চাকরি ছাঁটাইয়ের পর এবার গ’ণপি’টুনি, বাংলার প্রাথমিক শিক্ষকদের একি হাল

71
চাকরি ছাঁটাইয়ের পর এবার গ'ণপি'টুনি, বাংলার প্রাথমিক শিক্ষকদের একি হাল
চাকরি ছাঁটাইয়ের পর এবার গ'ণপি'টুনি, বাংলার প্রাথমিক শিক্ষকদের একি হাল

চাকরি ছাঁটাইয়ের পর এবার গ’ণপি’টুনি; বাংলার প্রাথমিক শিক্ষকদের একি হাল। এবার প্রাইমারি ছাত্রীকে ধরে টানাটানি; জামাকাপড় ছিঁড়ে কু’প্রস্তাব; প্রাথমিক শিক্ষককে গ’ণধো’লাই। দুদিন আগেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়; চাকরি গেছে ২৬৯ জন প্রাথমিক শিক্ষকের। লজ্জায় মুখ ঢাকছে বাংলা। এবার আরও ভ’য়াবহ ঘটনা। প্রাথমিক শিক্ষকের কাছেও; তবে কি সুরক্ষিত নয় ছাত্রী? নতুন করে প্রশ্ন উঠছে বাঁকুড়া জেলার ঘটনায়।

প্রাথমিকে যেন প্রতিদিন নতুন নতুন লজ্জা; উপহার দিচ্ছেন শিক্ষকরা। এবার তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লী’লতাহা’নি করার অভিযোগে; এক প্রাথমিক স্কুল শিক্ষককে গ’ণপি’টুনি দিলেন অভিভাবকরা। বাঁকুড়ার রঘুনাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘটনা; চমকে দিয়েছে গোটা রাজ্যকে। অভিভাবকদের প্রশ্ন তবে কি শিক্ষকদের কাছেও; সুরক্ষিত নয় ছোট্ট ছাত্রীরা? ইতিমধ্যেই পুলিশ ওই অভিযুক্ত শিক্ষককে; আটক করে তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুন; ‘হাইকোর্টে বিপ্লব’, আজ আবার যুগান্তকারী রায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই না’বালিকার বাড়ি; কোতুলপুরের ডিঙ্গেররন এলাকায়। বাঁকুড়ার রঘুনাথপুর এলাকায়, একটি প্রাথমিক বিদ্য়ালয়ে; তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে ৮ বছরের ওই ছাত্রী। মঙ্গলবার মিড-ডে মিলের সামগ্রী নিতে; সে স্কুলে গিয়েছিল। অভিযোগ তখনই মুরারি মোহন মণ্ডল নামে ওই শিক্ষক ছাত্রীটিকে দেখে; ফাঁকা স্কুলে নানান ইঙ্গিত করেন বলে। অভিযোগ, তাকে কু’প্র’স্তাব দিয়ে একটু পাশে ডেকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে; ও গায়ে হাত দিয়ে শ্লী’লতাহা’নি করে। তার জামা-কাপড়ও টেনে ছিঁড়ে দেওয়ার; চেষ্টা করা হয় ওই শিক্ষকের তরফ থেকে।

আরও পড়ুন; ২০১৪ সালে পোলিও মুক্ত দেশের স্বীকৃতি পায় ভারত, বাংলার মেটিয়াবুরুজে পোলিও হানা

এরপরই বাড়িতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়ে; ওই না’বালিকা ছাত্রী। এনিয়ে পরিবারের লোকজন তাকে জিজ্ঞাসা করতেই; সে গোটা ব্যাপারটি খুলে বলে। স্কুল ফাঁকা থাকার সুযোগে, তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীর উপরেই লা’লসা মেটাতে চেয়েছিল ওই শিক্ষক; অভিযোগ এমনটাই। বুধবার এনিয়ে স্কুলে গিয়ে প্রতিবাদ জানান অভিভাবকরা; এরপরই শুরু হয় গ’ণপি’টুনি। বেধ’ড়ক মা’রে অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই শিক্ষক।

আপাতত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ওই শিক্ষককে; পুলিশ এনিয়ে খোঁজখবর শুরু করেছে। ছাত্রীর অভিভাবকরা, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে; থানায় অভিযোগ করেছে। কি হচ্ছে বাংলার প্রাথমিক শিক্ষায়; মান কি এতই নেমে গেছে? এই ঘটনায় চমকে গেছে; গোটা বাংলার মানুষ।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন