কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধির খবর আসবে ভারতী ঘোষের কাছে, ফের বাহিনী বিতর্ক

348
কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধির খবর আসবে ভারতী ঘোষের কাছে, ফের কেন্দ্রীয় বাহিনী বিতর্ক/The News বাংলা
কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধির খবর আসবে ভারতী ঘোষের কাছে, ফের কেন্দ্রীয় বাহিনী বিতর্ক/The News বাংলা

কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধির খবর আসবে ভারতী ঘোষের কাছে, ফের কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিতর্ক। আর এই বিতর্কে বিজেপিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে তৃণমূল ও বামেরা।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর সব গতিবিধির খবর নাকি চলে আসবে ভারতী ঘোষের কাছে! এমনটাই বললেন ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। আর এই নিয়েই ফের রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে বাহিনী নিয়ে বিতর্ক। তুমুল সমালোচনা তৃণমূল ও বামেদের তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মমতা ও রাজনাথের স্বরাষ্ট্র দফতরের চরম সংঘাত

নিজের লোকসভা কেন্দ্র ঘাটালের দাসপুরে নির্বাচনী প্রচারে গ্রামবাসীদের বোঝাতে গিয়ে বির্তকিত মন্তব্য করলেন ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। শনিবার দাসপুর থানার তেমুয়ানিতে শিব শিতলা মায়ের পুজো দিয়ে ওই এলাকায় বাড়ি বাড়ি নির্বাচনী প্রচার সারছিলেন ভারতী ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে পুনরায় নির্বাচিত না করলে দেশ সংকটে পড়বে, মন্তব্য হেমা মালিনীর

সেই সময়ই তিনি গ্রামবাসীদের বোঝাচ্ছিলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে খবর গেলেই সে খবর উপর মহল মারফৎ তাঁর কাছেও পৌঁছে যাবে। এবার ভোটে বুথে বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীই তাই তারা যেন ভয় না পায়। তারা যেন নির্ভয়ে ভোট দেয়।

আরও পড়ুনঃ মোদীর ব্রিগেড সভার অনুমতি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দিল সেনা

ভারতী ঘোষের এই মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দুই যুযুধান দল তৃণমূল ও সিপিএম উভয় দলেরই জেলা সদর দপ্তর থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে। হাতিয়ার করা হয়েছে ভারতী ঘোষের এই মন্তব্য।

আরও পড়ুনঃ ২৩ মে নয়, ভোটের ফল পিছতে পারে আরও ৬ দিন জানাল নির্বাচন কমিশন

জেলা তৃণমূল সভাপতি অজিত মাইতি সাফ বলেন, “আমি তো আগেই ঘাটালের জনসভায় বলেছিলাম বিজেপি কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাথে হাত মিলিয়ে দিল্লি দখলের চেষ্টায় আছে। সেই গোপন আঁতাত আজ প্রকাশ্যে এল”।

আরও পড়ুনঃ মদ বিক্রিতে ১০ হাজার কোটি টাকার সর্বকালিন রেকর্ড গড়ল মা মাটি মানুষের সরকার

অপর দিকে সিপিএমের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা কমিটির সম্পাদক তরুণ রায় বলেন, রাজ্যে তৃণমূলের হাতিয়ার রাজ্য পুলিশ। আর কেন্দ্রের ক্ষমতায় থাকা বিজেপি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হাতের মুঠোয় রেখে ভোট করাবে এটাই দেশের চরম লজ্জা,গনতন্ত্রের অপমৃত্যু।

আরও পড়ুনঃ সেনার খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা তেজ বাহাদুর বারাণসীতে প্রার্থী মোদীর বিরুদ্ধে

বিজেপির তরফ থেকে এই সব অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, “মানুষ যাতে শান্তিতে ভোট দিতে পারে তার জন্যই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কথা বলেছেন ভারতী ঘোষ”। তবে সবমিলিয়ে ফের কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সরগরম রাজ্য ভোট রাজনীতি।

আরও পড়ুনঃ পাক জঙ্গিদের সাহায্যকারি দেশের বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন