দায় কার, আদালতের রায়ে স্কুল শিক্ষিকা বরখাস্ত হতেই বিয়ে ভেঙে পালাল প্রেমিক

112
দায় কার, আদালতের রায়ে স্কুল শিক্ষিকা বরখাস্ত হতেই বিয়ে ভেঙে পালাল প্রেমিক
দায় কার, আদালতের রায়ে স্কুল শিক্ষিকা বরখাস্ত হতেই বিয়ে ভেঙে পালাল প্রেমিক

বিয়ে ভাঙার দায় কার, আদালতের রায়ে স্কুল শিক্ষিকা বরখাস্ত হতেই; বিয়ে ভেঙে পালাল প্রেমিক। আদালতের নির্দেশে, প্রাথমিক শিক্ষিকার চাকরি থেকে বরখাস্ত হতেই; ভাঙন প্রেমের সম্পর্কেও। চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া প্রেমিকার সঙ্গে; দেখা করতেই নারাজ প্রেমিক যুবক। প্রতিবাদে প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসলেন ওই প্রেমিকা; কোচবিহারের নিশিগঞ্জের ঘটনা। এই বিয়ে ভাঙার দায় কার? উঠে গেছে প্রশ্ন।

সোমবার আদালতের নির্দেশ মত, পাঁচ বছরের পুরনো চাকরি হারানোর খবর; পেয়েছিলেন মাথাভাঙার বাসিন্দা ওই যুবতী। এরপরই নিশিগঞ্জে প্রেমিকের সঙ্গে; দেখা করতে চান তিনি। প্রথম দিকে রাজি না হলেও, প্রেমিকার চাপে দেখা করতে; বাড়িতে আসতে বলেছিলেন যুবক। তবে এরপরেও শুরু হয় আসল খেলা; নিশিগঞ্জ গ্রামে যুবকের বাড়িতে এসে তিনি দেখে সে বেপাত্তা। এমনকী, তার পরিবারের কেউই বাড়িতে নেই; ওই সময় বাড়িতে ছিলেন শুধু ওই যুবকের মাসি। তাঁর কাছ থেকে বারবার খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেও, কিছুই জানতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েন; সদ্য সরকারি স্কুলের শিক্ষিকার চাকরি হারানো প্রেমিকা।

আরও পড়ুনঃ প্রাথমিকে বরখাস্তের তালিকায়, পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতির দুই মেয়ে

বাড়ি ফিরে এসেও, ওই যুবককে ফোনে বারবার যোগাযোগ করলেও; তিনি আর ফোন তোলেননি। এরপরেই বিয়ের দাবিতে; ধর্নায় বসেছেন প্রেমিকা। তরুণী জানান, ওই যুবকের সঙ্গে ছয়মাস ধরে; সম্পর্ক রয়েছে তার। কিন্তু চাকরি চলে গিয়েছে জানতে পেরেই; যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে ওই যুবক। নিশিগঞ্জ এলাকায় কলেজে অশিক্ষক কর্মী ওই যুবকের; কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের দাবি, ঘটকের মাধ্যমে এই পাত্রীর সঙ্গে সম্বন্ধ করছিল যুবকের পরিবার; কোন প্রেমের সম্পর্ক ছিল না; এখন যুবককে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ চোর ডাকাত নয়, ‘মানসিক অবসাদগ্রস্থ পুলিশ’ খুঁজতে এবার আসরে নামল লালবাজার

কলকাতার হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে; বাংলায় একসঙ্গে চাকরি গেছে ২৬৯ জন প্রাথমিক শিক্ষকের। প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতে; সিবিআই নির্দেশও দিয়েছে হাইকোর্ট। ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষার ভিত্তিতে, ২০১৭ সালে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ যে দ্বিতীয় নিয়োগ তালিকা প্রকাশ করে; তা সম্পূর্ন বেআইনি বলে জানিয়েছে আদালত। এই শিক্ষকরা আর নিজেদের স্কুলে; প্রবেশ করতে পারবেন না; ফেরত দিতে হবে ৫ বছরের মাইনে।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন