বৃষ্টির সন্ধ্যায় “চপ তেলেভাজা মুড়ি খাবই”, জেলে জোর আবদার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

79
বৃষ্টির সন্ধ্যায়
বৃষ্টির সন্ধ্যায় "চপ তেলেভাজা মুড়ি খাবই", জেলে জোর আবদার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

বৃষ্টির সন্ধ্যায় “চপ তেলেভাজা মুড়ি খাবই”; জেলে জোর আবদার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। ইডি হেফাজতে থাকাকালীনই খাবার নিয়ে; পার্থ নানারকম আবদার করছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। এবার প্রেসিডেন্সি জেল হেফাজতেও, খাওয়া নিয়ে নানান ‘বায়না’ জুড়েছেন; তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা-মন্ত্রী। সোমবার বৃষ্টির সন্ধ্যের তার জোর বায়না; “চাই তেলেভাজা চপ মুড়ি”। ডাক্তার-দের অনুমতি নিয়ে; খানিকটা বাধ্য হয়েই পার্থর সেই আবদার মেটাল প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ। জেলের মাটিতে বসে; জমিয়ে চপ-মুড়ি-তেলেভাজা খেলেন পার্থ।

১৪ দিনের ইডি হেফাজত শেষে; গত শুক্রবার থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঠিকানা হয়েছে জেল। আর প্রেসিডেন্সি জেলে বাকি সমস্যার মধ্যে; সব থেকে প্রধান হয়ে উঠেছে জেলের খাবার। ‘খাদ্যরসিক’ পার্থর জেলের খাবার, আর মুখে রুচছে না। তার ওপর জেল কর্তৃপক্ষ তাঁকে দিচ্ছে; শুধুই ডায়াবেটিক খাবার, পদ। জেলজীবনের চতুর্থ দিনে, অবশেষে কাটল সেই একঘেয়েমি। সোমবার রীতিমতো বায়না ধরে, জেলের ক্যান্টিন থেকে চপ, বেগুনি, মুড়ি আনিয়ে দেদার খেলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

বাংলায় আওয়াজ উঠে গেল, ‘এই গরু চোর’, ‘এই চাকরি চোর’

প্রেসিডেন্সি জেল সূত্রে খবর, সোমবার বিকেল হতেই; জেলে চপ-মুড়ির আবদার করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই সেই আবদার নাকচ হয়ে যায়; কিন্তু পার্থবাবু নাছোড়বান্দা। চপ-তেলেভাজা-মুড়ি, তাঁর চাই-ই-চাই। অবশেষে জেলের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন; প্রেসিডেন্সি জেলের আধিকারিকরা। শেষ পর্যন্ত অনুমতি মেলায়, জেলের ক্যান্টিনে তৈরি চপ-তেলেভাজা ও মুড়ি পান পার্থ। তৃপ্তি করে সেগুলি খান, প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়; হাঁফ ছাড়েন জেল আধিকারিকরা।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন