প্রতারণা মামলায় আমির খানের সঙ্গে যোগ, তৃণমূলের এক মন্ত্রী এবং এক কাউন্সিলরের

78
প্রতারণা মামলায় আমির খানের সঙ্গে যোগ, তৃণমূলের এক মন্ত্রী এবং এক কাউন্সিলরের
প্রতারণা মামলায় আমির খানের সঙ্গে যোগ, তৃণমূলের এক মন্ত্রী এবং এক কাউন্সিলরের

প্রতারণা মামলায় আমিরের সঙ্গে যোগ, তৃণমূলের এক মন্ত্রী এবং এক কাউন্সিলরের। ফের বিপদে তৃণমূল। ১৭ কোটির গার্ডেনরিচ প্রতারণা মামলায়, ধৃত আমির খানের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল পোর্ট-এলাকার রাজ্যের এক মন্ত্রী এবং তৃণমূলের এক কাউন্সিলরের। এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি-র। ইডির দাবি, তাদের তদন্তে আমির কাণ্ডে, বন্দর এলাকার এক তৃণমূল মন্ত্রী ও এক তৃণমূল কাউন্সিলরের নাম উঠে এসেছে।

এক তৃণমূল কাউন্সিলর ও রাজ্য মন্ত্রিসভার এক দাপুটে মন্ত্রীর নাম উঠে এসেছে আমির খানের প্রতারণা চক্রের সঙ্গে। আমিরের পরিবারের এক সদস্য, মন্ত্রী ও কাউন্সিলরের সঙ্গে সর্বদা যোগাযোগ রাখতেন। গার্ডেনরিচের ব্যবসায়ী আমির খানকে গ্রেফতার করেছে, কলকাতা পুলিশ। শুক্রবার রাতে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ থেকে, গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে।

আরও পড়ুনঃ প্রাথমিকে ফের শিক্ষক নিয়োগ, পুজোর আগেই প্রাথমিক টেট পরীক্ষার ঘোষণা

তল্লাশি চালিয়ে গার্ডেনরিচে আমিরের বাড়ি থেকে, ১৭ কোটিরও বেশি নগদ টাকা উদ্ধার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই ঘটনার সময় থেকেই, বেমালুম গা ঢাকা দিয়েছিলেন আমির। মোবাইল গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগের তদন্তে নেমে, গার্ডেনরিচের শাহি আস্তাবল গলি, পার্ক স্ট্রিট, মোমিনপুরের বন্দর এলাকা, নিউটাউন-সহ শহরের ছটি জায়গায় গত ১০ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে অভিযান শুরু করেছিল ইডি।

আমিরের ঘরের খাটের তলা থেকে বান্ডিলের পর বান্ডিল, নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল। ইডি সূত্রের দাবি, নিউটাউনে আমিরের এক বান্ধবীর নামে ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাটে, শতাধিক মোবাইলের সিমকার্ড উদ্ধার হয়েছিল। সেগুলি যাচাই করেই বন্দর এলাকার, ওই প্রভাবশালী তৃণমূল কাউন্সিলারের কথা জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আমলার মামলা লড়তে রাজ্যের খরচা কোটি কোটি টাকা, মমতার গোঁয়ার্তুমি

তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, ওই কাউন্সিলারের সঙ্গে মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী এক মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তদন্তকারী এক অফিসার জানান, “মন্ত্রিসভার ওই প্রভাবশালী সদস্যের সঙ্গে যে আমিরের যোগাযোগ রয়েছে, তদন্তে সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু একটি ‘মিসিং লিঙ্ক’ বা ছিন্নসূত্র ছিল।

আমিরের সঙ্গে ওই মন্ত্রীর সরাসরি কোনও যোগ স্পষ্ট হচ্ছিল না। ইডির দাবি, আমির যে ওই কাউন্সিলরের মাধ্যমেই মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন, সেটা পরিষ্কার। সরাসরি নয়, ওই কাউন্সিলরও আমিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন, পরিবারের এক সদস্যের মাধ্যমে। ফলে, ফের বড় সমস্যায় তৃণমূল।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন