SuvenduAdhilari – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 26 Aug 2022 04:28:24 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg SuvenduAdhilari – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 মিডিয়া ট্রায়াল, তদন্তের আগেই নিজের রায় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই https://thenewsbangla.com/media-trial-cm-mamata-banerjee-herself-announced-her-verdict-before-investigations/ Fri, 26 Aug 2022 04:26:45 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16451 মিডিয়া ট্রায়াল, তদন্তের আগেই নিজের রায় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। “বিচারাধীন মামলায় মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করুন”, বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সত্যি বাংলায় এত ‘ট্রায়াল’ হয়, যে বলার নয়। একটার পর একটা ঘটনার কথা বলতে গেলে রাত কাবার হয়ে যাবে, তবু শেষ হবে না। আজ প্রথমবার আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন। তদন্ত চলছে, আদালতে মামলা চলছে, তাও আগেভাগেই ‘রায়’ ঘোষণা করে দেওয়াটা বাংলায় একটা পুরনো রোগ। যার নাম ‘ট্রায়াল।

১. ফেব্রুয়ারি ২০১২, পার্ক স্ট্রিট গণ’ধর্ষ’ন। কলকাতা পুলিশের রিপোর্টেই ছিল, পার্ক স্ট্রিটে ধ’র্ষ’ণ হয়েছিল। খোদ কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দাপ্রধান, সেই রিপোর্ট জানিয়েছিলেন। দিন দশেক পর পুলিশি তদন্ত চলাকালীন, কে যেন মহাকরণে দাঁড়িয়ে ‘ট্রায়াল’ করে দিল, ‘‘সাজানো ঘটনা। সরকারকে ম্যালা’ইন করার জন্য এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সব বের হবে”। অন্যদিকে সেদিনই কলকাতা পুলিশের তৎকালীন যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ দমন) দময়ন্তী সেন বলেছিলেন, “ধ’র্ষ’ণ হয়েছে”। দময়ন্তী সেনকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে, পাঠানো হয়েছিল গুরুত্বহীন পদে। কারণ সেদিন ‘পুলিশের রিপোর্ট’ আর ‘ট্রায়াল রিপোর্ট’ মেলেনি।

২. সেপ্টেম্বর ২০১৮, উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের দাঁড়িভিট হাইস্কুলে গু’লি চলে। মা’রা যায় রাজেশ সরকার নামে এক ছাত্র। পড়ুয়াদের অভিযোগ ছিল, স্কুলে বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষকের অভাব রয়েছে। কিন্তু নবনিযুক্ত শিক্ষকরা সব উর্দু ভাষার। পড়ুয়াদের দাবি ছিল, ওই স্কুলে উর্দুর ছাত্র-ছাত্রীই নেই। স্কুল চত্বরে পুলিশ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রবল সং’ঘর্ষে গু’লিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু রাজেশের। তদন্ত চলাকালীন কে যেন ‘ট্রায়াল’ করে দিল, “পুলিশ গুলি চালায়নি”।

৩. সেপ্টেম্বর ২০১৮, ভেঙে পড়ল মাঝেরহাট ব্রিজ। তিনজনের মৃত্যু। পরেরদিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেই হয়ে গেল ‘ট্রায়াল’, “দায়ী মেট্রো রেলের কাজ”। অনেক পরে নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে জানা জয়, “ট্রায়াল ভুল ছিল, গাফিলতি পূর্ত দফতরের। তদন্তের ঘোষণা হল। তদন্ত শেষ হবার আগেই আবার ‘ট্রায়াল’, “পূর্তমন্ত্রীর কাছে কোনও ফাইলই পাঠানো হত না, মেট্রোর তরফে”।

৪. জুলাই, ২০১৭, বাদুড়িয়া, বসিরহাট লাগোয়া বিস্তীর্ণ জায়গায় সা’ম্প্রদা’য়িক উত্তেজনা। তদন্ত, পুলিশের রিপোর্ট পৌঁছানোর আগেই ‘ট্রায়াল’, “একটা ছোট জায়গায় গোলমাল হয়েছে। এত ভাববার কিছু নেই। ২-৩টি ছোট ব্লক এলাকার গোলমাল”।

৫. জুন ২০১৬, নারদ স্টিং অপারেশনের তদন্ত কলকাতা পুলিশকে দিয়ে করানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা। পরের দিন প্রকাশ্যে ‘ট্রায়াল’, “সব চক্রান্ত, আমার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে, টেবিলে টাকা রেখে ছবি তুলে বলছ ঘুষ নিয়েছে। তাহলে কী কারও সঙ্গে দেখা করা যাবে না? এই ভাবে ব্ল্যাক’মেলের চেষ্টা চলছে”।

৬. জুন ২০১৩, কামদুনি নৃ’শংস ধ’র্ষ’ণ, এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ। চাকরির প্রতিশ্রুতি দিতে গিয়েও বিক্ষোভে ফেঁসে সেই ‘ট্রায়াল’, ‘‘চোপ। সব সিপিএম, সব মাও’বাদী, আমাকে খু’ন করার চক্রান্ত হয়েছিল”। ‘ট্রায়ালে’ প্রতিবাদী গ্রামবাসীরা হয়েছিলেন, ‘সিপিএম’ এবং ‘মা’ওবাদী’।

৭. ফেব্রুয়ারি ২০১২, বর্ধমানের কাটোয়ায় চলন্ত ট্রেনে কিশোরী মেয়ের সামনে এক মহিলাকে গণ’ধর্ষ’ণের ঘটনা। সেদিনই ‘ট্রায়াল’, ‘ছোট ঘটনা, এতকিছু হয়নি’।

৮. আগস্ট ২০১২, বেলপাহাড়িতে জনসভা। সভায় যোগ দিয়েছিলেন শিলাদিত্য চৌধুরি। ফসলের দাম নিয়ে অভিযোগ জানানোয়, ‘ট্রায়ালে’ তাঁকে ‘মাও’বাদী’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছিল। পুলিশের হাতে গ্রেফতার, ১৪ দিনের জেল হেফাজত। পরে হাইকোর্টে তাঁকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয় রাজ্য সরকার।

৯. এপ্রিল ২০১২, কার্টুন কান্ড। অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র ফেসবুকে একটি কার্টুন পোস্ট করায়, তা ‘খু’নের চক্রান্ত’ হিসাবে বর্ণনা করে হয়েছিল ‘ট্রায়াল’। অধ্যাপকের বাড়ি আক্র’মণ করে শাসক দল। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন অধ্যাপক। বহু বছর পরে, হাইকোর্টের নির্দেশে তাঁকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে, মুখ পুড়িয়েছিল রাজ্য সরকার। সঙ্গে দুই পুলিশ কর্তা সাসপেন্ড। সব ওই ‘ট্রায়াল’ শুনে কাজ করতে যাওয়ার ফল।

১০. মে ২০১০, বাম শাসন। জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনা। ১৪৯ জনের মৃত্যু। পরেরদিন ‘ট্রায়াল’, “গভীর ষড়’যন্ত্র, সিপিএমের হাত আছে”। জ্ঞানেশ্বরী ‘ষড়’যন্ত্রের’ সিবিআই তদন্ত করিয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার। সিবিআই চার্জশিটে ‘স্যবোটাজ’ বলা হলেও, ‘সিপিএম-র চক্রান্ত’-র তত্ত্বকে উড়িয়ে দিয়েছিল সিবিআই। নৃশং’স সেই ঘটনার পান্ডা বলে যারা চিহ্নিত হয়েছিল, তাদের বেশ কয়েকজন ছিল বর্তমান শাসক দলের কর্মী, যেমন উমাকান্ত মাহাতো।
আরও কত কত ‘ট্রায়ালের’ স্বাক্ষী এই বাংলা। বলেছিলাম না, তদন্ত চলাকালিন ‘ট্রায়ালের’ কথা বলতে গেলে রাত কাবার হয়ে যাবে…১০টা নয় এমন ১০০টা ‘ট্রায়ালের’ খবর লিখতে পারি। তাই বলি, কখনও বিচারের আগেই ‘ট্রায়াল’ করাটা একদম ঠিক নয়…একদম ঠিক কথা বলেছেন আমাদের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, “মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করুন”।

]]>
কলকাতা হাইকোর্টে ফের লজ্জায় রাজ্য সরকার, তীব্র ভর্ৎসনা, ১০ হাজার টাকা জরিমানা https://thenewsbangla.com/calcutta-high-court-slams-wb-govt-regarding-bus-fare-hike-ten-thousand-fine/ Wed, 24 Aug 2022 11:08:08 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16391 কলকাতা হাইকোর্টে ফের লজ্জায় রাজ্য সরকার, তীব্র ভর্ৎসনা, ১০ হাজার টাকা জরিমানা। বাস ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলায়, এবার রাজ্যকে তীব্র ভর্ৎসনা আদালতের। এমনকি রাজ্যকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করেছে, প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ। করোনা বাড়বাড়ন্ত পরিস্থিতি পর থেকেই, বেসরকারি বাসের জন্য কোনও নির্দিষ্ট ভাড়া নীতি নেই। এই অভিযোগে নিয়েই চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কলকাতা হাইকোর্টে, একটি জনস্বার্থ মামলা করেন আইনজীবী প্রত্যুষ পাটোয়ারি।

মামলায় তাঁর যুক্তি ছিল, ২০১৮-এর পর থেকে বাসভাড়ার কোনও নতুন তালিকা তৈরি হয়নি। ফলে সেই নিয়ম মেনেই, এখনও ভাড়া নেওয়ার কথা। কিন্তু কলকাতা ও শহরতলির বাসে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে, যেমন তেমন ভাবে। একে বাস সংখ্যা কমেছে, তার জন্য ভিড় বেশি। আর এই সুযোগে ফুলে ফেঁপে উঠেছে অটো রুটগুলি। সেখানেও করোনা পরবর্তী সময়ে, ভাড়া নেওয়ার কোনও নীতি নেই।

এই মামলাতেই রাজ্যকে ২ সপ্তাহের মধ্যে, হলফনামা দিয়ে সব তথ্য জানাবার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই সময়সীমা অতিক্রম হওয়ার পরেও তা না পেয়ে, রাজ্য সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা ও জরিমানা পথে হাঁটল কলকাতা হাইকোর্ট। বাস ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে করা জনস্বার্থ মামলায়, রাজ্যকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করল হাইকোর্ট। হলফনামা পাওয়ার পরই বাস ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে, রায় জানাবে হাইকোর্ট।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের ভাঁড়ারে টান অথচ কোটি কোটি পুজোর অনুদান, মামলা হাইকোর্টে

মিনিবাস ও বাস ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে হলফনামা চাওয়ার পরও, কেন সময় মতো দিতে পারেনি রাজ্যের পরিবহণ দফতর? সেই প্রশ্নও তুলেছে আদালত। রাজ্য সরকারের কাছে কি পর্যাপ্ত তথ্য নেই? তিনটি প্রশ্নের উত্তর চেয়েছিল হাইকোর্ট। প্রথমত, ভাড়ার তালিকা সব বাসে লাগানো রয়েছে কি না। দ্বিতীয়ত, সরকারের বেঁধে দেওয়া বা নির্ধারিত ভাড়া, বেসরকারি বাসগুলো নিচ্ছে কি না। নিশ্চিত করা হচ্ছে কি, কোথাও অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না। এবং তৃতীয়ত, যাত্রীদের অভিযোগ গ্রহণ করার জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সেখানেই একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় রাজ্য পরিবহণ দফতরকে। পশ্চিমবঙ্গ মোটর ভেহিকেল আইনের (১৯৮৯) ১৭৫ রুল অনুযায়ী, যাত্রীদের অভিযোগ নেওয়ার কথা বলা হলেও, বেশিরভাগ বাসেই কমপ্লেন বুক নেই বলেই অভিযোগ।

]]>
তৃণমূল কি স্বীকার করেই নিল, “আমরা সবাই চোর” https://thenewsbangla.com/tmc-admits-we-all-are-thieves-tmc-protest-rally-against-ed-cbi-tmc-leaders-arrest/ Fri, 12 Aug 2022 05:03:42 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16082 তৃণমূল কি স্বীকার করে নিল, “আমরা সবাই চোর”। তৃণমূল কি স্বীকার করেই নিল, তারা সবাই চোর? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। দুদিন আগেই বিশ্বের প্রথম রাজনৈতিক দল হিসাবে প্রেস কনফারেন্স করে, দলের ৬ নেতা-মন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, পার্থ চোর, কিছু চোর, কিন্তু তৃণমূলের সবাই চোর নয়’। অনুব্রত গ্রেফতার হবার পরে কি, তারা বোকার মত স্বীকার করেই নিল, “আমরা সবাই চোর” ?? দলের কাজ তো তাই বলছে।

পথে নামছে তৃণমূল। দলের দুই হেভিওয়েট নেতা, পার্থ চট্টোপাধ্যায় আর অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে নয় কিন্তু। ইডি সিবিআই এর দ্বিচারিতার প্রতিবাদে, আজ পথে নামছে তৃণমূল। অর্থাৎ ইডি সিবিআই দুরকম কাজ করছে। তৃণমূলের চোরদের ধরছে আর বিজেপির চোরদের ধরছে না। অর্থাৎ ইডি সিবিআই একটা কাজ ঠিক করছে, অন্য কাজ ঠিক করছে না। এমনটাই অভিযোগ তৃণমূলের।

তৃণমূলের অভিযোগের তীর ইডি সিবিআই এর দ্বিচারিতার দিকে। পার্থ অনুব্রত ববি শোভন কুণাল মদনকে ধরছে, অভিষেককে ডাকছে, অন্যদিকে শুভেন্দু, মুকুল, শঙ্কু এদের ডাকছেও না, ধরছে না। সামনে তৃণমূল থাকলেই চোর ধরছে ইডি সিবিআই। সামনে বিজেপি থাকলে ধরছে না, এটাই ইডি সিবিআই এর দ্বিচারিতা।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের পর, সিবিআই ইডির নজরে বাংলার আইপিএস-আইএএস

এখন তৃণমূলের সুরে সুর মিলিয়ে সব অভিযোগ মেনে নিয়ে বলি, হ্যাঁ ইডি সিবিআই দ্বিচারিতা করছে। তারা ঠিকঠাক কাজ করছে না। সব চোরদের ধরা উচিত, দল না দেখেই। একদলের চোর ধরে ঠিক কাজ করছ, অন্যদলের চোর ধরেও ঠিক কাজটা করো, এই দ্বিচারিতা কেন? চোর তো চোরই, যে দলেই থাকুক।

কিন্তু তৃণমূল কি ভুলে গেছে, শুভেন্দু, মুকুল, শঙ্কু এরাও তো প্রথমে তৃণমূলেই ছিল। বিজেপির যাদের বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রধান অভিযোগ, তারা সবাই কিন্তু Made in TMC। চুরি করার সময় তারা তৃণমূলেই ছিল। অর্থাৎ তৃণমূল কিন্তু স্বীকার করে নিল, বর্তমান, প্রাক্তন, আদি, নব্য, সবাই চোর। এখন যেদিকেই থাকুক না কেন। বিষয়টা কি এরকমটাই দাঁড়াচ্ছে না?

আর এটা প্রমাণ করতেই, আজ থেকে দুদিন মাঠে নামবে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা আর তাদের দিদিমণি। যারা বোঝেইনি ইডি সিবিআই দ্বিচারিতা করছে বললে স্বীকার করে নেওয়া হয়, সব তৃণমূলী চোর।

]]>