‘পরীক্ষা দিতে হয় না, টাকা দিলেই চাকরি নিশ্চিত’, রঞ্জনের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস

99
'পরীক্ষা দিতে হয় না, টাকা দিলেই চাকরি নিশ্চিত', রঞ্জনের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস
'পরীক্ষা দিতে হয় না, টাকা দিলেই চাকরি নিশ্চিত', রঞ্জনের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস

‘পরীক্ষা দিতে হয় না, টাকা দিলেই চাকরি নিশ্চিত’; রঞ্জনের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বর্ণিত ‘বাগদার রঞ্জন’কে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ‘বাগদার রঞ্জন’কে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি; তাকে হেফাজতে নিয়েও জেরা করতে পারবে সিবিআই; নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। দুর্নীতিতে অভিযুক্ত এই রঞ্জনের আসল নাম চন্দন মণ্ডল; বলে আদালতে জানিয়েছেন মামলাকারীর আইনজীবী। তদন্তে সহযোগিতা না পেলে এবং সিবিআই প্রয়োজন মনে করলে; চন্দনকে হেফাজতে নিতে পারবে বলেও জানিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

কে এই রঞ্জন ওরফে চন্দন মণ্ডল?‌ উপেন বিশ্বাসের ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা গিয়েছে; জনৈক ‘রঞ্জন’ প্রাথমিক–উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বিক্রি করেন। প্রাথমিকের জন্য ১০ লক্ষ এবং উচ্চ প্রাথমিকের জন্য ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা; করে নেন ওই ‘রঞ্জন’। মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য; ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দর উঠেছে। চাকরি না পেলে; টাকা ফেরত দেন বলেও সুখ্যাতি। ‘রঞ্জন’ অত্যন্ত ‘সৎ’ ব্যক্তি; কারণ তাঁকে টাকা দিয়ে কেউ চাকরি পাননি এই অভিযোগ নেই বলেই জানান উপেন বিশ্বাস।

আরও পড়ুনঃ আওতায় সব প্রতিবেশী দেশ, অগ্নি-৪ এর সফল পরীক্ষা করল ভারত

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে সরব হন উপেন; তাঁর ফেসবুক পোস্ট কোর্টের নজরে আনেন মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। ২০১৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য যে টেট হয়েছিল; তাতে ৮৬ জন পরীক্ষার্থী পাশ না করেও প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি করছেন বলেই অভিযোগ। চন্দন মণ্ডলের নাম উল্লেখ না করলেও; জনৈক ‘বাগদার রঞ্জন’-কে এই দুর্নীতির হোতা বলে উল্লেখ করেছিলেন উপেন।

আরও পড়ুনঃ ‘ভারতকে বয়কট’, কোন দেশের হিম্মত নেই, গবেটদের গল্পের গরু গাছে উঠেছে

আগামী ১৫ জুনের মধ্যে সিবিআই-কে এই নিয়ে; রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মামলায় ‘রঞ্জন’-এর সঙ্গে পার্টি করা হয়েছে; রাজ্য়ের প্রাক্তন অনগ্রসর এবং শ্রেণিকল্যাণ মন্ত্রী উপেন বিশ্বাস-কেও। সৌমেন নন্দী নামে এক চাকরিপ্রার্থী; প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মামলা করেছিলেন। তাঁর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানান; ৮৭ জনকে বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছে; সেই দুর্নীতির মামলাতেই চন্দনের নাম উঠে আসে। এবার শুরু হল; সেই নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত; ইতিমধ্যেই সপরিবারে বাগদার বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন চন্দন মণ্ডল।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন