SSC – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 10 Aug 2022 13:09:36 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg SSC – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 শিক্ষকের চাকরি চুরি কাণ্ডে, গ্রেফতার স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুই প্রাক্তন উপদেষ্টা https://thenewsbangla.com/teacher-jobs-theft-case-two-former-school-service-commission-advisors-arrested-by-cbi/ Wed, 10 Aug 2022 13:09:19 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16017 শিক্ষকের চাকরি চুরি কাণ্ডে, গ্রেফতার স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুই প্রাক্তন উপদেষ্টা। শিক্ষক নিয়োগে-দুর্নীতি মামলায়, এবার গ্রেফতার এসএসসির ২ প্রাক্তন উপদেষ্টা। সিবিআইয়ের এফআইআরে ১ নম্বরে নাম রয়েছে শান্তিপ্রসাদ সিনহা-র ও ৪ নম্বরে আছে অশোক সাহা-র। শান্তিপ্রসাদ-অশোক সাহার বাড়িতে গিয়ে একাধিকবার তল্লাশি চালায় সিবিআই, এবার তাদের গ্রেফতার করা হল।

দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের পরে, গ্রেফতার শান্তিপ্রসাদ সিনহা, অশোক সাহা। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেই, ইডির জালে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। এবার শান্তিপ্রসাদ সিনহা ও অশোক সাহা-কেও গ্রেফতার করল সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে, এটাই সিবিআইয়ের প্রথম গ্রেফতারি। সিবিআই জানিয়েছে, দুই কর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একাধিক তথ্য উঠে আসবে।

আরও পড়ুনঃ চাপে পরে ‘বেড রেস্ট’ লিখতে বাধ্য হয়েছি, ফাঁস করে দিলেন অনুব্রতর ডাক্তার

সিবিআই সূত্রের খবর, এসএসসি-র মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে উপদেষ্টা কমিটিকে কে বা কারা নিয়ন্ত্রণ করত, বেআইনি-ভাবে চাকরি কাদের-কাদের নির্দেশে দেওয়া হত, শান্তিপ্রসাদ সিনহা এবং অশোক সাহার কাছ থেকে তা জানতে চেয়েছিলেন সিবিআই কর্তারা। যদিও সব প্রশ্নের উত্তরই, অভিযুক্ত দু-জন এড়িয়ে গিয়েছেন, এরপরেই তাঁদেরকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত।

কোন প্রশ্নের উত্তর ঠিকঠাক দেননি দুজনেই, উল্টে উল্টোপাল্টা বলে সিবিআই-কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন। তদন্তে সহযোগিতা না করা ও বিভ্রান্ত করার অভিযোগে, শেষপর্যন্ত গ্রেফতার করা হয় এসএসসির দুই প্রাক্তন উপদেষ্টা-কেই। কলকাতা হাইকোর্ট নিযুক্ত বাগ কমিটির রিপোর্টেও; নাম ছিল শান্তিপ্রসাদ সিনহা ও অশোক সাহার।

]]>
সিবিআই হেফাজতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের সার্ভার রুম, ভয়ে কাঁপছে বড় ঘুষখোররা https://thenewsbangla.com/school-service-commission-server-room-in-cbi-custody-calcutta-high-court-asked-ssc-chairman-to-appear/ Wed, 22 Jun 2022 12:33:07 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15651 সিবিআই হেফাজতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের সার্ভার রুম; ভয়ে কাঁপছে বড় ঘুষখোররা। ২০১৬ সালের নবম-দশম শ্রেণীর স্কুল শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠতেই; স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু সেই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়নি; এসএসসি-র তরফ থেকে। কমিশনের আইনজীবী আদালতকে জানান, “সিবিআই হেফাজতে আছে এসএসসি-র সার্ভার রুম; তাই অনুমতি না পেলে তথ্যপ্রকাশ করা সম্ভব নয়।

এরপরেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান; সিদ্ধার্থ মজুমদারকে সশরীরে হাজিরা দিতে বলে হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা জানিয়েছেন, আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে; সশরীরে হাজিরা দিতে হবে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানকে। সিবিআইকে এবিষয়ে চিঠি চেওয়া হয়েছে কি না; তা জানতে চাওয়া হয়।

আরও পড়ুন; অভিমানের প্রাচীর ও রাজনৈতিক সন্ন্যাস ভেঙে ফের মমতার দলে শোভন সঙ্গে বৈশাখী

২০১৬ সালে নবম-দশম শ্রেণীর ভুগোল শিক্ষক নিয়োগে; বড় অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। অনিয়মের অভিযোগে মামলা করেছিলেন পাঁচ চাকরিপ্রার্থী। তাঁদের দাবি, মেধাতালিকার ওয়েটিং লিস্টে তাঁদের নাম ছিল। আর ওই ওয়েটিং লিস্টের তাঁদের নীচে যাঁদের নাম ছিল; তাঁদের কয়েকজনকে নিয়োগ করা হয়েছে। অথচ তাঁরা চাকরি পাননি। হাইকোর্টে সেই সংক্রান্ত শুনানি ছিল বুধবার। সকল চাকরিপ্রার্থীর প্রাপ্ত নম্বর প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছিল; ৭ জুনের মধ্যে সেই রিপোর্ট পেশ করার কথা ছিল। কিন্তু তা করেনি এসএসসি।

আরও পড়ুন; “সামাজিক শিক্ষাগুরু বলেই মমতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে”, ঘোষণা চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর

মামলাকারীদের আইনজীবী সুভাষ জানা বলেন, “নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে বলে আদালতে স্বীকার করে নিয়েছে; স্কুল সার্ভিস কমিশন। তারপরই তাদের কাছ থেকে নথি চায় হাইকোর্ট; ১৬ জুন মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ছিল। সেদিনও নথি জমা করেনি এসএসসি। এরপর আজ স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনজীবীর তরফে হাইকোর্টে যুক্তি দেওয়া হয়; অন্য একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এসএসসি-র সার্ভার রুম এখন সিবিআই হেফাজতে রয়েছে। সিবিআই ওই মামলার তদন্ত করছে। তাই, সার্ভার রুম থেকে; ডেটা আনা যাচ্ছে না।

সূত্রের খবর, বেআইনি নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক তথ্য; এসএসসির ওই সার্ভার রুমে রয়েছে। যা হাতে পেলেই মাকড়সার জালের মত বিছিয়ে থাকা; একাধিক ঘুষখোরের নাম উঠে আসতে পারে। তাই কমিশনের সভাপতিকে তলব করতেই; প্রবল চাপে বড় ঘুষখোররা।

]]>
লজ্জার বাংলা, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতিকেই সরানোর নির্দেশ https://thenewsbangla.com/shame-bengal-tet-scam-calcutta-high-court-orders-remove-primary-education-council-president-manik-bhattacharya/ Mon, 20 Jun 2022 14:31:25 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15565 লজ্জার বাংলা, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি-কেই সরানোর নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি; নতুন সভাপতি নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত পর্ষদ সভাপতির দায়িত্বে থাকবেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচী। প্রাইমারি টেট নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরেই; নানান বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে। এবার এর জেরেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে; অপসারিত করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন যে আগামীকাল মঙ্গলবার; দুপুর ২টোর মধ্যে তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে সশরীরে আদালতে হাজিরা দিতে হবে।

২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত; কিছু তথ্য চেয়েছিল আদালত। কিন্তু অভিযোগ, পর্ষদের তরফে সেই নথি পেশ করা হয়নি; উল্টে আদালতকে ভুল পথে চালনা করা হয়েছে বলেই অভিযোগ। আর এর সম্পূর্ণ দায় মানিক ভট্টাচার্যের; এমনটাই দাবী হাইকোর্টের। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এদিন বলেন, “আজকে ২৭৮৭ জন আবেদনকারীদের মধ্যে ১ জনেরও, নম্বর পুণর্মূল্যায়নের জন্য দাখিল করা আবেদনপত্র; আদালতে পেশ করা হয়নি। পর্ষদের এই আচরণ গ্রহনযোগ্য নয়”।

আরও পড়ুনঃ “লাখখানেকের মধ্যে ৫০-১০০টা ভুল হতেই পারে”, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে সাফাই মুখ্যমন্ত্রীর

২০১৪’র প্রাথমিক টেট মামলায়; গত সোমবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ মতো সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন; প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ও সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচী। সেই মতো নির্ধারিত সময়ের আগেই; সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেসের দফতরে যান দুজনেই।

আরও পড়ুনঃ গভীর চক্রান্তের জাল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসা পশ্চিমবঙ্গের আজ জন্মদিন

সিবিআই সূত্রে খবর, তদন্তকারীরা জানতে চান; কার নির্দেশে ২০১৪’র টেটে দ্বিতীয় নিয়োগ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল? শুধু ২৬৯ জনকেই কেন ১ নম্বর করে বাড়ানো হল? নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কে নিয়েছিল? সরকারি ফাইলে তার কোনও তথ্য আছে কিনা। এই জিজ্ঞাসাবাদের এক-সপ্তাহের মধ্যেই, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে; প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ও তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে অপসারণের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। আদালতের কাছে যে নথি পেশ করা হয়েছে; তা নিয়েও সন্দেহ আছে। পর্ষদের পেশ করা নথি, ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য দিল্লিতে পাঠাতে বলল হাইকোর্ট।

]]>
“লাখখানেকের মধ্যে ৫০-১০০টা ভুল হতেই পারে”, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে সাফাই মুখ্যমন্ত্রীর https://thenewsbangla.com/teacher-recruitment-scam-50-100-cases-out-of-lakhs-jobs-wrong-said-mamata-banerjee/ Mon, 20 Jun 2022 14:04:34 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15562 “লাখ খানেকের মধ্যে ৫০-১০০টা ভুল হতেই পারে”; শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে এবার সাফাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে; একের পর এক মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। ইতিমধ্যেই তার জেরে রীতিমতো বিপাকে পড়েছে; রাজ্যের শাসক দল তথা রাজ্য সরকার। তৃণমূল কংগ্রেসের বহু নেতার নামেই; নিয়োগ সম্পর্কিত দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জেরা চলছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়; ও বর্তমান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর। এবার সেই দুর্নীতি মামলা নিয়ে; বি’ষ্ফোরক মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শিক্ষক নিয়োগে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে; গিয়েছে মমতার মন্ত্রী-কন্যার চাকরি। আড়াইশোর উপরে প্রাথমিকে চাকরি যাওয়ার তালিকা। বিরোধীরা হইচই করলেও মুখ খোলেননি; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায়; “লাখখানেক চাকরির মধ্যে ৫০-১০০টা কেস ভুল হতেই পারে”। এর পাশাপাশি ঘাসফুল শিবিরের নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গ টেনে এনে; মুখ্যমন্ত্রী মমতা কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। নাম না করেই নন্দীগ্রামের বিধায়কের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কটাক্ষ; “এই ছেলেগুলোর চাকরি চলে গেলে; যাঁদের চাকরি দাদামণি দিয়েছেন, তাঁদের কী হবে”?

আরও পড়ুনঃ গভীর চক্রান্তের জাল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসা পশ্চিমবঙ্গের আজ জন্মদিন

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে, এদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন; “এক লক্ষ চাকরি দিতে গিয়ে একশোটা ভুল হতেই পারে; তা শুধরে নিতে হবে, এবং সময় দিতে হবে। বেকারদের আমরা চাকরি দেব; তাতে যদি কোনও সমস্যা হয়, তা মিটিয়ে নিতে হবে”।

শুভেন্দুর নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন; “আর যে দাদামণি চাকরি দিয়েছেন; তাঁর হিসেব কে নেবে? সিবিআই তাঁদের ধরবে না? মেদিনীপুর থেকে মুর্শিদাবাদ হয়ে উত্তর দিনাজপুর; সেই সব জায়গায় দাদামণি চাকরি দিয়েছেন। পুরুলিয়া জেলায় চাকরি দেননি; বঞ্চিত করেছিলেন ওঁদের। আমার বাড়িতে এসেছিলেন; চাকরি দিয়েছিলাম”।

আরও পড়ুনঃ “অগ্নিবীরদের নিয়োগ করব আমার কোম্পানিতে”, দেশজোড়া বিতর্কের মধ্যেই ঘোষণা শিল্পপতির

মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় দাঁড়িয়ে; একহাত নিয়েছেন গেরুয়া শিবিরকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করে যারা লাফাচ্ছে; সেই বিজেপির এমপি এমএলএ-রাও ছাড় পাবেন না। বড় বড় কথা, সিবিআই-ইডি-র ভয় দেখাচ্ছেন। এটা ত্রিপুরা নয় যে; ১০ হাজার চাকরি খেয়ে নিয়েছে”।

]]>
পরেশ, গুণধর, বীরেন্দ্র, দুর্নীতি করে নেতার মেয়েদের চাকরি হয়েছে, কাঁদছে ‘বাংলার মেয়েরা’ https://thenewsbangla.com/paresh-gunadhar-birendra-leaders-daughters-got-govt-jobs-due-to-corruption-bengali-girls-crying/ Thu, 16 Jun 2022 08:46:32 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15499 পরেশ, গুণধর, বীরেন্দ্র, দুর্নীতি করে নেতার মেয়েদের চাকরি হয়েছে, কাঁদছে ‘বাংলার মেয়েরা’। ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে তৃণমূলের রাজনৈতিক স্লোগান ছিল; ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’। সেই স্লোগানে মুগ্ধ হয়ে, মমতাকেই তৃতীয়বারের জন্য; বাংলার মুখ্যমন্ত্রী করেছিলেন রাজ্যের ভোটাররা। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টে একের পর এক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায়, এটা একেবারে পরিস্কার; বাংলা নিজের মেয়েকে চাইলেও; সেই মেয়ের সরকার বাংলার মেয়েদের চাইছে না; শুধুই নেতাদের মেয়েদের চাইছে।

রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী, আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গুণধর খাঁড়া, কালনা পুরসভার দুবারের প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর বীরেন্দ্র বসু মল্লিক; মাত্র কয়েকটি নাম উঠে এসেছে, যাদের দুর্নীতি ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে প্রমাণিত। প্রত্যেকেই দুর্নীতি করে, নিজের মেয়েকে; ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকের চাকরিতে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে; এই তিন নেতারই মেয়েদের চাকরি গেছে। বাংলা নিজের মেয়েকেই চেয়েছে; কিন্তু রাজ্য সরকার চেয়েছে শুধুই নেতাদের মেয়েকে।

আরও পড়ুন; ‘তৃণমূল-বাম সেটিং’, প্রাথমিক টেট দুর্নীতি, চাকরি গেল সিপিএম নেতার মেয়েরও

কম নম্বর পেয়েও তালিকায় নাম না থাকলেও, ইন্টারভিউ না দিয়েও, সবাইকে সরিয়ে হাইস্কুলের শিক্ষক নিয়োগ তালিকায় একেবারে উপরে উঠে এসে; বাড়ির কাছে হাইস্কুলে চাকরি পান; রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারী। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে, দুর্নীতির প্রমাণ মেলায়; তার চাকরি যায় বেতন ফেরত দেবার নির্দেশ দেয় আদালত।

এবার ২৬৯ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করার পাশাপাশি, ২০১৪র প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায়; সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি, ২৬৯ জনকে প্রাথমিক শিক্ষকের পদ থেকে বরখাস্ত, বেতন বন্ধ ও বেতন ফেরতের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন; প্রাথমিকে বরখাস্তের তালিকায়, পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতির দুই মেয়ে

আদালতের নির্দেশে হুগলি জেলায় ৬৮ জনকে; প্রাইমারি শিক্ষকের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি; গুণধর খাঁড়ার ২ মেয়ের নাম। তৃণমূল নেতার দুই মেয়ে সীমা ও শিবানী; প্রাথমিক শিক্ষক হিসাবে চাকরিতে যোগ দেয়। মঙ্গলবার সকালে জেলায় বরখাস্তের যে তালিকা পৌঁছেছে; তাতে ৫ নম্বরে নাম রয়েছে শিবানী খাঁড়ার; আর ৮ নম্বরে নাম সীমা খাঁড়া প্রামাণিকের।

২৬৯ জনের তালিকায় রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের ১৭ জনের নাম; তার মধ্যে ২ নম্বরে নাম রয়েছে কালনার ‘দাপুটে’ সিপিএম নেতা ও কালনা পুরসভার দুবারের প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর; বীরেন্দ্র বসু মল্লিকের মেয়ে বৈশাখী বসু মল্লিকের নামও। কেঁচো খুঁড়তে একে একে বেরোচ্ছে বড় বড় কেউটে। তৃণমূলের পাশাপাশি দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছে; সিপিএম নেতার মেয়েও। প্রমাণ হয়ে গেছে, বাংলা নিজের মেয়েকে চাইলেও; সেই মেয়ের সরকার বাংলার মেয়েদের চাইছে না; শুধুই নেতাদের মেয়েদের চাইছে।

]]>
‘পরীক্ষা দিতে হয় না, টাকা দিলেই চাকরি নিশ্চিত’, রঞ্জনের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস https://thenewsbangla.com/calcutta-high-court-order-to-interrogate-ranjan-aka-chandan-mandal-regarding-primary-tet-recruitment/ Thu, 09 Jun 2022 04:30:26 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15317 ‘পরীক্ষা দিতে হয় না, টাকা দিলেই চাকরি নিশ্চিত’; রঞ্জনের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বর্ণিত ‘বাগদার রঞ্জন’কে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ‘বাগদার রঞ্জন’কে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি; তাকে হেফাজতে নিয়েও জেরা করতে পারবে সিবিআই; নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। দুর্নীতিতে অভিযুক্ত এই রঞ্জনের আসল নাম চন্দন মণ্ডল; বলে আদালতে জানিয়েছেন মামলাকারীর আইনজীবী। তদন্তে সহযোগিতা না পেলে এবং সিবিআই প্রয়োজন মনে করলে; চন্দনকে হেফাজতে নিতে পারবে বলেও জানিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

কে এই রঞ্জন ওরফে চন্দন মণ্ডল?‌ উপেন বিশ্বাসের ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা গিয়েছে; জনৈক ‘রঞ্জন’ প্রাথমিক–উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বিক্রি করেন। প্রাথমিকের জন্য ১০ লক্ষ এবং উচ্চ প্রাথমিকের জন্য ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা; করে নেন ওই ‘রঞ্জন’। মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য; ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দর উঠেছে। চাকরি না পেলে; টাকা ফেরত দেন বলেও সুখ্যাতি। ‘রঞ্জন’ অত্যন্ত ‘সৎ’ ব্যক্তি; কারণ তাঁকে টাকা দিয়ে কেউ চাকরি পাননি এই অভিযোগ নেই বলেই জানান উপেন বিশ্বাস।

আরও পড়ুনঃ আওতায় সব প্রতিবেশী দেশ, অগ্নি-৪ এর সফল পরীক্ষা করল ভারত

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে সরব হন উপেন; তাঁর ফেসবুক পোস্ট কোর্টের নজরে আনেন মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। ২০১৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য যে টেট হয়েছিল; তাতে ৮৬ জন পরীক্ষার্থী পাশ না করেও প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি করছেন বলেই অভিযোগ। চন্দন মণ্ডলের নাম উল্লেখ না করলেও; জনৈক ‘বাগদার রঞ্জন’-কে এই দুর্নীতির হোতা বলে উল্লেখ করেছিলেন উপেন।

আরও পড়ুনঃ ‘ভারতকে বয়কট’, কোন দেশের হিম্মত নেই, গবেটদের গল্পের গরু গাছে উঠেছে

আগামী ১৫ জুনের মধ্যে সিবিআই-কে এই নিয়ে; রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মামলায় ‘রঞ্জন’-এর সঙ্গে পার্টি করা হয়েছে; রাজ্য়ের প্রাক্তন অনগ্রসর এবং শ্রেণিকল্যাণ মন্ত্রী উপেন বিশ্বাস-কেও। সৌমেন নন্দী নামে এক চাকরিপ্রার্থী; প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মামলা করেছিলেন। তাঁর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানান; ৮৭ জনকে বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছে; সেই দুর্নীতির মামলাতেই চন্দনের নাম উঠে আসে। এবার শুরু হল; সেই নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত; ইতিমধ্যেই সপরিবারে বাগদার বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন চন্দন মণ্ডল।

]]>
“দল পাশেই আছে”, ঘরে ফিরেই পরেশ অধিকারীকে সংবর্ধনা তৃণমূলের https://thenewsbangla.com/tmc-welcome-felicitates-paresh-adhikari-back-home-after-ssc-controversy/ Tue, 24 May 2022 14:49:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15197 “দল পাশেই আছে”; ঘরে ফিরেই পরেশ অধিকারীকে সংবর্ধনা তৃণমূলের। দলের নেতাকে স্বাগত জানাতে; মেখলিগঞ্জে পুষ্পবৃষ্টি তৃণমূলের। মঙ্গলবার কলকাতা থেকে বাগডোগরা হয়ে; মেখলিগঞ্জে নিজের বাড়ি ফেরেন পরেশ। মেখলিগঞ্জে পা রাখার পরই; স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে সংবর্ধনা দেন। মেখলিগঞ্জের নৃপেন্দ্রনারায়ণ মেমোরিয়াল হলে, তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে; একটি বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই তিনি ঘোষণা করেন; “তৃণমূল আমার পাশেই আছে”।

এসএসসি দুর্নীতি নিয়ে, তাঁর আইনি লড়াই চলবে; বলেও জানিয়েছেন পরেশ অধিকারী। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “এই কয়েক দিনে দেখা গেল; কে দলের আসল লোক আর কে নকল লোক। প্রতি মুহূর্তে মেখলিগঞ্জ থেকে; আমাকে ফোন করা হচ্ছিল। উপরে ভগবান আছেন; এখন আর কলকাতা যাওয়ার দরকার নেই আমার। কলকাতার তৃণমূল নেতারা; আমার সঙ্গে আছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আমাদের সঙ্গে আছেন; প্রতিটা বিষয় খোঁজখবর নিচ্ছেন ওঁরা”।

আরও পড়ুনঃ ম্যাজিক, তেলের দাম কমল অথচ মানুষ তা দেখতে পাচ্ছে না

এসএসসি কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের জেরা ও মেয়ের চাকরি যাওয়া; একের পর এক ঘটনায় জেরবার রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা পরেশ অধিকারী অবশেষে বাড়ি ফিরলেন। মঙ্গলবার সকালে শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে; সোজা নিজ নির্বাচন ক্ষেত্রের অন্তর্গত কোচবিহারের হলদিবাড়িতে চলে আসেন তিনি। স্থানীয় রাধাগোবিন্দ মন্দিরে; পুজো দেন। মেয়ের চাকরিতে নিয়োগের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে; “বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন”, বলে তা এড়িয়ে যান তৃণমূল নেতা ও মন্ত্রী।

এদিকে, পরেশ অধিকারী ঘরে ফেরার আগের দিনেই; অঙ্কিতা অধিকারীকে বরখাস্তের চিঠি সোমবার পৌঁছে গিয়েছে স্কুলে। বাড়ির পাশের ইন্দিরা গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রঞ্জনারায় বসুনিয়া জানিয়েছেন; “আদালতের লিখিত নির্দেশ পেয়েছেন; স্কুল পরিচালন কমিটি বসে শীঘ্রই আলোচনা করবে এব্যাপারে”।

আরও পড়ুনঃ বিপদে পার্থ পরেশ অনুব্রত, তৃণমূলের তিন নেতার সম্পত্তির দিকে নজর দিল সিবিআই

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষিকা ছিলেন মন্ত্রী কন্যা অঙ্কিতা। বাবার প্রভাব খাটিয়ে মেধাতালিকায় নাম না থাকা সত্ত্বেও; চাকরি পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল অঙ্কিতার বিরুদ্ধে। অঙ্কিতা যোগ দিয়েছিলেন, মেখলিগঞ্জে বাড়ির কাছেই; ইন্দিরা বালিকা বিদ্যালয়ে। এরপর আদালত নির্দেশ দিয়েছে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত; ও নিয়োগের পর থেকে প্রাপ্য বেতন ফেরত দিতে। সেই চিঠিই সোমবার পৌঁছে গিয়েছে স্কুলে; শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নেবে স্কুল।

]]>
বিপদে পার্থ পরেশ অনুব্রত, তৃণমূলের তিন নেতার সম্পত্তির দিকে নজর দিল সিবিআই https://thenewsbangla.com/partha-paresh-anubrata-in-problem-cbi-looked-into-the-assets-of-three-tmc-leaders/ Tue, 24 May 2022 06:51:18 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15169 বিপদে পার্থ পরেশ অনুব্রত, তৃণমূলের তিন নেতার সম্পত্তির দিকে; এবার নজর দিল সিবিআই। শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালিন এসএসসি নিয়োগে; বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বেআইনি পথে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল; অভিযোগ নিয়ে মামলা চলছে হাইকোর্টে। কলকাতা হাইকোর্ট এই বিষয়টি নিয়ে; সিবিআই তদন্ত-র নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায়; অনুব্রত মণ্ডলকে বারবার দাকছে সিবিআই। আর মেয়েকে অন্যায় ভাবে শিক্ষকতার চাকরিতে ঢুকিয়ে; হাইকোর্টের নির্দেশে এখন সিবিআই জালে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী। আর এবার তিন নেতার সম্পত্তি কত; তা জানতেই আয়কর বিভাগকে চিঠি দিল সিবিআই।

একেই কি প্রবাদে বলে; ‘গোদের উপর বিষফোঁড়া’? পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পরেশ অধিকারী এবং অনুব্রত মণ্ডল; প্রত্যেককেই ভিন্ন ইস্যুতে আলাদা আলাদা জেরা করেছে সিবিআই। এবার এই তিনজন তৃণমূল কংগ্রেস নেতার সম্পত্তির পরিমান; খতিয়ে দেখতে চায় সিবিআই। তদন্তের মধ্যেই এই তিন নেতার সম্পত্তি কত?‌ জানতে চেয়ে আয়কর দফতরকে চিঠি দিল সিবিআই।

এই তিন নেতা-মন্ত্রীর প্যান কার্ডের নম্বরে কোথায়, কত সম্পত্তি রয়েছে; তার বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। আয়কর দফতরের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে; পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পরেশ অধিকারী ও অনুব্রত মণ্ডলের দেওয়া নথি। শুধু এদের নয়, চাওয়া হয়েছে ওই তিন নেতা-মন্ত্রীর আত্মীয়দের সম্পত্তি সংক্রান্ত নথিও। সূত্রের খবর, গত কয়েকবছরে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পরেশ অধিকারী ও অনুব্রত মণ্ডল; যে আয়কর জমা দিয়েছেন, সেই সংক্রান্ত তথ্যও চেয়েছে সিবিআই।

আরও পড়ুনঃ ঠিকাদার থেকে ‘শাহজাহান‘, দুই বউয়ের জন্য ‘জোড়া তাজমহল’ তৃণমূলের ’শেখ‘ নেতার

এসএসসি দুর্নীতি মামলায়, হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যের দুই মন্ত্রী এখন; সিবিআই তদন্তর কেন্দ্রে। গরু-পাচার মামলা এবং ভোট পরবর্তী হিং’সা মামলায়; অনুব্রত মণ্ডলকে একবার সিবিআই জেরা করেছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়–পরেশ অধিকারীও; জেরার মুখে পড়েছেন। এই দুর্নীতি এবং কর্মকাণ্ডে এনারা কেউ আর্থিক লাভবান হযেছেন কিনা; তা খতিয়ে দেখতেই সিবিআই চিঠি পাঠিয়েছে আয়কর দফতরকে। আয়কর দফতর এদের; সম্পত্তির পরিমাণ খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেবে।

মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে; প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায়। নাকতলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর; কুকুর-দের ফ্ল্য়াট নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। এবার সেইসব খতিয়ে দেখে; সিবিআই-কে রিপোর্ট দেবে আয়কর বিভাগ। সঙ্গে পরেশ অধিকারী ও অনুব্রত মণ্ডলের সম্পত্তির হিসাবও দেবে তারা।

]]>
প্রাথমিকে চাকরির নামে কোটি টাকা প্রতারণা, তৃণমূল উপপ্রধান ঠকালেন নিজের জামাইকেও https://thenewsbangla.com/primary-teachers-job-cheating-crores-of-rupees-by-tmc-leader-also-cheated-his-son-in-law/ Wed, 18 May 2022 14:06:19 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15115 প্রাথমিকে চাকরির নামে কোটি টাকা প্রতারণা; তৃণমূল উপপ্রধান ঠকালেন নিজের জামাইকেও। আর এই রাগে মেয়ে করলেন; থানায় অভিযোগ। প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে; বিপুল টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এক তৃণমূল নেতা ও পঞ্চায়েত উপপ্রধানের বিরুদ্ধে। পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে গ্রেফতার হলেন; তৃণমূল কংগ্রেসের উপপ্রধান হেকমত আলি।

মঙ্গলবার রাতে মঙ্গলকোটের ঝিলু ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান; হেকমত আলিকে গ্রেফতার করে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ। বীরভূমের কীর্ণাহারের বাসিন্দা মহম্মদ বদরুদ্দোজা নামে এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে; গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল নেতা হেকমত আলিকে।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রীর মেয়ে, দুর্নীতির জালে জর্জরিত রাজ্য প্রশাসন

বীরভূম পুলিশ সূত্রে খবর, উপপ্রধান হেকমত আলি নিজের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে; ২০১৯ সালে জুলাই মাস থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বীরভূমের কীর্ণাহার এলাকায় নিজের জামাই-সহ ১১ জনের কাছ থেকে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি করে দেবেন বলে; প্রায় এক কোটি টাকা বাজার থেকে তুলেছিলেন বলেই অভিযোগ। পাঁচ চাকরি প্রার্থীকে, হেকমত আলি; ভুয়ো নিয়োগপত্রও দিয়েছিল বলেই অভিযোগ।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, মেধা তালিকায় নাম না থাকলেও মন্ত্রীর মেয়ের চাকরি

“পারিবারিক বিবাদের ঘটনার জের হিসেবে; প্রতারণা মামলা দায়ের করা হয়েছে বাবার বিরুদ্ধে”; এমনটাই দাবি করেছেন অভিযুক্তের মেয়ে। চাকরি দেওয়ার নামে ৮৩ লক্ষ টাকা টাকা আত্মসাতের ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা; বলে দাবি করছেন হেকমত আলির মেয়ে জিন্নাতুন নিশা।

মঙ্গলকোটের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী এনিয়ে জানাণ; “অভিযোগকারী আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে; তাকে পুলিশে অভিযোগ করতে বলেছিলাম; পুলিস তদন্ত শুরু করছে। অভিযুক্ত নেতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে”। বিজেপির বর্ধমান জেলা সভাপতি গোপাল চ্যাটার্জী বলেছেন; “তদন্ত করলে আরও অনেক তৃণমূল কংগ্রেস নেতার নাম উঠে আসবে; যারা চাকরি দেবার নামে টাকা নিয়েছেন”।

]]>
“ম্যাডাম, আপনি কি চুরি করে চাকরি পেয়েছেন”……… https://thenewsbangla.com/paresh-adhikari-ankita-adhikari-ssc-scam-madam-did-you-get-the-job-by-stealing/ Wed, 18 May 2022 04:52:28 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15107 ম্যাডাম, আপনি কি চুরি করে চাকরি পেয়েছেন? এরপরেও কেউ প্রশ্ন করবে না? আসলে দুর্নীতিটা ঠিক করে করতে পারেননি। না হলে ভেবেছেন; যা খুশি করব। তোরা কেউ কিছুই করতে পারবি না। কিন্তু অন্যায় থামাতে কিছু ‘কাজপাগল’ সবসময়ই সামনে আসেন। ঠিক যেমন এবার সামনে এসেছেন; কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিখাদ বাঙালি সন্তান; শিরদাঁড়া-হীন বাঙালির রাজ্যে একজন ব্যতিক্রমী বিচারপতি। যার এজলাসে; ‘বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে না’।

বাম ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে ঘাসফুলে বাবা; তারপরেই মেধা তালিকায় নাম না থাকলেও মেয়ের চাকরি। ঠিক কী ঘটেছিল? ১৭ অগাস্ট, ২০১৮, তৃণমূলে যোগ দেন ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা পরেশ অধিকারী; আর তারপরেই ২০১৮-তে স্কুলে চাকরি পান পরেশ-কন্যা অঙ্কিতা অধিকারী। মেধা তালিকায় নাম না থেকেও, চাকরি হয় পরেশের মেয়ে অঙ্কিতা! এমনকি তাঁকে কোন ইন্টারভিউ দিতে হয়নি; স্বীকার করে নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।

প্রকাশিত প্রথম মেধা তালিকাটিতে; প্রথম স্থানে নাম ছিল ববিতা বর্মনের। নতুন তালিকায় তাঁর নাম দ্বিতীয় স্থানে চলে যায়। আবার তালিকায় ৬০ নম্বর স্থানে ছিল; রূপালি রায়ের নাম। অঙ্কিতার নাম তালিকায় ঢুকে পড়ায় রূপালি-র নাম; ৬১ তম স্থানে চলে গিয়েছিল। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানতেনই না, এসএসসি-র তালিকা চাকুরী প্রার্থীদের মোবাইলে মোবাইলে ঘুরছে; যেখানে পরেশ পালের মেয়ের নাম নেই। ‘পরেশের মেয়ের নাম লিস্টে ছিল না; প্রমাণ আছে কি?’ জিজ্ঞাসা করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। প্রশ্ন করা হয়েছিল কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান শর্মিলা মৈত্রকেও। কিন্তু তিনিও ‘ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলব’ বলে; জবাব এড়িয়ে যান।

মামলাকারী যেখানে নিয়োগ পরীক্ষায় ৭৭ নম্বর পেয়েছেন; সেখানে মন্ত্রীর মেয়ে ৬১ নম্বর পেয়েই চাকরি পেয়েছেন। রাজ্য সরকারের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির; আরও একটা জ্বলন্ত উদাহরণ। পরেশ অধিকারীকে নিজাম প্যালেসে ডেকে; জেরা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিবিআই-কে। পাশাপাশি তাঁকে মন্ত্রীত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্যও; সুপারিশ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের কাছে। যা এককথায় নজিরবিহীন। হ্যাঁ এমন সিদ্ধান্তই নেন; ব্যতিক্রমী বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

বাম আমলে খাদ্যমন্ত্রী, আদর্শ নীতি চুলোয় পাঠিয়ে; তৃণমূল জমানায় রাজ্যের শিক্ষা-প্রতিমন্ত্রী। সেই পরেশ অধিকারীর কন্যার, শিক্ষক পদে নিয়োগে অস্বচ্ছতার অভিযোগে; কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হল। একেবারে হাইজাম্প ফর্মুলায় যোগ্য প্রার্থীকে বঞ্চিত করে; মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষিকা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, মেধা তালিকায় নাম না থাকলেও মন্ত্রীর মেয়ের চাকরি

অভিযোগ, স্কুল সার্ভিস কমিশনের তালিকায় তাঁর নামই ছিল না। কিন্তু তাঁর বাবা পরেশচন্দ্র অধিকারী ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে যোগ দিতেই; পিসি সরকারের ম্যাজিকের মত তালিকায় এক নম্বরে পৌঁছে যান অঙ্কিতা অধিকারী। কোচবিহারে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক নিয়োগের জন্য; এসএসসি তালিকা প্রকাশ হয়েছিল। SC জাতিভুক্তদের জন্য মেধা তালিকার ওয়েট-লিস্টে; প্রথমে নাম ছিল ববিতা বর্মনের। অথচ পরে এসএসসি-র ওয়েবসাইটে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত আসনের ওয়েট-লিস্টে; দেখা যায় ববিতার নাম চলে গিয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। প্রথম স্থানে রয়েছে পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর নাম। পিসির সরকারের চরম ম্যাজিকে।

চাকরি প্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ের সময়েও; অঙ্কিতাকে দেখা যায়নি বলেই অভিযোগ। হঠাৎ করে মেধাতালিকায় নাম ওঠা অঙ্কিতাকে; মেখলিগঞ্জে তাঁর বাড়ির পাশের স্কুলে যোগ দিতে দেখে অবাক রাজ্যের হবু শিক্ষকরা। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে ঘুরপথে, বেআইনীভাবে; স্কুলে শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছিলেন বলেই অভিযোগ। পরেশ অধিকারীকে এবার সিবিআই জেরার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

পরেশের মেয়ে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি-র ছাত্রী ছিলেন। খসড়া গবেষণাপত্র জমা দেওয়ার সময়; পরেশ অধিকারী সারাক্ষণ হাজির ছিলেন মেয়ের সঙ্গে। ফলে সেখানেও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ওঠে পরেশের বিরুদ্ধে।

এরপরেও স্কুলে শিক্ষকতা করতে পারবেন; পরেশচন্দ্র অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারী? প্রশ্ন কিন্তু উঠছে। তবে আদালতে প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত বাপ-বেটি নিরপরাধ। তাই ছাত্র ছাত্রীদের মুখে না থাকলেও, চোখে তো প্রশ্ন থাকবেই; “ম্যাডাম, আপনি কি চুরি করে চাকরি পেয়েছেন”……???

সম্পাদকীয় লিখেছেন মানব গুহ

]]>