Durgapuja – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 06 Sep 2022 14:59:30 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Durgapuja – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 রাজ্য শিক্ষা পর্ষদের অপদার্থতা, পুজোর আগে আরও ৫৪ জনকে নিয়োগের নির্দেশ https://thenewsbangla.com/calcutta-high-court-orders-recruit-primary-tet-qualified-before-durga-puja/ Tue, 06 Sep 2022 14:38:08 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16682 রাজ্য শিক্ষা পর্ষদের অপদার্থতা, পুজোর আগে আরও ৫৪ জনকে নিয়োগের নির্দেশ। পুজোর আগে টেট উত্তীর্ণ, আরও ৫৪ জনকে নিয়োগের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষা দেন, ওই ৫৪ জন পরীক্ষার্থী। টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি বলে, প্রাথমিকভাবে জানতে পারেন তাঁরা। পরে জানান যায়, প্রাইমারিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল। তার ফলে ওই ৫৪ জন পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি। এনিয়ে মামলা করেন পরীক্ষার্থীরা। হাইকোর্টে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ স্বীকার করে নেয়, প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল। এরই প্রেক্ষিতে সেই ৫৪ জনকে, পুজোর আগে নিয়োগের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ওই ৫৪ জনকে চাকরিতে বহাল করতে হবে। এর আগেও আরও ২৩ জনকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ফলে পুজোর আগেই, রাজ্যকে সারতে হবে মোট ৭৭ জনের নিয়োগ প্রক্রিয়া। ভবিষ্যতের জন্য রাখা শূন্যপদ থেকে নিয়োগ করতে হবে, নিয়োগের সময়সীমাও বেঁধে দিল আদালত।

আরও পড়ুনঃ শিউরে উঠল বাংলা, অপহরণের পরে ২ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে নৃ’শংসভাবে খু’ন

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব পুজোর আগেই আদালত নিয়োগের নির্দেশ দেওয়ায়, স্বাভাবিকভাবেই খুশি চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁরা জানান, তাঁদের একটাই ভয় ছিল, বয়স পার হয়ে যাবে। অবশেষে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে মামলাকারীদের। পাঁচ বছর লড়াই করার পরে, চাকরি পাবেন এই যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা। ফের লজ্জার অন্ধকারে ডুবল রাজ্য, সামনে এল রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত অপদার্থতার নজির।

]]>
ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, পাশে বসিয়ে তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/unesco-durga-pujo-cm-mamata-banerjee-recognized-tapati-guha-thakurta/ Thu, 01 Sep 2022 11:17:46 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16570 ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, পাশে বসিয়ে তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বীকৃতি চুরি গেছে, তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুরি করে নিয়েছেন স্বীকৃতি। এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। ইউনেস্কো থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। তাই ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার কলকাতায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হল, যার পুরোভাগে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আসল কৃতিত্ব যার, তিনি এই প্রচার থেকে অনেক-অনেক দূরে ছিলেন, তাঁর স্বীকৃতি গিয়েছে চুরি। অভিযোগ ছিল বিরোধীদের। কিন্তু বৃহস্পতিবার মঞ্চে পাশে বসিয়ে, তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

তপতী গুহঠাকুরতা, এঁনার চেষ্টাতেই কলকাতার দুর্গা পুজো, ২০২১ সালের ১৫ই ডিসেম্বর, ইউনেস্কোর শিল্প ঐতিহ্যবাহী উৎসবের তালিকা-ভূক্ত হয়েছে। ২০১৯ সালে তপতী গুহ ঠাকুরতা কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে দায়িত্ব পান, দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর মানবিক ঐতিহ্য মন্ডিত শিল্পের তালিকায় যুক্ত করার প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রামাণ্য চিত্র সংগ্রহ করে উপস্থাপনা করার জন্য।

আরও পড়ুনঃ ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, কেন্দ্রের তরফে আগেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত ছিল

কারণ ২০০৩ সাল থেকে তপতী গুহ ঠাকুরতা, বাংলায় দুর্গা পূজা নিয়ে গবেষণা করছিলেন। ২০১৫ সালে কলকাতার দুর্গা পুজোকে নিয়ে তাঁর লেখা, ‘ইন দ্যা নেম অফ গডেস; দ্যা দুর্গা পূজাস অফ কন্টেমপোরারি কলকাতা’, সমাদৃত হয়। স্বাভাবিক কারণেই কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতর, তাঁর ওপরই ভরসা রাখেন। খোদ প্রধানমন্ত্রীর দফতর, তাঁকে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রককে নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল ‘ছাত্রনেতা’ গিয়াসউদ্দীন থেকে বিট্টু, লজ্জার অন্ধকারে ডুবেছে বাংলার শিক্ষা

কুড়িটি ছবি ও একটি ভিডিওর সাহায্যে, কলকাতার দুর্গোৎসবের প্রামাণ্য শৈল্পিক ইতিহাস তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতরের সূত্র ধরে ইউনেস্কোর সংশ্লিষ্ট দফতরে পেশ করেন, যা শেষ পর্যন্ত আদায় করে নেয় কলকাতার জন্য এক বিরলতম সম্মান। কলকাতার দুর্গা পুজো হেরিটেজের তকমা পায়। মিথ্যা চিত্রনাট্যের উপর ভর করে, রেড রোডে ক্রেডিট নিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার, অভিযোগ ছিল বিরোধীদের।

এবার সেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে, মঞ্চে পাশে বসিয়ে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বীকার করে নিলেন, তাঁর অবদানের কথা। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজো উদ্যোক্তাদের সামনেই, জানিয়ে দিলেন তপতীর অবদানের কথা।

]]>
রাজ্যের ভাঁড়ারে টান অথচ কোটি কোটি পুজোর অনুদান, মামলা হাইকোর্টে https://thenewsbangla.com/nationalist-lawyers-council-pil-files-against-durga-puja-donation-in-calcutta-high-court/ Wed, 24 Aug 2022 06:30:40 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16373 রাজ্যের ভাঁড়ারে টান অথচ কোটি কোটি পুজোর অনুদান, মামলা হাইকোর্টে। ডিএ মেটাবার ক্ষমতা নেই রাজ্যের, সোমবার খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকার করে নিয়েছেন রাজ্যের “ভাঁড়ার শূন্য”। তারপরেও, পুজো কমিটিগুলিকে ৬০ হাজার টাকা করে, অনুদান ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। করোনা পরিস্থিতিতে গতবছর পুজোয় ক্লাবগুলিকে, ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দিয়েছিল রাজ্য। এবার তা বেড়ে করা হয়েছে ৬০ হাজার। আর এই অনুদান দেওয়ার বিরুদ্ধেই, কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হল জাতীয়তাবাদী আইনজীবী কাউন্সিলের তরফে।

প্রায় ৪৩ হাজার পুজো কমিটিকে, ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। অর্থাৎ হিসাব বলছে, এর জন্য রাজ্য সরকারের আনুমানিক খরচ ২৫৮ কোটি টাকা। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও, সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য ডিএ দিতে পারেনি সরকার। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বারবার অভিযোগ তুলে বলেছেন, কেন্দ্র বকেয়া মেটাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে কেন পুজো কমিটিগুলিকে, ৬০ হাজার টাকা করে দেওয়া কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

আরও পড়ুনঃ কেষ্টদা সিবিআই হেফাজতে, বোলপুরে বন্ধ হল তৃণমূলের কোটি টাকার অবৈধ কারবার

রাজ্যের এই সিদ্ধান্তে ফুঁসছে সাধারন মানুষও। তাই রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে, এবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হল একটি জনস্বার্থ মামলা। বুধবার করা জনস্বার্থ মামলাটি দায়েরের অনুমতিও দিয়েছেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। দ্রুত শুনানির আর্জিও করা হয়েছে উচ্চ আদালতের কাছে। শুক্রবার মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা। অনুদান কি বন্ধ হয়ে যাবে? প্রশ্ন পুজো উদ্যোক্তাদের।

]]>
পুজো অনুদান বাড়িয়ে, মিছিল করে, তৃণমূলের দুর্নীতি কি চাপা দিতে পারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-suppress-tmc-corruption-by-increasing-puja-donations-rally/ Mon, 22 Aug 2022 13:30:26 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16319 পুজোর অনুদান বাড়িয়ে ও মিছিল করে, তৃণমূলের দুর্নীতি কি চাপা দিতে পারবেন মমতা? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। ৫০ হাজার থেকে বেড়ে ৬০ হাজার হল এবারের দুর্গা পুজোর অনুদান। রাজ্য জুড়ে হবে ইউনেস্কোর জন্য র‍্যালি। কলকাতার দুর্গাপুজোকে বিশেষ স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো, সেই স্বীকৃতি উদ্বোধন করতে ও ইউনেস্কোকে সংবর্ধনা জানাতে, কলকাতার রাজপথে বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছে, এতে করে কি তৃণমূলের দুর্নীতি ঢাকা যাবে?

মহামিছিলের কারনে, ওই দিন যাতে অফিসকর্মীরা দুপুর একটার মধ্যে ছুটি পেতে পারেন, সোমবার ভার্চুয়াল সভা থেকে সেই বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি স্কুলগুলিকেও যাতে ওইদিন ১২টার মধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়, সেই ব্যবস্থা করার পরামর্শও দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। এদিকে রাজ্য জুড়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অনুব্রত মণ্ডলের জন্য, তৃণমূলকে শুনতে হচ্ছে চোর চোর শব্দ। চাকরি, গরু, কয়লা, বালি, পাথর সহ বিভিন্ন চুরি ও দুর্নীতিতে জড়িত নেতারা এখন সিবিআই ও ইডির নজরে। দুই হেভিওয়েট নেতা পার্থ ও অনুব্রত, ইতিমধ্যেই জেলে। চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল ও রাজ্য সরকার।

সেই সময় পুজো উদ্যোক্তা-দের ও বিভিন্ন ক্লাবকে রাস্তায় মিছিলে নামিয়ে বাংলার মানুষের দৃষ্টি ঘোরাবার কি চেষ্টা করছেন মমতা? পুজোর অজুহাতে কি দুর্নীতির দৃষ্টি ঘোরাবার চেষ্টা? বিরোধীদের অভিযোগ সেরকমই। তবে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল ও রাজ্য সরকার। পুজোয় রাজনীতি নয়, জানিয়েছেন তৃণমূল নেতারা।

]]>
সুপ্রিম কোর্টেও জিত মমতার, পুজো অনুদানে কোন আসুবিধা নেই https://thenewsbangla.com/victory-for-mamata-banerjee-in-the-supreme-court-mamata-pujo-grant-is-legal/ Fri, 12 Oct 2018 07:04:58 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1082 নিজস্ব সংবাদদাতা: পুজো ও লোকসভা ভোটের আগে বড় জয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য সরকারের। কলকাতা হাইকোর্টের পর এবার সুপ্রিম কোর্টেও জিত মমতার। পুজোর অনুদান নিয়ে হাইকোর্টের রায়কেই মান্যতা দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের ডিভিশন বেঞ্চ মুখ বন্ধ করে দিল বিরোধীদের।

মমতার পুজো অনুদান সিদ্ধান্তে কলকাতা হাইকোর্ট এর রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল ‘দুর্গা পুজো অনুদান’ সংক্রান্ত মামলা। শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি হয়। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশের আর্জি জানিয়ে এই মামলা করা হয়। শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তবে, ৬ সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এই অভিযোগ নিয়ে আদালতে একটি রিপোর্ট জমা দেবার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

কলকাতা হাইকোর্ট পুজোর আগে স্বস্তি দিয়েছিল রাজ্য সরকারকে। হাইকোর্ট রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুজো অনুদান সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলা গ্রহণ করে নি। পুজো উদ্যোক্তাদের অনুদানের সরকারি সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ নয়, পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিল হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।

সেপ্টেম্বর মাসে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কলকাতা পুলিশ, দমকল এবং সিইএসই-র সমন্বয় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই সরকারি অনুদানের কথা ঘোষণা করেছিলেন। প্রতিটি পুজোকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল।

ওই বৈঠকে মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, কলকাতার ৩ হাজার সহ রাজ্যের ২৫ হাজার দুর্গা পুজোকে রাজ্য সরকারের তরফে এককালিন ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। খরচ হবে ২৮ কোটি টাকা।

জনগণের করের টাকা এ ভাবে অনুদান হিসাবে দেওয়া যায় কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলার আবেদন জানানো হয়েছিল। রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে দুদিন পরপর স্থগিতাদেশ দিলেও, গত বুধবার সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে আদালত জানিয়ে দেয়, ক্লাবকে পুজো অনুদানের বিষয়টি আদালত গ্রাহ্য নয়।

রাজ্যের উন্নয়নে খরচা না করে কেন ২৮ হাজার পুজো কমিটিকে ২৮ কোটি টাকা দেওয়া হবে, সেই প্রশ্নও তোলা হয় ওই জনস্বার্থ মামলায়। ওই জনস্বার্থ মামলার আবেদনকারীর বক্তব্য ছিল, দুর্গাপুজোয় বিশেষ একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে অনুদান দিলে তা দেশের সংবিধানকে আঘাত করে। কারণ, বিশেষ কোনও ধর্মীয় সম্প্রদায়কে এমন অনুদান দিয়ে উৎসাহিত করা সংবিধান-বিরোধী।

কিন্তু গত বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনসভার সিদ্ধান্তে আদালত নাক গলাবে না। ওই বিষয়টি দেখার জন্য পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি রয়েছে। যদি কোনও সমস্যা থেকে থাকে, সেই বিষয়টি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি দেখবে বলে জানিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।

কলকাতা হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তে পুজোর আগে ও লোকসভা ভোটের আগে স্বস্তিতে রাখে রাজ্য সরকারকে। হাইকোর্টের এই রায়ের ওপরই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের আর্জি জানানো হয়েছিল শীর্ষ আদালতের কাছে।

এদিকে, সুপ্রিম কোর্টে মামলা যাওয়ার কথা আগেই অনুমান করে রাত জেগে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় অনুদানের চেক বিলি শুরু করে রাজ্য সরকার। হাইকোর্টের রায়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতেই অনুদানের টাকা দেওয়া শুরু হয়ে যায়। বুধবার রাতেই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় পুজো কমিটিগুলিকে ১০ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বর্ধমান ও হুগলিতেও বেশ কিছু পুজো কমিটিকে অনুদানের টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর, আপাতত পুজো নিয়ে বিতর্ক চাপা পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের পাশাপাশি হাঁফ ছেড়ে বাঁচল পুজো উদ্যোক্তারাও। এই রায়ে পুজো ও লোকসভা ভোটের আগে বড় জয় পেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

]]>
কি হবে দুর্গাপুজো অনুদানে, সবার নজর সুপ্রিম কোর্টে https://thenewsbangla.com/what-will-be-the-durga-pujo-donation-case-all-the-attention-is-in-the-supreme-court/ Fri, 12 Oct 2018 03:48:51 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1073 নিজস্ব সংবাদদাতা: সাড়ে ১১ টা নাগাদ সুপ্রিম কোর্টে উঠছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর পুজো অনুদান সংক্রান্ত মামলা। তবে, ইতিমধ্যেই অনুদানের ১০ হাজার টাকা পেয়ে গিয়েছেন কলকাতা সহ রাজ্যের অনেক পুজো উদ্যোক্তারা। এই মুহূর্তে সবার নজর এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালতে, প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের দিকে।

কলকাতা হাইকোর্ট- এর রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবারই সুপ্রিম কোর্টে যায় ‘দুর্গা পুজো অনুদান’ সংক্রান্ত মামলা। শুক্রবার, দেশের শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি হবে। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশের আর্জি জানিয়ে এই মামলা করা হয়েছে। জরুরিকালীন ভিত্তিতে এই মামলার শুনানি হবে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর ডিভিশন বেঞ্চে।

কলকাতা হাইকোর্ট পুজোর আগে স্বস্তি দিয়েছিল রাজ্য সরকারকে। হাইকোর্ট, রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুজো অনুদান সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলা গ্রহণ করে নি। পুজো উদ্যোক্তাদের অনুদানের সরকারি সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ নয়, পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিল হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।

গত শুক্রবার, রাজ্যের ২৮ হাজার দুর্গাপুজোয় ১০ হাজার টাকা করে সরকারি অনুদান দেওয়ার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকার কথা ঘোষণাও করে।
মঙ্গলবারও কলকাতা হাইকোর্ট পুজোয় অনুদান সংক্রান্ত মামলায় স্থগিতাদেশ বহাল রাখে। শেষ পর্যন্ত সরকারের সিদ্ধান্ত মান্যতা পাবে কিনা তাই নিয়ে রয়ে যায় ধোঁয়াশা।

কিন্তু বুধবার, রাজ্য সরকারকে স্বস্তি দেয় হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্ট পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, পুজোর অনুদান সংক্রান্ত ব্যাপারে নাক গলাবে না তারা। পুজোর মুখে রাজ্যকে স্বস্তি দিয়ে এই রায় দেয়, প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ।

সেপ্টেম্বর মাসে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কলকাতা পুলিশ, দমকল এবং সিইএসই-র সমন্বয় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই সরকারি অনুদানের কথা ঘোষণা করেছিলেন। প্রতিটি পুজোকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল।

ওই বৈঠকে মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, কলকাতার ৩ হাজার সহ রাজ্যের ২৫ হাজার দুর্গা পুজোকে রাজ্য সরকারের তরফে এককালিন ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। খরচ হবে 28 কোটি টাকা।

জনগণের করের টাকা এ ভাবে অনুদান হিসাবে দেওয়া যায় কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলার আবেদন জানানো হয়েছিল। রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে দুদিন পরপর স্থগিতাদেশ দিলেও কিন্তু গত বুধবার সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে আদালত জানিয়ে দিল, ক্লাবকে পুজো অনুদানের বিষয়টি আদালতগ্রাহ্য নয়।

রাজ্যের উন্নয়নে খরচা না করে কেন ২৮ হাজার পুজো কমিটিকে ২৮ কোটি টাকা দেওয়া হবে, সেই প্রশ্নও তোলা হয় ওই জনস্বার্থ মামলায়। ওই জনস্বার্থ মামলার আবেদনকারীর বক্তব্য ছিল, দুর্গাপুজোয় বিশেষ একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে অনুদান দিলে তা দেশের সংবিধানকে আঘাত করে। কারণ, বিশেষ কোনও ধর্মীয় সম্প্রদায়কে এমন অনুদান দিয়ে উৎসাহিত করা সংবিধান-বিরোধী।

কিন্তু গত বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনসভার সিদ্ধান্তে আদালত নাক গলাবে না। ওই বিষয়টি দেখার জন্য পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি রয়েছে। যদি কোনও সমস্যা থেকে থাকে, সেই বিষয়টি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি দেখবে বলে জানিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।

কলকাতা হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তে পুজোর আগে ও লোকসভা ভোটের আগে স্বস্তিতে রাখে রাজ্য সরকারকে। মমতার ঘোষণা করা ২৮ হাজার পুজোর ১০ হাজার করে প্রাপ্তিও এই রায়ের পর আর আটকাবে না যদি না সুপ্রিম কোর্ট কোন স্থগিতাদেশ না দেয়। হাইকোর্টের রায়ের ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের আর্জি জানানো হয়েছে শীর্ষ আদালতের কাছে।

এদিকে, সুপ্রিম কোর্টে মামলা যাওয়ার কথা আগেই অনুমান করে গত ২ দিনে রাত জেগে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় অনুদানের চেক বিলি শুরু করল রাজ্য সরকার। হাইকোর্টের রায়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতেই অনুদানের টাকা দেওয়া শুরু হয়েছে।

বুধবার সন্ধে থেকেই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় পুজো কমিটিগুলিকে ১০ হাজার টাকার চেক দেওয়া শুরু হয়। অন্যদিকে, কলকাতাতেও বেশ কিছু পুজো কমিটিকে অনুদানের টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সুপ্রিম কোর্টে মামলায় কি হবে এই আশঙ্কায় কলকাতার বহু পুজো কমিটি বৃহস্পতিবারই অনুদানের টাকা নিয়ে নিয়েছে। আদালতের রায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গেলে এইসব অনুদানের টাকা কি আবার ফেরত নেওয়া হবে? প্রশ্ন উঠছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত এই নিয়ে কি রায় দেয় সেটাই এখন দেখার।

]]>
দেবীপক্ষেই মর্তে আসছেন মা দুর্গা, দেবীপক্ষ কি জানুন https://thenewsbangla.com/mother-durga-is-coming-to-the-earth-on-debipakkho-what-is-the-debipakkho-in-indian-mythology/ Fri, 05 Oct 2018 12:34:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=815 নিজস্ব সংবাদদাতা : মা আসছেন। দেবীপক্ষ শুরু হলেই কৈলাশ থেকে মর্তে আসবেন মা দুর্গা। সেই দেবীপক্ষ পরতে হাতে মাত্র আর ২ দিন বাকি। কিন্তু আমরা কি জানি, দেবীপক্ষ ও পিতৃপক্ষ কি ?

পিতৃপক্ষ এবং দেবীপক্ষ কি ?

বছরের ১২ মাসে ২৪ টি পক্ষ রয়েছে, তার মধ্যে ২টি পক্ষ বিশেষ তাৎপর্য্যপূর্ণ। প্রথমটি পিতৃপক্ষ ও দ্বিতীয়টি দেবীপক্ষ। আশ্বিনের কৃষ্ণপক্ষের তিথীকে বলা হয় মহালয়া। এই কৃষ্ণপক্ষকে বলা হয় অপরপক্ষ কিংবা পিতৃপক্ষ।

পিতৃপক্ষে স্বর্গত পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে পার্বন, শ্রাদ্ধ ও তর্পণ করা হয়। পিতৃপুরুষেরা এই সময় যমালয় থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তাঁদেরকে তৃপ্ত করার জন্য তিল, জল, দান করা হয়। তাঁদের যাত্রাপথকে আলোকিত করার জন্য উল্কাদান করা হয়।

মহাভারতে বলা হয়েছে যে, মহাবীর কর্ণের আত্মা স্বর্গে গেলে সেখানে তাঁকে খেতে দেওয়া হল শুধুই সোনা আর ধনরত্ন। ‘ব্যাপার কী?’ কর্ণ জিজ্ঞাসা করলেন ইন্দ্রকে। ইন্দ্র বললেন, ‘তুমি সারাজীবন সোনাদানাই দান করেছো, পিতৃপুরুষকে জল দাও নি। তাই তোমার জন্যে এই ব্যবস্থা।’ কর্ণ বললেন, ‘আমার কী দোষ? আমার পিতৃপুরুষের কথা তো আমি জানতে পারলাম যুদ্ধ শুরুর আগের রাতে। মা কুন্তী আমাকে এসে বললেন, আমি নাকি তাঁর ছেলে। তারপর যুদ্ধে ভাইয়ের হাতেই মৃত্যু হলো। পিতৃত্বর্পণের সময়ই তো পেলাম না ।’

ইন্দ্র বুঝলেন, কর্ণের দোষ নেই। তাই তিনি কর্ণকে পনেরো দিনের জন্য মর্ত্যে ফিরে গিয়ে পিতৃপুরুষকে জল ও অন্ন দিতে অনুমতি দিলেন। ইন্দ্রের কথা মতো এক পক্ষকাল ধরে কর্ণ মর্ত্যে অবস্থান করে পিতৃপুরুষকে অন্নজল দিলেন। তাঁর পাপ স্খলন হলো এবং যে পক্ষকাল কর্ণ মর্ত্যে এসে পিতৃপুরুষকে জল দিলেন সেই পক্ষটি পরিচিত হল পিতৃপক্ষ নামে।

এই অমাবস্যায় পিতৃপূজা সেরে পরের পক্ষে দেবীপূজায় প্রবৃত্ত হতে হয়। তাই দেবীপূজার পক্ষকে বলা হয় দেবীপক্ষ বা মাতৃপক্ষ। মহালয়া হচ্ছে পিতৃপক্ষের শেষ দিন এবং দেবীপক্ষের শুরুর দিন।

পিতৃপক্ষে আত্নসংযম করে দেবীপক্ষে শক্তি সাধনায় প্রবেশ করতে হয়। দেবী শক্তির আদিশক্তি, তিনি সর্বভূতে বিরাজিত। তিনি মঙ্গলদায়িনী করুনাময়ী। সাধক, সাধনা করে দেবীর বর লাভের জন্য, দেবীর মহান আলয়ে প্রবেশ করার সুযোগ পান বলেই এই দিনটিকে বলা হয় মহালয়া।

মহালয়ার পর প্রতিপদ তিথি থেকে দেবী বন্দনা শুরু হয়। কোন কোন অঞ্চলে দেবীর আরাধনা প্রতিপদ থেকেই শুরু হয়। আমাদের এখানে ষষ্ঠ তিথি থেকে দেবী বন্দনা শুরু হয়। দুই মতেই দেবী পূজার রীতি প্রচলিত আছে।

]]>
দুর্গাপুজো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতার সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের https://thenewsbangla.com/calcutta-high-court-adjournment-of-chief-minister-mamatas-decision-on-durgapuja/ Fri, 05 Oct 2018 11:30:09 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=809 নিজস্ব সংবাদদাতা : ফের কলকাতা হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার, রাজ্যের ২৮ হাজার দুর্গাপুজোকে ১০ হাজার টাকা করে এককালিন সরকারি অনুদান দেওয়ার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ জারি থাকবে।

সেপ্টেম্বর মাসে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কলকাতা পুলিশ, দমকল এবং সিইএসই-র সমন্বয় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই সরকারি অনুদানের কথা ঘোষণা করেছিলেন। প্রতিটি পুজোকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল।

ওই বৈঠকে মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, কলকাতার ৩ হাজার সহ রাজ্যের ২৫ হাজার দুর্গাপুজোকে রাজ্য সরকারের তরফে এককালিন ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। খরচ হবে ২৮ কোটি টাকা।

জনগণের করের টাকা সরকার এই ভাবে খরচ করতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বাম সংগঠন আরএসপি-র নেতা অশোক ঘোষ। আরএসপি-র শ্রমিক সংগঠন ইউটিইউসি-র সাধারণ সম্পাদক হিসাবে অশোক ঘোষ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে এই বিষয় নিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন। ওই চিঠির ভিত্তিতেই জনস্বার্থ মামলা গ্রহণ করার জন্য প্রধান বিচারপতিকে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। প্রধান বিচারপতি সেই আবেদন মেনে নেন।

সেই মামলার শুনানিতেই শুক্রবার প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ ওই স্থগিতাদেশের নির্দেশ দেয়। আরএসপি নেতা অশোকবাবু প্রধান বিচারপতিকে লেখা চিঠিতে লিখেছিলেন, কোনও ধর্মীয় উৎসব আয়োজনে সরকারি অর্থ দেওয়া সংবিধান বিরোধী। ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের টাকা বিলি করা মেনে নেওয়া যায় না বলেই প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্তকে জানিয়েছিলেন তিনি।

রাজ্যের উন্নয়নে খরচা না করে কেন ২৮ হাজার পুজো কমিটিকে ২৮ কোটি টাকা দেওয়া হবে, সেই প্রশ্নও তোলা হয় ওই চিঠিতে। সেই চিঠির ভিত্তিতেই এই জনস্বার্থ মামলার শুনানি শুরু হয়। তারপরেই এই স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্ট। বলা যায়, অশোকের হাতেই আপাততঃ বন্ধ হল মমতার ঘোষণা করা ২৮ হাজার পুজোর ১০ হাজার করে প্রাপ্তি।

এর আগেও বিভিন্ন বিষয়ে গোঁয়ার্তুমি করে হাইকোর্টে একাধিকবার ধাক্কা খেতে হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য সরকারকে। দুর্গাপুজোর অনুদান বিষয়েও আপাততঃ ব্যাকফুটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এই মামলায় শেষ পর্যন্ত হাইকোর্ট কি রায় দেয় সেটাই এখন দেখার।

]]>