UNESCO – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 01 Sep 2022 11:18:23 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg UNESCO – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, পাশে বসিয়ে তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/unesco-durga-pujo-cm-mamata-banerjee-recognized-tapati-guha-thakurta/ Thu, 01 Sep 2022 11:17:46 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16570 ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, পাশে বসিয়ে তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বীকৃতি চুরি গেছে, তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুরি করে নিয়েছেন স্বীকৃতি। এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। ইউনেস্কো থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। তাই ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার কলকাতায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হল, যার পুরোভাগে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আসল কৃতিত্ব যার, তিনি এই প্রচার থেকে অনেক-অনেক দূরে ছিলেন, তাঁর স্বীকৃতি গিয়েছে চুরি। অভিযোগ ছিল বিরোধীদের। কিন্তু বৃহস্পতিবার মঞ্চে পাশে বসিয়ে, তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

তপতী গুহঠাকুরতা, এঁনার চেষ্টাতেই কলকাতার দুর্গা পুজো, ২০২১ সালের ১৫ই ডিসেম্বর, ইউনেস্কোর শিল্প ঐতিহ্যবাহী উৎসবের তালিকা-ভূক্ত হয়েছে। ২০১৯ সালে তপতী গুহ ঠাকুরতা কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে দায়িত্ব পান, দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর মানবিক ঐতিহ্য মন্ডিত শিল্পের তালিকায় যুক্ত করার প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রামাণ্য চিত্র সংগ্রহ করে উপস্থাপনা করার জন্য।

আরও পড়ুনঃ ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, কেন্দ্রের তরফে আগেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত ছিল

কারণ ২০০৩ সাল থেকে তপতী গুহ ঠাকুরতা, বাংলায় দুর্গা পূজা নিয়ে গবেষণা করছিলেন। ২০১৫ সালে কলকাতার দুর্গা পুজোকে নিয়ে তাঁর লেখা, ‘ইন দ্যা নেম অফ গডেস; দ্যা দুর্গা পূজাস অফ কন্টেমপোরারি কলকাতা’, সমাদৃত হয়। স্বাভাবিক কারণেই কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতর, তাঁর ওপরই ভরসা রাখেন। খোদ প্রধানমন্ত্রীর দফতর, তাঁকে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রককে নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল ‘ছাত্রনেতা’ গিয়াসউদ্দীন থেকে বিট্টু, লজ্জার অন্ধকারে ডুবেছে বাংলার শিক্ষা

কুড়িটি ছবি ও একটি ভিডিওর সাহায্যে, কলকাতার দুর্গোৎসবের প্রামাণ্য শৈল্পিক ইতিহাস তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতরের সূত্র ধরে ইউনেস্কোর সংশ্লিষ্ট দফতরে পেশ করেন, যা শেষ পর্যন্ত আদায় করে নেয় কলকাতার জন্য এক বিরলতম সম্মান। কলকাতার দুর্গা পুজো হেরিটেজের তকমা পায়। মিথ্যা চিত্রনাট্যের উপর ভর করে, রেড রোডে ক্রেডিট নিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার, অভিযোগ ছিল বিরোধীদের।

এবার সেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে, মঞ্চে পাশে বসিয়ে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বীকার করে নিলেন, তাঁর অবদানের কথা। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজো উদ্যোক্তাদের সামনেই, জানিয়ে দিলেন তপতীর অবদানের কথা।

]]>
ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, কেন্দ্রের তরফে আগেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত ছিল https://thenewsbangla.com/unesco-durga-pujo-tapati-guha-thakurta-should-recognized-long-before-by-central-govt/ Thu, 01 Sep 2022 08:22:24 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16567 স্বীকৃতি চুরি গেছে, তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুরি করে নিয়েছেন স্বীকৃতি। এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। কিন্তু এই চুরির পিছনে কেন্দ্র সরকারের ভুমিকাও কিন্তু কম নয়। ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, কেন্দ্রের তরফে আগেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত ছিল। ইউনেস্কো থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। তাই ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার কলকাতায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার পুরোভাগে আছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আসল কৃতিত্ব যার, তিনি এই প্রচার থেকে অনেক-অনেক দূরে। তাঁর স্বীকৃতি গিয়েছে চুরি।

ভদ্রমহিলার নাম তপতী গুহঠাকুরতা। এঁনার চেষ্টাতেই কলকাতার দুর্গা পুজো, ২০২১ সালের ১৫ই ডিসেম্বর, ইউনেস্কোর শিল্প ঐতিহ্যবাহী উৎসবের তালিকা-ভূক্ত হয়েছে। ২০১৯ সালে তপতী গুহ ঠাকুরতা কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে দায়িত্ব পান, দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর মানবিক ঐতিহ্য মন্ডিত শিল্পের তালিকায় যুক্ত করার প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রামাণ্য চিত্র সংগ্রহ করে উপস্থাপনা করার জন্য।

কারণ ২০০৩ সাল থেকে তপতী গুহ ঠাকুরতা, বাংলায় দুর্গা পূজা নিয়ে গবেষণা করছিলেন। ২০১৫ সালে কলকাতার দুর্গা পুজোকে নিয়ে তাঁর লেখা, ‘ইন দ্যা নেম অফ গডেস; দ্যা দুর্গা পূজাস অফ কন্টেমপোরারি কলকাতা’, সমাদৃত হয়। স্বাভাবিক কারণেই কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতর, তাঁর ওপরই ভরসা রাখেন। খোদ প্রধানমন্ত্রীর দফতর, তাঁকে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রককে নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুনঃ ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাতে মমতার পদযাত্রা, ডাকাই হয়নি নেপথ্যের নায়িকা তপতীকে

কুড়িটি ছবি ও একটি ভিডিওর সাহায্যে, কলকাতার দুর্গোৎসবের প্রামাণ্য শৈল্পিক ইতিহাস তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতরের সূত্র ধরে ইউনেস্কোর সংশ্লিষ্ট দফতরে পেশ করেন, যা শেষ পর্যন্ত আদায় করে নেয় কলকাতার জন্য এক বিরলতম সম্মান। কলকাতার দুর্গা পুজো হেরিটেজের তকমা পায়।

কোন ঘর থেকে তপতী এসেছেন, তা কি জানে বাঙালি? সাংবাদিক পরঞ্জয় গুহ ঠাকুরতার বোন, প্রয়াত ইতিহাসবিদ হরি বাসুদেবনের স্ত্রী তপতী, বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডি ইন সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিরেক্টর প্রফেসর। প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রাক্তনী তপতী গুহ ঠাকুরতা অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ দুটি বিশ্ববিদ্যালয়েই গবেষণা করেছেন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘চার্লস ওয়ালেস ভিজিটিং ফেলোশিপ’ লাভ করেছেন। লন্ডনে ‘ইয়েল সেন্টার ফর ব্রিটিশ আর্টে’র ভিজিটিং ফেলো হয়েছেন।

সেই কৃতি মানুষটাকেই দায়িত্ব অর্পণ করেছিল, কেন্দ্রীয় তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর। কলকাতাকে বিশ্বের দরবারে যথাযথ-ভাবে উপস্থাপিত করে, তিনি হেরিটেজ তকমায় সম্মানিত করিয়েছেন। আজ তিনিই কোথাও নেই। তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তপতীর স্বীকৃতি চুরি করেছে, অভিযোগ বিজেপির। কিন্তু কেন্দ্র সরকার চাইলে, এই মানুষটির কৃতিত্ব বাংলার মানুষের কাছে অনেক আগে পৌঁছে দিতে পারত।

যে মিথ্যা চিত্রনাট্যের উপর ভর করে, রেড রোডে ক্রেডিট নিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার, তা অনেক আগেই বন্ধ করতে পারত মোদী সরকার। তপতী গুহঠাকুরতা-কে অনেক আগেই, সকলের সামনে আনতে পারলে রোখা যেত এই কৃতিত্ব চুরির খেলা। কেন্দ্র সরকার ইউনেস্কো থেকে স্বীকৃতি আনার জন্য সম্মানিত করলে, বাংলা ও ভারতের মানুষ অনেক আগেই জানতে পারত, তপতী গুহ ঠাকুরতার কর্মকাণ্ড। রাজ্যের পাশাপাশি কেন্দ্রও, তপতী গুহ ঠাকুরতাকে প্রচারের আলোয় আনার কোন চেষ্টাই করেনি।

]]>
ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাতে মমতার পদযাত্রা, ডাকাই হয়নি নেপথ্যের নায়িকা তপতীকে https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-durga-pujo-unesco-thanksgiving-rally-main-person-tapati-guha-thakurta-ignored/ Thu, 01 Sep 2022 07:12:10 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16564 ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাতে মমতার পদযাত্রা, ডাকাই হয়নি নেপথ্যের নায়িকা তপতীকে, এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। বাংলার দুর্গাপুজোর ইউনেস্কো হেরিটেজ স্বীকৃতি, তারই ধন্যবাদজ্ঞাপনে বৃহস্পতিবার সরকারি-ভাবে পদযাত্রা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে। কিন্তু যার গবেষণার জেরে, কলকাতার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো-র স্বীকৃতি, কেউ চেনেই না বাংলার সেই মেয়ে তপতীকে। তাঁকে কেন স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না? উঠেছে প্রশ্ন।

দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’, তপতীর কৃতিত্ব চু’রি গেল সংস্কৃতির বাংলায়। দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’র পিছনে, রাজ্য সরকার বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন ভুমিকাই নেই। রাজনীতিতে এটিকে বলে, অন্যের কৃতিত্ব নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া। এর পিছনে যিনি আছেন, তাঁর নাম তপতী গুহ ঠাকুরতা। কলকাতার দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো-স্বীকৃতি’ পাওয়ায় পুরো কৃতিত্ব, গবেষক তপতী গুহ ঠাকুরতার। অথচ পুরো কৃতিত্ব নিয়ে যাচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের।

আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’, কৃতিত্ব তপতী গুহ ঠাকুরতা না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

ইউনেস্কোর সঙ্গে যাবতীয় যোগাযোগ করেন, গবেষক তপতী গুহ ঠাকুরতা। ইউনেস্কোর ফর্ম-ফিলাপ থেকে দুর্গাপুজোর ভিডিও পাঠানো, মেল পাঠিয়ে সব জানানো, সবটাই করেছেন কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিস ইন সোশ্যাল সায়েন্সের ডাইরেক্টর-প্রফেসর তপতী, তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রফেসরও ছিলেন।

২০০৩ সাল থেকে দুর্গা পুজো নিয়ে, গবেষণা শুরু করেন তপতী। তিনি ইউনেস্কোর ফর্ম ফিলাপ করেন, ২০টি ছবি ও ১টি ভিডিও দিয়ে। তারপরেই, আবহমান অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিভাগে স্বীকৃতি পায়, কলকাতার দুর্গা-পুজো। যার পিছনে সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তপতী গুহ ঠাকুরতার। আজ তিনি কোথাও নেই।

]]>
দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’, কৃতিত্ব তপতী গুহ ঠাকুরতা না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের https://thenewsbangla.com/durga-pujo-unesco-recognition-tapati-guha-thakurta-behind-this-honor-not-mamata-banerjee/ Wed, 24 Aug 2022 06:03:41 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16369 দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’, তপতীর কৃতিত্ব চু’রি গেল সংস্কৃতির বাংলায়। দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’, এর পিছনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন ভূমিকাই নেই। দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’র পিছনে রাজ্য সরকার বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন ভুমিকাই নেই। রাজনীতিতে এটিকে বলে, অন্যের কৃতিত্ব নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া। এর পিছনে যিনি আছেন, তাঁর নাম তপতী গুহ ঠাকুরতা। কলকাতার দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’ পাওয়ায় পুরো কৃতিত্ব, গবেষক তপতী গুহ ঠাকুরতার। অথচ পুরো কৃতিত্ব নিয়ে যাচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটাই জানিয়েছেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক সুদীপ্ত সেনগুপ্ত।

কি জানিয়েছেন সাংবাদিক সুদীপ্ত সেনগুপ্ত? জানিয়েছেন, ইউনেস্কোর সঙ্গে যাবতীয় যোগাযোগ করেন গবেষক তপতী গুহ ঠাকুরতা। ইউনেস্কোর ফর্ম-ফিলাপ থেকে দুর্গাপুজোর ভিডিও পাঠানো, মেল পাঠিয়ে সব জানানো, সবটাই করেছেন কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিস ইন সোশ্যাল সায়েন্সের ডাইরেক্টর-প্রফেসর তপতী গুহ ঠাকুরতা। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রফেসরও ছিলেন। ২০০৩ সাল থেকে তিনি দুর্গা পুজো নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।

২০১৮-১৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি মন্ত্রক থেকে, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে। সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি থেকে সামান্য গ্রান্ট নিয়ে তিনি এই গবেষণা শুরু করেন। এরপর তিনি ইউনেস্কোর একটি ফর্ম ফিলাপ করেন। ২০টি ছবি ও ১টি ভিডিও দিয়ে তিনি, ইউনেস্কোর ফর্ম ফিলাপ করেছিলেন। তারপরেই, আবহমান অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিভাগে স্বীকৃতি পায়, কলকাতার দুর্গা পুজো। যার পিছনে সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তপতী গুহ ঠাকুরতার। হ্যাঁ, রেড রোডে কার্নিভ্যালের আয়োজন করার কৃতিত্ব অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের।

]]>
বাড়ল পুজোর অনুদান, রাজ্য জুড়ে ইউনেস্কোর জন্য র‍্যালি, স্কুল অফিস ছুটি https://thenewsbangla.com/cm-mamata-banerjee-announces-special-rally-for-thank-unesco/ Mon, 22 Aug 2022 12:30:25 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16318 বাড়ল পুজোর অনুদান, রাজ্য জুড়ে ইউনেস্কোর জন্য র‍্যালি। কলকাতার দুর্গাপুজোকে বিশেষ স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। সেই স্বীকৃতি উদ্বোধন করতে ও ইউনেস্কোকে সংবর্ধনা জানাতে, কলকাতার রাজপথে বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবছর কলকাতায় একমাস আগে থেকেই, শুরু হয়ে যাচ্ছে দুর্গোৎসব। আগামী ১ সেপ্টেম্বর ইউনেস্কোকে সংবর্ধনা জানাতে, রাজপথে দুর্গাপুজোর কাঠামো নিয়ে মিছিল হবে। মিছিলে অংশ নেওয়ার জন্য, প্রায় ১০ হাজার ছাত্রছাত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। দুপুর ২টোয় মিছিল শুরু হবে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি থেকে। মিছিল শেষে ধর্মতলার অনুষ্ঠানে থাকবেন, ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা।

মহামিছিলের কারনে, ওই দিন যাতে অফিসকর্মীরা দুপুর একটার মধ্যে ছুটি পেতে পারেন, সোমবার ভার্চুয়াল সভা থেকে সেই বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি স্কুলগুলিকেও যাতে ওইদিন ১২টার মধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়, সেই ব্যবস্থা করার পরামর্শও দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সিবিআই-ইডি, বীরভূমে পাথর বোঝাই লরি থেকে তোলাবাজি রমরমিয়ে চলছে

একই সঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই বছর ক্লাব পিছু অনুদান গতবারের দেওয়া ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে স্টেট ইলেক্ট্রিসিটি বোর্ডকে অনুরোধ করা হয়েছে, পুজো কমিটিগুলিকে বিদ্যুৎ বিলে যেন ৬০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়।

১ সেপ্টেম্বর মহামিছিলের মধ্যে দিয়েই, শুরু হবে পুজোর প্রস্তুতি। আর মহালয়ার আগের দিন থেকে শুরু পুজো। ৮ সেপ্টেম্বর হবে কলকাতার পুজো কার্নিভ্যাল।

]]>
বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বাদ পড়তে চলেছে বাংলার সুন্দরবন https://thenewsbangla.com/unesco-world-heritage-list-going-to-excluded-sundarban/ Sat, 29 Jun 2019 08:55:21 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14701 ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায়; ২০১৯ সালের যে যে স্থানগুলো থাকবে; সেই নাম ঘোষণা করা হয়। এর পাশাপাশি বিশ্ব ঐতিহ্যের অত্যন্ত বিপদপূর্ণ; কয়েকটি জায়গার তালিকাও বার করা হয়েছে। এই তালিকার প্রথমেই আছে; বাংলার সুন্দরবন। এই কারণে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে; বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো ম্যানগ্রোভ বনটি; বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে; এই সপ্তাহে একটি কমিটি ১১ দিনের আলোচনা কার্যক্রম শুরু করেছে। এই প্রক্রিয়া চলবে আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে; বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাকা যেসব জায়গা; অত্যন্ত বিপদ পূর্ণ সেগুলোর সংরক্ষণের; চিত্র খতিয়ে দেখা হবে। সুন্দরবনকে এখন বন্যপ্রাণীদের জন্য; ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ মুসলিম স্কুলে খাবার ঘর, বিতর্কের জেরে সার্কুলার প্রত্যাহার করে নিলেন মমতা

এছাড়া সুন্দরবনের কাছে; বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রক্রিয়া; বন উজাড়সহ পরিবেশবিরোধী কাজের অভিযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে; সুন্দরবনকে ইউনেস্কো বাদ দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে সেখানে উন্নতি দেখা গেলে; বা সুন্দরবনের সুরক্ষায় সরকারের কার্যকরী উদ্যোগ থাকলে; ইউনেস্কো বিপদাপন্ন তালিকা থেকে; ম্যানগ্রোভ বনটির নাম তুলে নিতে পারে। তখন তাদের কমিটির ভোটে; সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায়; ভালো অবস্থানে ফিরে আসবে।

আরও পড়ুনঃ ক্যানসার নাকি গলায় আলসারে মারা গিয়েছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস

২০১৯ -এ সুন্দরবন সহ আরোও অনেক জায়গাকে; বিপদ পূর্ণ স্থান বলে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর আগেও এমন অনেক জায়গা আছে; যেগুলি বাতিল হয়েছে। আবার এমন কিছু জায়গাও আছে; যেগুলি ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বাদ হয়েও; পুনরায় আবার বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান দখল করেছে।

এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার অংশ। কারণ বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন বিষয় যাচাই করেই; নিজেদের মূল্যায়ন দেবেন। পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে এসব স্থান সংরক্ষণের জন্য; কী পদক্ষেপ সরকার বহন করছে; তা নিরীক্ষা করে দেখবেন তারা। সমস্ত বিষয় দেখার পর; ইউনেস্কো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছালে; তাদের টুইটার অ্যাকাউন্টে নতুন তালিকা প্রকাশ করা হবে।

]]>
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি https://thenewsbangla.com/international-mother-language-day-recognition-for-the-bangla-language/ Thu, 21 Feb 2019 03:08:40 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7070 দিনটি ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর। বাংলা ভাষার জন্য এক দারুণ ব্যাপার ঘটল সেদিন। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইউনেসকোর ৩০তম অধিবেশনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পৃথিবীর সব ভাষাভাষীর মানুষের কাছেই একটি উল্লেখযোগ্য দিন হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি স্বীকৃতি পায়। বিশ্বের দরবারে বাংলা ভাষা লাভ করে বিশেষ মর্যাদা। ঠিক পরের বছর ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পেছনের ঘটনা জানতে হলে আমাদের একটু পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। আমরা জানি, একুশে ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা আন্দোলনের দিন। প্রতিবছরই মর্যাদার সঙ্গে বাংলাদেশ সহ বিশ্বে অনেক দেশে দিনটি পালিত হয়ে আসছে। এমনকি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং ত্রিপুরা রাজ্যেও ‘বাংলা ভাষা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে এই দিনটি।

২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করার আগে, এই দিনটি মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে দাবি শোনা যায়, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও এই দাবি তোলা হয়। এই রকম আরও কিছু ব্যক্তিগত ও বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের কথা আমরা জানতে পারি।

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি/The News বাংলা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি/The News বাংলা

তবে এই বিষয়ে প্রথম সফল উদ্যোক্তারা হলেন কানাডার বহুভাষিক ও বহুজাতিক মাতৃভাষা-প্রেমিকগোষ্ঠী। এই গোষ্ঠী প্রথমে ১৯৯৮ সালের ২৯ মার্চ জাতিসংঘের মহাসচিব কোফি আন্নান এর কাছে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ নামে একটি দিবস ঘোষণার প্রস্তাব উপস্থাপন করে। সেখানে তাঁরা বলেন, “বাঙালিরা তাদের মাতৃভাষাকে রক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সেটা ছিল তাদের ভাষার অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। আজকের পৃথিবীতেও অনেক জাতি-গোষ্ঠীর ভাষাও একই সমস্যা ও বিপদের মধ্যে আছে। কাজেই মাতৃভাষা দিবসের দাবিটি খুবই ন্যায়সংগত”।

মাতৃভাষা-প্রেমিকগোষ্ঠীর এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলেন সাত জাতি ও সাত ভাষার ১০ জন সদস্য। তাঁরা হলেন অ্যালবার্ট ভিনজন ও কারমেন ক্রিস্টোবাল (ফিলিপিনো), জ্যাসন মোরিন ও সুসান হজিন্স (ইংরেজি), ড. কেলভিন চাও (ক্যান্টনিজ), নাজনীন ইসলাম (কা-চি), রেনাটে মার্টিনস (জার্মান), করুণা জোসি (হিন্দি) এবং রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালাম (বাংলা)।

জাতিসংঘ মহাসচিবের অফিস থেকে এই পত্রপ্রেরকদের জানিয়ে দেওয়া হয়, বিষয়টির জন্য নিউইয়র্কে নয়, যোগাযোগ করতে হবে প্যারিসে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি-বিষয়ক সংগঠন ইউনেসকোর সঙ্গে। জাতিসংঘের কর্মরত বাঙালি কর্মকর্তা হাসান ফেরদৌসেরও এই ব্যাপারে সক্রিয় ভূমিকা ছিল সেই সময়।

এরপর প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিষয়টি নিয়ে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি ইউনেসকো। কানাডা প্রবাসী বাঙালি আবদুস সালাম ও রফিকুল ইসলাম (যাঁরা মাতৃভাষা-প্রেমিকগোষ্ঠীর সদস্য) এ বিষয়ে ইউনেসকোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করেন। প্রথমে টেলিফোনে এবং পরে চিঠিতে।

১৯৯৯ সালের ৩ মার্চ ইউনেসকো সদর দপ্তরের ভাষা বিভাগের কর্মকর্তা আন্না মারিয়া, রফিকুল ইসলামকে একটি চিঠিতে জানান যে ‘২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার তোমাদের অনুরোধটি বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়েছে’। কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তার কাছে এই প্রথম বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়।

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি/The News বাংলা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি/The News বাংলা

আন্না মারিয়া আরও জানান, ‘বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে উত্থাপনের কোনো সুযোগ নেই, ইউনেসকোর পরিচালনা পরিষদের কোন সদস্য রাষ্ট্রের মাধ্যমে সভায় এটি তুলে হবে’। ইউনেসকো সদর দপ্তরের ভাষা বিভাগের কর্মকর্তা মারিয়া, রফিকুল ইসলামকে ইউনেসকো পরিচালনা পরিষদের কয়েকটি সদস্য দেশের ঠিকানাও পাঠিয়ে দেন।

এতে বাংলাদেশ, ভারত, কানাডা, ফিনল্যান্ড এবং হাঙ্গেরির নাম ছিল। ইউনেসকো সাধারণ পরিষদে বিষয়টি আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করতে হলে কয়েকটি সদস্য দেশের পক্ষে প্রস্তাব পেশ করা জরুরি। তখন হাতে সময় ছিল খুবই কম। কেননা অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই সাধারণ পরিষদের সভা বসবে।

কানাডা থেকে রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিষয়টি রাষ্ট্রের জন্য গর্বের বিষয় মনে করে মন্ত্রণালয় অতি দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর অফিসে অনুমতি চেয়ে নোট পাঠায়। বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময়স্বল্পতার বিষয়টি উপলব্ধি করেন। তিনি সব ধবনের জটিলতা উপেক্ষা করে নথি অনুমোদনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ছাড়াই ইউনেসকোর সদর দপ্তরে প্রস্তাবটি পাঠিয়ে দেন সরাসরি। ৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯ সালে সংক্ষেপে বাংলাদেশ জাতীয় ইউনেসকো কমিশনের পক্ষে এর সচিব অধ্যাপক কফিলউদ্দিন আহমদের স্বাক্ষরিত সেই প্রস্তাবটি প্যারিসে পৌঁছে যায়।

তখন ইউনেসকোর সাধারণ পরিষদের ১৫৭তম অধিবেশন এবং ৩০তম সাধারণ সম্মেলন ছিল। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের বিষয়টি নিয়ে ইউনেসকোতে দুটি সমস্যা দেখা দেয়। প্রথমত, ইউনেসকো ভেবেছিল, এমন একটা দিবস পালন করতে গেলে ইউনেসকোর বড় অঙ্কের টাকাপয়সা প্রয়োজন হবে। প্রতিবছর অনেক টাকাপয়সা খরচের কথা ভেবে প্রথমেই প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি/The News বাংলা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি/The News বাংলা

একই সঙ্গে ইউনেসকো মহাপরিচালক International Mother Language Day নয়, International Mother Tonguae Day নামে একে অভিহিত করতে সচেষ্ট হন। মহাপরিচালক এই জন্য এক লাখ ডলারের ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব করেন এবং দুই বছর পর সাধারণ পরিষদের ১৬০তম অধিবেশনে বিষয়টি তুলে ধরার আদেশ দেন।

এর ফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার বিষয়টি আটকা পড়ে। প্রস্তাবটি কার্যকর হতে কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগবে বলে মনে করা হয়। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক। শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন ইউনেসকো অধিবেশনে যোগদানকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতা।

তিনি অধিবেশনে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, যেখানে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমি ও তাৎপর্য পৃথিবীর ১৮৮টি দেশের সামনে তুলে ধরেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন দেশের শিক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পক্ষে অভিমতও গড়ে তুলতে চেষ্টা করেন। এমনকি উপস্থিত সদস্যদের বোঝাতে সক্ষম হন, দিবসটি পালন করতে প্রকৃতপক্ষে ইউনেসকোর এক ডলারও লাগবে না। পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষাভাষীর মানুষ নিজেরাই নিজেদের মাতৃভাষার গুরুত্ব আলোচনা ও জয়গান গাইতে গাইতে দিনটি পালন করবে।

বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক একই সঙ্গে কতকগুলো ব্যক্তিগত কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও চালান। এক রাতে তিনি পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের নেতার সঙ্গেও একটি বৈঠকের আয়োজন করেন। প্রস্তাবটিতে পাকিস্তানের সমর্থন প্রয়োজন ছিল। কারণ, যে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রশ্ন ঘিরে ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি সংঘটিত হয়েছিল, তাতে পাকিস্তানের মনোভাবে অবশ্যই না-বাচক প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা ছিল। এ ছাড়া অন্যান্য মুসলিম দেশ, বিশেষ করে সৌদি আরবের সমর্থনের ক্ষেত্রেও সে দেশের ইতিবাচক ভূমিকা প্রভাব ফেলতে পারত।

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি/The News বাংলা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি/The News বাংলা

১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তানে সামরিক সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। ফলে পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী সে বছর ইউনেসকো সম্মেলনে যাননি, পাকিস্তানি দলের নেতৃত্ব দেন পাকিস্তানের শিক্ষাসচিব। বৈঠকে এ এস এইচ কে সাদেক আবিষ্কার করেন, পাকিস্তানের শিক্ষাসচিব একসময় তাঁর অধীনে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে কাজ করেছেন। আরও মজার বিষয়, পাকিস্তানের শিক্ষাসচিব বাংলায় চমৎকার কথা বলতে পারেন। ফলে এই বৈঠক খুবই সফল হল। তিনি প্রস্তাবটি সমর্থনের আশ্বাস দেন।

ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিয়েও কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণায় তাদের আপত্তি ছিল না। তবে তারা ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। পাশ্চাত্য দেশগুলোর কাছে শিক্ষামন্ত্রী যুক্তি ও আবেগের সঙ্গে এই বিষয়টি তুলে ধরেন যে পৃথিবীতে বাঙালিরা মাতৃভাষার অধিকারের জন্য রক্ত দিয়েছে। সেটা ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখে। তখন ইউরোপীয়রা ব্যাপারটা বুঝতে পারে।

এভাবে দীর্ঘ প্রক্রিয়া পার হওয়ার পর ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর, ২১ ফেব্রুয়ারি লাভ করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা। ইউনেসকোর ঐতিহাসিক সেই অধিবেশনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের মূল প্রস্তাবক ছিল বাংলাদেশ এবং সৌদি আরব। আর প্রস্তাব সমর্থনে প্রথম নামটা ছিল ভারত।

আরও সমর্থন করেছিল আইভরি কোস্ট, ইতালি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, কমোরোস, ডোমিনিকান রিপাবলিক, পাকিস্তান, ওমান, পাপুয়া নিউগিনি, ফিলিপিন, বাহামাস, বেনিন, বেলারুশ, গাম্বিয়া, ভানুয়াতু, মাইক্রোনেসিয়া, রুশ ফেডারেশন, লিথুয়ানিয়া, মিসর, শ্রীলংকা, সিরিয়া ও হন্ডুরাস। ১৯৯৯ সালে একুশে ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা লাভ শুধু বাংলা ভাষার বিশ্ববিজয় নয়, পৃথিবীর সব মাতৃভাষার জয়।

]]>
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর https://thenewsbangla.com/kumbh-mela-2019-prayagraj-to-have-worlds-largest-temporary-city/ Wed, 09 Jan 2019 08:44:42 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5358 The News বাংলা: কুম্ভের নজিরবিহীন প্রস্তুতি। আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে অর্ধকুম্ভের পুণ্য স্নান ও মেলা। এই উপলক্ষে এই বছর যে প্রস্তুতি নিয়েছে যোগীর রাজ্য প্রশাসন তা এককথায় নজিরবিহীন। সম্প্রতি নাম পরিবর্তন হওয়া প্রয়াগরাজের গা ঘেঁষে তৈরি হয়েছে স্বল্প সময়ের জন্য আস্ত একটা শহর। যা একটা বিশ্বরেকর্ড।

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা

অস্থায়ী শহর হিসাবে যার নাম উঠে গেল বিশ্বরেকর্ড-এর তালিকায়। এবছর কি এমন হলো যে দুনিয়াকে তাক লাগিয়ে কুম্ভমেলার তাঁবু হয়ে উঠল বিশ্ব রেকর্ডের বিষয়? আগের মতো আর কুম্ভমেলার তাঁবুর ঢিবি নেই। নোংরার মধ্যে হাজার হাজার তাঁবু, সেই জিনিস আর নেই। যোগী আদিত্যানাথ সরকারের তরফে একটি গোটা শহর গড়ে তোলা হয়েছে কুম্ভমেলার পুণ্যার্থীদের জন্য।

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা

দেখে নেব অবাক করা কিছু ছবিঃ

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা

গড়ে উঠেছে স্বল্প সময়ের জন্য আস্ত একটা শহর।

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা

গড়ে উঠেছে স্বল্প সময়ের জন্য আস্ত একটা শহর।

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা

আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে কুম্ভ মেলা। ৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা পরিকাঠামো খাতে বরাদ্দ করেছে যোগীর উত্তরপ্রদেশ সরকার। এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের শুল্ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী জয় প্রতাপ সিং।

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা

এমনিতেই প্রয়াগরাজ হল ইউনেস্কো স্বীকৃত ‘কালাচারাল হেরিটেজ সাইট’। বিভিন্ন বিষয়ে চরম সমালোচনার মধ্যে থাকা যোগী সরকার, আধ্যত্মিক ট্যুরিজমকেই তুলে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে জোরকদমে। প্রায় ২০ লাখ ভক্তের সমাগম হয় এই সময়। তাই কুম্ভমেলার মাধ্যেম বিশ্বের দরবারে ভারতীয় জীবন দর্শন তুলে ধরার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা

গড়ে উঠেছে স্বল্প সময়ের জন্য আস্ত একটা শহর।

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা

দেখে নেব অবাক করা আরও কিছু ছবিঃ

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা

গড়ে উঠেছে স্বল্প সময়ের জন্য আস্ত একটা শহর।

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা

গড়ে উঠেছে স্বল্প সময়ের জন্য আস্ত একটা শহর।

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা
কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর/The News বাংলা

কুম্ভমেলা একটি হিন্দু উৎসব। এই উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা তীর্থস্নান করতে আসেন। বিশ্বের বৃহত্তম শান্তিপূর্ণ সমাবেশ হিসাবে এলাহাবাদ পূর্ণকুম্ভে ২০১৩ সালে ১০ কোটিরও বেশি মানুষ এসেছিলেন। প্রতি ছয় বছর অন্তর হরিদ্বার ও এলাহাবাদে অর্ধকুম্ভ মেলা বসে।

ভক্তদের মেলায় আগমণের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থাকেও ঢেলে সাজানো হয়েছে। প্রায় ৪০ হাজারেরও বেশি এলইডি আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে মেলা প্রাঙ্গনে। শহরের মধ্যে আর একটা শহর গড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে যোগী সরকার। স্বল্প সময়ের জন্য আস্ত একটা শহর গড়ে বিশ্বরেকর্ড।

আরও পড়ুনঃ

সোনিয়া রাহুলকে ১০০ কোটি টাকা আয়কর ফাঁকি দেওয়ার নোটিশ

গুরুবারে শুরু অযোধ্যায় রাম মন্দির বাবরি মসজিদ শেষ লড়াই

বাংলায় রাস্তায় বিজেপির রথ চলবে কিনা ঠিক হবে আগামী মঙ্গলবার

হিন্দুত্ববাদীদের নিশানা করতে মসজিদে পাথর ছুঁড়ে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা, ধৃত সিপিএম নেতা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>