DurgaPujo – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 08 Oct 2022 08:12:58 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg DurgaPujo – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বাংলার ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’, পুজো কার্নিভালে গরুর গুঁতোয় মৃত এক আহত অনেক https://thenewsbangla.com/jamalaye-jibanta-manush-in-baengal-raiganj-pujo-carnival/ Sat, 08 Oct 2022 08:12:20 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16904 বাংলার ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’, পুজো কার্নিভালে গরুর গুঁতোয় মৃত এক আহত অনেক। ঠিক যেন ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের গরু ভোলা, গুঁতিয়ে যমালয় ছাড়া করেছিল যমরাজ ও চিত্রগুপ্তকে। সেই একই ঘটনা ঘটল, আমাদের এই বাংলায়। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে দুর্গা পুজো কার্নিভালে, গরুর গাড়ি থেকে প্রতিমা ফেলে ছুটল গরু, গরুর গুঁতোয় মৃত ১, আহত অনেকে।

রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলির মতো উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও, শুক্রবার দুর্গাপূজা কার্নিভাল হচ্ছিল। ওই কার্নিভালে রায়গঞ্জের অনুশীলনী নামের একটি ক্লাব তাদের প্রতিমাগুলিকে ৩ টি গরুর গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছিল। আর সেই রায়গঞ্জ কার্নিভালেই ঘটল, ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা।

আরও পড়ুন; ঠিক যেন শোলের জয় আর বীরু, ৪০ জনকে বাঁচিয়ে হিরো রাম ও বিনু

মাইকের আওয়াজে, হাজার হাজার মানুষের চিৎকারে খেপে যায় গরুরা। একটি গরুর গাড়ি থেকে গাড়ি ফেলে, মা দুর্গাকে ফেলে ছিটকে পালায় দু’টি গরু। সেই গরুদের ধাক্কা ও হুড়োহুড়িতে আহত হলেন অন্তত ৩০ জন। আহতদের বেশিরভাগকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হলেও তিনজন এখনও রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তাঁদের মধ্যে ভারত সেবক সমাজ ক্লাবের সভাপতি, ষাট-বছর বয়সি সাধন কর্মকারের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। গভীর রাতে হাসপাতালে, তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসকের দাবি আহতের সংখ্যা মাত্র ৮ জন। কার্নিভালে ভিড়ে আর আওয়াজের মধ্যে, পশুদের নিয়ে আসার বুদ্ধি কার ছিল, সেটাই প্রশ্ন। এই মৃত্যুর দায় কার?

]]>
ঠিক যেন শোলের জয় আর বীরু, ৪০ জনকে বাঁচিয়ে হিরো রাম ও বিনু https://thenewsbangla.com/two-friends-ram-binu-save-40-persons-from-flash-flood-in-mal-river/ Fri, 07 Oct 2022 06:25:56 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16900 ঠিক যেন শোলের জয় আর বীরু, ৪০ জনকে বাঁচিয়ে হিরো রাম ও বিনু। মালের হড়পা বানে ৪০ জনকে বাঁচিয়ে হিরো রাম ও বিনু। দুই বন্ধু, রাম মানকি মুণ্ডা ও বিনু গঞ্জু। মালবাজারের হাজার-হাজার মানুষের মধ্যে, এই দুই বন্ধুও এসেছিল, দুর্গা প্রতিমা ভাসান দেখতে, জলপাইগুড়ির মাল নদীর তীরে। তারমধ্যেই সেই বিপদ। হঠাৎ করে হড়পা বান, পাহাড়ি মাল নদীতে। ভেসে যাচ্ছিলেন অসংখ্য মানুষ। সেটা দেখেই নদীপাড়ের নিশ্চিন্ত আশ্রয় ছেড়ে, পাহাড়ি নদীতে ঝাঁপ দেন রাম। আর বন্ধুকে পাগলা হয়ে ওঠা নদীতে ঝাঁপাতে দেখে, ঝাঁপিয়ে পড়ে বিনুও।

“এই দুই বন্ধু না থাকলে দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা, আরও অনেক বাড়তে পারত”, বলছেন মাল নদীর কাছে হাজির থাকা মালবাজারের স্থানীয়রা। দুই বন্ধু, ‘পাগলা বান’ থেকে প্রাণ বাঁচালেন, নয়-নয় করেও ৪০ জন মানুষের। ডুয়ার্সের মালবাজার শহর ছাড়াও, চা বাগান এলাকার একাধিক পুজো উদ্যোক্তা, সব মিলিয়ে প্রায় ছয়-আট হাজার মানুষ মাল নদীর বিসর্জন ঘাটে জড়ো হয়েছিলেন। ওই ভিড়ে ছিলেন, রাম মানকি মুণ্ডা, বিনু গঞ্জুও।

দুই বন্ধু মিলে হড়পা বান থেকে উদ্ধার করেন, একের পর এক ব্যক্তিকে। তাঁদের দাবি, পুলিশ প্রশাসনের সাহায্য সময় মতো পেলে, আরও কয়েক-জনকে প্রাণে বাঁচাতে পারতেন। মালবাজারের একটি চা-বাগানের বাসিন্দা, রাম এবং বিনু। নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের কাজে, সাহায্যও করছিলেন দুই বন্ধু। মাল নদীতে হঠাৎ করেই, জল বাড়তে দেখেন রাম। তখনই প্রশাসনকে সজাগ করেন দুই বন্ধু।

তাঁদের দাবি, ওই সময় প্রশাসনের তরফে মাইকিং শুরু হয়। বারবার সবাইকে, নদী থেকে উঠে আসার আবেদন করা হচ্ছিল। কিন্তু কেউই কান দেননি। তার কিছুক্ষণ পরেই, হঠাৎ করেই জল বেড়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। “ছোটবেলা থেকে এই নদীকে দেখছি। বহু-বার হড়পা বান দেখেছি এখানে। সে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে, উদ্ধার করতে নেমে পড়ি”, জানান রাম।

রামকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখে, আর পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি ছোটবেলার বন্ধু বিনুও। দুজনে মিলে কমপক্ষে ৪০ জনকে পাড়ে তুলে বাঁচান। বিনু বলেন, “সেই সময় যদি পুলিশ বা বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী যদি সাহায্য করত, তা হলে বাকিদেরও বাঁচানো সম্ভব হত। কিন্তু ওরা রাত ১০টার পর কাজে নামল”।

]]>
ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, পাশে বসিয়ে তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/unesco-durga-pujo-cm-mamata-banerjee-recognized-tapati-guha-thakurta/ Thu, 01 Sep 2022 11:17:46 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16570 ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, পাশে বসিয়ে তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বীকৃতি চুরি গেছে, তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুরি করে নিয়েছেন স্বীকৃতি। এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। ইউনেস্কো থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। তাই ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার কলকাতায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হল, যার পুরোভাগে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আসল কৃতিত্ব যার, তিনি এই প্রচার থেকে অনেক-অনেক দূরে ছিলেন, তাঁর স্বীকৃতি গিয়েছে চুরি। অভিযোগ ছিল বিরোধীদের। কিন্তু বৃহস্পতিবার মঞ্চে পাশে বসিয়ে, তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

তপতী গুহঠাকুরতা, এঁনার চেষ্টাতেই কলকাতার দুর্গা পুজো, ২০২১ সালের ১৫ই ডিসেম্বর, ইউনেস্কোর শিল্প ঐতিহ্যবাহী উৎসবের তালিকা-ভূক্ত হয়েছে। ২০১৯ সালে তপতী গুহ ঠাকুরতা কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে দায়িত্ব পান, দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর মানবিক ঐতিহ্য মন্ডিত শিল্পের তালিকায় যুক্ত করার প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রামাণ্য চিত্র সংগ্রহ করে উপস্থাপনা করার জন্য।

আরও পড়ুনঃ ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, কেন্দ্রের তরফে আগেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত ছিল

কারণ ২০০৩ সাল থেকে তপতী গুহ ঠাকুরতা, বাংলায় দুর্গা পূজা নিয়ে গবেষণা করছিলেন। ২০১৫ সালে কলকাতার দুর্গা পুজোকে নিয়ে তাঁর লেখা, ‘ইন দ্যা নেম অফ গডেস; দ্যা দুর্গা পূজাস অফ কন্টেমপোরারি কলকাতা’, সমাদৃত হয়। স্বাভাবিক কারণেই কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতর, তাঁর ওপরই ভরসা রাখেন। খোদ প্রধানমন্ত্রীর দফতর, তাঁকে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রককে নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল ‘ছাত্রনেতা’ গিয়াসউদ্দীন থেকে বিট্টু, লজ্জার অন্ধকারে ডুবেছে বাংলার শিক্ষা

কুড়িটি ছবি ও একটি ভিডিওর সাহায্যে, কলকাতার দুর্গোৎসবের প্রামাণ্য শৈল্পিক ইতিহাস তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতরের সূত্র ধরে ইউনেস্কোর সংশ্লিষ্ট দফতরে পেশ করেন, যা শেষ পর্যন্ত আদায় করে নেয় কলকাতার জন্য এক বিরলতম সম্মান। কলকাতার দুর্গা পুজো হেরিটেজের তকমা পায়। মিথ্যা চিত্রনাট্যের উপর ভর করে, রেড রোডে ক্রেডিট নিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার, অভিযোগ ছিল বিরোধীদের।

এবার সেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে, মঞ্চে পাশে বসিয়ে স্বীকৃতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বীকার করে নিলেন, তাঁর অবদানের কথা। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজো উদ্যোক্তাদের সামনেই, জানিয়ে দিলেন তপতীর অবদানের কথা।

]]>
ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, কেন্দ্রের তরফে আগেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত ছিল https://thenewsbangla.com/unesco-durga-pujo-tapati-guha-thakurta-should-recognized-long-before-by-central-govt/ Thu, 01 Sep 2022 08:22:24 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16567 স্বীকৃতি চুরি গেছে, তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুরি করে নিয়েছেন স্বীকৃতি। এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। কিন্তু এই চুরির পিছনে কেন্দ্র সরকারের ভুমিকাও কিন্তু কম নয়। ইউনেস্কো দুর্গা পুজো, কেন্দ্রের তরফে আগেই তপতী গুহ ঠাকুরতাকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত ছিল। ইউনেস্কো থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। তাই ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার কলকাতায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার পুরোভাগে আছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আসল কৃতিত্ব যার, তিনি এই প্রচার থেকে অনেক-অনেক দূরে। তাঁর স্বীকৃতি গিয়েছে চুরি।

ভদ্রমহিলার নাম তপতী গুহঠাকুরতা। এঁনার চেষ্টাতেই কলকাতার দুর্গা পুজো, ২০২১ সালের ১৫ই ডিসেম্বর, ইউনেস্কোর শিল্প ঐতিহ্যবাহী উৎসবের তালিকা-ভূক্ত হয়েছে। ২০১৯ সালে তপতী গুহ ঠাকুরতা কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে দায়িত্ব পান, দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর মানবিক ঐতিহ্য মন্ডিত শিল্পের তালিকায় যুক্ত করার প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রামাণ্য চিত্র সংগ্রহ করে উপস্থাপনা করার জন্য।

কারণ ২০০৩ সাল থেকে তপতী গুহ ঠাকুরতা, বাংলায় দুর্গা পূজা নিয়ে গবেষণা করছিলেন। ২০১৫ সালে কলকাতার দুর্গা পুজোকে নিয়ে তাঁর লেখা, ‘ইন দ্যা নেম অফ গডেস; দ্যা দুর্গা পূজাস অফ কন্টেমপোরারি কলকাতা’, সমাদৃত হয়। স্বাভাবিক কারণেই কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতর, তাঁর ওপরই ভরসা রাখেন। খোদ প্রধানমন্ত্রীর দফতর, তাঁকে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রককে নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুনঃ ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাতে মমতার পদযাত্রা, ডাকাই হয়নি নেপথ্যের নায়িকা তপতীকে

কুড়িটি ছবি ও একটি ভিডিওর সাহায্যে, কলকাতার দুর্গোৎসবের প্রামাণ্য শৈল্পিক ইতিহাস তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতরের সূত্র ধরে ইউনেস্কোর সংশ্লিষ্ট দফতরে পেশ করেন, যা শেষ পর্যন্ত আদায় করে নেয় কলকাতার জন্য এক বিরলতম সম্মান। কলকাতার দুর্গা পুজো হেরিটেজের তকমা পায়।

কোন ঘর থেকে তপতী এসেছেন, তা কি জানে বাঙালি? সাংবাদিক পরঞ্জয় গুহ ঠাকুরতার বোন, প্রয়াত ইতিহাসবিদ হরি বাসুদেবনের স্ত্রী তপতী, বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডি ইন সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিরেক্টর প্রফেসর। প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রাক্তনী তপতী গুহ ঠাকুরতা অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ দুটি বিশ্ববিদ্যালয়েই গবেষণা করেছেন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘চার্লস ওয়ালেস ভিজিটিং ফেলোশিপ’ লাভ করেছেন। লন্ডনে ‘ইয়েল সেন্টার ফর ব্রিটিশ আর্টে’র ভিজিটিং ফেলো হয়েছেন।

সেই কৃতি মানুষটাকেই দায়িত্ব অর্পণ করেছিল, কেন্দ্রীয় তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর। কলকাতাকে বিশ্বের দরবারে যথাযথ-ভাবে উপস্থাপিত করে, তিনি হেরিটেজ তকমায় সম্মানিত করিয়েছেন। আজ তিনিই কোথাও নেই। তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তপতীর স্বীকৃতি চুরি করেছে, অভিযোগ বিজেপির। কিন্তু কেন্দ্র সরকার চাইলে, এই মানুষটির কৃতিত্ব বাংলার মানুষের কাছে অনেক আগে পৌঁছে দিতে পারত।

যে মিথ্যা চিত্রনাট্যের উপর ভর করে, রেড রোডে ক্রেডিট নিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার, তা অনেক আগেই বন্ধ করতে পারত মোদী সরকার। তপতী গুহঠাকুরতা-কে অনেক আগেই, সকলের সামনে আনতে পারলে রোখা যেত এই কৃতিত্ব চুরির খেলা। কেন্দ্র সরকার ইউনেস্কো থেকে স্বীকৃতি আনার জন্য সম্মানিত করলে, বাংলা ও ভারতের মানুষ অনেক আগেই জানতে পারত, তপতী গুহ ঠাকুরতার কর্মকাণ্ড। রাজ্যের পাশাপাশি কেন্দ্রও, তপতী গুহ ঠাকুরতাকে প্রচারের আলোয় আনার কোন চেষ্টাই করেনি।

]]>
ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাতে মমতার পদযাত্রা, ডাকাই হয়নি নেপথ্যের নায়িকা তপতীকে https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-durga-pujo-unesco-thanksgiving-rally-main-person-tapati-guha-thakurta-ignored/ Thu, 01 Sep 2022 07:12:10 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16564 ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাতে মমতার পদযাত্রা, ডাকাই হয়নি নেপথ্যের নায়িকা তপতীকে, এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। বাংলার দুর্গাপুজোর ইউনেস্কো হেরিটেজ স্বীকৃতি, তারই ধন্যবাদজ্ঞাপনে বৃহস্পতিবার সরকারি-ভাবে পদযাত্রা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে। কিন্তু যার গবেষণার জেরে, কলকাতার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো-র স্বীকৃতি, কেউ চেনেই না বাংলার সেই মেয়ে তপতীকে। তাঁকে কেন স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না? উঠেছে প্রশ্ন।

দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’, তপতীর কৃতিত্ব চু’রি গেল সংস্কৃতির বাংলায়। দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’র পিছনে, রাজ্য সরকার বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন ভুমিকাই নেই। রাজনীতিতে এটিকে বলে, অন্যের কৃতিত্ব নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া। এর পিছনে যিনি আছেন, তাঁর নাম তপতী গুহ ঠাকুরতা। কলকাতার দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো-স্বীকৃতি’ পাওয়ায় পুরো কৃতিত্ব, গবেষক তপতী গুহ ঠাকুরতার। অথচ পুরো কৃতিত্ব নিয়ে যাচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের।

আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’, কৃতিত্ব তপতী গুহ ঠাকুরতা না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

ইউনেস্কোর সঙ্গে যাবতীয় যোগাযোগ করেন, গবেষক তপতী গুহ ঠাকুরতা। ইউনেস্কোর ফর্ম-ফিলাপ থেকে দুর্গাপুজোর ভিডিও পাঠানো, মেল পাঠিয়ে সব জানানো, সবটাই করেছেন কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিস ইন সোশ্যাল সায়েন্সের ডাইরেক্টর-প্রফেসর তপতী, তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রফেসরও ছিলেন।

২০০৩ সাল থেকে দুর্গা পুজো নিয়ে, গবেষণা শুরু করেন তপতী। তিনি ইউনেস্কোর ফর্ম ফিলাপ করেন, ২০টি ছবি ও ১টি ভিডিও দিয়ে। তারপরেই, আবহমান অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিভাগে স্বীকৃতি পায়, কলকাতার দুর্গা-পুজো। যার পিছনে সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তপতী গুহ ঠাকুরতার। আজ তিনি কোথাও নেই।

]]>
দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’, কৃতিত্ব তপতী গুহ ঠাকুরতা না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের https://thenewsbangla.com/durga-pujo-unesco-recognition-tapati-guha-thakurta-behind-this-honor-not-mamata-banerjee/ Wed, 24 Aug 2022 06:03:41 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16369 দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’, তপতীর কৃতিত্ব চু’রি গেল সংস্কৃতির বাংলায়। দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’, এর পিছনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন ভূমিকাই নেই। দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’র পিছনে রাজ্য সরকার বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন ভুমিকাই নেই। রাজনীতিতে এটিকে বলে, অন্যের কৃতিত্ব নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া। এর পিছনে যিনি আছেন, তাঁর নাম তপতী গুহ ঠাকুরতা। কলকাতার দুর্গাপুজোর ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’ পাওয়ায় পুরো কৃতিত্ব, গবেষক তপতী গুহ ঠাকুরতার। অথচ পুরো কৃতিত্ব নিয়ে যাচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটাই জানিয়েছেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক সুদীপ্ত সেনগুপ্ত।

কি জানিয়েছেন সাংবাদিক সুদীপ্ত সেনগুপ্ত? জানিয়েছেন, ইউনেস্কোর সঙ্গে যাবতীয় যোগাযোগ করেন গবেষক তপতী গুহ ঠাকুরতা। ইউনেস্কোর ফর্ম-ফিলাপ থেকে দুর্গাপুজোর ভিডিও পাঠানো, মেল পাঠিয়ে সব জানানো, সবটাই করেছেন কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিস ইন সোশ্যাল সায়েন্সের ডাইরেক্টর-প্রফেসর তপতী গুহ ঠাকুরতা। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রফেসরও ছিলেন। ২০০৩ সাল থেকে তিনি দুর্গা পুজো নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।

২০১৮-১৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য সংস্কৃতি মন্ত্রক থেকে, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে। সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি থেকে সামান্য গ্রান্ট নিয়ে তিনি এই গবেষণা শুরু করেন। এরপর তিনি ইউনেস্কোর একটি ফর্ম ফিলাপ করেন। ২০টি ছবি ও ১টি ভিডিও দিয়ে তিনি, ইউনেস্কোর ফর্ম ফিলাপ করেছিলেন। তারপরেই, আবহমান অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিভাগে স্বীকৃতি পায়, কলকাতার দুর্গা পুজো। যার পিছনে সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তপতী গুহ ঠাকুরতার। হ্যাঁ, রেড রোডে কার্নিভ্যালের আয়োজন করার কৃতিত্ব অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের।

]]>
পুজো অনুদান বাড়িয়ে, মিছিল করে, তৃণমূলের দুর্নীতি কি চাপা দিতে পারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-suppress-tmc-corruption-by-increasing-puja-donations-rally/ Mon, 22 Aug 2022 13:30:26 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16319 পুজোর অনুদান বাড়িয়ে ও মিছিল করে, তৃণমূলের দুর্নীতি কি চাপা দিতে পারবেন মমতা? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। ৫০ হাজার থেকে বেড়ে ৬০ হাজার হল এবারের দুর্গা পুজোর অনুদান। রাজ্য জুড়ে হবে ইউনেস্কোর জন্য র‍্যালি। কলকাতার দুর্গাপুজোকে বিশেষ স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো, সেই স্বীকৃতি উদ্বোধন করতে ও ইউনেস্কোকে সংবর্ধনা জানাতে, কলকাতার রাজপথে বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছে, এতে করে কি তৃণমূলের দুর্নীতি ঢাকা যাবে?

মহামিছিলের কারনে, ওই দিন যাতে অফিসকর্মীরা দুপুর একটার মধ্যে ছুটি পেতে পারেন, সোমবার ভার্চুয়াল সভা থেকে সেই বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি স্কুলগুলিকেও যাতে ওইদিন ১২টার মধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়, সেই ব্যবস্থা করার পরামর্শও দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। এদিকে রাজ্য জুড়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অনুব্রত মণ্ডলের জন্য, তৃণমূলকে শুনতে হচ্ছে চোর চোর শব্দ। চাকরি, গরু, কয়লা, বালি, পাথর সহ বিভিন্ন চুরি ও দুর্নীতিতে জড়িত নেতারা এখন সিবিআই ও ইডির নজরে। দুই হেভিওয়েট নেতা পার্থ ও অনুব্রত, ইতিমধ্যেই জেলে। চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল ও রাজ্য সরকার।

সেই সময় পুজো উদ্যোক্তা-দের ও বিভিন্ন ক্লাবকে রাস্তায় মিছিলে নামিয়ে বাংলার মানুষের দৃষ্টি ঘোরাবার কি চেষ্টা করছেন মমতা? পুজোর অজুহাতে কি দুর্নীতির দৃষ্টি ঘোরাবার চেষ্টা? বিরোধীদের অভিযোগ সেরকমই। তবে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল ও রাজ্য সরকার। পুজোয় রাজনীতি নয়, জানিয়েছেন তৃণমূল নেতারা।

]]>