TETScam – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 06 Sep 2022 04:20:20 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg TETScam – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 রাজ্যের ভুলে নষ্ট ৫ বছর, ২৩ জন টেট উত্তীর্ণকে নিয়োগের নির্দেশ বিচারপতি গাঙ্গুলির https://thenewsbangla.com/justice-abhijit-ganguly-ordered-the-appointment-of-23-tet-passers-5-years-wasted-by-wb-govt/ Tue, 06 Sep 2022 04:20:06 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16666 রাজ্যের ভুলে নষ্ট ৫ বছর, ২৩ জন টেট উত্তীর্ণকে নিয়োগের নির্দেশ বিচারপতি গাঙ্গুলির। বড় ভুল করেছিল রাজ্য সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। অথচ গত ৫ বছর যাবৎ সেই ভুলের খেসারত দিচ্ছেন, বাংলার ২৩ জন চাকরিপ্রার্থী। এবার সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করতে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, এই ২৩ জন চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে, আগামী ২৩ দিনের মধ্যে। শূন্যপদ না থাকলে, তা তৈরি করে চাকরি দিতে হবে। চাকরিপ্রার্থীরা চাকরি পেলেন কি না, তা আগামী শুনানিতে আদালতকে জানাতে হবে।

ঠিক কি হয়েছিল? ২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের টেটের পরীক্ষায়, ৬টি প্রশ্ন ভুল ছিল। সেবছরই পরীক্ষা দিয়েছিলেন, এই ২৩ জন পরীক্ষার্থী। কিন্তু ২০১৬ সালে ফল প্রকাশ হলে দেখা যায়, তাঁরা টেট পাশ করেননি। স্বাভাবিকভাবেই সেই সময় চাকরি পাননি তাঁরা। ওই পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ ছিল, পর্ষদের প্রশ্নে ভুল ছিল, ওই ছনম্বরের জন্য চাকরি পাননি তাঁরা।

আরও পড়ুনঃ বাংলার ডাক, ৫ই সেপ্টেম্বর নয়, ২৬শে সেপ্টেম্বর পালন করুন জাতীয় শিক্ষক দিবস

অন্য একটি মামলায় দেখা যায়, ভুল প্রশ্ন থাকায় চাকরিপ্রার্থীদের নম্বর বাড়িয়েছে পর্ষদ। তারপরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন এই ২৩ টেট পরীক্ষার্থী। পর্ষদকে বিচার করতে বলে হাইকোর্ট, নিজেদের ভুল স্বীকার করে নম্বর বাড়িয়ে দেয় পর্ষদ। ফলে টেট পাশ করে যান ওই ২৩ জন। এরপরই শুরু বিপত্তি। মামলাকারীদের অভিযোগ, তাঁরা নম্বর পাবে কিনা তা বিচারাধীন থাকা অবস্থায়, ২০২০ সালে নতুন নিয়োগ করে পর্ষদ। এমনকী, প্রশিক্ষণহীনরাও চাকরি করছেন।

এদিকে আদালতে পর্ষদ জানিয়েছে, আপাতত কোনও শূন্যপদ নেই। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “বোর্ডের ভুলে পাঁচ বছর চাকরি পাননি ওঁরা, আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে”। একইসঙ্গে তিনি জানান, এই ধরনের যত মামলা আসবে তিনি সেগুলি বিবেচনা করবেন। ফের একবার কলকাতা হাইকোর্টে মুখ পুড়ল, রাজ্য সরকারের।

]]>
লজ্জার বাংলা, সাড়ে ৭ লাখ টাকায় টেট ফেল করাকে স্কুল শিক্ষিকার চাকরি বিক্রি https://thenewsbangla.com/shame-bengal-tet-fail-gets-school-teacher-job-for-seven-and-half-lakhs-tet-scam/ Sat, 03 Sep 2022 04:41:26 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16620 লজ্জার বাংলা, সাড়ে ৭ লাখ টাকায় টেট ফেল করাকে, স্কুল শিক্ষিকার চাকরি বিক্রি। টাকা দিয়েই শিক্ষকের চাকরি, স্বীকার খোদ শিক্ষিকার স্বামীর। শুধু তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন বিশ্বাসের অভিযোগ নয়, টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়ার ব্যাপারে এবার স্বীকারোক্তিও মিলল এক শিক্ষিকার স্বামীর কাছ থেকেই। বাগদার চন্দন মণ্ডল ওরফে ‘সৎ রঞ্জনের’ বিরুদ্ধে, টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন উপেন বিশ্বাস। ‘টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়া’ ওই শিক্ষিকার স্বামী, এবার সেটাই জানাল সিবিআই-কে।

সাড়ে ৭ লক্ষ টাকায় স্কুলের চাকরি বিক্রির অভিযোগ উঠল, বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মণ্ডলের বিরুদ্ধে। টাকা দিয়ে বেআইনিভাবে চাকরি পাওয়ার কথা স্বীকার করল, নদিয়ার কল্যাণীর বাসিন্দা পাপিয়া মুখোপাধ্যায়ের স্বামী জয়ন্ত বিশ্বাস। ২০১৭-য় নদিয়ার হবিবপুরের পানপাড়ার রাঘবপুর কনভার্টেড জুনিয়র প্রাইমারি স্কুলে, শিক্ষিকার চাকরি পায় কল্যাণীর বাসিন্দা পাপিয়া মুখোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা খেল রাজ্য, ২৬৯ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল

তার স্বামী জয়ন্ত বিশ্বাস সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, বাগদার মামা-ভাগিনা গ্রামে তাঁর পৈতৃক বাড়ি রয়েছে। সেই সূত্রে বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দনের সঙ্গে তার চেনাজানা। জয়ন্তর দাবি, ২০১৫-য় চন্দনকে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার পর, ২০১৭-য় চাকরি পায় তাঁর স্ত্রী। সেই সংক্রান্ত তথ্য এবং বক্তব্য শুক্রবার প্রাথমিক নিয়োগ মামলায়, বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি লোপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে উল্লেখও করা হয়েছে।

তাতে বলা হয়েছে, পাপিয়া মুখোপাধ্যায় ২০১৪ সালে ‘টেট’ বা শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা না-দিয়ে, নগদ সাড়ে সাত লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক শিক্ষিকার চাকরি পায়। টাকা নিয়েছিল, বাগদার মামাভাগিনা গ্রামের বাসিন্দা চন্দন মণ্ডল। পাপিয়া ২০১২ সালে টেট পাশ করতে পারেনি, ২০১৪-য় টেটে বসেনি। ২০১৫-র অগস্টে জয়ন্তের বাবা, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী দীননাথ বিশ্বাসের পেনশন অ্যাকাউন্ট থেকে, সাড়ে সাত লক্ষ টাকা তুলে চন্দন মণ্ডলকে দেওয়া হয়। তার বিনিময়েই ২০১৭ সালে, প্রাইমারি স্কুলে চাকরি পায় পাপিয়া।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে একের পর ঘটনা সামনে আসছে, যা চমকে দিচ্ছে রাজ্যের মানুষকে। গান্ধী মূর্তির নিচে, ৫৫০ দিন ধরে বসে যোগ্য চাকরি প্রার্থীরা, যাদের চাকরি গিয়েছে চুরি। আমাদের বাংলায় শিক্ষকের চাকরি গিয়েছে চুরি। লজ্জার অন্ধকারে ডুবেছে, বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা।

]]>
‘ভয়ঙ্কর কাণ্ড’ শিক্ষক নিয়োগে, টাকা নিয়ে বাংলাদেশিদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে https://thenewsbangla.com/teachers-recruitment-scam-in-bengal-bangladeshis-have-been-given-jobs-for-money/ Fri, 02 Sep 2022 05:45:57 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16578 ‘ভয়ঙ্কর কাণ্ড’ শিক্ষক নিয়োগে, টাকা নিয়ে বাংলাদেশিদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার শিক্ষক নিয়োগ-দুর্নীতি কাণ্ডে, বিস্ফোরক দাবি করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। টাকা নিয়ে বাংলাদেশিদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে! চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআই-য়ের। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ প্রসন্ন রায়কে জেরা করে, এক রহস্যময় বাংলাদেশি ‘মিডলম্যান’-এর কথা জানতে পেরেছে সিবিআই। সেখান থেকেই মিলেছে, এই চমকপ্রদ তথ্য।

সিবিআই-য়ের দাবি, প্রসন্নর ‘হাতযশে’ অবৈধভাবে সীমান্ত পেরনো অনেক বাংলাদেশি যুবক-যুবতী, ভারতীয় সেজে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকের ও গ্রুপ ডি চাকরি করছে। চাকরির পরীক্ষার ধারে-কাছে না গিয়েই, এই ‘কৃতিত্ব’ অর্জন করেছে তারা। এর জন্য ওই অনুপ্রবেশকারীদের কাছ থেকে, ২০-২৫ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। এভাবে যারা চাকরি পেয়েছে, তাদের নামের তালিকা তৈরি করছেন তদন্তকারীরা। সবাইকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হবে বলে, সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন; মমতার ‘উপকারি’ কেষ্টর পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের ১৬১টি সম্পত্তি, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে

সিবিআইয়ের দাবি, বহু বাংলাদেশি তরুণ-তরুণীকে, অবৈধভাবে রাজ্যের স্কুলে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে শুধুই টাকার বিনিময়ে। বাংলাদেশি-দের এপারে এনে, চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ‘বিশ্বাস’ নামে বাংলাদেশি মিডলম্যানের, যে প্রসন্নর অন্যতম সহযোগী। বাংলাদেশ ও ভারত, দু’দেশেরই পাসপোর্ট আছে তার। প্রসন্ন এবং বিশ্বাস রাজারহাট-নিউটাউন এলাকায়, একই আবাসনে থাকত।

প্রসন্নর হোয়াটসঅ্যাপ-চ্যাট ও সোশ্যাল-মিডিয়া ট্র্যাক করে তদন্তকারীরা জেনেছেন, এই ‘বিশ্বাস’ বাংলাদেশি-দের নির্বাচিত করে, অনুপ্রবেশ করানোর দায়িত্বে ছিল। বাংলাদেশে যারা অর্থের বিনিময়ে ভারতের স্কুলে চাকরিতে আগ্রহ দেখাত, দালালের মাধ্যমে তাদের সীমান্ত-পার করিয়ে নিয়ে আসা হত। তাদের এনে তোলা হত, রাজারহাট-নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে। সব ব্যবস্থা করে দিত প্রসন্ন।

অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের ‘ভারতীয়’ সাজাতে, যাবতীয় শংসাপত্র ও আধার-ভোটার কার্ড তৈরি করে দেওয়া হত। এরপর তাদের গ্রুপ-ডি, প্রাইমারি-টেট পরীক্ষার ফর্ম পূরণ করান হত। প্রসন্নর সল্টলেকের অফিসে গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাদের নামের তালিকা পাঠিয়ে দেওয়া হত ‘যথাস্থানে’। প্রসন্ন এভাবে যতজনের জন্য সুপারিশ করেছিলেন, তারা সকলেই চাকরি পেয়েছে বলে সিবিআই জানতে পেরেছে।

দেশ ও পরিচয় পাল্টে এভাবে সরকারি চাকরি পাওয়ার ঘটনায়, তদন্তকারীরাও রীতিমতো বিস্মিত। যদিও অভিযুক্তের আইনজীবীদের বক্তব্য, ‘তাঁদের মক্কেলকে জোর করে এই সব বলিয়ে নেওয়া হচ্ছে’।

]]>
মানিক ভট্টাচার্যর জায়গায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নতুন সভাপতি, নতুন কমিটি https://thenewsbangla.com/manik-bhattacharya-replaced-by-gautam-paul-as-new-president-of-the-primary-education-board/ Tue, 23 Aug 2022 15:31:11 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16360 মানিক ভট্টাচার্যর জায়গায় এলেন, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নতুন সভাপতি, নতুন কমিটি। স্কুল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। সেখান থেকে বেশ কিছু তথ্য পায় তদন্তকারী সংস্থা, সেই তথ্যকে সামনে রেখেই চলে জিজ্ঞাসাবাদ। নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসতেই, নিজের পদ থেকে সরানো হয়েছিল মানিক ভট্টাচার্যকে। মঙ্গলবার তাঁর জায়গায় নতুন সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পেলেন গৌতম পাল, তিনি এখন কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্যের দায়িত্বে রয়েছেন। রাজ্য শিক্ষা দফতর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, এক বছরের জন্য পর্ষদের নতুন সভাপতি হলেন গৌতম পাল।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলার মধ্যেই, প্রাথমিকে রদবদল। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি হলেন, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য। সরিয়ে দেওয়া হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সদস্যদেরও। সরকার তৈরি করল ১১ সদস্যের নতুন অ্যাডহক কমিটি। নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি, অভীক মজুমদাররা এবার প্রাথমিকের পরিচালন ব্যবস্থায় এলেন।

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদে সভাপতি পরিবর্তন করা হল। মানিক ভট্টাচার্যকে অপসারণ করেন, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, প্রাক্তন অধ্যাপক তথা পুরাণবিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী, ভাষা শিক্ষাবিদ স্বাতী গুহ, স্কুল শিক্ষা বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়্যারম্যান অভীক মজুমদার, অধ্যাপক রঞ্জন চক্রবর্তীরা।

পাশাপাশি, রাজ্যের জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের চেয়ারম্যান মলয়েন্দু সাহা, মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং উচ্চ শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানকেও, এই অ্য়াড হক কমিটির সদস্য করা হয়েছে। রাজ্যের তিনটি স্কুলের তিন শিক্ষক-শিক্ষিকাও, নতুন এই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন।

]]>
তৃণমূল সরকারের ১১ বছরে শিক্ষক নিয়োগ, পুরোটাই কলকাতা হাইকোর্টের নজরে https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-govt-11-years-teachers-recruitment-under-scanner-of-calcutta-high-court/ Thu, 18 Aug 2022 06:11:09 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16214 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ১১ বছরে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ, পুরোটাই এবার কলকাতা হাইকোর্টের নজরে। বুধবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে, একাধিক নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে ২০১৬ এবং ২০২০ সালে যে দুটি মেধা-তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল, তা হাইকোর্টে পেশ করতে হবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে। গত ২০শে জুন আদালতে বেশ কিছু নথি পেশ করেছিল পর্ষদ। সেই নথি বৃহস্পতিবারের মধ্যে, দিল্লির ফরেন্সিক ল্যাবে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ফলে তৃণমূল আমলে সব প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগই আসছে, কলকাতা হাইকোর্টের স্ক্যানারে। কয়েক হাজার শিক্ষক এবার এলেন, তদন্তের আওতায়। সবার মেধাতালিকা আদালতে পেশ করতে হবে, নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বড় বাঁক!

আরও পড়ুন; শিক্ষকতা পরে করবেন, আগে কাগজপত্র নিয়ে আদালতে আসুন, ‘দুর্নীতিবাজ শিক্ষক’দের নির্দেশ

২০১৬ ও ২০২০-র সম্পূর্ণ মেধাতালিকা পেশের নির্দেশ। রাজ্যকে এই দুই সম্পূর্ণ তালিকা, আগামী ১ সেপ্টেম্বর পেশ করতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। ২০১৪ সালে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ২০১৫র ১১ অক্টোবর টেট হয়েছিল। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথম মেধা-তালিকা প্রকাশিত হয়। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় মেধা-তালিকা।

সেই দ্বিতীয় মেধা-তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে, মামলা দায়ের করেছিলেন রমেশ আলি। তাঁর দাবি, দুর্নীতির জন্যই দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ হয়েছিল। সেই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ২৬৯ জনকে ইতিমধ্যেই, চাকরি থেকে বরখাস্তও করেছে হাইকোর্ট।

]]>
পরেশ অধিকারীর পরে অনুব্রত মণ্ডল, দুর্নীতি করে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা মেয়ে https://thenewsbangla.com/paresh-adhikari-is-followed-by-anubrata-mondal-daughter-gets-job-primary-teacher-recruitment-corruption/ Wed, 17 Aug 2022 11:13:07 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16190 পরেশ অধিকারীর পরে অনুব্রত মণ্ডল, দুর্নীতি করে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা মেয়ে। প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা, কোনদিন স্কুলে যেতে হয়নি, হাজিরা খাতা আসত বাড়িতে। বাড়িতে বসে মাইনে পেত অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল। এমনটাই আদালতে জানালেন, বিরোধী পক্ষের আইনজীবীরা। শুধু তাই নয়, আরও বিপাকে অনুব্রত কন্যা সুকন্যা। টেট পাশ না করেও, স্কুলে শিক্ষকতা করতেন সুকন্যা মণ্ডল।

কলকাতা হাইকোর্টে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতির মেয়ের বিরুদ্ধে মামলা আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের। অনুব্রতর আরও ৫ আত্মীয়, এইভাবেই দুর্নীতি করে চাকরি করছেন বলে, আদালতে কাগজপত্র জমা দিয়েছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। একদিকে শিক্ষারত্ন শিক্ষক পেনশন না পেয়ে আ’ত্মঘাতী হচ্ছেন, অন্যদিকে তৃণমূলের নেতাদের পরিবারের লোক বাংলার সব চাকরি অন্যায় ভাবে নিয়ে বসে আছেন।

আরও পড়ুনঃ তিন বছর পেনশন না পেয়ে, নিজেকে শেষ করে দিলেন বাংলার শিক্ষারত্ন

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, আগামীকাল অনুব্রত মণ্ডলের মেয়েকে টেট পাশ সার্টিফিকেট নিয়ে সশরীরে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন। অনুব্রত ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের আরও ৬জন প্রাইমারিতে চাকরি পেয়েছেন। আর এরা কেউই টেট পাশ করেননি। অভিযোগ অনুব্রত মণ্ডলের কন্যা সুকন্যা মণ্ডল, টেট পাশ না করেই চাকরি করছেন। তিনি কোনদিন স্কুলেই যাননি। স্কুল থেকে লোক এসে, হাজিরা খাতায় সই করিয়ে নিয়ে যেত। বাড়িতে বসে মাইনে পেতেন সুকন্যা মণ্ডল।

পরেশ অধিকারীর পর এবার কি চাকরি যাবে, অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ের? নিয়োগের সবটাই কি দুর্নীতি? উঠে গেছে প্রশ্ন।

]]>