ফণীর ক্ষয়ক্ষতির জন্য রাজ্যকে টাকা দিতে চেয়েছিলাম, নিলেন না মমতা, জানালেন মোদী

770
প্রধানমন্ত্রীকে মানেন না, তাই ফনী নিয়ে মোদীকে তথ্য দিতে নারাজ মমতা/The News বাংলা
প্রধানমন্ত্রীকে মানেন না, তাই ফনী নিয়ে মোদীকে তথ্য দিতে নারাজ মমতা/The News বাংলা

ফণীর ক্ষয়ক্ষতির জন্য রাজ্যকে টাকা দিতে চেয়েছিলাম; নিলেন না মমতা; তমলুকে জানালেন নরেন্দ্র মোদী। মুখ্যমন্ত্রী মমতার অহঙ্কারের জন্যই ফণীর ক্ষতিপূরণ পেল না বাংলা; পরিষ্কার জানালেন মোদী। অন্যদিকে গোপীবল্লভপুরে মমতাও একহাত নেন মোদীকে।

ফণীর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ডাকা বৈঠক বাতিল; মমতা বা রাজ্য সরকারের কোন আমলা বৈঠকে গেলেন না। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

আরও পড়ুনঃ ব্যারাকপুরে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে মারপিটে মুখ ফাটল বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের

মুখ্যমন্ত্রীকে বাদ দিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও অন্যান্য আমলাদের নিয়ে বৈঠক; আর তাই মোদীর সিদ্ধান্তকেই বাতিল করে দিল মা মাটি মানুষের সরকার; গোপীবল্লভপুরে পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন স্বয়ং মমতাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফণী নিয়েও রাজনীতি করছেন; দাবী নরেন্দ্র মোদীর।

সাইক্লোন ক্ষতিগ্রস্থ পরিস্থিতি নিয়ে ওড়িশা সরকারের সঙ্গে গতকালই আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার কলাইকুণ্ডায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে ফণী নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু নির্বাচনের কাজে সরকারি আমলারা ব্যস্ত; বলে এই বৈঠক বাতিল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।

আরও পড়ুনঃ রমজানে ভোটের সময় পরিবর্তনের দাবিকে নস্যাৎ নির্বাচন কমিশনের

সোমবার তমলুকে নির্বাচনী জনসভায়; নরেন্দ্র মোদী সরাসরি অভিযোগের আঙুল তোলেন মমতার দিকেই। মোদীর অভিযোগ; রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে; ভোটের কারণে সবাই ব্যস্ত তাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে থাকতে পারবেন না রাজ্য সরকারের কোন প্রতিনিধি। বলাই যায়; ফণী পরবর্তী সময়েও রাজ্য বনাম কেন্দ্র সংঘাত শুরু হল।

যদিও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে; ফণী ঘুর্ণী ঝড়ে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে বিষয়ে জানতে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে একবারও ফোন করার সৌজন্য দেখাননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুনঃ একেই বলে একাই একশো, ১০০ ভোট দিলেন তৃণমূল নেতা মহারাজা নাগ

রাজ্য সরকারের এই অভিযোগের পরই; প্রধানমন্ত্রী দফতরের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়; তারা দুবার নবান্নে ফোন করে জানিয়েছিলেন যে; প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে চান। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত থাকার কারণে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

তারপরই বাংলার রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলে; ফণী পরবর্তী অবস্থায় খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার রাজ্যে দুটি জায়গাতে নির্বাচনী জনসভা করবেন মোদী। তমলুকে এই জনসভা থেকেই মমতাকে ফণী নিয়েও তোপ দাগেন মোদী। বললেন, মমতা অহঙ্কার রাজ্যের মানুষকে ফণীর ক্ষতি থেকেও মুক্তি দিল না। এরপরেই মোদীকে একহাত নেন মমতা।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন