Amartya Sen – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 06 Aug 2022 10:08:21 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Amartya Sen – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বাংলার নেতাদের মতই, এবার ‘পাল্টি’ খেলেন নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন https://thenewsbangla.com/nobel-laureate-amartya-sen-acts-like-bengal-politician-regarding-tmc-cpm-bjp-congress/ Sat, 06 Aug 2022 10:08:01 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=15855 বাংলার নেতাদের মতই, এবার ‘পাল্টি’ খেলেন; নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন। ঠিক বাংলার ‘গদিপ্রিয়’ রাজনৈতিক নেতাদের মতই; এবার ‘পাল্টি’ খেলেন নোবেলজয়ীও। তৃণমূল শিবির ছেড়ে ফের; সিপিএম শিবিরে ফিরে গেলেন অমর্ত্য সেন।

যতদিন রাজ্যে বাম শাসন ছিল; ততদিন তিনি তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলেছেন বলে কেউ দেখেনি। উল্টে, বাম সরকারের ‘নীতিগত সমর্থক’ ছিলেন অমর্ত্য সেন। আবার তৃণমূল আসার পরে; তাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘মা মাটি মানুষের সরকার’ এর পরামর্শদাতাও ছিলেন। লক্ষ্মীর ভান্ডার ও বিভিন্ন ভাতা নিয়ে যখন সমালোচনার পাহাড় উঠেছিল; তখনও তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ মমতার সমর্থক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর প্রশংসা করেছেন সব সময়।

অন্যদিকে কেন্দ্রে আবার কংগ্রেস সরকারের সমর্থক ছিলেন, এখনও আছেন। বিজেপি আসার পরে সরিয়ে দেওয়া হয় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তারপর থেকেই তিনি বিজেপি বিরোধী; ইস্যু যাই হোক না কেন, নরেন্দ্র মোদীর কট্টর সমালোচক।

‘নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য থাকাকালীন বিপুল আর্থিক দুর্নীতি এবং স্বজনপোষণে যুক্ত ছিলেন; নোবেলজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। ২০১৪ সালে মোদী ক্ষমতায় এসে; হাতেনাতে ধরে ফেলেন তাঁর সমস্ত দুর্নীতি। নালন্দা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় অমর্ত্য-কে। তারপর থেকেই মোদীকে অকারণ সমালোচনায় বিদ্ধ করছেন অমর্ত্য’। এমনটাই বিজেপির অভিযোগ; বাংলার নোবেল জয়ী-কে নিয়ে।

সেই অমর্ত্য সেন, আবার ‘দলবদল’ করলেন। নেতাদের মতই নীতি-আদর্শ চুলোয় দিয়ে। মমতার ‘বিভূষণ’ ফিরিয়ে; সিপিএমের ‘পুরষ্কার’ নিলেন অমর্ত্য। তৃণমূলের চুরি আর দুর্নীতি দেখেই কি, এই ‘দলবদল’? তাঁকে সম্মানিত করতে চেয়েছিল; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মা মাটি মানুষের সরকার’। কিন্তু প্রস্তাব পাওয়া মাত্রই দেরি না করে; তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। সেই অর্মত্য সেনই এবার পুরষ্কার নিলেন সিপিএমের কাছ থেকে! সেদিন পর্যন্ত মমতার সঙ্গে থাকা অমর্ত্য; কেন হঠাৎ দলবদল করলেন?

কিছুদিন আগেই রাজ্য সরকারের তরফে কৃতী এবং গুণীজনদের; বঙ্গ সম্মানে সংবর্ধিত করা হয়। অর্মত্য সেনকে সম্মান জানাতে চেয়েছিলেন; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পত্রপাঠ তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন; অপমানিত হয়েও চুপ, ঘাসফুল সরকার।

আরও পড়ুনঃ চুরি দেখেই ‘দলবদল’, মমতার ‘বিভূষণ’ ফিরিয়ে সিপিএমের পুরষ্কার নিচ্ছেন অমর্ত্য সেন

এরপরেই গত ৫ আগস্ট, প্রয়াত কমরেড মুজফফর আহমেদের জন্মদিনে; মুজফফর আহমেদ ট্রাস্ট স্মৃতি পুরস্কার নিলেন অমর্ত্য। যে পুরস্কারের দায়িত্বে রয়েছে সিপিএম দল। ‘হোম ইন দ্য ওয়ার্ল্ড: আ মেমোয়ার’ বা ‘জগৎকুটির’ বইটির জন্য; সম্মানিত করা হল অমর্ত্য সেনকে। “পুরস্কার নেব না”, বলেননি অমর্ত্য।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার নেননি অমর্ত্য। তাঁর তরফ থেকে তাঁর পরিবার জানিয়ে দেয়; তিনি অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। অন্য কাউকে এই পুরষ্কার দেওয়া হোক’। কয়েকদিনের মধ্যে কি এমন ঘটল; যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলেন নোবেলজয়ী? কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাত ছাড়লেন; অমর্ত্য সেন?

চারপাশে তৃণমূল নেতাদের এত দুর্নীতি দেখেই কি, এই সিদ্ধান্ত? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। আর এটা শুনেই সদ্য মমতার মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়া বাবুল সুপ্রিয়; কড়া সমালোচনা করেছেন এই অর্থনীতিবিদের। বাবুলের দাবি, “অমর্ত্য সেন তো একজন পর্যটক; একটি রাজনৈতিক রঙের বাইরে বেরতে পারেননি”। এক ‘পর্যটক’ যে দুদিন আগেও বিজেপিতে ছিল; সে কিনা আর এক ‘দলবদলু’-কে ‘পর্যটক’ বলছে! ভাবা যায়!

তাহলে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের কাছে; আর কিছুই পাবার নেই অমর্ত্য সেনের? তাই কি আবার সিপিএম ও পুরনো দল কংগ্রেস এর হাত ধরা? দেখি অমর্ত্য সেন কি বলেন? হাজার হোক তিনি আবার আমাদের ভারতরত্নও; জনগণের টাকায় তাঁর বিমানভাড়া একেবারে ফ্রি। একমাত্র ভারতরত্ন, যিনি টাকার অভাব না হওয়া সত্ত্বেও এই সুবিধা নেন।

লিখলেন মানব গুহ।

]]>
চুরি দেখেই ‘দলবদল’, মমতার ‘বিভূষণ’ ফিরিয়ে সিপিএমের পুরষ্কার নিচ্ছেন অমর্ত্য সেন https://thenewsbangla.com/amartya-sen-not-receive-bengal-govt-award-but-receiving-cpm-award/ Fri, 05 Aug 2022 14:28:15 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=15847 চুরি দেখেই কি ‘দলবদল’, মমতার ‘বিভূষণ’ ফিরিয়ে; সিপিএমের পুরষ্কার নিচ্ছেন অমর্ত্য সেন। তাঁকে সম্মানিত করতে চেয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের; মা মাটি মানুষের সরকার। কিন্তু প্রস্তাব পাওয়া মাত্রই দেরি না করে; তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। সেই অর্মত্য সেনই এবার পুরষ্কার নিতে চলেছেন; সিপিএমের কাছ থেকে! সেদিন পর্যন্ত মমতার সঙ্গে থাকা অমর্ত্য; কেন দলবদল করলেন?

আজ ৫ আগস্ট; প্রয়াত কমরেড মুজফফর আহমেদের জন্মদিন। ভারতে কমিউনিস্ট পার্টি তৈরির অন্যতম এই কারিগর; দলের অন্দরে কাকাবাবু নামেই পরিচিত ছিলেন। জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে প্রতি বছর এই দিনে; মুজফফর আহমেদ ট্রাস্ট স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হয়। যেটার দায়িত্বে রয়েছে সিপিএম দল। দলীয় সূত্রের খবর; ‘হোম ইন দ্য ওয়ার্ল্ড: আ মেমোয়ার’ বইটির জন্য এবারে সম্মানিত করা হচ্ছে অমর্ত্য সেনকে। অমর্ত্য সেন পুরষ্কার নেবেন বলে; জানিয়েও দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ পার্থর জেলে যাবার দিনেই, দিল্লিতে মোদী-মমতা ৪৫ মিনিট বৈঠক

কিছুদিন আগেই রাজ্য সরকারের তরফে কৃতী এবং গুণীজনদের; বঙ্গ সম্মানে সংবর্ধিত করা হয়। অর্মত্য সেনকে সম্মান জানাতে চেয়েছিলেন; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কিন্তু পত্রপাঠ তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তবে এবার সিপিএমের পুরষ্কার নিতে তিনি সম্মত হওয়ায়; বিষয়টিকে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চ্চা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে রাজ্য সরকার বা অর্মত্যবাবুর কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। তবে পুরো ঘটনায় বেজায় খুশী বিধানসভায় শুন্য হয়ে যাওয়া সিপিএম।

আরও পড়ুনঃ দুই জেলে ‘অপা’, জেলে আলাদা করা হল পার্থ অর্পিতাকে

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার নেননি; নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। তাঁর তরফ থেকে তাঁর পরিবার জানিয়ে দেয়; তিনি অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। অন্য কাউকে এই পুরষ্কার দেওয়া হোক’। কয়েকদিনের মধ্যে কি এমন ঘটল; যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলেন নোবেল জয়ী অর্থনীতি-বিদ। কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাত ছাড়লেন অমর্ত্য সেন? চারপাশে তৃণমূল নেতাদের এত দুর্নীতি দেখেই কি; এই সিদ্ধান্ত? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। আর এটা শুনেই সদ্য মমতার মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়া বাবুল সুপ্রিয়; সমালোচনা করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এর।

]]>
‘লকডাউনে ভারতের ২০ শতাংশ মানুষ খাবার পায়নি’, অমর্ত্য সেনের প্রতীচী ট্রাস্টের রিপোর্ট https://thenewsbangla.com/amartya-sen-pratichi-trust-report-20-per-cent-indians-suffer-food-crisis-in-lockdown/ Sat, 02 Jul 2022 13:59:26 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15781 ‘লকডাউনে ভারতের ২০ শতাংশ মানুষ খাবার পায়নি’; অমর্ত্য সেনের প্রতীচী ট্রাস্টের রিপোর্ট সামনে এল। লকডাউনে ২০ শতাংশ ভারতীয় খাদ্য সংকটে ভুগেছেন; এমনই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, অমর্ত্য সেনের প্রতীচী ট্রাস্টের রিপোর্টে। অর্থাৎ, দেশে প্রতি ৫ জন মানুষের মধ্যে; ১ জন ব্যক্তি খাদ্য সংকটে ভুগেছেন। বিজেপির তরফ থেকে এই রিপোর্ট উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তৃণমূলের তরফ থেকে এই রিপোর্ট নিয়ে; এখনও কিছু বলা হয়নি।

২০২০ সালের অগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত; দেশে একটা সমীক্ষা চালিয়েছিল অমর্ত্য সেনের প্রতীচী ট্রাস্ট। ওই সমীক্ষায় আড়াই হাজার মানুষের সঙ্গে; কথা বলা হয়, বলে জানা গেছে। সমীক্ষার সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, “করোনা কালে প্রান্তিক মানুষদের মধ্যে; ৮৭.৮০ শতাংশ মানুষ তাদের কাজ হারিয়েছেন। বাংলা থেকে কাজের খোঁজে, অন্য রাজ্যে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে; ৯৩.২০ শতাংশই কাজ হারিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ বিজেপি লোকসভায় কটা আসন জিতলে, কান ধরে ওঠবস করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন ফিরহাদ হাকিম

এই রাজ্যে জব কার্ডধারী-দের মধ্যে; ১০০ দিনের কাজ পেয়েছিলেন মাত্র ৫৫ শতাংশ মানুষ। রিপোর্টে এও বলা হয়েছে, লকডাউনের সময় সর্বাধিক ২৪০ দিন পর্যন্ত খাদ্য সংকট চলেছে। প্রতি ৫ জন মানুষের মধ্যে ১ জন ব্যক্তি অর্থাৎ, ২০ শতাংশ মানুষ খাদ্য সংকটে ভুগেছেন। তবে, সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী সেই সব নিম্ন মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্তরা; যাঁদের রেশন কার্ড নেই।

আরও পড়ুনঃ ‘নুপূর শর্মা’ নামের আড়ালে পা’ক জ’ঙ্গিদের প্রশ্রয় দিচ্ছে কারা, খুঁজে বের করবে এনআইএ

২০২১ সালে অমর্ত্য সেনের প্রতীচী ট্রাস্টের রিপোর্টে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি প্রকল্পের; ঢালাও প্রশংসা করা হয়। তার মধ্যে একটি হল, ‘দিদিকে বলো’ এবং অন্যটি ‘দুয়ারে সরকার’। প্রতীচী ট্রাস্ট তাদের সমীক্ষার রিপোর্টে দাবি করে; ‘দিদিকে বলো’ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের বিপুল সংখ্যক মানুষ, যেমন তাঁদের অভাব অভিযোগ সরকারের কাছে তুলে ধরতে পেরেছেন; তেমনই ‘দুয়ারে সরকার’-এর মাধ্যমে প্রায় পৌনে তিন কোটি মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

শুধু তাই নয়, এই দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে যত অভিযোগ জমা পড়েছিল; তার ৯৫ শতাংশই সমাধান করা হয়েছে। ওই রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়ে, ‘দিদিকে বলো’ প্রকল্পের মাধ্যমে; অনলাইনে ১০ লক্ষেরও বেশি অভিযোগ নিয়ে কাজ হয়েছে।

]]>
অর্মত্য সেনকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য দিলীপ ঘোষের, ক্ষুব্ধ শান্তিনিকেতন https://thenewsbangla.com/bjp-leader-dilip-ghosh-comments-against-economist-amartya-sen/ Sat, 27 Apr 2019 08:08:19 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11754 অর্মত্য সেনকে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করায় বিজেপির রাজ্য সভাপতির উপর ক্ষুব্দ শান্তিনিকেতন। অর্মত্য সেন আলটপকা কথা বলেন, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন, কোন সমস্যার সমাধান করতে পারেন না। বৃহষ্পতিবার কলকাতার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে একথা বলার পর টিভিতে সরাসরি সম্প্রচারের পর ক্ষুব্ধ শান্তিনিকেতনের বাসিন্দা।

আরও পড়ুনঃ শীঘ্রই আসছি ইনশাল্লাহ, বাংলায় পোস্টার ভয়ঙ্কর ইসলামিক স্টেটের

বোলপুর শান্তিনিকেতনের বাসিন্দা শিক্ষক প্রলয় নায়েক বলেন, দিলীপ ঘোষ অশিক্ষিত মূর্খ লোক। কথায় আছে, আপনি আচরি ধর্ম পরেরে শেখাও। দিলীপ ঘোষের মতো অশিক্ষিত লোক তাকে নিয়ে কোন কথা বলতে চাই না। বুধবার শান্তিনিকেতন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়েও বির্তক দানা বাঁধে। তারপরে অর্মত্য সেনের মতো উচ্চ শিক্ষিত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ সম্পর্কে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুপ মন্তব্য বির্তক আরো বাড়িয়ে দিলো।

অর্মত্য সেনকে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য দিলীপেরঃ ক্ষুব্ধ শান্তিনিকেতন/The News বাংলা
অর্মত্য সেনকে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য দিলীপেরঃ ক্ষুব্ধ শান্তিনিকেতন/The News বাংলা

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ দলের এক অনুষ্ঠানে বলেন, “সেনের মত বুদ্ধিজীবীরা সবসময়ই বামপন্থী আদর্শ অনুসরণ করে আসছে। সেনের মত লোকজন বাস্তব পরিস্থিতির সম্পর্কে কিছুই জানেন না। আর এর চেয়ে বড় সত্য হতে পারে না, সেনের মতো মার্কসবাদীদের বর্তমান সময়ে অনেক গুরুত্ব নেই”।

আরও পড়ুনঃ টার্গেট মুর্শিদাবাদ, অধীরকে হারাতে বহরমপুরে ইমামদের নিয়ে সভা শুভেন্দুর

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পরাজয়ের জন্য অর্মত্য সেনের বার্তা নিয়ে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, “তাঁর মতো লোকেরা সর্বদা ভুল পথে সমাজকে নিয়ে গেছেন”। প্রকৃতপক্ষে, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেন, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের জন্য সকল অ-সাম্প্রদায়িক শক্তিকে একত্রিত করা উচিত এবং বামপন্থীরা তাদের সাথে যোগ দিতে দ্বিধা করবেন না কারণ ‘গণতন্ত্র বিপদগ্রস্ত।

আরও পড়ুনঃ বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে টুপি পরতে দেবে না, বিতর্কিত মন্তব্য ফিরহাদের

অর্মত্য সেন বলেন আমাদের অবশ্যই স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা উচিত। আমাদের অবশ্যই সেই সব সমস্যাগুলির সমালোচনা করতে হবে যেখানে আমাদের অ-সাম্প্রদায়িক ডানপন্থী বাহিনীকে বিরোধিতা করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ নুড়ি পাথর ভরা মাটির মিষ্টি খাইয়ে মোদীর দাঁত ভাঙবেন, মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রী মমতার

অর্মত্য সেনকে নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য প্রসঙ্গে বোলপুরের বাসিন্দা চিকিৎসক ডাঃ সীতারাম ব্যার্নাজী, শিক্ষক মানিক ঘোষ বলেন, রাজনীতি রাজনীতির জায়গায় করা ভালো। এরা রাজনীতি করতে গিয়ে নিজেদের রুচি বোধকে নামিয়ে আনছেন। শান্তিনিকেতনের বাসিন্দা ব্যবসায়ী অরবিন্দ কুমার বলেন, অর্মত্য সেন আর দিলীপ ঘোষ, একজন আকাশে থাকলে আর এক পাতালে। তাকে নিয়ে যারা বিরুপ কথা বলে তারা অশিক্ষিত। শিক্ষার মর্ম বুঝলে এসব বলতো না।

আরও পড়ুনঃ পাঁচ বছরে একটাও রাম মন্দির করতে পারল না বিজেপি, রানীগঞ্জে বললেন মমতা

বিশ্বভারতীর সমাজকর্ম বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র আমিনুল ইসলাম বলেন, যারা সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে দাঙ্গা লাগাতে চায় তারা অর্মত্য সেনের মতো মানুষের মূল্যায়ন করবে এটা ভাবাটাই ভুল। সব মিলিয়ে দিলীপ ঘোষের উপর ক্ষুব্ধ শান্তিনিকেতন।

]]>
বিদ্যাসাগর, বিবেকানন্দ, নেতাজির সঙ্গেই সেরা বাঙালি প্রতিভা মমতা https://thenewsbangla.com/vidyasagar-vivekananda-netaji-along-with-mamata-are-the-famous-bengali-legends/ Thu, 07 Mar 2019 09:50:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7756 মুখ্যমন্ত্রীর ছবি নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। তা সে মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা ছবিই হোক বা তাঁর নিজের মুখমণ্ডলের ছবিই হোক। শহর মোড়া বিজ্ঞাপণের যে দিয়েই তাকাবেন সব জায়গায় চোখে পড়বে একগাল হাসি ভরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। আর এবার রামমোহন, বিদ্যাসাগর, বিবেকানন্দ, মধুসূদন ও নেতাজির এর সঙ্গেই একাসনে সেরা বাঙালি প্রতিভা মমতা।

ঋষি অরবিন্দ, সত্যজিত রায়, অমর্ত্য সেন, কিশোর কুমার, সৌরভ গাঙ্গুলি সহ আরও অনেককে টপকে এবার সেরা বাঙালি প্রতিভার তালিকায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সল্ট লেক সেক্টর ফাইভে এমন একটি পোস্টারে হইচই পরে গেছে গোটা রাজ্যে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে সেই ছবি।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানি চায়ের বিজ্ঞাপনের ভাইরাল ছবিতেও ভারতীয় পাইলট অভিনন্দন

মুখের আমি, মুখের তুমি, মুখ দিয়েই যায় চেনা। হোক না সেটা ল্যাম্প পোস্ট থেকে শুরু করে বাড়ির দেওয়াল, বাস স্টপ বা নন্দন চত্বর। সর্বত্র তাঁরই হাসিমুখের ছবি। মনিষীদের বাণীর পাশেও হাসি হাসি মুখে বিরাজমান বাংলা মুখ্যমন্ত্রী। এবার আবার সেই ছবি নিয়েই শুরু বিতর্কের, শুরু ব্যঙ্গ বিদ্রুপ থেকে রসিকতা।

সম্প্রতি সল্ট লেক সেক্টর ৫ এ লাগানো হয়েছে একটি পোস্টার আর তাতে লেখা ফেমাস বেঙ্গলি লেজেন্ড। সেই ছবিতে রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, স্বামী বিবেকানন্দ, ঠাকুর রামকৃষ্ণ, নজরুল ইসলাম, জগদীশ চন্দ্র বসু সহ আরও ১৩জন মনীষীদের সঙ্গে ছবি স্বয়ং মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর।

আরও পড়ুনঃ রাফায়েল যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত সব নথি চুরি হয়ে গিয়েছে

বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। নানা জায়গায় সমালোচনা, নিন্দা ছাড়াও চলছে বিদ্রুপ ও হাসির রোল। যদিও ছবি নিয়ে এই ধরণের ব্যাপারে ধীরে ধীরে গা সওয়াও হয়ে গিয়েছে রাজ্যবাসীর।

এমনকি কয়েক মাস আগে শিক্ষা দফতরের নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী এবার রাজ্যের প্রতিটি স্কুলেও শোভা পেতে চলেছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ছবি। সম্প্রতি রাজ্যের প্রতিটি সরকারি ও সরকার অনুমোদিত স্কুলে এক নতুন নির্দেশিকা পাঠিয়েছে রাজ্য শিক্ষা দফতর।

আরও পড়ুনঃ পরের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে বিমানে বেঁধে নিয়ে যাওয়া হবে বিরোধীদের

সেখানে বলা হয়েছে, স্কুলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে এমন জায়গায় টাঙাতে হবে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যানার। শুধু তাই নয়, যে ব্যানার টাঙাতে হবে তার সফট কপিও স্কুলগুলিকে পাঠিয়ে দিয়েছে শিক্ষা দফতর। তবে উপর মহলের এহেন নির্দেশে বেশ অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন কিছু কিছু স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু চাকরি বাঁচিয়ে রাখাই এখন বড় কাজ তাই কোন কথা নেই।

আরও পড়ুনঃ বুলডোজার দিয়ে উর্দু গেট উড়িয়ে দিল যোগী সরকার

উল্লেখ্য, কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ছবিতে নন্দন চত্ত্বর মুড়ে ফেলার পর গোটা রাজ্য জুড়ে উঠেছিল বিতর্কের ঝড়। সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গিয়েছিল মমতা বিরোধী একের পর এক পোস্টে। কোথাও বা বলা হয়েছিল সত্যজিত্‍, ঋত্বিক ঘটকের মতো একাধিক নামি পরিচালককে উড়িয়ে দিয়ে সিনেমার পিঠস্থান মমতার ছবিতে ভরিয়ে দেওয়া এক নিম্ন রুচির পরিচয়।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে হত্যা কর, কংগ্রেস নেতার প্রকাশ্য নির্দেশ

কেউ আবার জানিয়েছিলেন, মমতা ব্যানারে নিজের মুখ দেখতে খুব ভালোবাসেন তাই এই ব্যানার। সবকিছুর পর এবার সেরা বাঙালি প্রতিভাতেও মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে তত্‍পর হল ‘দিদির ভাইরা’। আর তাই, সেরা বাঙালি প্রতিভার তালিকায় এবার মমতাও। মমতার কোন ভাই তাঁকে খুশি করার ১৪ জন সেরা বাঙালি প্রতিভায় তাঁর ছবি রাখলেন সেটাই এখন প্রশ্ন। তবে সেই ভাইকে সোশ্যাল মিডিয়া ইতিমধ্যেই ‘পোস্টারশ্রী’ পুরস্কারও দিয়ে দিয়েছে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন https://thenewsbangla.com/pranab-mukherjee-former-president-is-seventh-bengali-to-get-bharat-ratna-award/ Fri, 25 Jan 2019 18:44:07 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6027 প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে আরও ছয়জন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন। এঁরা হলেন বিধানচন্দ্র রায় (১৯৬১), মাদার টেরিজা (১৯৮০), সত্যজিৎ রায় (১৯৯২), অরুণা আসফ আলি (১৯৯৭), পণ্ডিত রবি শংকর (১৯৯৯) ও অমর্ত্য সেন (১৯৯৯)। প্রণব মুখোপাধ্যায় হলেন সপ্তম বাঙালি যিনি ভারতরত্ন হলেন।

আরও পড়ুনঃ ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায়

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা
প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা

১. ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় (১ জুলাই,১৮৮২– ১ জুলাই,১৯৬২) ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক হিসেবেও তাঁর বিশেষ খ্যাতি ছিল। কলকাতার ক্যাম্বেল মেডিক্যাল স্কুলে (বর্তমানে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ) শিক্ষকতা ও চিকিৎসা ব্যবসা শুরু করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেট সদস্য, রয়্যাল সোসাইটি অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড হাইজিন ও আমেরিকান সোসাইটি অফ চেস্ট ফিজিশিয়ানের ফেলো নির্বাচিত হন। পরে কলকাতা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও কলকাতা পৌরসংস্থার মেয়র নির্বাচিত হন। ১৯৬১ সালে তিনি ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত হন। তাঁর জন্ম ও মৃত্যুদিন (১ জুলাই) সারা ভারতে “চিকিৎসক দিবস” রূপে পালিত হয়।

আরও পড়ুনঃ

কালামের নামে ছাত্রদের তৈরি হালকা উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়ে নজির ভারতের

কলেজে অধ্যাপক পিটিয়ে এগিয়ে বাংলার মুখে ফের চুনকালি দিল তৃণমূল

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা
প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা

২. মাদার টেরেজ়া (আগস্ট ২৬, ১৯১০ – সেপ্টেম্বর ৫, ১৯৯৭) ছিলেন একজন আলবেনিয় বংশোদ্ভুত ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসী। জীবনের বেশিরভাগ সময় তিনি কলকাতায় মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। ১৯৮০ সালে তাঁকে ভারতরত্ন দেওয়া হয়। ১৯৫০ সালে কলকাতায় তিনি দ্য মিশনারিজ অফ চ্যারিটির প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৬ সালে পোপ ফ্রান্সিস তাঁকে ‘সন্ত’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন এবং ক্যাথলিক গির্জায় তিনি ‘কলকাতার সন্ত টেরিজা’ হিসেবে আখ্যায়িত হন। তাঁকে বাঙালি বলেই মনে করেন সবাই।

আরও পড়ুনঃ

পিটিটিআই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের

নেতাদের পর সিনেমার প্রয়োজক, চিটফান্ড দুর্নীতিতে গ্রেফতার শ্রীকান্ত মোহতা

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা
প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা

৩. সত্যজিৎ রায় (২ মে, ১৯২১ – ২৩ এপ্রিল, ১৯৯২) ছিলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা। চলচ্চিত্র জগতে অবদানের জন্য ১৯৯২ সালে তাঁকে ভারতরত্ন দেওয়া হয়। সত্যজিৎ রায় একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। তিনি ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তাঁর নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, যাদের মধ্যে অন্যতম ছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া “শ্রেষ্ঠ মানব দলিল” (Best Human Documentary) পুরস্কারটি। এছাড়াও তিনি ছিলেন একাধারে কল্পকাহিনী লেখক, প্রকাশক, চিত্রকর, গ্রাফিক নকশাবিদ ও চলচ্চিত্র সমালোচক। বর্ণময় কর্মজীবনে তিনি বহু পুরস্কার পেয়েছেন। তবে এগুলির মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল ১৯৯২ সালে পাওয়া একাডেমি সম্মানসূচক পুরস্কার বা অস্কার। যা তিনি সমগ্র কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেন।

আরও পড়ুনঃ

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মা দুর্গার সাক্ষাৎ অবতার, পোস্টার কংগ্রেসের

জন্মদিনে নেতাজি সুভাষের মৃত্যুদিন নিয়ে ছেলেখেলা রাহুলের কংগ্রেসের

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা
প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা

৪. অরুণা আসফ আলী (১৯০৯-১৯৯৬) ছিলেন ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের সংগ্রামী ও একজন সমাজকর্মী। অরুণা আসফ আলীকে আন্তঃরাষ্ট্রীয় বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে ১৯৯১ সালে জওহরলাল নেহরু পুরস্কার প্রদান করা হয়। ১৯৯৭ সালে ভারত সরকার তাঁকে দেশের সর্ব্বোচ্চ সম্মান ভারতরত্ন উপাধিতে সম্মানিত করে। আর ১৯৬৪ সালে তাকে আন্তঃরাষ্ট্রীয় লেলিন শান্তি পুরস্কারে বিভূষিত করা হয়। সমাজে প্রগতি আর শান্তি রক্ষার কারণে ১৯৫৫ সালে তাকে সোভিয়েট দেশে নেহরু পুরস্কারে সম্মানিত করে। তিনি দিল্লী মহানগরের প্রথম মহিলা মেয়র ছিলেন। তিনি জাতীয় মহিলা ফেডারেশনের সভানেত্রীও ছিলেন। জাতীয় মহিলা কনফারেন্সের সাথে জড়িত থাকার কারণে দিল্লী কংগ্রেস কমিটির সভানেত্রীও হন তিনি।

আরও পড়ুনঃ

মোদীর মাস্টারস্ট্রোকে দেশ পেতে পারে প্রথম মহিলা বাঙালি সিবিআই প্রধান

ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকেই প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা
প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা

৫. পণ্ডিত রবিশঙ্কর (৭ই এপ্রিল, ১৯২০- ১১ই ডিসেম্বর, ২০১২) ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ যিনি সেতারবাদনে কিংবদন্তিতুল্য শ্রেষ্ঠত্বের জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মাইহার ঘরানার স্রষ্টা আচার্য আলাউদ্দীন খান সাহেবের শিষ্য রবিশঙ্কর ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ঐতিহ্য। এবং ভারতীয় সঙ্গীতকে ১৯৬০-এর দশকে পাশ্চাত্য বিশ্বের কাছে প্রথম তুলে ধরেন। তাঁর সাঙ্গীতিক কর্মজীবনের পরিব্যাপ্তি ছয় দশক জুড়ে। ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুকালে রবিশঙ্কর দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক কর্মজীবনের জন্য গিনেস রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন। ১৯৯৯ সালে তাঁকে ভারতরত্ন দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ

রাজ্যের হাতে টাকা নেই বাজারে ধার, তারপরেও বিধায়কদের ভাতা বাড়ছে

পাহাড়ে মোর্চা বিজেপির সঙ্গেই, গোপন আস্তানা থেকে বার্তা বিমল গুরুংয়ের

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা
প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা

৬. অমর্ত্য সেন (জন্ম ৩রা নভেম্বর, ১৯৩৩) একজন বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক। দুর্ভিক্ষ, জনকল্যাণ অর্থনীতি ও দারিদ্রের কারণ নিয়ে গবেষণার জন্য তাঁকে ১৯৯৯ সালে ভারতরত্ন দেওয়া হয়। অমর্ত্য সেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ। দুর্ভিক্ষ, মানব উন্নয়ন তত্ত্ব, জনকল্যাণ অর্থনীতি ও গণদারিদ্রের অন্তর্নিহিত কার্যকারণ বিষয়ে গবেষণা এবং উদারনৈতিক রাজনীতিতে অবদান রাখার জন্য ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে ব্যাংক অফ সুইডেন পুরস্কার (যা অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার হিসেবে পরিচিত) লাভ করেন। অমর্ত্য সেনই জাতিসংঘের বিভিন্ন দেশের শিক্ষা এবং মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার জন্য মানব উন্নয়ন সূচক আবিষ্কার করেন। তিনিই প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক না হয়েও ন্যাশনাল হিউম্যানিটিস মেডালে ভূষিত হন।

আরও পড়ুনঃ

বাংলায় ক্ষোভ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়াচ্ছে মোদী সরকার

লোকাল ট্রেনকে এক্সপ্রেস ভাবলেন ষ্টেশন মাস্টার, তারপরেই হল বিপদ

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা
প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগে কোন কোন বাঙালি ভারতরত্ন হয়েছেন/The News বাংলা

আর এবার সপ্তম বাঙালি হিসাবে ভারতরত্ন পেলেন প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। ৭. প্রণব মুখোপাধ্যায় (জন্মঃ ১১ ডিসেম্বর ১৯৩৫) ছিলেন ভারতের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি (জুলাই, ২০১২-এ কার্যভার গ্রহণকারী)। তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবন ছয় দশকব্যাপী। তিনি ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা। বিভিন্ন সময়ে ভারত সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। ২০১২ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে প্রণব মুখোপাধ্যায় ছিলেন ভারতের অর্থমন্ত্রী ও কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় সমস্যা-সমাধানকারী নেতা।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ

মন্দিরে ঢোকার অপরাধে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়ানো হল দুর্গাকে

মন্দিরে ঢুকে বিপ্লবের শাস্তি, পিটিয়ে বৌমাকে হাসপাতালে পাঠাল শাশুড়ি

নারী ঢোকায় ‘অপিবত্র’ শবরীমালা, ‘শুদ্ধ’ করার জন্য বন্ধ মন্দির

ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’

]]>