয়; তাই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পরে বিজেপি থেকে তৃণমূল ফেরত বিধায়কদেরই চেয়ারম্যান করছে তৃণমূল।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন