বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত গুড়াপ, আক্রান্ত পুলিশ

425
বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত গুড়াপ, আক্রান্ত পুলিশ/The News বাংলা
বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত গুড়াপ, আক্রান্ত পুলিশ/The News বাংলা

রাজ্যে ফের সাম্প্রদায়িক অসন্তোষ। রণক্ষেত্র গুড়াপ থানা এলাকা। বিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে এই রণক্ষেত্র চেহেরা। পরে যোগ দেয় গ্রামবাসীরা। থানা লক্ষ্য করে; চলতে থাকে ইঁটের বৃষ্টি। পরিস্থিতি সামলাতে; ব্যবহার করা হয় কাঁদানি গ্যাস। ঘটনাকে ঘিরে; অবস্থান বিক্ষোভ শুরু হয় গুড়াপ ও ধনেখালিতে।

একটি তদন্তের কাজে যাওয়ার সময়; পুলিশের গাড়ি আটক করে গেরুয়া দলের সদস্যরা। পুলিশ জানান; এই ঘটনা ঘিরেই শুরু হয় ধস্তাধস্তি। গ্রামবাসীরা পিস্তল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশের থেকে। পরিস্থিতি সামলাতে গুলি চালাতে বাধ্য হয় পুলিশ। ধস্তাধস্তির জন্যই গুলিতে আহত হন; এক বিজেপি সমর্থক। চুঁচুড়ার ইমামবাড়া হাসপাতালে; তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানান পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রক্ষার দায় বামেদের নেই

অশান্তি শুরু হয় বুধবার রাতেই। গুড়াপের এক বিজেপি সমর্থক; বাউল দাস আক্রান্ত হন ওই রাতে। গ্রামবাসীরা জানান; ‘জয় শ্রী রাম’ বলায়; বাউল দাসকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে তৃণমূলের দুষ্কৃতিরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই ব্যক্তি; ইমামবাড়া হাসপাতালে ভর্তি। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষের তদন্ত করতে গিয়েই আক্রান্ত হয় পুলিশবাহিনী।

আরও পড়ুনঃ জনতার অসন্তোষে আক্রান্ত শাহরুখকে, মমতার ক্ষতিপূরণ কি নাম ধর্ম দেখে, প্রশ্ন বিজেপির

স্থানীয় বিজেপি নেতা জানান; গুড়াপের বাথানগরিয়া মোড়ে দলের এক সমর্থকের; বাইক আটক করে জেরা শুরু করে পুলিশ। সেখান থেকেই ক্ষোভ ছড়াতে থাকে। পুলিশের গাড়ি ঘিরে চলতে থাকে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ। পুলিশের দুটো গাড়িতে ভাঙচুর চালায় তাঁরা। এই বিক্ষোভ আটকাতেই গুলি চালাতে বাধ্য হয় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিজেপি নেতা; রাজু ব্যানার্জী বলেন; “পুলিশ প্রশাসনকে দলদাস করে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী”। অন্যদিকে দিকে পাল্টা অভিযোগ করেন তৃণমূল বিধায়ক। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পাঠানো হয় বিশাল পুলিশবাহিনী।

ক্ষিপ্ত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করা হয় তিন পুলিশ কর্মীকে। গুরাপ ও তার পার্শ্ববর্তি এলাকায়; বৃহস্পতিবার দফায় দফায় অবস্থান বিক্ষোভ চালায় বিজেপি। শেষ খবর অনুযায়ী; এখনও অবরোধ চলছে।