Sovan Chatterjee – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 08 Aug 2022 12:58:40 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Sovan Chatterjee – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 পাঁচ বছরে উনিশজন তৃণমূল নেতার অস্বাভাবিক সম্পত্তি বৃদ্ধি, ইডিকে পার্টি করল হাইকোর্ট https://thenewsbangla.com/nineteen-tmc-leaders-extraordinary-wealth-growth-in-just-five-years-ed-was-party-by-kolkata-high-court/ Mon, 08 Aug 2022 12:58:24 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=15935 পাঁচ বছরে উনিশজন তৃণমূল নেতার অস্বাভাবিক সম্পত্তি বৃদ্ধি; মামলা গ্রহন করে ইডিকে পার্টি করল কলকাতা হাইকোর্ট। ফের বিপদে শাসক তৃণমূল। বিগত কয়েক বছরে কিভাবে হল; শাসকদলের নেতাদের সম্পত্তির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি? মামলায় ফিরাদ-মদন-শোভনদের পার্টি করার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট; সেই সঙ্গে পার্টি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি-কেও।

সম্প্রতি চাকরি চুরি দুর্নীতি-কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছে; প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তার বান্ধবী অর্পিতা। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছে তারা। এরই পরিস্থিতির মধ্যে শাসক দলের একাধিক নেতার সম্পত্তি নিয়ে; নতুন করে প্রশ্ন উঠল কলকাতা হাইকোর্টে। সোমবার একটি জনস্বার্থ মামলায় কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে; পার্টি করার নির্দেশ দিল আদালত। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ, সোমবার শুনানিতে; ইডি-কেও পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে। মামলায় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সাংসদ অর্জুন সিং, বিধায়ক মদন মিত্র-সহ; মোট ১৯ জন তৃণমূল নেতার নাম রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ জেলের খাটে উঠলেন প্রভাবশালী পার্থ, মেঝেতেই পরে রইলেন ঘনিষ্ঠ অর্পিতা

কোন কোন তৃণমূল নেতার নাম রয়েছে, এই তালিকায়? এরা হলেন, কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়া; বর্তমান মেয়র ফিরহাদ হাকিম; জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক; মলয় ঘটক; ব্রাত্য বসু; অর্জুন সিং; শিলিগুড়ি মেয়র গৌতম দেব; ইকবাল আহমেদ; স্বর্ণকমল সাহা; অরূপ রায়; জাভেদ খান; অমিত মিত্র; আব্দুর রজ্জাক মোল্লা; রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়; শিউলি সাহা; সব্যসাচী দত্ত; বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও সাধন পাণ্ডে। শেষ দুজন তৃণমূল নেতা; ইতিমধ্যেই প্রয়াত হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ পার্থের পরে কি মমতা, খুশিতে ‘ডগমগ’ কুণালের মুখ বন্ধ করল তৃণমূল

বিপ্লব চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি; ২০১৭ সালে এই জনস্বার্থ মামলা করেন। মামলায় বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া নেতা-মন্ত্রীদের তথ্য খতিয়ে দেখলে বোঝা যাবে; বছরের পর বছর কিভাবে সম্পত্তি বেড়েছে তাদের। এমনকি শাসকদলের একাধিক নেতাদের, ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তারক্ষী-দেরও; সম্পত্তি বৃদ্ধি পেয়েছে আকাশছোঁয়া। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ; এই মামলা গ্রহণ করেন।

পাশাপাশি আর একটি মামলা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতৃবধূ; কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে। তিনি একজন গৃহবধূ হওয়া সত্ত্বেও, কীভাবে তাঁর নামে পাঁচ-কোটি টাকার সম্পত্তি হল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

]]>
অভিমানের প্রাচীর ও রাজনৈতিক সন্ন্যাস ভেঙে ফের মমতার দলে শোভন সঙ্গে বৈশাখী https://thenewsbangla.com/sovan-baishakhi-in-nabanna-breaking-the-pride-wall-and-political-monasticism-sovan-baishakhi-in-mamata-tmc-again/ Wed, 22 Jun 2022 11:57:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15648 অভিমানের প্রাচীর ও রাজনৈতিক সন্ন্যাস ভেঙে; ফের মমতার দলে শোভন সঙ্গে বৈশাখী। তৃণমূলে শোভন-বৈশাখীর প্রত্যাবর্তন; এখন কি শুধুই সময়ের অপেক্ষা? বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে শোভন-বৈশাখীর বৈঠক ঘিরে জোর জল্পনা। “অভিমানের প্রাচীর ভেঙেছে; রাজনীতি নিয়েও কথা হয়েছে”; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে মন্তব্য বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

সবাইকে কিছুটা চমকে দিয়েই, হঠাৎই নবান্নে শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, বুধবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে; বৈঠকের কথা ছিল তাঁদের। তবে কি ফের তৃণমূলে ফিরতে চলেছেন; কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী? রাজনৈতিক মহলে তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

আরও পড়ুনঃ “সামাজিক শিক্ষাগুরু বলেই মমতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে”, ঘোষণা চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর

২০১৮ সাল থেকেই, শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়-কে নিয়ে; সরগরম বাংলার রাজ্য রাজনীতি। ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে শোভন এবং রত্নার দ্বন্দ্বও; প্রকাশ্যে আসে ওইসময়ই। সূত্রের খবর, সেই সময় শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজের কাজ নিয়ে; সতর্কও করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা-শোভন সম্পর্কের অবনতির মাঝেই, কলকাতার মেয়রের পদ ও তারপর রাজ্যের মন্ত্রিত্ব পদ থেকে; ইস্তফা দেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ “গরু ছাগলে খেয়েছে ২২ লাখ টাকার গাছ”, তৃণমূল পঞ্চায়েতের দাবি শুনে হাসছে জনগণ

২০১৯ সালে ভাইফোঁটার দিন, আচমকাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে; গিয়েছিলেন শোভন-বৈশাখী। তা নিয়ে সেই সময় জোর চর্চা শুরু হয়; দুজনের তৃণমূলে ফেরার জল্পনাও মাথাচাড়া দেয়। তবে সেসব জল্পনাকে মিথ্যে প্রমাণ করে; রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে বিজেপিতে যোগ দেন শোভন-বৈশাখী। যদিও গেরুয়া শিবিরে বেশিদিন মন টেকেনি তাঁদের; শুরু থেকেই গেরুয়া শিবিরের নেতাদের সঙ্গে ঝামেলা মতান্তর লেগেই ছিল। এরপরে বিজেপি ছাড়েন দুজনেই।

বর্তমানে রাজনীতির সঙ্গে কোনও যোগাযোগই নেই; কোন দলেই নেই তাঁরা। এদিন নবান্ন থেকে বেরনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর শোভন বলেন; “২০১৮ সালের ২২ নভেম্বর আমি এখান থেকে চলে এসেছিলাম কিন্তু; এই নয় যে দিদির সঙ্গে আমাদের দেখা হয়নি। আমাদের মধ্যে যে ভালোবাসা-আবেগ রয়েছে; সেই অভিব্যক্তি ব্যক্ত করেছি। মমতাদির ইচ্ছে, চিন্তা-ভাবনা বাস্তবায়িত করাই; আমার কর্তব্য। মমতাদির কাছে আসব, একটু চা খাব; তাঁর নির্দেশ পালন করব। এটাই তো স্বাভাবিক”।

]]>
একই মঞ্চে শোভন, বৈশাখী ও সব্যসাচীর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা https://thenewsbangla.com/sovan-baishakhi-and-sabyasachi-to-share-the-same-stage-in-a-programme/ Fri, 05 Apr 2019 12:19:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10096 বেঙ্গল থিংকস নামক একটি দক্ষিনপন্থী অরাজনৈতিক সংগঠনের উদ্যোগে আজ ৭ই এপ্রিল একই মঞ্চে সামিল হতে চলেছেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চ্যাটার্জি, শোভন চ্যাটার্জির বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত। আর একই মঞ্চে শোভন, বৈশাখী ও সব্যসাচীর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা।

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চ আলোকিত করবেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে, শোভন চ্যাটার্জি থাকবেন কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক হিসেবে এবং কলকাতার পাশেই বিধাননগরের মেয়র হিসেবে মঞ্চে বক্তৃতা রাখবেন সব্যসাচী দত্ত। কিন্তু এর বাইরে ৩ জনের মধ্যে কি অন্য কোনও যোগসূত্র নেই? প্রশ্ন তুলে জল্পনা বাড়াচ্ছেন অনেকেই।

আরও পড়ুনঃ ধাক্কা খেল মোদী সরকার, পাকিস্তানের কোন এফ ১৬ বিমান ধ্বংস হয় নি জানাল আমেরিকা

উল্লেখ্য, মাসখানেক আগেই এই তিন জনেরই বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা ঘিরে জল্পনা বেড়েছিল৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরাগভাজন হয়ে কলকাতার মেয়রের পদ ও মন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন শোভন চ্যাটার্জি। বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সম্পর্কের জেরে প্রাক্তন মেয়রকে দলের বিরাগভাজন হতে হয়।

এদিকে শোভনের বান্ধবীর সাথেও তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়৷ কিছুদিন আগেই তিনি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন। যদিও কোনও রাজনৈতিক দলে আপাতত যোগদানের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তৃণমূল সভাপতির বাড়ি থেকে উদ্ধার অস্ত্র ও কোটি কোটি টাকা

আর বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তের লুচি আলুর দম এপিসোড সকলেরই জানা। সব্যসাচীর বিজেপি যোগ নিয়ে জল্পনা কম হয়নি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও সব্যসাচীর অবস্থান নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত। কয়েকবার সব্যসাচীর অবস্থান ঘিরে জল্পনা উঠলেও পরে তিনি নিজেই তা নস্যাৎ করে তৃণমূলের সাথে তার সম্পৃক্ততার কথাই জানিয়েছেন বারবার।

আবার আরও একবার দক্ষিনপন্থী সংগঠনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা৷ তাহলে কি লোকসভা ভোটের ফল দেখেই সিদ্ধান্ত নেবেন তিনজনই। উঠেছে প্রশ্ন। তবে তিনজনেই এই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ দিল্লিতে গান্ধী ও বাংলায় বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারতন্ত্রকে ব্রিগেডে খোঁচা মোদীর

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
শোভন বাদ, তৃণমূলের ভোটের দায়িত্বে রত্না চট্টোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/sovan-chatterjee-dropped-from-tmc-lok-sabha-election-campaign/ Tue, 26 Mar 2019 07:28:28 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9261 কোন লোকসভা বা জেলার দায়িত্ব তো অনেক দূর। কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চ্যাটার্জীর দায়িত্বে থাকা ১৩১ ওয়ার্ড এলাকায় লোকসভা ভোটের সব দায়িত্ব সামলাবেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূলের সব দায়িত্ব থেকেই বাদ দেওয়া হল শোভনকে। তাহলে কি দলও ভাবছে শোভন যেতে পারেন বিজেপিতে?

আরও পড়ুনঃ যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাই শুনবে স্কুল সার্ভিস কেলেঙ্কারির ঘটনা

সোমবার বেহালায় দলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। আসন্ন লোকসভা ভোটে দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে ডাকা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সর্বভারতীয় সভাপতি তথা সাংসদ সুব্রত বক্সি, এলাকার বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ২১ জন কাউন্সিলর। সেখানেই ভোটের দায়িত্ব শোভনের হাত থেকে কেড়ে দেওয়া হয় রত্নাকে।

আরও পড়ুনঃ খোলা রাস্তায় বসে মমতার ঘেরাটোপ অনশনের রেকর্ড ভাঙল স্কুল সার্ভিস উত্তীর্ণরা

তবে সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বিধায়ক তথা কাউন্সিলর শোভন চ্যাটার্জী। নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বেহালা পূর্ব থেকে লোকসভা ভোটের আগে নিজেকে সরিয়েই রাখলেন শোভন। আর এদিন তৃণমূল এর পক্ষ থেকেও সেই বার্তাই দিয়ে দেওয়া হলো দলের ভিতরেও। বৈঠকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন ‘দল কারুর জন্য অনন্তকাল অপেক্ষা করতে পারে না। বেহালা কেন্দ্রে বিধায়ক ছাড়াই দল ভোটের তরী পার করতে পারবে’।

আরও পড়ুনঃ অভিষেকের স্ত্রী ও সোনা কাণ্ডে এবার রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

ব্যক্তিগত কারণে মেয়রপদ ও মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন শোভন চ্যাটার্জী। আর তারপর থেকেই দলের সাথে বেড়েছে দুরত্ব। এখনো দলের বিধায়ক ও কাউন্সিলর হলেও গত কয়েকমাসে কোন রাজনৈতিক কাজে যোগ দেননি তৃণমূল এর দক্ষ সংগঠক। দলের কাজকর্ম থেকে কার্যত সরিয়ে নিয়েছেন নিজেকে। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাবে জানান ‘ওঁকে বারবার ডাকা হয়েছে কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি অনুপস্থিত থেকেছেন’।

আরও পড়ুনঃ নিজের স্ত্রী ও সোনা কাণ্ডে মুখ খুললেন অভিষেক

বেহালা পূর্ব ও পশ্চিম এই দুই কেন্দ্রের প্রতিনিধি ও দলের পদাধিকারীদের উপস্থিতিতে পার্থ বাবু জানান ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটের কাজ দেখবেন রত্নাদেবী। ওয়ার্ডের সভাপতির সঙ্গে তাঁকে ভোট পরিচালনার কাজ দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ধামাচাপার দেওয়ার চেষ্টা বিফলে, অভিষেকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর শুল্ক দফতরের

এর আগে শোভন চ্যাটার্জীর এর বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে গুজব ছড়িয়ে ছিল। ভোটের আগে শেষ বৈঠকে তাঁর অনুপস্থিতি এবং তাঁকে বাদ দিয়ে তাঁর স্ত্রী রত্নাদেবীর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া আবারও নতুন করে অনেক প্রশ্ন তুলে দিল।

আরও পড়ুনঃ বাবুল সুপ্রিয়র প্রার্থীপদ বাতিল করা হোক, নির্বাচন কমিশনে অভিষেক

তাহলে কি তৃণমূলও ধরেই নিয়েছে যে শোভনের দলবদল করে বিজেপি শিবিরে যাওয়া সময়ের অপেক্ষা মাত্র? এখন নামেই তিনি বিধায়ক ও কাউন্সিলর। দল ও ভোটের সব কাজ থেকে সরিয়ে নিয়ে কি দলত্যাগ করার পথ পরিস্কার করলেন? এই নিয়ে মুখ খোলেন নি শোভন চ্যাটার্জী নিজে। তবে অনেক প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
রাজনৈতিক জীবন নিয়ে রহস্য রাখলেন ডিপ্লোম্যাটিক সুন্দরী বৈশাখী https://thenewsbangla.com/baishakhi-bandyopadhyay-diplomatic-beauty-kept-the-mystery-about-her-political-life/ Wed, 13 Mar 2019 10:42:12 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8302 “আপাতত আমি কোন রাজনৈতিক দলে যোগ দিচ্ছি না”। বুধবার জানিয়ে দিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। “বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়াচ্ছি না আমি” বুধবার দুপুরেই সাংবাদিকদের ডেকে জানালেন বৈশাখী। তারপরেই, “রাস্তা খোলাই আছে, যেখানে খুশি যেতে পারি”, পরিষ্কার বলে রহস্য বজায় রাখলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার দুপুরে পুরোপুরি ‘ডিপ্লোম্যাটিক’ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা গেল। বললেন, সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি, তৃণমূল যে কোন দলেই যেতে পারি। তবে এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে দাঁড়াচ্ছেন না বলেই জানিয়ে দিলেন তিনি। শোভনকে বিজেপিতে নিয়ে যাবার কোন কথাই ওঠেনি বলেই জানিয়ে দিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করতে চেয়ে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুকুল রায় ফোন করেছিলেন। বিজেপির দাবি ছিল, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করার বিষয়ে আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছে সোমবার রাতের বৈঠকে। আলোচনা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতেই মঙ্গলবার কলকাতায় চলে আসেন অরবিন্দ মেনন। তার পরে কৈলাস এবং অরবিন্দ একসঙ্গে বৈশাখীর মুখোমুখি হন।

বিজেপির একটি অংশ দাবি করছে, কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। শোভন এবং বৈশাখী বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে তাঁদের দাবি। তবে এ বিষয়ে বিজেপির রাজ্য বা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কোনও রকম মন্তব্য এখনও করেননি। কয়েক দিনের মধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে দলের সদর দফতর থেকে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেবেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বৈশাখী নিজে সে সব জল্পনা আজ নস্যাৎ করে দিলেন।

এই দুই বৈঠকের কোনওটি নিয়েই বিজেপি বা সঙ্ঘের কেউ মুখ খোলেননি। আর বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় ধোঁয়াশা তৈরি করেন দুটি বৈঠক প্রসঙ্গেই। সোমবার রাতে সঙ্ঘ এবং বিজেপি নেতাদের সঙ্গে তাঁর কোনও বৈঠক হয়নি— এ কথা এক বারও বলেননি মিল্লি আল আমিন কলেজের অধ্যক্ষা।

কিন্তু বিজেপি-তে তাঁর যোগদান প্রায় পাকা এবং তিনি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চলেছেন বলে যে জল্পনা শোনা যাচ্ছে, তার কি কোনও সত্যতা রয়েছে? পরিষ্কার জানালেন, বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়াচ্ছি নে। আবার বললেন, “এখন যাইনি বলে যে ভবিষ্যতে যাব না, এমনও নয়”।

এদিকে তৃণমূলের সঙ্গে কোন সম্পর্ক নেই বলেই জানিয়ে দিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার ভবিষ্যতে যে তৃণমূলে যাব না, তাও নয় বলেই ধোঁয়াশা রাখলেন ‘রহস্যময়ী’ বৈশাখী।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বিজেপির লোকসভা প্রার্থী হচ্ছেন কিনা জানাবেন বৈশাখী শোভন https://thenewsbangla.com/sovan-baisakhi-are-the-candidates-or-not-in-lok-sabha-for-bjp-in-bengal-announce-today/ Wed, 13 Mar 2019 06:28:48 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8255 বিজেপির লোকসভা প্রার্থী হচ্ছেন কিনা জানাবেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় ও শোভন শোভন চট্টোপাধ্যায়। বুধবার দুপুরেই সাংবাদিকদের ডেকেছেন বৈশাখী। তাঁদের রাজনৈতিক মত ও পথ পরিস্কার করবেন বলেই জানা গেছে। কি ঘোষণা করবেন তিনি, বাংলার রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।

আগেই মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। এবার কাউন্সিলর হিসেবে কলকাতা পুরসভার অধিবেশনে গড়হাজির প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। যা নিয়ে উঠেছে জল্পনা তুঙ্গে। তাহলে কি শোভন চট্টোপাধ্যায় বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে সত্যিই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সবমহলে।

আরও পড়ুনঃ মুনমুন সেনকে দাঁড় করিয়ে আসানসোলে কি বাবুল সুপ্রিয়কে ওয়াকওভার দিলেন মমতা

এদিকে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠল একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। রবিবার রাত দুটো থেকে সোমবার রাত দফায় দফায় নাটক হল রায়চকের এক হোটেলে। বৈশাখীর অভিযোগ, ‘আমাকে ও শোভনবাবুকে উদ্দেশ্য করে অশ্রাব্য গালিগালাজ দিতে থাকে দুষ্কৃতীরা। পুলিশকে জানিয়ে লাভ হয়নি।

আরও পড়ুনঃ লাস্যময়ী নুসরত ও সুন্দরী মিমিই এবার মমতার চমক

এরপরেই তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধে নির্বাচনে কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানান বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ধর্ষণের ও তাঁর বন্ধু তথা প্রাক্তন মেয়র ও প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়কে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ হিংসা ছড়াতে অনবরত প্ররোচনা দিচ্ছেন বলে ওই কলেজ শিক্ষিকা দাবি করেন।

আরও পড়ুনঃ মিছিল মিটিং করতে মমতার পুলিশ প্রশাসন আর আটকাতে পারবে না বিজেপিকে

বৈশাখীর ইঙ্গিত, শোভন ও তিনি এবার লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন, এমন রটনাই এই হেনস্থার কারণ। বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নাম উল্লেখ করে তাঁর বিরুদ্ধে বৈশাখী অভিযোগ জানিয়েছেন। অনুব্রতর বক্তব্যের একটি অডিয়ো ক্লিপিংও কমিশনে পাঠিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ প্রচুর চমক, রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে

মিল্লি আমিন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। এক সময়ে কলেজ শিক্ষকদের সংগঠন ওয়েবকুটার সদস্য থাকলেও ২০১৪-তে তিনি যোগ দেন তৃণমূল প্রভাবিত শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুপায়। সেখানে তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তিও ছিল অনেক বেশি। ওয়েবকুপায় অবস্থানের জেরে তৃণমূলের পদাধিকারী মহলে তাঁর পরিচিতি বাড়তে থাকে। যোগাযোগ গড়ে ওঠে মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক পদস্থ আমলা এবং মন্ত্রীর সঙ্গে।

এরপরেই মমতার নির্দেশে ভেঙে দেওয়া হয় তৃণমূলের অধ্যাপক সংগঠন ওয়েরকুপার রাজ্য কমিটি। বাদ দেওয়া হয় তাঁর ঘনিষ্ঠ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সূত্রের খবর, ঘনিষ্ঠের এই পদ থেকে অপসারণ খুব একটা ভাল ভাবে নেননি শোভন চট্টোপাধ্যায়। এরপর মেয়র ও মন্ত্রিত্ব পদ থেকে শোভনের পদত্যাগ। আর এখন বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা।

আরও পড়ুনঃ পুলিশে ভরসা নেই, একমাস আগেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী

গত সোমবার রাতে বিজেপি এবং সঙ্ঘের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈশাখীর বৈঠক হয়। আরএসএস এবং বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সেই বৈঠকে আলোচনা এত ‘গুরুত্বপূর্ণ’ মোড় নিয়েছিল যে, মঙ্গলবার সূচি ভেঙে কলকাতায় চলে আসেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা অরবিন্দ মেনন। দক্ষিণ কলকাতায় কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং অরবিন্দ মেননের সঙ্গে বৈশাখীর ‘কনফিডেনশিয়াল’ বৈঠক হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে জানা যায়।

আরও পড়ুনঃ সমস্ত তর্জন গর্জন সার, তৃণমূলের বাতিল সাংসদকে দলে নিয়ে মুখ রক্ষা মুকুলের

লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করতে চেয়ে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুকুল রায় ফোন করেছিলেন। বিজেপি সূত্রের খবর, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে এ বারের লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করার বিষয়ে আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছে সোমবার রাতের বৈঠকে। আলোচনা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতেই মঙ্গলবার কলকাতায় চলে আসেন অরবিন্দ মেনন। তার পরে কৈলাস এবং অরবিন্দ একসঙ্গে বৈশাখীর মুখোমুখি হন।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

বিজেপির একটি অংশ দাবি করছে, কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। শোভন এবং বৈশাখী বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে তাঁদের দাবি। তবে এ বিষয়ে বিজেপির রাজ্য বা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কোনও রকম মন্তব্য এখনও করেননি। কয়েক দিনের মধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে দলের সদর দফতর থেকে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেবেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বৈশাখী নিজে সে সব জল্পনা নস্যাৎ করার চেষ্টা করেছেন।

এই দুই বৈঠকের কোনওটি নিয়েই বিজেপি বা সঙ্ঘের কেউ মুখ খোলেননি। আর বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় ধোঁয়াশা তৈরি করেন দুটি বৈঠক প্রসঙ্গেই। সোমবার রাতে সঙ্ঘ এবং বিজেপি নেতাদের সঙ্গে তাঁর কোনও বৈঠক হয়নি— এ কথা এক বারও বলেননি মিল্লি আল আমিন কলেজের অধ্যক্ষা।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

কিন্তু বিজেপি-তে তাঁর যোগদান প্রায় পাকা এবং তিনি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চলেছেন বলে যে জল্পনা শোনা যাচ্ছে, তার কি কোনও সত্যতা রয়েছে? এই প্রশ্নেরও স্পষ্ট উত্তর কলেজ শিক্ষিকা দেননি। বলেন, ‘কোনও সিদ্ধান্ত নিলে আগামীতে সবাই জানতে পারবেন’। সেই সিদ্ধান্ত জানাতেই কি বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের ডাকলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়? জল্পনা তুঙ্গে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বৈশাখীর হাত ধরে বিজেপিতে শোভন, জল্পনা তুঙ্গে https://thenewsbangla.com/bjp-targets-baishakhi-to-get-sovan-in-party-speculation-in-bengal-politics/ Fri, 08 Mar 2019 03:43:21 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7799 সুন্দরী বৈশাখীর হাত ধরেই কি বিজেপিতে শোভন? জল্পনা তুঙ্গে বাংলার রাজনৈতিক মহলে। আর এই ট্রাম্প কার্ড খেলেই মমতার তৃণমূলকে একটা বড় ঝটকা দিতে চাইছেন মুকুল রায়। শোভনকে দলে টানতে পারলে আর লোকসভা ভোটে ভাল ফল করতে পারলে তৃণমূলকে ভাঙতে যে আরও সুবিধা হবে সেটাই আশা করছেন বিজেপি নেতারা।

আরও পড়ুনঃ মরে গিয়েও তৃণমূল বিজেপির হাত থেকে রেহাই পেলেন না বড়মা

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চ্যাটার্জির রাজনৈতিক ঠিকানা কি শেষ অবধি বিজেপি? বাড়ছে জল্পনা। সম্প্রতি শোভন এবং শোভনের বান্ধবী বৈশাখী সহ বিজেপির রাজ্য ও কেন্দ্রস্তরের নেতাদের বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই দৃঢ় হচ্ছে।

বৈশাখীর হাত ধরে বিজেপিতে শোভন, জল্পনা তুঙ্গে/The News বাংলা
বৈশাখীর হাত ধরে বিজেপিতে শোভন, জল্পনা তুঙ্গে/The News বাংলা

সম্প্রতি বিজেপির কেন্দ্রস্তরের কিছু নেতার সাথে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপিতে যোগদানের ব্যাপারে কয়েক দফা আলোচনাও হয় বলে জানা গিয়েছে। সরাসরি স্বীকার না করলেও বিজেপি নেতাদের সাথে আলোচনার বিষয়টি পুরোপুরি উড়িয়েও দেননি তিনি।

বৈশাখী বলেন, কথা হতেই পারে, তবে তার সাথে রাজনীতির সম্পর্ক নাও থাকতে পারে। তবে আগামী দিনে অনেক কিছুই দেখা যাবে এবং ভবিষ্যতে যা করবেন, একসাথেই করবেন বলে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ এই প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের অ্যাসিড আক্রান্তরা

এদিকে সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহার বক্তব্যে। একপ্রকার নিশ্চিত করেই তিনি শোভনের বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, শোভনের জন্য বিজেপির দরজা খোলা, আসতে চাইলে বিজেপি ওয়েলকাম করবে। তবে কবে যোগ দেবেন, তা তিনি পরিষ্কার করে বলেন নি।

কিন্তু নারদা কান্ডে অভিযুক্ত শোভনকে কেন বিজেপি দলে টানতে ইচ্ছুক? এই ব্যাপারে রাহুল সিনহা বলেন, তৃণমূলের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। মমতাকে এক হাত নিয়ে তার বক্তব্য, “মমতা দরকারের সময় রক্ত চুষে নেন, যার বলি হয়েছে শোভন”।

আরও পড়ুনঃ ডিএ মামলায় হাইকোর্টে ফের মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে শোভন চ্যাটার্জির বিশেষ সম্পর্কের কথা কারো অজানা নয়। বহুদিন ধরেই রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু শোভন-বৈশাখীর এই বিশেষ সম্পর্ক। তা নিয়ে দলীয় রাজনীতির জলও অনেক দূর অবধি গড়ায়।

শোভন বৈশাখী সম্পর্ক নিয়ে শোভনের একদিকে যেমন পারিবারিক বিবাদ যেমন চলছিল, তেমনি তার রেশ হানা দিয়েছিল প্রশাসনের অভ্যন্তরেও। শোভনের কান্ডে তিতিবিরক্ত মমতা এক প্রকার বাধ্য হয়েই আদরের ‘কানন’কে তিরষ্কারও করেন। শোভনকে মন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতেও বলা হয়।

আরও পড়ুনঃ মতুয়াদের বড়মার মৃত্যু রহস্যজনক, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

এরপরেই মেয়রের পদ থেকেও নিজেই ইস্তফা দেন শোভন। দলের সাথেও দুরত্ব বাড়ে কয়েকগুণ। আর এই অবস্থাকেই কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। বহুদিনের পোড় খাওয়া এবং ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি করে বড় হওয়া শোভন বিজেপিতে যোগ দিলে রাজনৈতিক ভাবে তারা লাভবান হবে বলে মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব।

তবে শোভন চ্যাটার্জি পরিস্কার জানিয়েছেন, “আমি এখনও তৃণমূল কংগ্রেসে আছি। আমি দলের সৈনিক। ভবিষ্যতে কিছু হলেও আপনারা জানতে পারবেন”। তবে শোভন চ্যাটার্জিকে দলে টানতে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কেই যে আগে বোঝানোর চেষ্টা করছে মুকুলের বিজেপি, এমনটাই বলছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

]]>
‘শোভন-বৈশাখী’র মতোই পরকীয়ার গল্প ‘ক্লিনটন-মনিকা’র https://thenewsbangla.com/sovan-baishakhi-love-story-is-like-the-love-story-of-clinton-monica/ Thu, 22 Nov 2018 06:22:42 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2874 The News বাংলা, কলকাতা: কলকাতায় এখন জোর চর্চা শোভন ও বৈশাখীর প্রেম নিয়ে। তবে একটা সময়, আমেরিকার পাশাপাশি গোটা বিশ্বে চর্চার মধ্যে ছিল আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও মনিকা লিউনেস্কির পরকীয়া প্রেম নিয়ে।

The News বাংলা

উইলিয়াম জেফারসন ক্লিনটন যিনি বিল ক্লিনটন নামে পরিচিত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম রাষ্ট্রপতি। তিনি নিউইয়র্ক সেনেটর ও বর্তমান ওবামা প্রশাসনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের স্বামী। বিল ক্লিনটন ক্ষমতায় থাকাকালে ১৯৯৮ সালে মনিকা লিউনিস্কি ইস্যু নিয়ে ভীষণ ঝামেলায় পড়েছিলেন।

১৯৯৫ সালে মনিকা লিউনস্কির বয়স যখন ২২ বছর, তখন ক্লিনটনের সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি হয়। তাদের প্রেম বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি করে। ৪৫ বছর বয়স্ক মনিকা বর্তমানে টেলিভিশনে শো পরিচালনা করেন।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: ‘বৈশাখী প্রেমে ব্যস্ত’ কলকাতা ছাড়ছেন এক সাচ্চা প্রেমিক

৯০-এর দশকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের কর্মচারী মনিকা লিউনস্কিকে জড়িয়ে পরকীয়ার কাহিনী জনসমক্ষে প্রকাশ পায়। ক্ষমতাসীন কোনো প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত যৌন কেলেংকারির ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়া, ইতিহাসে সেই ছিল প্রথম। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকে ইমপিচমেন্টের মুখোমুখি হতে হয়েছিলো। তিনি যা করেছেন তা যদিও বেআইনি নয়, কেননা লিউনস্কি প্রাপ্তবয়স্কা।

Image Source: Google

ক্লিনটনের বিষয়টি যতটা না ছিলো স্ক্যান্ডাল, তার চেয়ে অনেক বেশি চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিলো রাজনৈতিক অঙ্গনে। ক্লিনটনের প্রতি মার্কিন জনগণ ছিলো সহানুভূতিশীল। কারণ সে সময় মার্কিন অর্থনীতির অবস্থা ছিল খুবই ভাল এবং বেকারত্বের হার ছিলো নূন্যতম পর্যায়ে।

১৯৯৫ সালের আমেরিকার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে চাকরি পায় লুইস এবং ক্লার্ক কলেজ গ্র্যাজুয়েট সুন্দরী মনিকা লিউনস্কি। এ সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম জেফারসন বিল ক্লিনটন সপরিবারে এই রাজকীয় প্রাসাদে বসবাস করতেন। ২২ বছরের এই সুন্দরীর প্রতি নজর পড়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের। কিছু দিন দৃষ্টি বিনিময় এবং অল্পস্বল্প কথোপকথনের পর মনিকার সঙ্গে ক্লিনটনের গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

Image Source: Google

মনিকা এবং ক্লিনটন নিয়মিত অভিসারে মিলিত হতেন। তাঁরা রোমান্স এত উপভোগ করতেন যে, হোয়াইট হাউসেই ৯ বার গোপন অভিসারে লিপ্ত হন। এর মধ্যে পাঁচ বার এরকম অভিসারের সময় ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারি রডহাম ক্লিনটন, হোয়াইট হাউসে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাঁদের এই অভিসারের খবর হিলারি কেন, কাকপক্ষীও টের পায়নি।

আরও পড়ুন: প্রেমের জয়ে বদনাম বিশ্ব সংসার ‘অ-শোভন’

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরির সুবাদে মনিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে তাঁর সহকর্মী লিন্ডা ট্রিপের। আলাপচারিতার একপর্যায়ে মনিকা তাঁর বিশ্বস্ত বন্ধু ও সহকর্মী লিন্ডাকে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর গোপন অভিসারের কথা জানান।

ট্রিপ মনিকাকে পরামর্শ দেন, প্রেসিডেন্ট যে উপহার প্রদান করেন তা যেন সংরক্ষণ করা হয়। এ ছাড়া তিনি আরো অনুরোধ করেন যে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে গোপন অভিসারের সময় যে বস্ত্র পরিধান করা হয় তা যেন পরিষ্কার না করা হয়। এই বস্ত্র পরে ‘নীল বস্ত্র’ নামে খ্যাতি লাভ করে।

Image Source: Google

মনিকা ও ক্লিনটনের গোপন রোমান্সের কথা লিন্ডা সাহিত্যিক লুসিয়ানা গোল্ডবার্গকে জানান। গোল্ডবার্গ লিন্ডাকে পরামর্শ দেন যে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মনিকার কথোপকথন যেন গোপনে রেকর্ড করা হয়।

বহুবার চেষ্টার পর ট্রিপ ১৯৯৭ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁদের মধ্যকার প্রেমালাপ রেকর্ড করতে সক্ষম হন। এবার গোল্ডবার্গ ট্রিপকে পীড়াপীড়ি করে যে এই রেকর্ড করা টেপটি স্বাধীন তদন্ত কর্মকর্তা কেনথ স্টারকে প্রদান করতে।

আরও পড়ুন: ‘তাজমহল’ গড়া শেষ না করেই মারা গেলেন ‘শাহজাহান’

কিন্তু তাঁর এই আবেদনে ট্রিপ সাড়া দেননি। গোল্ডবার্গ বহুবার চেষ্টা করে ট্রিপকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়ে এই বছরের শেষের দিকে নিউজউইকের প্রতিবেদন মাইকেল ইসিকফের কাছে এ ঘটনা ফাঁস করে দেন।

এই স্ক্যান্ডালের খবর প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১৭ জানুয়ারি ১৯৯৮ সালে ড্রাজ রিপোর্ট ওয়েবসাইটে। এই বছরেরই ২১ জানুয়ারি দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের প্রধান প্রতিবেদন হিসেবে এই স্ক্যান্ডালের খবর প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদন জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

Image Source: Google

উপায়ন্তর না দেখে ক্লিনটন স্ত্রী হিলারিকে সঙ্গে নিয়ে হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এই সংবাদ সম্মেলনে ক্লিনটন বলেন, ‘মনিকা নামে যে মহিলার কথা বলা হচ্ছে তাঁর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি কখনো কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কোনো সময় একটিও মিথ্যা কথা বলিনি। এই অভিযোগ মিথ্যা।’

অতঃপর মনিকাও দাবি করেন যে ঘটনা মিথ্যা এবং ট্রিপ ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারের জন্য এই অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন। এমতাবস্থায় ট্রিপ তাঁর কাছে সংরক্ষিত মনিকা এবং ক্লিনটনের প্রেমালাপের টেপ তদন্ত কর্মকর্তা কেনথ স্টারকে প্রদান করেন। কেনথ এই টেপের কথোপকথন পরীক্ষা করে বলেন, এ ঘটনা সত্য।

আরও পড়ুন: কয়েক দশকের সম্পর্ক শেষ করে শোভনকে তাড়ালেন মমতা

উপায়ন্তর না দেখে মনিকা গ্র্যান্ড জুরির কাছে তাঁর সঙ্গে ক্লিনটনের শারীরিক সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করেন এবং তাঁর কাছে সংরক্ষিত নীল বস্ত্র তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রদান করেন। তদন্ত কর্মকর্তা এই নীল বস্ত্র পরীক্ষা করে বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ সত্য এবং ক্লিনটনের দাবি মিথ্যা।

অতঃপর বিচারক সুসান ডি ওয়েবার মিথ্যা কথা বলার জন্য প্রেসিডেন্টকে ৯০ হাজার ডলার জরিমানা করেন। অন্যদিকে ইয়েল আইন স্কুলের ছাত্র ক্লিনটনকে সুপ্রিম কোর্ট বার থেকে এক মাসের জন্য এবং আরকানসাস অঙ্গরাজ্যের বার থেকে পাঁচ বছরের জন্য বরখাস্ত করা হয়।

এ ঘটনা সত্য প্রমাণিত হওয়ার পর সেনেট সদস্যরা প্রেসিডেন্টের নৈতিক মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁকে ইমপিচমেন্টের দাবি করেন। ক্লিনটনের ডেমোক্রেটিক পার্টির অনেক সদস্য ও বিরোধী রিপাবলিকানদের এই দাবি সমর্থন করেন।

Image Source: Google

ফলে সেনেটে এ বিষয়ে ২১ দিন ধরে তুমুল বিতর্ক হয়। অবশেষে ভোটাভুটিতে ক্লিনটন জয়লাভ করেন। অর্থাৎ এ যাত্রায় প্রেসিডেন্ট ইমপিচমেন্টের হাত থেকে রক্ষা পান। হিলারি ক্লিনটন পুরো ঘটনায় স্বামীর পাশে থেকে স্বামীর মনোবল জোগান।

‘ক্ষমতার অপব্যবহার করে হোয়াইট হাউসের ইন্টার্ন মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়াননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। এ জন্য প্রেসিডেন্ট পদ না ছেড়ে ঠিকই করেছিলেন তিনি।’ পরবর্তীকালে বলেছেন হিলারি।

আরও পড়ুন: বাংলার পুরমন্ত্রীই কি কলকাতা পুরসভার নতুন মেয়র

মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে বিল ক্লিনটনের যৌন কেলেঙ্কারি মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে রয়েছে। সে সময় বিল ক্লিনটনের পদত্যাগের দাবিতে সরব ছিল বিরোধীরা। যদিও এই নিয়ে একটি মন্তব্যও করেননি ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারি। বহু দিন পর তিনি মুখ খুলেছিলেন স্বামীর হয়েই।

হোয়াইট হাউসের কর্মী মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে যৌন কেলেঙ্কারির জন্য বিল ক্লিনটনের পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল। কিন্তু তখন এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি বিল হিলারি। ২ দশক পর তিনি বলেন, ‘মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে ক্লিনটনের যৌন কেলেঙ্কারি বিষয়টি ক্ষমতার অপব্যবহার নয়। লিউনস্কি ছিলেন একজন ‘প্রাপ্তবয়স্ক’। তাই, প্রেসিডেন্ট পদ না ছেড়ে ঠিক কাজই করেছিলেন বিল ক্লিনটন’।

The News বাংলা

ট্রাম্পের কাছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যাওয়া হিলারি বলেন, ‘#মি-টু’ আন্দোলন নিয়ে যখন পুরো বিশ্ব তোলপাড় হচ্ছে তখন কিন্তু মনিকা লিউনস্কি কিছুই বলেননি। কারণ মনিকার ওই কাজে (যৌন সম্পর্ক) সম্মতি ছিল।

আরও পড়ুন: ঘাসফুল ছেঁটে মমতার ‘কাননে’ কি এবার পদ্ম

মনিকার সঙ্গে সম্পর্কের কথা লুকিয়েছিলেন, তাই বিল ক্লিনটনের পদত্যাগ করা উচিত ছিল—মার্কিন সিনেটর ক্রিস্টিন গ্রিলব্যান্ডের এই দাবিকে খারিজ করে দিয়েছেন হিলারি। পদত্যাগ না করার প্রশ্নে ক্লিনটনের পাশেই দাঁড়িয়েছেন হিলারি। এত দিন পরে সে কথা প্রকাশ করলেন তিনি।

The News বাংলা

সেদিন যে স্বামীর সিদ্ধান্তকে তিনি সমর্থন করেছিলেন, সেটাও সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন হিলারি। হিলারি বলেন, মনিকা লিউনস্কিরও সম্মতি ছিল তাতে। ক্লিনটন পদত্যাগ না করলেও তাকে ইমপিচ করা হয়েছিল।

স্বামীর পাশে সেদিন সর্বশক্তি নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন হিলারি ক্লিনটন। রত্না চ্যাটার্জি সেই কাজটা করেন নি। আর এখানেই আমেরিকার বিল ক্লিনটনের কাছে হেরে গিয়েছেন ‘প্রেমের নায়ক’ কলকাতার শোভন চ্যাটার্জি।

]]>
বাংলার পুরমন্ত্রীই কি কলকাতা পুরসভার নতুন মেয়র https://thenewsbangla.com/municipal-affairs-minister-of-bengal-the-new-mayor-of-the-kolkata-municipality/ Wed, 21 Nov 2018 12:06:45 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2826 The News বাংলা, কলকাতা: মন্ত্রীত্ব থেকে শোভন চ্যাটার্জী ইস্তফা দেওয়ার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে মেয়র পদ থেকেও ইস্তফা দিতে বলেন। কিন্তু এবার কলকাতা পুরসভার মেয়র পদে কে বসবেন তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। যে পদে একসময় ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, সেই পদে এবার কে?

বরাবরের মত এবারেও শোনা যাচ্ছে, মেয়র হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন দুই মেয়র পারিষদ- অতীন ঘোষ ও দেবাশিস কুমার। মমতার নির্দেশে, শোভন চ্যাটার্জীর অবর্তমানে যাবতীয় কাজের দেখভালের দায়িত্ব আপাতত থাকবেন পুরসভার কমিশনার খলিল আহমেদ।

Image Source: Google

তবে, মেয়রের চেয়ারে কে বসবেন সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট ইঙ্গিত মেলেনি। এতদিন তৃণমূলে মেয়র হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন দক্ষিণ কলকাতার নেতারাই। সে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ই হোন বা শোভন চ্যাটার্জী, সেই সূচি মেনে দেবাশিস কুমারের সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করছেন অনেকে।

কিন্তু কারও কারও মতে, উত্তর কলকাতার মেয়র পারিষদরা ভালো কাজ করলেও সেই স্বীকৃতি এতদিন পাননি। সেই কারণেই এবার মেয়র হতে পারেন অতীন ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ কয়েক দশকের সম্পর্ক শেষ করে শোভনকে তাড়ালেন মমতা

এর বাইরে আরও একটি নামও শোনা যাচ্ছে, সেটি হল বর্তমানে পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়৷ দীর্ঘদিন তিনি পুরসভার মেয়র পারিষদের দায়িত্ব সামলেছেন। যদিও মাঝে তাঁর সঙ্গে দলের দূরত্ব বেড়েছিল।

তিনি তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। কিন্তু ফের ঘাসফুলে ফিরলে, তাঁকে যোগ্য সম্মানই দিয়েছেন নেত্রী। সেক্ষেত্রে মালা রায়ের দিকেও পাল্লা ভারী বলে মনে করছেন অনেকে।

আরও পড়ুনঃ ঘাসফুল ছেঁটে মমতার ‘কাননে’ কি এবার পদ্ম

তবে শেষ পর্যন্ত উঠে এসেছে, রাজ্যের তিন হেভিওয়েট মন্ত্রীর নাম। সুব্রত মুখোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস ও ফিরহাদ হাকিম। সুব্রতবাবু আগে কলকাতা করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ত্ব সফলভাবেই সামলেছেন। তবে এখন, সুব্রতবাবু মন্ত্রীত্বের পাশাপাশি মেয়র হতে চান না বলেই তৃণমূল সূত্রে খবর।

Image Source: Google

জোরদার লড়াই এখন অরূপ বিশ্বাস ও ফিরহাদ হাকিমের মধ্যে। ফিরহাদ হাকিমের পাল্লাই ভারী বলে মনে করছে মমতার খুব কাছের তৃণমূল নেতারা। কারণ তিনি আগে কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ ছিলেন। তাছাড়া তিনি রাজ্যের পুরমন্ত্রীও। পুরসভার মেয়র ও পুরমন্ত্রী একজন হলে কাজে গতি আসবে বলে মনে করেন স্বয়ং মমতাও।

আরও পড়ুনঃ প্রেমের জয়ে বদনাম বিশ্ব সংসার ‘অ-শোভন’

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০১৯ এ লোকসভা ভোট আর ২০২১ এ বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু ভোট পুরোটাই নিজের ঝুলিতে রাখতেই ফিরহাদ হাকিমকেই কলকাতার মেয়র করবেন মমতা। তবে, পুরসভার আইন অনুযায়ী কাউন্সিলর না হলে কেউ মেয়র হতে পারবেন না। তাই, ফিরহাদ হাকিমকে মেয়র করতে হলে বিধানসভায় পুর আইন সংশোধন করতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে।

জোরদার লড়াইয়ে আছেন অরুপ বিশ্বাসও। তৃণমূল সূত্রের খবর, ফিরহাদ ও অরুপ দুজনেই এখন দিদির খুব পছন্দের। অরুপ বিশ্বাস নিজেও মেয়র হবার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। তবে, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মেয়র হবার দৌড়ে এগিয়ে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমই। তাই তাঁকে মেয়র পদে বসাতে কলকাতা পুরসভার আইন সংশোধন করতে চাইছেন মমতা, এমনটাই নবান্ন সূত্রে খবর।

আরও পড়ুনঃ মেয়রের পদত্যাগ দাবী করল তৃণমূল কংগ্রেস

শেষ পর্যন্ত কি পুরমন্ত্রীই হতে চলেছেন কলকাতার পরবর্তী মেয়র? সম্ভাবনা বাড়ছে। তবে, যিনি ঠিক করবেন তিনি এখনও ফাইনাল সিদ্ধান্ত নেন নি বলেই খবর। আলোচনার বাইরে কোন বিশিষ্ট জনকেও তিনি কলকাতার মেয়র করতে পারেন বলে খবর।

এই পরিস্থিত ‘কাননে’র জায়গায় নেত্রী কাকে বসান, সেটাই এখন দেখার। অতীন-দেবাশীষ-সুব্রত-অরূপ-ফিরহাদ না এর বাইরে অন্য কেউ? সিদ্ধান্ত সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই। আর কে না জানে, নেত্রী সবসময় ‘আনপ্রেডিকটেবল’। তিনি কি করবেন একমাত্ৰ তিনিই জানেন।

]]>
প্রেমের জয়ে বদনাম বিশ্ব সংসার ‘অ-শোভন’ https://thenewsbangla.com/love-wins-and-snatch-everything-from-the-world-of-sovan-chatterjee/ Wed, 21 Nov 2018 03:36:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2782 The News বাংলা, কলকাতাঃ তৃণমূল নেতা শোভন চ্যাটার্জীর সঙ্গে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের রসায়ন নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই বৈশাখীর সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্কের জেরে সংবাদের শিরোনামে রয়েছেন মেয়র শোভন। যার জেরে একদিকে যেমন তাঁর স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সাথে বিবাদ বিচ্ছেদের মামলা চলছিল, তেমনি সেই সাংসারিক উত্তাপের আঁচ পৌঁছে গিয়েছিল প্রশাসনিক দপ্তর অবধি। শেষ পর্যন্ত সেই প্রেমের জয়ে বদনাম বিশ্ব সংসারে ‘অ-শোভন’।

Image Source: Google

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সম্পর্ক নিয়ে কলকাতা পৌরসভার আনাচে কানাচে বহুদিন ধরেই কানাঘুষো চলছিল। ইদানিং বহু সামাজিক অনুষ্ঠানেও মেয়র শোভন চ্যাটার্জীর সঙ্গে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসাথে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। তা নিয়েও বিদ্রুপ ও সমালোচনা কম হয়নি।

আরও পড়ুনঃ কয়েক দশকের সম্পর্ক শেষ করে শোভনকে তাড়ালেন মমতা

এদিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন দপ্তরের কাজে শোভনের খামখেয়ালিপনা শুরু হয়। এক প্রকার বাধ্য হয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনকে বহু আগেই সাংসারিক ঝামেলা মিটিয়ে নিতে বলেন। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর উপদেশে বিন্দুমাত্র লাভ হয়নি। বরং মেয়র যথারীতি চলছিলেন তাঁর নিজস্ব ভঙ্গিতেই। ‘বৈশাখীই আমার সব’, সাংবাদিক সম্মেলনে বলে দিয়েছেন অবলীলায়।

The News বাংলা

এদিকে দিনের পর দিন মেয়রের কাজের প্রতি অমনোযোগ বেড়েই চলছিলো। তা প্রত্যক্ষ করেই মাসখানেক আগেই মুখ্যমন্ত্রী পুনরায় তিন দপ্তরের মন্ত্রী ও মেয়রকে বিদ্রুপের ছলে রসিকতা করে জিজ্ঞেস করেন যে, তিনি কি বিভিন্ন দপ্তরের কাজ গুলো ঠিকঠাক করছেন, নাকি শুধু প্রেমই করছেন!

আরও পড়ুন: মমতার নির্দেশে মন্ত্রীত্ব থেকে ইস্তফা শোভন চ্যাটার্জীর

যদিও যাবতীয় সমালোচনাকে উপেক্ষা করে মেয়র বরাবর অটল থেকেছেন নিজের সিদ্ধান্তেই। কাজে অনীহা দেখে মুখ্যমন্ত্রী আরও ক্ষুব্ধ হন। তার জেরে মেয়রের সাথে কথা কাটাকাটিও হয় মুখ্যমন্ত্রীর। আর তার জেরেই মঙ্গলবার চরম সিদ্ধান্ত নিলেন মেয়র ও মন্ত্রী শোভন চ্যাটার্জী।

Image Source: Google

ঘটনার সূত্রপাত হয় গতকাল বিধানসভায়। বিধানসভায় আবাসন দপ্তরের প্রশ্নত্তর পর্বে উপস্থিত ছিলেন শোভন এবং মমতা দুজনেই। সেখানেই একজন বাম বিধায়কের প্রশ্নের ভুল উত্তর দেন শোভন। আর তাতেই মুখ্যমন্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আবাসন মন্ত্রী শোভন চ্যাটার্জীকে পরিসংখ্যানগত ত্রুটি ধরিয়ে দেন।

আরও পড়ুন: ঘাসফুল ছেঁটে মমতার ‘কাননে’ কি এবার পদ্ম

অধিবেশন শেষে স্পীকারের ঘরে শোভন চ্যাটার্জীর সাথে মুখ্যমন্ত্রীর কথপোকথনে, শোভনের কাজ নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন মমতা। কাজ ফেলে রেখে শাড়ি চুড়ির দোকানে ঘুরছেন মেয়র, এই বলে ব্যঙ্গ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Image Source: Google

আর তাতেই আগুনে ঘি পড়ে। ইঙ্গিত যে তাঁর বান্ধবীর দিকে, তা বুঝেই চরম অপমানিত বোধ করেন শোভন। আর দেরি না করেই অনতিবিলম্বে চিঠি দিয়ে পদত্যাগ করেন দমকল এবং আবাসন মন্ত্রীর পদ থেকে। প্রেমের বদনাম মন থেকে মেনে নিতে পারেন নি ‘প্রেমিক’ শোভন।

আরও পড়ুন: যেখানে সেখানে থুতু-পিক ফেলা বন্ধ করতে কড়া মমতা

মুখ্যমন্ত্রী এর আগে শোভনকে জানান, তাঁর কাছে সব খবর ও ছবি আছে। শোভন বুঝতে পারেন তাঁর ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। আর এতে আরেকবার অপমানিত বোধ করেন তিনি। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছেন যে, তাঁকে অবিশ্বাস করা হচ্ছে, তাঁকে আর দরকার নেই বলে তাঁর ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। আর এভাবে কোনো নজরদারির মধ্যে তিনি কাজ করতে চান না।

Image Source: Google

শোভন এটাও জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁর পক্ষে দিনের পর দিন অপমান সহ্য করে কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না। উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েকবার শোভন তাঁর বিভিন্ন দপ্তরের কাজ থেকে ইস্তফা দিয়ে চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু তিনি শুধরে যাবেন, এই আশায় মুখ্যমন্ত্রী তখন পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন নি। কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সচিবের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠানো মাত্রই সঙ্গে সঙ্গেই তা গৃহিত হয়। পদত্যাগ করতে বলা হয় মেয়রের পদ থেকেও।

আরও পড়ুন: ভারতবাসীকে নেতাজীর মৃত্যুদিন জানাল বাংলার পুরসভা

শোভন চ্যাটার্জী মুখ্যমন্ত্রীর অত্যন্ত আস্থাভাজন এবং অত্যন্ত স্নেহের পাত্র ছিলেন। কংগ্রেস ছাড়ার পর যেদিন থেকে শোভন তৃণমূলে যোগ দেন, সেদিন থেকেই দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেই কাজ করেছেন তিনি। আর মুখ্যমন্ত্রীর সাথেও শোভনের সম্পর্ক ছিলো দিদি ভাইয়ের মতোই। ছিলেন দিদির আদরের ‘কানন’।

Image Source: Google

কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সাথে বাকবিতন্ডা এবং অবশেষে সটান ইস্তফার জেরে জল গড়ালো অনেক দূর। বৈশাখীর প্রেমে বদনাম বিশ্ব সংসারে ‘অ-শোভন’। আর তাতে অনেকেই বলছেন, মেয়রের মতো পদমর্যাদা, মন্ত্রিত্ব, মুখ্যমন্ত্রী ও শোভনের দিদি ভাইয়ের সম্পর্ক, এতবছরের রাজনৈতিক জীবন, ভবিষ্যৎ এই সব কিছুকে উপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত প্রেমেরই জয় হল।

]]>