সন্ত্রাসদমনে মোদীর সমকক্ষ ছিলেন না মনমোহন, বিষ্ফোরক স্বীকারোক্তি শীলা দীক্ষিতের

410
সন্ত্রাসদমনে মোদীর সমকক্ষ ছিলেন না মনমোহন, বিষ্ফোরক স্বীকারোক্তি শীলা দীক্ষিতের/The News বাংলা
সন্ত্রাসদমনে মোদীর সমকক্ষ ছিলেন না মনমোহন, বিষ্ফোরক স্বীকারোক্তি শীলা দীক্ষিতের/The News বাংলা

সত্য কথাটা কি স্বীকার করেই নিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত। “সন্ত্রাস দমনে মোদীর সমকক্ষ ছিলেন না মনমোহন”, বিষ্ফোরক স্বীকারোক্তি শীলা দীক্ষিতের। আর এর জেরেই কংগ্রেসের তরফ থেকেই লোকসভা ভোটের আগে বিজেপিকে বড় অস্ত্র তুলে দেওয়া হল বলেই মনে করছেন কংগ্রেস নেতারাই। আর শীলা দীক্ষিতের এই বক্তব্যকেই ভোটের হাতিয়ার করেছে বিজেপি নেতারা।

আরও পড়ুনঃ মা মাটি মানুষ এখন শুধুই মানি মানি মানি

পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হানার পর থেকে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তুলধোনা করতে ছাড়ছে না, ঠিক তখনই উল্টো পথে গিয়ে বিষ্ফোরক মন্তব্য করলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত। সন্ত্রাসদমনে নরেন্দ্র মোদীর ভুমিকার প্রশংসা করেই সমালোচনা করলেন নিজের দলের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীরই।

আরও পড়ুনঃ অর্জুনের হাত ধরে বারাকপুর লোকসভা ছিনিয়ে নিতে পারে বিজেপি

দেশের প্রথম শ্রেনীর একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে শীলা দীক্ষিত জানান, “বিগত ইউপিএ আমলের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সন্ত্রাসবাদের সাথে আপোষ করেছিলেন। তিনি সন্ত্রাসবাদ দমনে নরেন্দ্র মোদীর মতো কঠোর পদক্ষেপ নেননি”।

আরও পড়ুনঃ অর্জুনকে ওপেন চ্যালেঞ্জ অভিষেকের, দীনেশ ত্রিবেদীকে ২ লাখ ভোট জেতাব

শীলা দীক্ষিতের এই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই তুমুল অস্বস্তিতে পড়েছে কংগ্রেস। যদিও সন্ত্রাসবাদ দমনে মোদীর অবস্থান অনেকটা রাজনৈতিক স্বার্থেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন। কিন্তু এই মন্তব্য চাপা পরে যায় নরেন্দ্র মোদীর ভুমিকার প্রশংসার কথাতে।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

আজ বৃহস্পতিবার এক জাতীয় স্তরের সংবাদমাধ্যমের তরফে শীলা দীক্ষিতকে ২৬/১১ মুম্বাই হামলার বিষয়ে তৎকালীন ইউপিএ সরকারের অবস্থানের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়। তখনই তিনি মন্তব্যে জানান, “সন্ত্রাসবাদ দমনে মনমোহন সিংহের দৃঢ়তার অভাব ছিল, কিন্তু সন্ত্রাসবাদ দমনে নরেন্দ্র মোদী কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন”। যদিও তার অনেকটাই তিনি রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুনঃ মিছিল মিটিং করতে মমতার পুলিশ প্রশাসন আর আটকাতে পারবে না বিজেপিকে

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ২৬শে নভেম্বর মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসবাদী হানায় প্রায় ১৭০ জনের মৃত্যু হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে তখন পাকিস্তানের ওপর প্রত্যাঘাতের অনুমতি চাওয়া হলেও আসন্ন ২০০৯ লোকসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভাবাবেগের কথা মাথায় রেখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং প্রত্যাঘাতের অনুমতি দেননি।

আরও পড়ুনঃ লাস্যময়ী নুসরত ও সুন্দরী মিমিই এবার মমতার চমক

সম্প্রতি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হানায় ৪৯ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন। তারপরেই সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয় সরকারের তরফে। তার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা। পাকিস্তানের বিপক্ষে একের পর কূটনৈতিক স্তরে আক্রমণ করে মোদী সরকার।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির

আর এই সব নিয়েই সন্ত্রাসদমনে মোদীর প্রশংসা করতে গিয়ে নিজের দলের প্রধানমন্ত্রীরই সমালোচনা করেন কংগ্রেসের সিনিয়ার নেতা ও দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত। আর এই মন্তব্য যেমন কংগ্রেসকে বেজায় অস্বস্তিতে ফেলেছে তেমনি ভোটের মুখে বিজেপির হাতে বড় অস্ত্র তুলে দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন
আরও পড়ুনঃ প্রচুর চমক, রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন