মমতার হুশিয়ারির পরে, পুলিশের সামনেই আন্দোলনকারী ডাক্তারদের উপর ফের বহিরাগত হামলা

515
মমতার হুশিয়ারির পর, পুলিশের সামনেই আন্দোলনকারী ডাক্তারদের উপর হামলা/The News বাংলা
মমতার হুশিয়ারির পর, পুলিশের সামনেই আন্দোলনকারী ডাক্তারদের উপর হামলা/The News বাংলা

নতুন করে তীব্র উত্তেজনা শুরু হল এনআরএস হাসপাতালে। মুখ্যমন্ত্রী মমতার হুশিয়ারির পরে, পুলিশের সামনেই; আন্দোলনকারী ডাক্তারদের উপর বহিরাগত হামলা। লাঠি, হকি স্টিক নিয়ে ডাক্তারদের আন্দোলনে; ঝাঁপিয়ে পরে কিছু দুষ্কৃতী। এত কাণ্ডের পরেও ডাক্তারদের উপর হামলার ঘটনায়; নতুন করে প্রশ্নের মুখে প্রশাসন।

এবার পরিষেবা চালুর দাবিতে বেশ কিছু বহিরাগত; তীব্র বিক্ষোভ শুরু করেছে হাসপাতালে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে; হাসপাতালের গেট বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। লাঠি, হকি স্টিক নিয়ে ডাক্তারদের আন্দোলনে; ঝাঁপিয়ে পরে কিছু দুষ্কৃতী। ফের আহত হয়েছেন একজন জুনিয়ার ডাক্তার।

আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতার হুঁশিয়ারির প্রতিবাদে এবার গণ ইস্তফা ডাক্তারদের

পরিষেবা চালুর দাবিতে বহিরাগতরা; তীব্র বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বহিরাগতদের হাতাহাতি লেগে যায়। গোটা এনআরএস চত্বরে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ, বোতল ও ইট ছুড়ছে বহিরাগতরা। তারা গেট দিয়ে জোর করে ঢুকে; জুনিয়র ডাক্তারদের উপর হামলা চালায়। অভিযোগের তীর তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দিকেই।

অন্যদিকে জুনিয়র ডাক্তারদের দেওয়া; মুখ্যমন্ত্রীর সময়সীমাও শেষ। তাও কর্মবিরতি কাটিয়ে কাজে ফেরেননি জুনিয়র ডাক্তাররা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সিনিয়র চিকিৎসকদের কাছে; সরাসরি চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছেন মমতা। রাজ্যের প্রবীণ চিকিৎসক ও অধ্যাপকদের চিঠি দিয়ে; হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর।

আরও পড়ুনঃ এসএসকেএমে মেজাজ হারালেন মমতা, বিজেপির উত্থানেই কি বিপর্যস্ত

এনআরএস হাসপাতালে পুলিশের সামনেই; জুনিয়র ডাক্তারদের উপরে চড়াও হয় একদল বহিরাগত। সহকর্মী পরিবহ মুখোপাধ্যায়কে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে; নীলরতন সরকার হাসপাতালে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেই অবস্থান বিক্ষোভেই হকি স্টিক নিয়ে; হামলা চালাল কয়েকজন বহিরাগত যুবক।

জুনিয়র ডাক্তারদের বিক্ষোভে; বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল হাসপাতালের সবকটি প্রবেশপথ। সকালে রোগীর পরিজনদের অনুরোধে; এমারজেন্সি গেটের একটা পাল্লা খোলা হয়েছিল। সেই গেট দিয়েই বিকালে; পুলিশের সামনেই হকি স্টিক নিয়ে; অতর্কিতে হামলা করে কয়েকজন বহিরাগত যুবক। চলে ভাঙচুর।

কিন্তু বহিরাগত যুবকরা কারা? পুলিশের সামনেই তারা হামলা চালানোর সাহস পেল কোথা থেকে? আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের দাবি; তাঁদের প্ররোচনা দিতেই বহিরাগতরা এসেছিল। পাল্টা মারমুখী হলে জুনিয়র ডাক্তারদের কাঠগড়ায় তোলা হত। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে এক তৃণমূল কাউন্সিলরের দিকেই। তবে পুলিশ এই তথ্য উড়িয়ে দিয়েছে।