TMCLeaders – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 09 Sep 2022 05:26:03 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg TMCLeaders – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 এতকাণ্ডের পরেও কি, তৃণমূল নেতা মন্ত্রীদের ‘চাকরি চুরি’তে উৎসাহ দিলেন মমতা https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-encourages-tmc-leaders-ministers-to-steal-jobs-after-ssc-scam-said-opposition-leaders/ Fri, 09 Sep 2022 05:25:39 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16717 এতকাণ্ডের পরেও কি, তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের ‘চাকরি চুরি’তে উৎসাহ দিলেন মমতা? দলের প্রকাশ্য সমাবেশে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে উঠেছে বিতর্কের ঝড়। কি বলেছেন মমতা? বৃহস্পতিবার দলের সম্মেলনে মমতা বলেন, “কোন বিধায়ক, মন্ত্রী নিজেদের লেটারহেডে চাকরির অনুরোধ করবেন না। মুখে কথা বলুন। ফোনেও সব বলবেন না! হোয়াটস্অ্যাপও সব তুলে নিচ্ছে”। মমতার বক্তব্য, “জেলায় জেলায় আইবি-র লোকেরা বিজেপির। বিধায়কদের তো বিধানসভায় দেখা হচ্ছে। সাংসদদের সঙ্গেও মোটামুটি যোগাযোগ আছেই”।

কর্মী সম্মেলনে এমন কথাই বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসএসসি দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসার পরেও কি, ফের ‘চাকরি-চুরি’তে উৎসাহ দিলেন মমতা? মমতার এই বক্তব্যের পরেই প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি ও বাম নেতারা। কেন তৃণমূলের কোন বিধায়ক-মন্ত্রী, চাকরির জন্য চিঠি দেবেন? যাদের যোগ্যতা আছে, তারা পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পাবে! নেতারা বলবে কেন? উঠেছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের চক্রান্ত ফাঁস, সারদা মামলায় শুভেন্দু সুজনকে ফাঁসাতে চাপ দেবযানীকে

নিজেদের মধ্যে ফোনে কথা বলার বিষয়ে, দলের বিধায়ক-মন্ত্রীদের আরও বেশি সতর্ক হতে বললেন তৃণমূল-নেত্রী। সেই সঙ্গে নিজেদের লেটারহেডে কোনওরকম চাকরির সুপারিশের ক্ষেত্রেও, এবার নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন তিনি। মমতা কি এটাই প্রমাণ করে দিলেন, এতদিন তৃণমূল বিধায়ক-মন্ত্রীদের লেটারহেডেও চাকরি হয়েছে?

বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “তাহলে মমতা নিজেই স্বীকার করে নিলেন, তৃণমূল বিধায়ক-মন্ত্রীদের লেটারহেডেও চাকরি হয়েছে”। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “মমতা নিজেই ‘চাকরি-চুরি’র কথা স্বীকার করে, আরও চুরি করতে প্রশ্রয় দিলেন”।

]]>
বোলপুরে ‘খেলছে’ সিবিআই, তৃণমূল কাউন্সিলর সহ অনুব্রত ঘনিষ্ঠর বাড়িতে অভিযান https://thenewsbangla.com/cbi-raid-in-anubrata-mondal-close-tmc-leaders-at-bolpur-on-cow-smuggling-case/ Wed, 31 Aug 2022 05:22:24 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16542 বোলপুরে ‘খেলছে’ সিবিআই, তৃণমূল কাউন্সিলর সহ অনুব্রত ঘনিষ্ঠর বাড়িতে অভিযান। গরুপাচার কাণ্ডে ফের সিবিআই তল্লাশি বোলপুরে। বোলপুরে একযোগে তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ তিন অনুব্রত ঘনিষ্ঠের বাড়িতে, সাত-সকালে হানা সিবিআইয়ের। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বোলপুরের শুঁড়িপাড়ায়, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে হানা চার সিবিআই অফিসারের। কাউন্সিলরের বাড়ি ঘিরে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, চলছে তল্লাশি।

কাউন্সিলরের বাড়ির কিছুটা দূরে তৃণমূল কর্মী সুদীপ রায় ও বোলপুরের উকিল-পট্টিতে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ দোলনকুমার দে-র বাড়িতেও চলছে সিবিআই অভিযান। সিবিআই সূত্রে দাবি, গরুপাচার মামলার তদন্তে উঠে এসেছে, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ এই তিনজনের নাম। সেই কারণেই এই তল্লাশি, দাবি সিবিআই সূত্রে। তিনজনকে গ্রেফতারও করা হতে পারে, বলেই খবর। টানা ২ঘণ্টা তল্লাশির পর বাড়ি থেকে ‘আটক’, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন; খেলা হচ্ছে হাইকোর্টে, তৃণমূল আমলের সব প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের তথ্য তলব

পাশাপাশি এদিন অনুব্রত মণ্ডলের অ্যাকাউন্ট্যান্ট মনীশ কোঠারির বাড়ি-সহ, মোট ৪ জায়গায় একসঙ্গে হানা দিয়েছে সিবিআই। অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারের পর থেকেই গরু পাচার কাণ্ডের মূল শিকড়ে পৌঁছতে মরিয়া তদন্তকারী সিবিআই অফিসাররা। কেষ্ট ঘনিষ্ঠ একাধিক প্রভাবশালী, এই মামলায় সিবিআইয়ের নজরে।

তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বহু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সেই সব কিছুর ভিত্তিতেই চলছে এই তল্লাশি। এই পরিস্থিতিতেই বুধবার সাত-সকালে, বোলপুরে পৌঁছয় সিবিআইয়ের প্রতিনিধিদের চারটি দল। অনুব্রতকে গ্রেফতারের পর যে ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টও।

]]>
তৃণমূলের ১৯ জন নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তির পাল্টা, বাম বিজেপির ১৭ জন নেতার সম্পত্তি https://thenewsbangla.com/property-of-19-tmc-leaders-ministers-vs-property-of-17-left-bjp-leaders/ Thu, 18 Aug 2022 14:49:16 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16244 তৃণমূলের ১৯জন নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তির পাল্টা, বাম-বিজেপির ১৭জন নেতা-নেত্রীর সম্পত্তি। তৃণমূলের ১৯জন নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তি বৃদ্ধির মামলা নিয়ে, রাজ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। মামলা থেকে ইডি-কে বাদ দিতে, আদালতে আবেদন করেছেন তৃণমূলের মন্ত্রীরা। এবার বিরোধী দলের সাংসদ-বিধায়কদের বিরুদ্ধেও, সম্পত্তি বৃদ্ধির একটি নতুন জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। মামলায় বিরোধী বাম-বিজেপির মোট ১৭জন নেতা-নেত্রীর নাম রয়েছে।

তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি, বর্তমানে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে সিপিএম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ সেলিম ও কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নানের নামও। ওই তালিকায় তৃণমূলের দুই সাংসদেরও নাম রয়েছে। তাঁরা হলেন কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী এবং তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুনঃ যশবন্ত সিনহার পরে কি সুব্রহ্মণ্যম স্বামী, মোদীর ছাঁটাই করা নেতারা মমতার তৃণমূলে

হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছেন সুজিত গুপ্ত। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে, আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

তালিকায় রয়েছেন, হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টেপাধ্যায়, বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজকুমার ওরাওঁ, কোচবিহার দক্ষিণ বিধায়ক মিহির গোস্বামী, আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য, সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য, বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্ত, বিশ্বজিৎ সিংহ, অনুপম হাজরা, জিতেন্দ্র তিওয়ারি। আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে মামলাকারীর দাবি, ২০০৬-২০২১ সালের মধ্যে এদের সবার সম্পত্তি কয়েকশো গুণ বেড়েছে।

]]>
‘কেউ ছাড় পাবে না’, আদালতেও কি হাত জোড় করে হু’মকি দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/partha-chatterjee-threats-all-in-ed-court-today-ssc-scam-case/ Thu, 18 Aug 2022 09:41:00 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16226 ‘কেউ ছাড় পাবে না’, আদালতেও কি হাত জোড় করে হু’মকি দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ‘কেউ ছাড় পাবে না’, আদালতে তোলার পর বৃহস্পতিবার হাত জোড় করে, এমনটাই জানালেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতি শুনানিতে, চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী। ‘No Body Will Spare’, আদালত কক্ষ ছাড়ার আগে এদিন জানিয়ে গেলেন পার্থ।

ফের একবার আদালতে নিয়ে যাওয়া হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়-কে। ১৪ দিনের জেল হেফাজতের শেষে, এদিন আদালতে এসেই মুখ খুললেন পার্থ। হাত জোড় করে বললেন পার্থ, ‘কেউ ছাড় পাবেন না’। কাদের কথা বলছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়? কারা ছাড় পাবেন না? এই নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। তাহলে কি আদালতেও হাত জোড় করে হু’মকি দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়? না কি বললেন, “আমার মত কেউ ছাড় পাবে না’। আলোচনা শুরু হয়েছে সর্বত্র।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল সরকারের ১১ বছরে শিক্ষক নিয়োগ, পুরোটাই কলকাতা হাইকোর্টের নজরে

একটা মাত্র বাক্য, ‘No Body Will Spare’। আর তাই নিয়েই অনেক প্রশ্ন। ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে বৃহস্পতিবার, ইডি-র বিশেষ আদালতে পেশ করা হল পার্থ ও অর্পিতাকে। সেখানেই হাত জোড় করে বললেন পার্থ, ‘কেউ ছাড় পাবে না’। কাদের ছাড় পাওয়ার কথা বলছেন তিনি? বিচারক তাঁকে লকআপে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। ঠিক সেই সময়েই মুখ ঘুরিয়ে পার্থ বলেন, ‘কেউ ছাড় পাবে না’। আদালতে পেশ হয়েই এরকম ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যে, জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।

]]>
দাদা গরু চুরি কেসে সিবাআই হেফাজতে গেলেও, হু’মকি দেওয়া কমছে না তৃণমূল নেতাদের https://thenewsbangla.com/anubrata-mondal-in-cbi-custody-in-cow-theft-case-tmc-leaders-continue-to-threaten/ Sat, 13 Aug 2022 06:38:55 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16121 দাদা গরু চুরি কেসে সিবাআই হেফাজতে গেলেও, হু’মকি দেওয়া কমছে না তৃণমূল নেতাদের। রামপুরহাট, ইলামবাজারের পর এবার পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম। অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে, ফের হু’মকি ও শা’সানি তৃণমূল নেতাদের। শুধু বর্ধমানই নয়, বীরভূমেও একইরকম শা’সানি-হু’মকি, অনুব্রত অনুগামীদের মুখে। এক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার হু’মকি, “বিরোধীরা গুড়-বাতাসা বিলি করলে, পিঠে চড়াম-চড়াম ঢাক বাজবে”। একজন বলেছেন, “মাজা ভেঙে দেব বিরোধীদের”। কেউ বলছেন, “দেখে নেব”।

বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব ভট্টাচার্যর মুখে হু’ঙ্কার, “বিরোধীরা অনুব্রতকে নিয়ে অশা’লীন কথা বললে, পি’টিয়ে মাজা ভেঙে দেবে তৃণমূল”। ইলামবাজারে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক দুলাল রায়ের হু’মকি, “জেলায়-জেলায় অনুব্রতর ‘উত্তরসূরী’ আছে, তারা সব কড়ায়’গণ্ডায় বুঝিয়ে দেবে”। নেতা অনুব্রত গ্রেফতার হলেও, বীরভূমের নেতারা দমেননি, বরং সুর চড়িয়ে তাঁদের অনুব্রত স্টাইলেই হু’ঙ্কার, “বিরোধীরা গুড়-বাতাসা বিলি করলে, পিঠে চড়াম-চড়াম ঢাক বাজবে”।

আরও পড়ুনঃ ডিএ ‘ডেডলাইনের’ ৮ দিন আগে মা-মাটি-মানুষের ‘কারসাজি’, ক্ষুব্ধ সরকারি কর্মীরা

বর্ধমানের আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কার্যকরী সভাপতি অরূপ মিদ্যা, বিজেপি কর্মীদের হু’মকি দিয়ে বলেছেন, “যারা বিজয় উল্লাস করছে, আমাদের ছেলেদের বলে দিলে তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। পুলিশকে বলে দিয়েছি, সরকারটা এখনও তৃণমূলের। উনি যে বীজ বপন করেছেন, তাতে আমাদের নেতারাই এক-একজন অনুব্রত মণ্ডল”। এক নেতা চাকরি চুরি কাণ্ডে আর এক নেতা গরু চুরি কাণ্ডে ফেঁসে। তাতেও বিরোধীদের ভ’য় দেখানো কমছে না তৃণমূল নেতাদের।

]]>
ক্ষমতায় এসে সম্পত্তি বেড়েছে বহুগুণ, মামলায় গোয়েন্দাদের বাদ দিতে আদালতে মন্ত্রীরা https://thenewsbangla.com/tmc-leaders-property-increased-after-coming-to-power-tmc-ministers-in-court-to-exclude-ed-detectives/ Fri, 12 Aug 2022 12:58:04 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16106 ক্ষমতায় এসে সম্পত্তি বেড়েছে বহুগুণ, মামলায় গোয়েন্দাদের বাদ দিতে আদালতে মন্ত্রীরা। “আমরা চোর নই”, অথচ বেজায় ভয় গোয়েন্দাদের। “আমরা শুধুই রোজগার করেছি”, অথচ সেটা খতিয়ে দেখতে ইডি ঢুকলেই আপত্তি। শাসক দল তৃণমূলের ১৯ জন নেতার সম্পত্তি এত ব্যাপক হারে বাড়ল কি করে? এই সংক্রান্ত মামলায় এবার ডিভিশন বেঞ্চে হাজির তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীরা। দাবি, বাদ দিতে হবে ইডিকে। ইডিকে এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানালেন, মন্ত্রী অরুপ রায়, ফিরহাদ হাকিম এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

কী ভাবে অফিসিয়ালি এত ব্যপক হারে বাড়ছে, শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তি? প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ এক মামলাকারী। আবেদনে বলা হয়েছিল, ২০১১ সাল থেকে নেতা-মন্ত্রীদের নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, বেশ কয়েকগুণ বেড়েছে তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তি।

সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা করা হয়েছে তাতে নাম আছে, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মলয় ঘটক, স্বর্ণকমল সাহা, গৌতম দেব, ইকবাল আহমেদ, ব্রাত্য বসু, জাভেদ খান, অরূপ রায়, অমিত মিত্র, অর্জুন সিং, সব্যসাচী দত্ত, শিউলি সাহা, আবদুর রেজ্জাক মোল্লা, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

আরও পড়ুনঃ বাবাকে মেরেছিল ‘অনুব্রতর দল’, কেষ্টদার জন্য চোখে জল তৃণমূলে ‘গদি’ পাওয়া হৃদয়ের

২০১৭ সালে দায়ের হওয়া এই মামলায়, আগেই যুক্ত ছিল আয়কর দফতর। দুদিন আগে এই মামলার শুনানিতে, ইডি অর্থাৎ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট-কে পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। ইডিকে এই মামলায় যুক্ত করার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন, প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ।

এরপরেই সাংবাদিক সম্মেলন করে, নেতা-মন্ত্রীরা বলেন, “রোজগার করাটা কোন অন্যায় নয়। আমরা রোজগার করেছি, কোন দুর্নীতি নয়”। আর এদিন অস্বাভাবিক সম্পত্তি বৃদ্ধি মামলায়, আদালতের দ্বারস্থ রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং অরূপ রায়। কি কারণে?

অস্বাভাবিক সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত মামলায়, ইডি-কে বাদ দেওয়ার আর্জি জানান হয়েছে আদালতে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে, আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিন মন্ত্রী। রোজগার করেছি কোন দুর্নীতি নয়, কিন্তু কোন গোয়েন্দা সংস্থাকে এই মামলায় নেওয়া যাবে না, এটাই আবেদন।

]]>
তৃণমূল কি স্বীকার করেই নিল, “আমরা সবাই চোর” https://thenewsbangla.com/tmc-admits-we-all-are-thieves-tmc-protest-rally-against-ed-cbi-tmc-leaders-arrest/ Fri, 12 Aug 2022 05:03:42 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16082 তৃণমূল কি স্বীকার করে নিল, “আমরা সবাই চোর”। তৃণমূল কি স্বীকার করেই নিল, তারা সবাই চোর? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। দুদিন আগেই বিশ্বের প্রথম রাজনৈতিক দল হিসাবে প্রেস কনফারেন্স করে, দলের ৬ নেতা-মন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, পার্থ চোর, কিছু চোর, কিন্তু তৃণমূলের সবাই চোর নয়’। অনুব্রত গ্রেফতার হবার পরে কি, তারা বোকার মত স্বীকার করেই নিল, “আমরা সবাই চোর” ?? দলের কাজ তো তাই বলছে।

পথে নামছে তৃণমূল। দলের দুই হেভিওয়েট নেতা, পার্থ চট্টোপাধ্যায় আর অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে নয় কিন্তু। ইডি সিবিআই এর দ্বিচারিতার প্রতিবাদে, আজ পথে নামছে তৃণমূল। অর্থাৎ ইডি সিবিআই দুরকম কাজ করছে। তৃণমূলের চোরদের ধরছে আর বিজেপির চোরদের ধরছে না। অর্থাৎ ইডি সিবিআই একটা কাজ ঠিক করছে, অন্য কাজ ঠিক করছে না। এমনটাই অভিযোগ তৃণমূলের।

তৃণমূলের অভিযোগের তীর ইডি সিবিআই এর দ্বিচারিতার দিকে। পার্থ অনুব্রত ববি শোভন কুণাল মদনকে ধরছে, অভিষেককে ডাকছে, অন্যদিকে শুভেন্দু, মুকুল, শঙ্কু এদের ডাকছেও না, ধরছে না। সামনে তৃণমূল থাকলেই চোর ধরছে ইডি সিবিআই। সামনে বিজেপি থাকলে ধরছে না, এটাই ইডি সিবিআই এর দ্বিচারিতা।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের পর, সিবিআই ইডির নজরে বাংলার আইপিএস-আইএএস

এখন তৃণমূলের সুরে সুর মিলিয়ে সব অভিযোগ মেনে নিয়ে বলি, হ্যাঁ ইডি সিবিআই দ্বিচারিতা করছে। তারা ঠিকঠাক কাজ করছে না। সব চোরদের ধরা উচিত, দল না দেখেই। একদলের চোর ধরে ঠিক কাজ করছ, অন্যদলের চোর ধরেও ঠিক কাজটা করো, এই দ্বিচারিতা কেন? চোর তো চোরই, যে দলেই থাকুক।

কিন্তু তৃণমূল কি ভুলে গেছে, শুভেন্দু, মুকুল, শঙ্কু এরাও তো প্রথমে তৃণমূলেই ছিল। বিজেপির যাদের বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রধান অভিযোগ, তারা সবাই কিন্তু Made in TMC। চুরি করার সময় তারা তৃণমূলেই ছিল। অর্থাৎ তৃণমূল কিন্তু স্বীকার করে নিল, বর্তমান, প্রাক্তন, আদি, নব্য, সবাই চোর। এখন যেদিকেই থাকুক না কেন। বিষয়টা কি এরকমটাই দাঁড়াচ্ছে না?

আর এটা প্রমাণ করতেই, আজ থেকে দুদিন মাঠে নামবে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা আর তাদের দিদিমণি। যারা বোঝেইনি ইডি সিবিআই দ্বিচারিতা করছে বললে স্বীকার করে নেওয়া হয়, সব তৃণমূলী চোর।

]]>
তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের পর, সিবিআই ইডির নজরে বাংলার আইপিএস-আইএএস https://thenewsbangla.com/after-tmc-leaders-ministers-ips-ias-of-bengal-under-cbi-ed-scanner/ Thu, 11 Aug 2022 13:28:31 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16078 তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের পর এবার, সিবিআই-ইডির নজরে রাজ্যের বেশ কিছু আইপিএস-আইএএস অফিসার। নেতা-মন্ত্রীদের পর কয়লা-কেলেঙ্কারি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে, রাজ্যের ১৭জন আইপিএস-আইএএস অফিসার। এদের মধ্যে ১২জন আইপিএস ও ৫জন আইএএস অফিসার। এরা প্রত্যেকেই কয়লা-বেল্টের জেলাগুলিতে, কোন না কোন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। প্রাথমিক-ভাবে ৭জন আইপিএস-কে চলতি মাসেই তলব করা হয়েছে, তাঁদের দিল্লি গিয়ে ইডি সদর দফতরে হাজিরা দিতে হবে।

আইপিএসদের তলব তালিকায় রয়েছেন, রাজ্য পুলিশের ডিজি জ্ঞানবন্ত সিং। তাঁকে ডাকা হয়েছে, আগামী ২২শে আগস্ট। আইপিএস কোটেশ্বর রাওকে ডাকা হয়েছে ২৩শে আগস্ট। শ্যাম সিংকে ২৪শে আগস্ট। এলএম মিনাকে ২৫শে আগস্ট। সেলভা মুরুগনকে ২৬শে আগস্ট। সুকেশ জৈনকে ২৯শে আগস্ট। ভাস্কর মুখোপাধ্যায়-কে ডাকা হয়েছে ৩১শে আগস্ট। তাঁদের কাছে পৌঁছে গেছে নোটিস।

আরও পড়ুনঃ “তৃণমূল কোনওরকম দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয় না, অনুব্রত নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে দল”

কয়লা পাচার-কাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল ইডি। যে সময় কয়লা-পাচারের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছিল, সেই সময় এই পুলিশ আধিকারিকরা জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। যে সাত পুলিশকর্তাকে কয়লা-পাচার মামলার তদন্তে দিল্লিতে তলব করেছে ইডি, তাঁরা সকলেই কোনও না কোনও সময়ে আসানসোল, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া জেলায় কর্মরত ছিলেন। বাংলার কয়লাপাচার মামলার, মূল জায়গা এই অঞ্চলগুলিই।

কয়লা পাচার কাণ্ডে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে, একাধিক-বার দিল্লি ও কলকাতায় তলব করেছে ইডি। এখন দেখার পুলিশ আধিকারিকদের পর, অভিষেক-কে আবার ডাক পাঠায় কিনা।

]]>