শিক্ষার নামে স্লিপার সেল, বাংলায় দাপট বাড়ছে আল কায়দা জ’-ঙ্গি সংগঠনের

115
বাংলায় দাপট বাড়ছে আল কায়দা জ ঙ্গি সংগঠনের
বাংলায় দাপট বাড়ছে আল কায়দা জ ঙ্গি সংগঠনের

শিক্ষার নামে স্লিপার সেল, বাংলায় দাপট বাড়ছে আল কায়দা জ’-ঙ্গি সংগঠনের। দিনে দিনে বাংলা হয়ে উঠছে জ’ঙ্গিদের ঘাঁটি, এমনটাই উঠে আসছে গোয়েন্দাদের তদন্তে। গত মাসে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের মাণ্ডি এলাকা থেকে গ্রেফতার হয় হাসনত শেখ। সেখানে শিক্ষকতার নামে সে, ভারতীয় আল কায়েদা বা ‘আকিস’-এর (AQIS) স্লিপার সেল চালাত বলে গোয়েন্দাদের অভিযোগ। হাসনত শেখকে জেরা করে জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে আল কায়দার যে সব সদস্য ও নেতারা চোরাপথে এই রাজ্যে আসত, হাসনত তাদের এই রাজ্যে থাকার ব্যবস্থা করে দিত। শুধু তাই নয়, সেই সব জ’ ঙ্গিদের জাল ভারতীয় পরিচয়ও তৈরি করে দিত সে। সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে এইভাবে, বহু জ’ ঙ্গি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে জাল পরিচয়ে।

জুলাইয়ে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ গ্রেফতার করে, বাংলাদেশী জ’ঙ্গি সংগঠন ও ভারতীয় আল কায়েদার নেতা ফয়জল আহমেদকে। বাংলাদেশ থেকে পলাতক ওই জ’ঙ্গির ফাঁ’সির আদেশও জারি করেছে বাংলাদেশের আদালত। চোরাপথে এই রাজ্যে প্রবেশ করে, পরিচয় বদলে শহিদ মজুমদার নাম নিয়ে সে চলে যায় বেঙ্গালুরুতে। বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের কাছ থেকে একটি মোবাইল নম্বর পেয়ে এসটিএফের গোয়েন্দারা তদন্ত করতে শুরু করেন। সেই নাম্বারটি ছিল বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা শহিদ মজুমদারের। তদন্ত করে গোয়েন্দারা নিশ্চিত হন যে, ওই শহিদ মজুমদারই আসলে এবিটি তথা আল কায়েদা জ’ঙ্গি নেতা ফয়জল আহমেদ।

আরও পড়ুনঃ বাংলার মিডিয়া রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ দেখায়, মোমিনপুর, মেটিয়াবুরুজ দেখাতে পারে না

ফয়জলকে জেরা করেই হাসনত শেখের সন্ধান মেলে উত্তরপ্রদেশে। পুলিশের জেরার মুখে হাসনত স্বীকার করে যে, বাড়িতে সে লুকিয়ে রেখেছে আকিস বা আল কায়েদার কার্যকলাপের বহু নথি, যেগুলি একটি পেন ড্রাইভেই বন্দি রয়েছে। এসটিএফ আধিকারিকরা হানা দেন মালদহের কালিয়াচকে সুজাপুর এলাকার নাজিরপুর গ্রামে তার বাড়িতে। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় ওই পেন ড্রাইভ।

পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, কলকাতার আশপাশের কয়েকটি জেলায় মডিউল তৈরি করেছে আল কায়েদার জ’ঙ্গিরা। ওই পেন ড্রাইভ থেকে ভারতের কোন রাজ্যে কতজন যুবককে, ভারতীয় আল কায়েদা জ’ঙ্গি সংগঠনে নিয়োগ করা হয়েছে, বা দেশের বাইরে কোনও জায়গায় পাঠানো হয়েছে কি না, সেই তথ্য জানা চেষ্টা হচ্ছে। বেশ বিপদে বাংলা।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন