“লাখখানেকের মধ্যে ৫০-১০০টা ভুল হতেই পারে”, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে সাফাই মুখ্যমন্ত্রীর

69
"লাখখানেকের মধ্যে ৫০-১০০টা ভুল হতেই পারে", শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে সাফাই মমতার

“লাখ খানেকের মধ্যে ৫০-১০০টা ভুল হতেই পারে”; শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে এবার সাফাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে; একের পর এক মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। ইতিমধ্যেই তার জেরে রীতিমতো বিপাকে পড়েছে; রাজ্যের শাসক দল তথা রাজ্য সরকার। তৃণমূল কংগ্রেসের বহু নেতার নামেই; নিয়োগ সম্পর্কিত দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জেরা চলছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়; ও বর্তমান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর। এবার সেই দুর্নীতি মামলা নিয়ে; বি’ষ্ফোরক মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শিক্ষক নিয়োগে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে; গিয়েছে মমতার মন্ত্রী-কন্যার চাকরি। আড়াইশোর উপরে প্রাথমিকে চাকরি যাওয়ার তালিকা। বিরোধীরা হইচই করলেও মুখ খোলেননি; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায়; “লাখখানেক চাকরির মধ্যে ৫০-১০০টা কেস ভুল হতেই পারে”। এর পাশাপাশি ঘাসফুল শিবিরের নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গ টেনে এনে; মুখ্যমন্ত্রী মমতা কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। নাম না করেই নন্দীগ্রামের বিধায়কের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কটাক্ষ; “এই ছেলেগুলোর চাকরি চলে গেলে; যাঁদের চাকরি দাদামণি দিয়েছেন, তাঁদের কী হবে”?

আরও পড়ুনঃ গভীর চক্রান্তের জাল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসা পশ্চিমবঙ্গের আজ জন্মদিন

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে, এদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন; “এক লক্ষ চাকরি দিতে গিয়ে একশোটা ভুল হতেই পারে; তা শুধরে নিতে হবে, এবং সময় দিতে হবে। বেকারদের আমরা চাকরি দেব; তাতে যদি কোনও সমস্যা হয়, তা মিটিয়ে নিতে হবে”।

শুভেন্দুর নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন; “আর যে দাদামণি চাকরি দিয়েছেন; তাঁর হিসেব কে নেবে? সিবিআই তাঁদের ধরবে না? মেদিনীপুর থেকে মুর্শিদাবাদ হয়ে উত্তর দিনাজপুর; সেই সব জায়গায় দাদামণি চাকরি দিয়েছেন। পুরুলিয়া জেলায় চাকরি দেননি; বঞ্চিত করেছিলেন ওঁদের। আমার বাড়িতে এসেছিলেন; চাকরি দিয়েছিলাম”।

আরও পড়ুনঃ “অগ্নিবীরদের নিয়োগ করব আমার কোম্পানিতে”, দেশজোড়া বিতর্কের মধ্যেই ঘোষণা শিল্পপতির

মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় দাঁড়িয়ে; একহাত নিয়েছেন গেরুয়া শিবিরকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করে যারা লাফাচ্ছে; সেই বিজেপির এমপি এমএলএ-রাও ছাড় পাবেন না। বড় বড় কথা, সিবিআই-ইডি-র ভয় দেখাচ্ছেন। এটা ত্রিপুরা নয় যে; ১০ হাজার চাকরি খেয়ে নিয়েছে”।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন