সব সম্ভব, পরীক্ষা দেবার ২৪ বছর পর স্কুল শিক্ষকের চাকরি পেলেন শাসক দলের বিধায়ক

334
সব সম্ভব, পরীক্ষা দেবার ২৪ বছর পর স্কুল শিক্ষকের চাকরি পেলেন শাসক দলের বিধায়ক
সব সম্ভব, পরীক্ষা দেবার ২৪ বছর পর স্কুল শিক্ষকের চাকরি পেলেন শাসক দলের বিধায়ক

সব সম্ভব, পরীক্ষা দেবার ২৪ বছর পর; স্কুল শিক্ষকের চাকরি পেলেন শাসক দলের বিধায়ক। ২৪ বছর আগে ১৯৯৮ সালে; সরকারি স্কুলে শিক্ষক হবার আবেদন করেছিলেন তিনি। পরীক্ষায় পাশ করে ইন্টারভিও দেন; কিন্তু চাকরি পাননি। তারপর রাজনীতিতে যোগ দিয়ে; এখন তিনি রাজ্যের বিধায়ক। ৫৪ বছর বয়সি এই বিধায়কই, ২৪ বছর আগে স্কুল শিক্ষক পদে চাকরি পাওয়ার জন্য; আবেদন জানিয়েছিলেন। সম্প্রতি এই বিধায়কের নামই; শিক্ষক নিয়োগের যোগ্য চাকরি প্রার্থীদের তালিকায় উঠেছে।

আদালতে মামলা, আইনি জটিলতা এবং দুর্নীতির কারণে; বছরের পর বছর স্কুলের চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাজার হাজার যোগ্য চাকরি প্রার্থী। এই ঘটনা বাংলার ক্ষেত্রে অতি পরিচিত ঘটনা। তবে দক্ষিণী রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলাঙ্গানাতেও; এই দৃশ্য নতুন কিছুই নয়। বিগত ২৪ বছর ধরে সেখানে শিক্ষক নিয়োগ ঝুলে; বিভিন্ন জটিলতার জেরে। এই আবহেই, ২৪ বছর পর এক চাকরি প্রার্থীর নাম এল যোগ্যদের তালিকায়; এবং সেই প্রার্থী আজ অন্ধ্রপ্রদেশের শাসক দলের বিধায়ক!

আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্রে সরকার গড়ছে বিজেপি, শিবসেনা বি’দ্রোহী বিধায়করা পৌঁছে গেলেন মহারাষ্ট্র থেকে অসমে

সরকারি চাকরি না পেয়ে, আন্দোলন করতে করতে; রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন করনম ধর্মসারি। ৫৪ বছর বয়সি এই বিধায়ক ২৪ বছর আগে স্কুল শিক্ষক পদে; চাকরি পাওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন, পরীক্ষায় পাশ করে ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন। সম্প্রতি এই বিধায়কের নামই, শিক্ষক নিয়োগে চাকরি প্রার্থীদের তালিকায় উঠেছে। বর্তমানে তিনি ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সদস্য; রাজ্যের শাসক দলের বিধায়ক।

আরও পড়ুনঃ দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি আদিবাসী নেত্রী দ্রৌপদী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ জোটের প্রার্থী ঘোষণা

অন্ধ্রপ্রদেশের বিধায়ক করনম ধর্মসারি বলেন, “আমি রাজ্যের শিক্ষা বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে; একটি ফোন পাই সোমবার। তিনি বলেন যে সরকারের প্রকাশিত নয়া তালিকা অনুসারে; ১৯৯৮ সালের শিক্ষকের চাকরির জন্য যোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে আমার নাম ছিল। এরপরে, আমার সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী বেশ কয়েকজন বন্ধুর কথা হয়। আমি আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েছিলাম”।

ধর্মসারি আরও বলেন, “সেই সময় আমার বয়স ছিল ৩০; কংগ্রেস নেতা ওয়াই এস রাজশেখর রেড্ডির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, আমি রাজনীতিতে আসি। এখন চাকরি পাবার খবরে অন্যরকম অনুভুতি হচ্ছে”।