“নিজের কপ্টার খরচও কেন্দ্র থেকে চেয়েছেন, মোদীর টাকায় ফুটানি”, বিস্ফোরক দিলীপ

167
"নিজের কপ্টার খরচও কেন্দ্র থেকে চেয়েছেন, মোদীর টাকায় ফুটানি", বিস্ফোরক দিলীপ
Simple Custom Content Adder

“নিজের কপ্টার খরচও কেন্দ্র থেকে চেয়েছেন; মোদীর টাকায় ফুটানি”; ফের বিস্ফোরক বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। এবার ফের নিশানা করলেন; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে। তৃণমূল-বিজেপি বা শাসক বিরোধী তরজা লেগেই রয়েছে রাজ্যে। কেন্দ্রের কাছ থেকে কয়েক হাজার কোটি বকেয়া টাকা পাওয়া বাকি রাজ্যের; সম্প্রতি নবান্নে এই তথ্য জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল নবান্নর সভাঘর থেকে ফের; ‘রাজ্যের চিঠিতে কেন্দ্রের কুলুপ’ প্রসঙ্গে মোদী সরকারকে তোপ দাগেন তিনি। এবার সেই ইস্যুতেই তৃণমূল সুপ্রিমোকে পাল্টা বিঁধলেন; বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

শুক্রবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন; “রাজ্যের বকেয়া রয়েছে নাকি? দিল্লির কাছে আমিও জানতে চাইছি; ৯৭ হাজার কোটি টাকার হিসেব এল কোথা থেকে? ৪৩ হাজার কোটি টাকা আমফান সহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য; এটা যে মমতার মনগড়া তা নয় বোঝা গেল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেলিকপ্টারে চড়ে যে খরচ করেছেন; সেই খরচও দাবি করছেন সেই হিসেবে। পার্টির লোককে সরকারি পয়সায় পুষবে; আর সেই টাকা দিল্লি দেবে? কেন? অন্য রাজ্য তো কান্নাকাটি করে না; কেন টাকা নেই টাকা নেই বলে। এসব দাবি খালি এই রাজ্যে। সবসময় মোদিজীর টাকায় ফুটানি মারবেন; আর দিল্লির প্রকল্প নিজের নামে চালাবেন। বাংলার মানুষ কি বুঝতে পারেনা এসব”।

পাশাপাশি রামপুরহাট ও হাঁসখালির ঘটনায়; পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের ‘পুলিশমন্ত্রী’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি দিলীপ ঘোষ। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতির কথায়; “লজ্জা থাকা উচিত ওনার। ১১ বছর ধরে উনি পুলিশমন্ত্রী হয়ে কি করেছেন? প্রথমে বিরোধীদের ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। সফলও হয়েছেন। ওর কথা চলছে না, শুনছে না পুলিশ; তাহলে তো ওনার পদত্যাগ করা উচিত। পার্টিতেও কমিটি করেও লাভ হচ্ছে না; কথা কেউ শুনছে না ওর”।

এখানেই থেমে থাকেননি দিলীপ ঘোষ। রাজ্যের হিংসা, তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে তিনি বলেন; “বাংলা অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়; বাংলাদেশে অপরাধ করে এসে এখানে আশ্রয় নিচ্ছে। পাঞ্জাবে অপরাধ করে এসে; বাংলায় লুকোচ্ছে। এটা একটা টেরো-রিস্টদের হাব হয়ে গেছে। সমাজবিরোধী এবং গুন্ডাদের হাব বাংলা। এখানকার সরকার কতটা অকর্মণ্য; এর থেকেই প্রমাণ হচ্ছে”।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন