Bratya Basu – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 10 Aug 2022 13:39:51 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Bratya Basu – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 “পার্থ চোর হলেও, তৃণমূল কিন্তু চোর নয়”, জানিয়ে দিলেন ফিরহাদ https://thenewsbangla.com/tmc-leader-minister-firhad-hakim-and-bratya-basu-comments-on-partha-chatterjee/ Wed, 10 Aug 2022 13:26:57 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16018 “পার্থ চোর হলেও, তৃণমূল কিন্তু চোর নয়”, জানিয়ে দিলেন ফিরহাদ হাকিম। অবশেষে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় গ্রেফতারি নিয়ে, বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বুধবার সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায় অপরাধ করেছে মানে, আমরা সবাই চোর এমনটা নয়”। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতার বাড়ি থেকে ইডি টাকা উদ্ধার করার পর, যত দিন গেছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তত দূরত্ব বাড়িয়েছে তৃণমূল। এবার দলের প্রাক্তন মহাসচিবকে নিয়ে, ফের বিস্ফোরক জোড়াফুল শিবির। পার্থর কলঙ্কের ছোঁয়া থেকে দলকে বাঁচাতে, মাঠে নেমেছেন ফিরহাদ হাকিম ও ব্রাত্য বসু।

“প্রাক্তন সহকর্মীর কর্মকাণ্ডের জন্য লজ্জিত”, কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বুধবার জানান; “পার্থ যা করেছে, তাতে আমি লজ্জিত। আমি এই পার্থকে চিনি না”। নিজেদের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ রাখতে ফিরহাদ হাকিম এও জানান, “তৃণমূল করি বলে এই না, যে আমরা সবাই চোর। মানুষের জন্য কাজ করার পরও এসব শুনতে হচ্ছে। সবটাই চক্রান্ত। অপমান করা হচ্ছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে করা হচ্ছে। আমরা আয়কর দিই। যদি কোনও গোলমাল থাকে, আয়কর দফতর বলবে”।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষকের চাকরি চুরি কাণ্ডে, গ্রেফতার স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুই প্রাক্তন উপদেষ্টা

কিন্তু তৃণমূল মন্ত্রীদের এই সাংবাদিক সম্মেলনের পরে বিরোধীদের প্রশ্ন, তাহলে কি তৃণমূল মেনে নিচ্ছে যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জড়িত পার্থ চট্টোপাধ্যায়? স্বাভাবিক-ভাবেই কলকাতার মেয়রের মন্তব্য শোরগোল ফেলে দিয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। ‘পার্থ চোর’ স্বীকার করে নিল তৃণমূল?

]]>
পাঁচ বছরে উনিশজন তৃণমূল নেতার অস্বাভাবিক সম্পত্তি বৃদ্ধি, ইডিকে পার্টি করল হাইকোর্ট https://thenewsbangla.com/nineteen-tmc-leaders-extraordinary-wealth-growth-in-just-five-years-ed-was-party-by-kolkata-high-court/ Mon, 08 Aug 2022 12:58:24 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=15935 পাঁচ বছরে উনিশজন তৃণমূল নেতার অস্বাভাবিক সম্পত্তি বৃদ্ধি; মামলা গ্রহন করে ইডিকে পার্টি করল কলকাতা হাইকোর্ট। ফের বিপদে শাসক তৃণমূল। বিগত কয়েক বছরে কিভাবে হল; শাসকদলের নেতাদের সম্পত্তির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি? মামলায় ফিরাদ-মদন-শোভনদের পার্টি করার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট; সেই সঙ্গে পার্টি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি-কেও।

সম্প্রতি চাকরি চুরি দুর্নীতি-কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছে; প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তার বান্ধবী অর্পিতা। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছে তারা। এরই পরিস্থিতির মধ্যে শাসক দলের একাধিক নেতার সম্পত্তি নিয়ে; নতুন করে প্রশ্ন উঠল কলকাতা হাইকোর্টে। সোমবার একটি জনস্বার্থ মামলায় কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে; পার্টি করার নির্দেশ দিল আদালত। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ, সোমবার শুনানিতে; ইডি-কেও পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে। মামলায় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সাংসদ অর্জুন সিং, বিধায়ক মদন মিত্র-সহ; মোট ১৯ জন তৃণমূল নেতার নাম রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ জেলের খাটে উঠলেন প্রভাবশালী পার্থ, মেঝেতেই পরে রইলেন ঘনিষ্ঠ অর্পিতা

কোন কোন তৃণমূল নেতার নাম রয়েছে, এই তালিকায়? এরা হলেন, কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়া; বর্তমান মেয়র ফিরহাদ হাকিম; জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক; মলয় ঘটক; ব্রাত্য বসু; অর্জুন সিং; শিলিগুড়ি মেয়র গৌতম দেব; ইকবাল আহমেদ; স্বর্ণকমল সাহা; অরূপ রায়; জাভেদ খান; অমিত মিত্র; আব্দুর রজ্জাক মোল্লা; রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়; শিউলি সাহা; সব্যসাচী দত্ত; বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও সাধন পাণ্ডে। শেষ দুজন তৃণমূল নেতা; ইতিমধ্যেই প্রয়াত হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ পার্থের পরে কি মমতা, খুশিতে ‘ডগমগ’ কুণালের মুখ বন্ধ করল তৃণমূল

বিপ্লব চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি; ২০১৭ সালে এই জনস্বার্থ মামলা করেন। মামলায় বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া নেতা-মন্ত্রীদের তথ্য খতিয়ে দেখলে বোঝা যাবে; বছরের পর বছর কিভাবে সম্পত্তি বেড়েছে তাদের। এমনকি শাসকদলের একাধিক নেতাদের, ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তারক্ষী-দেরও; সম্পত্তি বৃদ্ধি পেয়েছে আকাশছোঁয়া। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ; এই মামলা গ্রহণ করেন।

পাশাপাশি আর একটি মামলা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতৃবধূ; কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে। তিনি একজন গৃহবধূ হওয়া সত্ত্বেও, কীভাবে তাঁর নামে পাঁচ-কোটি টাকার সম্পত্তি হল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

]]>
কলেজে অনলাইনে ভর্তি নয়, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য, ফের দুর্নীতির আশঙ্কায় শিক্ষাবিদরা https://thenewsbangla.com/college-admission-is-not-online-said-education-minister-bratya-basu-educationists-fear-corruption-again/ Wed, 29 Jun 2022 05:00:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15754 কলেজে অনলাইনে ভর্তি নয়, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বাসু; ফের দুর্নীতির আশঙ্কায় শিক্ষাবিদরা। কেন্দ্রীয় অনলাইনে ভর্তি নিয়ে; পিছু হঠল রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতর। “এবছর স্নাতকে কেন্দ্রীয় অনলাইনে ভর্তি নয়”; উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকের পরে জানিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। পরিকাঠামোগত প্রস্তুতির অভাবে কেন্দ্রীয় অনলাইন নয়; চলতি বছরেও সেই পুরনো কলেজে লাইনে দাঁড়িয়েই ভর্তি পদ্ধতিতেই কলেজে ভর্তি হবে।

দুর্নীতির এত অভিযোগ সত্ত্বেও; কেন অনলাইনে ভর্তি নয়? ঠিক কী সমস্যা হল? রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, “কেন্দ্রীয় অনলাইনের পোর্টাল ঠিকমতো তৈরি করে, ভর্তির কাজ চালু করতে; এখনও মাস পাঁচ-ছয়েক সময় লাগবে। কিন্তু ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বোর্ডের; দ্বাদশ স্তরের ফলাফল প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। তাই এই অবস্থায় অনলাইন পোর্টালে ভর্তির প্রক্রিয়া চালানো হলে; সেক্ষেত্রে ভর্তি প্রক্রিয়ায় ত্রুটি থাকার আশঙ্কা উপাচার্যদের”।

আরও পড়ুনঃ ‘হাজার-হাজার চাকরি রেডি আছে’, বাংলায় কর্মসংস্থান নিয়ে বিরাট বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতার

কিছুদিন আগেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছিলেন; “চলতি বছরে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া হবে; সেই অনুযায়ী একটি পোর্টাল তৈরির কাজ চলছে”। কিন্তু সেই পোর্টাল পুরোপুরি তৈরি হয়ে কর্মক্ষম হতে; আরও বেশ কিছুটা সময় লাগবে বলেই একাধিক উপাচার্য আশঙ্কা করছেন; বলেই জানান ব্রাত্য বসু। যারপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় চলতি বছরে অনলাইনে নয়; আগের মতো অফলাইনেই হবে কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া।

আরও পড়ুনঃ সারদার আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর জন্য, বড়সড় উদ্যোগ নিল কলকাতা হাইকোর্ট

ব্রাত্য বাসু উপাচার্য-দের কথা বললেও; এই সিদ্ধান্তে বেশ হতাশ রাজ্যের শিক্ষা মহল। কলেজে স্নাতক স্তরে কেন্দ্রীয় অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া, চলতি বছরের জন্য স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায়; বেশ হতাশ বাংলার শিক্ষাবিদরা। শিক্ষাবিদ অমল মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “কলেজে ভর্তির সময় গোটা বাংলা জুড়েই ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের ছাত্র পরিষদ যে ভর্তির জন্য ছাত্রছাত্রী-দের কাছ থেকে টাকা দাবি করে সেই অভিজ্ঞতা আমার ব্যক্তিগতভাবেও শোনা”।

অমল মুখোপাধ্যায় আরও বলেন, “পরিকাঠামোগত প্রস্তুতির অভাবে চলতি বছরে; কলেজে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া হচ্ছে না; এটা মেনে নেওয়া খুব মুশকিল। আমার অনুমান তৃণমূলের ছাত্রগোষ্ঠীর ও তৃণমূল নেতাদের; চাপের জেরেই এই সিদ্ধান্ত। রাজ্য সরকারের এভাবে পিছু হটাকে ধিক্কার জানাই”।

]]>
সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রাইভেট টিউশানি বন্ধে কড়া রাজ্য https://thenewsbangla.com/private-tuition-banned-strict-order-on-private-tuition-for-govt-school-teachers-govt-aided-schools-teachers/ Tue, 28 Jun 2022 07:41:30 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15725 সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের; প্রাইভেট টিউশানি বন্ধে কড়া রাজ্য। অবশেষে নড়েচড়ে বসল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর। রাজ্যের সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা; যাতে কোনওভাবেই প্রাইভেট টিউশানি করতে না পারেন; তার জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিল স্কুল শিক্ষা দফতর। সোমবার রাতেই এই বিজ্ঞপ্তি; জারি হয়েছে।

শিক্ষার অধিকার আইন অনুসারে, স্কুলের শিক্ষকরা কোনরকমেই; গৃহ শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন না। সবার জন্য শিক্ষা ২০০৯ আইন অনুযায়ী; কোনও স্কুল শিক্ষক, মাদ্রাসা শিক্ষক নিজেকে টিউশনে যুক্ত করতে পারবেন না। শিক্ষকরা যাতে প্রাইভেট টিউশন না করেন; তার জন্য আগেও নির্দেশিকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এবার রাজ্যে প্রতিটি জেলায় নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে, সরকারি ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়; মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকারা কোনওভাবেই টিউশন করতে পারবেন না।

আরও পড়ুন; রাজ্যপালের কাছে তৃণমূল প্রতিনিধি দল, ‘আবদার’ শুনে হতবাক ধনকড়

রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি-তে স্পষ্ট-ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রাজ্যের সব সরকারি স্কুল, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল, মডেল স্কুল এবং এনআইজিএসগুলির শিক্ষক-শিক্ষিকারা; এবার থেকে আর কোনওভাবেই প্রাইভেট টিউশান করতে পারবেন না। নিয়ম না মানলে, তার চাকরিও কেড়ে নিতে পারবে; স্কুল শিক্ষা দফতর। আটকে দেওয়া হতে পারে; মাইনে পেনশানও। এই নির্দেশ যাতে অক্ষরে-অক্ষরে মানা হয়, তার জন্য রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফে; সব স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের কাছে নোটিস পাঠানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন; হিন্দুদের দেবদেবী নিয়ে দিনের পর দিন ক’টূক্তি, গ্রেফতার মহম্মদ জুবেইর, প্রতিবাদ শুরু

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলির শিক্ষক-শিক্ষিকাদের; প্রাইভেট টিউশানির রোগ বহুদিনের। তা নিয়ে গৃহশিক্ষকদের ক্ষোভও দীর্ঘদিনের। বাম জমানাতেই আইন করে সরকারি স্কুলগুলির শিক্ষক-শিক্ষিকাদের; প্রাইভেট টিউশানি নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু তারপরেও দেখা যায়, ওই সব স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা; বেশ চুটিয়ে প্রাইভেট টিউশানি করছেন। কেউ নিজের বাড়িতে, কেউবা ভাড়া বাড়িতে; অনেকে আবার কোন কোচিংয়ের সঙ্গেও যুক্ত হয়ে গিয়েছেন।

সম্প্রতি গৃহশিক্ষকদের একটি সংগঠন, স্কুল শিক্ষা দফতরে প্রমাণ সহ; ৬১ জন সরকারি শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায়; যারা নিয়ম ভেঙে প্রাইভেট টিউশানি করছেন। অভিযোগ খতিয়ে দেখার পরেই, নড়েচড়ে বসেছে; রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতর। তার জেরেই সোমবার রাতে; ওই নোটিস দেওয়া হয়েছে।

]]>
রাজ্যপাল আর নয়, বাংলার বিশ্ববিদ্যালগুলির আচার্য হবেন মুখ্যমন্ত্রী https://thenewsbangla.com/chief-minister-will-be-the-chancellor-of-the-state-universities-instead-of-the-governor-approved-mamata-banerjee-cabinet/ Thu, 26 May 2022 13:55:18 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15243 রাজ্যপাল আর নয়, বিশ্ববিদ্যালগুলির আচার্য হবেন মুখ্যমন্ত্রী; অনুমোদন মমতার মন্ত্রিসভার। পদাধিকার বলে, রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হলেন; রাজ্যের রাজ্যপাল। বহুদিন থেকেই এই নিয়ম চলে আসছে। এবার রাজ্যের সমস্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদ থেকে; রাজ্যপালকে সরাতে চায় রাজ্য সরকার। সেই পদে মুখ্যমন্ত্রীকে আনতে চাওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীই হবেন সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য; এই নিয়ে প্রস্তাবও পাশ হয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে।

শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, “রাজ্যের সমস্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের; আচার্য হবেন মুখ্যমন্ত্রী। আজকে রাজ্যের মন্ত্রিসভা সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে”। বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে, সংক্ষিপ্ত এক সাংবাদিক বৈঠকে ব্রাত্য বসু বলেন; “আজকে রাজ্যপালের জায়গায় মুখ্যমন্ত্রীকে; রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য নিয়োগের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এরপর বিষয়টি বিল আকারে, বিধানসভায় পেশ করা হবে; তার পর আইনের আকার নেবে এই প্রস্তাব।

আরও পড়ুনঃ ট্যাংরার ট্রাক ভর্তি লোকের শাস্তি হয়নি, বেঁচে ফিরে নতুন জন্ম দিচ্ছেন পরিবহ মুখোপাধ্যায়

রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের জেরে রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব; নতুন শিখরে পৌঁছল বলেই মনে করছেন অনেকে। সংশোধিত আইনটি কার্যকর হলে, রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের; আচার্য বা চ্যান্সেলর পদে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। অর্থাৎ রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্র-কে, রাজভবনের ঘেরাটোপ থেকে; বের করে আনতে তৎপর হল রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুনঃ ঘটা করে শিল্প সম্মেলনই সার, শিল্পে দেশের মধ্যে ‘পিছিয়ে বাংলা’

তবে আইনজ্ঞরা বলছেন; বিষয়টি অতটা সহজ নয়। রাজ্যপালকে সরাতে বিধানসভায় বিল পাশ করিয়ে; সেই বিল পাঠাতে হবে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছেই। আর তাতে রাজ্যপাল সই না করলে; অর্ডিনান্স জারি করতে হবে সরকারকে। কিন্তু ২ দফার বেশি জারি করা যাবে না, একই অর্ডিন্যান্স। ততদিনে ধনখড়ের রাজ্যপাল হিসাবে, মেয়াদও ফুরিয়ে যাবে; তারপর এই বিলের প্রাসঙ্গিকতা নাও থাকতে পারে।

রাজ্য মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের কথা জেনে, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন; “মুখ্যমন্ত্রী ভাবছেন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলেই যদি এত টাকা থাকে, তাহলে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে; না জানি কত টাকা রয়েছে। তাই তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েছেন; কলঙ্কের এটুকুই বা আর বাকি থাকে কেন”? বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন; “একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ এই সরকার; নজর ঘোরানোর জন্য এমন পদক্ষেপ। সাংবিধানিক পদকে এঁরা মানেন না”।

]]>
মমতার মন্ত্রীর দাপট, আদালতের নির্দেশও মানলেন না রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ https://thenewsbangla.com/mamata-minister-power-state-minister-for-education-paresh-adhikari-disobeyed-court-order/ Thu, 19 May 2022 06:08:27 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15130 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রীর দাপট; আদালতের নির্দেশও মানলেন না রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী। সিবিআই দফতরে গেলেন না মন্ত্রী পরেশ অধিকারী; জারি হতে পারে আদালত অবমাননার নোটিস। সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দিষ্ট সময়ের, প্রায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও; নিজাম প্যালেসে যাননি রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী। এই নিয়ে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন; স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুর্নীতি-কাণ্ডে মামলাকারীর আইনজীবী।

রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে; এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে। এই মামলায় পরেশ অধিকারীকে; সিবিআই দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু সিবিআই দপ্তরে হাজিরা না দিয়ে; আচমকাই উধাও হয়ে গেলেন মেখলিগঞ্জ এর তৃণমূল বিধায়ক পরেশ অধিকারী সঙ্গে মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে নিয়ে। আর তাতেই বেড়েছে চাঞ্চল্য। তবে এবার মনে করা হচ্ছে, রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশচন্দ্র অধিকারীর বিরুদ্ধে; আদালত অবমাননার নোটিশ জারি করা হতে পারে। পুরো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে; মামলাকারীর আইনজীবীরা।

আরও পড়ুনঃ লজ্জায় ডুবল বাংলা, আদালতের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশন দখল নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী

প্রভাব খাটিয়ে মেয়ে অঙ্কিতাকে শিক্ষিকার চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেল রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশের বিরুদ্ধে। এই মামলায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৮টায়, পরেশকে সিবিআইয়ের দফতরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল; হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গেল বেঞ্চ। তবে মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি স্টেশন রোড থেকে পদাতিক এক্সপ্রেসে চ়ড়ে; কলকাতায় রওনা দিয়েছিলেন সকন্যা পরেশ।

তবে কলকাতায় আসেননি তিনি। তার বদলে বুধবার ভোরে মেয়েকে নিয়ে এক নিরাপত্তারক্ষী-সহ; বর্ধমান স্টেশনে নেমে যেতে দেখা যায় পরেশকে। সূত্রের খবর, বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ বর্ধমানের সার্কিট হাউস থেকে, গাড়িতে করে বেরিয়ে যান পরেশ; এবং তাঁর মেয়ে। তারপর থেকেই পরেশের মোবাইল বন্ধ; আর তিনি মেয়ে-সহ উধাও।

সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দিষ্ট সময়ের ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও; নিজাম প্যালেসে যাননি পরেশ। উল্টে বুধবার মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর সঙ্গে কলকাতায় আসার আগেই; সিবিআই হাজিরায় স্থগিতাদেশ চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। যদিও আদালতের নির্দেশ ছিল, মঙ্গলবার রাত ৮টায় তাঁকে; সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হবে। তবে তাতে কান দেননি পরেশ অধিকারী। ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পরেশ যে সিবিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি; তা জানিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকেরা।

]]>
তৃণমূলের চাপের কাছে নতিস্বীকার করেননি, উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী https://thenewsbangla.com/vice-chancellor-sabyasachi-basu-ray-chaudhury-rabindra-bharati-university-not-bow-to-tmc-pressure/ Thu, 19 May 2022 05:36:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15127 তৃণমূলের চাপের কাছে নতিস্বীকার করেননি; রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ও অধ্যাপক সংগঠনকে অগ্রাহ্য করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উপাচার্য। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ও রাজ্যের শাসক দলের অধ্যাপক সংগঠন ‘ওয়েবকুপা’ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন পরীক্ষার দাবি করে। সেই দাবি উড়িয়ে, রবীন্দ্রভারতী কর্তৃপক্ষ; স্নাতক-স্নাতকোত্তরে অফলাইন পরীক্ষা হবে বলে ঘোষণা করেছে। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সব‍্যসাচী বসু রায়চৌধুরী বলেছেন; “বিশ্ববিদ‍্যালয়ের কর্মসমিতির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে; ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে সব পরীক্ষাই হবে বিশ্ববিদ‍্যালয়ে বসে অফলাইনে”।

অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার চাপ ছিল। কিন্তু সেই চাপ উড়িয়ে, স্বশাসনকে মর্যাদা দিয়ে; সমস্ত পরীক্ষা অফলাইনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষা কোন মোডে হবে তা নিয়ে জরুরি কর্মসমিতির বৈঠকে বসে; রবীন্দ্রভারতী কর্তৃপক্ষ। তারপরেই উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী জানিয়েছেন; “সদস্যরা আগের মতই অফলাইনে পরীক্ষার পক্ষে মত দেন; তাই আমাদের সব পরীক্ষাই অফলাইনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে; দূরশিক্ষা বিভাগের পরীক্ষাও অফলাইনে হচ্ছে”।

আরও পড়ুনঃ লজ্জায় ডুবল বাংলা, আদালতের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশন দখল নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী

স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পরীক্ষা অনলাইনে হবে নাকি অফলাইনে; তা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়কে ঠিক করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৩মে উচ্চশিক্ষা দপ্তর নির্দেশিকা জারি করে জানায়; রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। কোন পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে; তা নিয়ে ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি মাথায় রেখে কোন মোডে পরীক্ষা হবে; বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হল।

নদিয়ার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ও; সিদ্ধান্ত নেয় পরীক্ষা হবে অনলাইনে। এই পদ্ধতিতে বাড়িতে বসে বই দেখে; পরীক্ষা দেওয়া যায়। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ও রাজ্যের শাসক দলের অধ্যাপক সংগঠন ‘ওয়েবকুপা’ অনলাইন পরীক্ষার দাবি করেছে। টিএমসিপির যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটও; উপাচার্যকে চিঠি দিয়ে অনলাইন পরীক্ষার দাবি করেছে।

অনলাইন পরীক্ষার দাবিতে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে; বিক্ষোভ দেখিয়েছিল পড়ুয়াদের একাংশ। অনলাইন পরীক্ষার দাবিতে উত্তাল হয়; রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায় চৌধুরীর; ঘরের দরজায় লাথি মারে ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষামহলের মতে এই আবহে স্রোতের বিপরীতে হেঁটে; রবীন্দ্রভারতীর অফলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে গিয়ে, সাহসী সিদ্ধান্ত; রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরীর।

]]>
লজ্জায় ডুবল বাংলা, আদালতের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশন দখল নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/school-service-commission-taken-over-by-central-forces-on-calcutta-high-court-order-bengal-in-shame/ Thu, 19 May 2022 03:15:35 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15121 লজ্জায় ডুবল বাংলা, আদালতের নির্দেশে; স্কুল সার্ভিস কমিশন দখল নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। যুগান্তকারী নির্দেশ, রাতেও আদালতে শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। গতকালই রাত সাড়ে বারোটার পর থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশন(SSC) দফতরের দখল নেওয়ার নির্দেশ CRPF কে দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কাল দুপুর ১টা পর্যন্ত কেউ SSC দফতরে ঢুকতে পারবেন না। যাতে কোন তথ্য, নথি নষ্ট না হয়; তার জন্যেও কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দিলেন জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায় এর সিঙ্গেল বেঞ্চ। সারাদিনের পর রাতেও নজিরবিহীন নির্দেশ বিচারপতির।

রাতারাতি পরিবর্তন হয়েছে, স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর সিবিআই-তে হাজিরার দিনেই, আচমকা ইস্তফা দেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। মাত্র চারমাস হল, তাঁকে এই পদে আনা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে এসএসসির চেয়ারম্যানের; পদত্যাগের কারণ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এই পদত্যাগের পরেই আইএএস শুভ্র চক্রবর্তীকে; এসএসসির নতুন চেয়ারম্যান করা হয় রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রীর মেয়ে, দুর্নীতির জালে জর্জরিত রাজ্য প্রশাসন

আর এরপরেই এসএসসি মামলায় নাটকীয় মোড়; মাঝরাতেই খোলে কলকাতা হাইকোর্ট। চাকরি দুর্নীতির নিয়োগ নথি নষ্টের আশঙ্কায়; হাইকোর্টে মামলা করেন মামলাকারী চাকরিপ্রার্থী-দের আইনজীবীরা। অবিলম্বে সিআরপিএফ বসিয়ে; চাকরির সমস্ত নথি সংরক্ষণের দাবি তোলে মামলাকারিরা। মামলাকারী-দের দাবি ছিল; অবিলম্বে স্কুল সার্ভিস কমিশনের অফিসে কেন্দ্রীয়-বাহিনী মোতায়েন করা হোক; না হলে সব নথি উধাও হয়ে যাবে। যে মামলার আর্জি গৃহীতও হয়।

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে রাতেই শুরু হয় শুনানি; কলকাতা হাইকোর্টে নজিরবিহীন-ভাবে রাতেই খোলে কোর্ট। জরুরি ভিত্তিতে রাত সাড়ে দশটা নাগাদ; শুরু হয়েছে শুনানি। নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা; আর সেই নির্দেশই দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। SSC অফিস সেই মুহূর্ত থেকেই; কেন্দ্রীয় বাহিনীর হেফাজতে।

গতকাল রাত থেকেই এসএসসি দফতরকে; সিআরপিএফ নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলার নির্দেশ দেন। দফতরের সিসিটিভি ফুটেজও; আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেন তিনি। কলকাতা হাইকোর্টের ইতিহাসে, এই ঘটনা নজিরবিহীন বলেই দাবি সবার। হাইকোর্টের নির্দেশ, বৃহস্পতিবার দুপুর একটা পর্যন্ত; কোনও আধিকারিক বা কর্মী, কমিশনের অফিসে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। নির্দেশের পর বিচারপতির চেম্বার থেকেই; সিআরপিএফের অফিসে ফোন করা হয়।

]]>
“নোবেল পেয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও কথা শুনতে হয়েছিল”, মমতার অ্যাকাডেমি বিতর্কে ব্রাত্য বাসু https://thenewsbangla.com/rabindranath-tagore-also-had-to-listen-after-received-nobel-prize-bratya-basu-defends-bangla-academy-award-to-mamata-banerjee/ Thu, 12 May 2022 06:37:54 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15066 “নোবেল পেয়ে রবীন্দ্রনাথকেও কথা শুনতে হয়েছিল”; মমতার অ্যাকাডেমি বিতর্কে এবার আসরে নামলেন ব্রাত্য বাসু। রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে বাংলা অ্যাকাডেমির বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই এই নিয়ে; জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা এই পুরস্কারের ‘যোগ্য’ নন; বলেই দাবি কারও কারও। বাংলা অ্যাকাডেমি পুরস্কার বিতর্কে; এবার মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। কী কারণে পুরস্কার পেলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী; তা ব্যাখ্যা করলেন তিনি। ‘নোবেল পেয়ে রবীন্দ্রনাথকেও কথা শুনতে হয়েছিল’; মমতার অ্যাকাডেমি সম্মান বিতর্কে এবার এমনই মন্তব্য করলেন ব্রাত্য বসু।

মুখ্যমন্ত্রীকে সমালোচনার জবাবে ব্রাত্য বাসু বলেন; “বাজপেয়ীর কবিতা সম্মানিত হলে বিতর্ক হয় না তো; মমতাকে নিয়ে এত প্রশ্ন কীসের? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমাজে অনেক অবদান রয়েছে। রাজ্যের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিকদের নিয়ে তৈরি জুরি বোর্ডই; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুরস্কৃত করেছেন। রাজনীতিবিদদেরও সাহিত্য চেতনা থাকতেই পারে। কবিতার মান নিয়ে কথা বলতেই পারেন। কবিতার মান আপেক্ষিক। যাদের ইচ্ছা বিতর্ক করার তাঁরা করবেন। আপনার কী ভাল লাগল; তা আমার ভাল নাও লাগতেই পারে”।

যেকোনও ভাল কাজে বিতর্ক হওয়াই স্বাভাবিক; বলেই মত রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর। তাঁর কথায়, “পৃথিবীর সব পুরস্কারেই বিতর্ক রয়েছে; কোনও পুরস্কারই বিতর্কের উর্ধে নয়। প্রশ্ন ছিল বব ডিলানের নোবেল নিয়েও; পদত্যাগের ঘটনা নোবেলেও রয়েছে; নোবেল পাওয়ার পর রবীন্দ্রনাথ-কেও কথা শুনতে হয়েছিল”।

মুখ্যমন্ত্রীর অ্যাকাডেমি পুরস্কারের প্রতিবাদে; সম্মান ফেরান অনেকেই। ২০১৯ সালে পাওয়া অন্নদাশংকর স্মারক ফেরান; লেখিকা এবং গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০৯ সালে বাংলা অ্যাকাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন তিনি; এবার মমতার পুরষ্কার পাওয়ার ঘটনায়, সাহিত্য অ্যাকাডেমির বাংলা উপদেষ্টা পরিষদ থেকে ইস্তফা দেন অনাদিরঞ্জন বিশ্বাসও।

গত সোমবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী-তে, রাজ্য সরকারের ‘কবি প্রণাম’ অনুষ্ঠানে; এই বছরই শুরু করা ত্রিবার্ষিক নতুন বিশেষ অ্যাকাডেমি পুরস্কার দেওয়া হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, “এই বিশেষ পুরস্কার তিন বছর অন্তর দেওয়া হবে তাঁদের; যাঁরা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার পরেও নিরলসভাবে সাহিত্য সাধনা করে চলেছেন।

প্রথম বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কবিতা বিতান’ কাব্যগ্রন্থকে স্মরণে রেখে; এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। ওইদিন মুখ্যমন্ত্রীর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন শিক্ষামন্ত্রী নিজেই। তারপরেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয় জোর বিতর্ক।

]]>