Lalu Prasad Yadav – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 09 Aug 2022 12:10:21 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Lalu Prasad Yadav – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বিজেপির বিরুদ্ধে নীতীশ কুমারের সঙ্গে আরজেডি, কংগ্রেস, বাম, হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা https://thenewsbangla.com/rjd-congress-left-hindustani-awam-morcha-with-nitish-kumar-jdu-against-bjp-in-bihar/ Tue, 09 Aug 2022 12:07:57 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=15997 বিহারে বিজেপির বিরুদ্ধে মহাজোট। নীতীশ কুমারের জেডিইউ-র সঙ্গে আরজেডি-কংগ্রেস-বাম-হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা। টার্গেট ১২২, বিহারে এবার গড়তে চলেছে, আরজেডি-কংগ্রেস-বাম-জেডিইউ সরকার? বিজেপি-সঙ্গ ছেড়ে ইস্তফা দিলেন, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। ইস্তফা দিয়েই রাবড়ী দেবীর বাসভবনে গেলেন নীতীশ। বাম কংগ্রেসের সমর্থনে বিহারের মসনদে, ফের লালু-নীতীশ জুটি? মুখ্যমন্ত্রিত্বের পদে নীতীশ, উপ-মুখ্যমন্ত্রী লালু-পুত্র তেজস্বী। আপাতত এমন সমীকরণ বিহারের সরকার গঠনে।

জেডিইউ-৪৫, আরজেডি-৭৯, কংগ্রেস-১৯ মিলিয়ে, কি এবার নতুন সরকার? ১৬জন বিধায়ক নিয়ে কি, বাইরে থেকে সমর্থন করবে বামেরা? এমনিতে ২০২০ বিধানসভা নির্বাচনে, বিজেপি-জেডিইউ কেউই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায়, শাসক শিবির জেডিইউ-বিজেপির এনডিএ জোট জেতে ১২৫টি আসন। এর মধ্যে বিজেপি জিতেছিল ৭৪ আসন, নীতীশ কুমারের জনতা দল (সংযুক্ত) জিতেছিল ৪৩ আসন।

আরও পড়ুনঃ বিহারে ‘সত্ত্বাবদল’, জেডিইউ-বিজেপি জোটে ভাঙন, লালুর ছেলে তেজস্বীর হাত ধরলেন নীতীশ

হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা এবং বিকাশশীল ইনসান পার্টি, মোট ৮টি আসন জেতে। পরে বিকাশশীল পার্টির ৩ বিধায়ক, বিজেপিতে যোগ দেয়। অন্যদিকে, বিরোধীদের মধ্যে আরজেডি ৭৫টি আসন জেতে। কংগ্রেস জেতে ১৯টি আসনে। বামদের দখলে যায় ১৬টি আসন। পরে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দলের ৪ বিধায়ক, আরজেডিতে যোগ দিয়েছেন। ফলে আরজেডির আসন সংখ্যা হয় ৭৯।

আরজেডির ৭৯ এবং জেডিইউ-এর ৪৩ মিলিয়ে, ১১২ বিধায়ক এমনিই হয়। এটিই বিহার বিধানসভায় সরকার গড়ার ম্যাজিক-ফিগার। তার সঙ্গে কংগ্রেসের ১৯ এবং বামেদের ১৬টি আসন যোগ হলে মোট আসন গিয়ে দাঁড়ায় ১৫৭-তে।

]]>
বিহারে ‘সত্ত্বাবদল’, জেডিইউ-বিজেপি জোটে ভাঙন, লালুর ছেলে তেজস্বীর হাত ধরলেন নীতীশ https://thenewsbangla.com/bihar-govt-change-jdu-bjp-alliance-brake-nitish-kumar-tejashwi-yadav-alliance/ Tue, 09 Aug 2022 08:49:35 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=15982 বিহারে ‘সত্ত্বা বদল’, জেডিইউ-বিজেপি জোটে ভাঙন, একজোট নীতীশ-তেজস্বী। পুরনো সঙ্গী আরজেডির সঙ্গেই ফের হাত মেলাল নীতীশের দল, বিকেল ৪টেয় বিহারের রাজ্যপালের সাক্ষাতের জন্য সময় চাইলেন নীতীশ কুমার। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন নীতীশ। মঙ্গলবার দলীয় সাংসদ এবং বিধায়কদের নিয়ে, বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিজেপির সঙ্গে জোট ভেঙে বেরিয়ে আসবে জেডিইউ। বৈঠকের আগেই, অমিত শাহ এবং জেপি নাড্ডার সঙ্গে ফোনে কথা হয় নীতীশের। তবে তাতেও কোন ফল হয়নি।

কয়েকদিন ধরেই বিজেপি বিরোধী মন্তব্য করছিলেন নীতীশ। এনডিএ জোট ভেঙে বেরিয়ে আসবে জেডিইউ, এমনটাই অনুমান করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেটাই হল। মহারাষ্ট্রের উলটপুরাণ বিহারে, জোর ধাক্কা খেল বিজেপি। বিহারে এনডিএ ছাড়ল নীতীশের জেডিইউ। বিহারে রাজনৈতিক পটে, ফের পরিবর্তন। আশঙ্কা সত্যি করেই জেডিইউ-বিজেপি জোটে ভাঙন। এদিন নীতীশের ঘরে হওয়া এই বৈঠকে, বড় সিদ্ধান্ত নিল দল। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিচ্ছেন নীতীশ কুমার। ফের আরজেডির সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হবেন নীতীশ, উপ-মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন লালু-পুত্র তেজস্বী যাদব।

আরও পড়ুন; ভক্তের সঙ্গে ভগবান, গোপাল হাতে পদক জেতার মঞ্চে প্রিয়াঙ্কা

রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময়ে, নীতীশের সঙ্গে থাকবেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বিহার মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেবেন ১৬ জন বিজেপি মন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিতে পারেন তেজস্বী, এমনটাই জানা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দিল্লিতে নীতি আয়োগের বৈঠকেও, গরহাজির ছিলেন নীতীশ।

]]>
লালুপ্রসাদের বাড়িতে আড়াআড়ি ফাটল, লাভের অংক কষছে এনডিএ শিবির https://thenewsbangla.com/controversy-arise-in-lalu-prasad-yadavs-family-before-election/ Tue, 02 Apr 2019 10:00:19 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9746 লোকসভা ভোটের আগেই রাজনৈতিক মতানৈক্যে আড়াআড়ি দুই ভাগ হয়ে গেল লালুপ্রসাদ যাদবের দুই পুত্র তেজস্বী যাদব ও তেজপ্রতাপ যাদব। সোমবারই লালুপ্রসাদের জ্যেষ্ঠ পুত্র তেজপ্রতাপ নিজে আলাদা দল গড়ে নির্বাচনে লড়ার কথা ঘোষনা করেন। লালুর ঘরের ভোট ভাগাভাগিতে নিজেদের সুবিধা দেখছে এনডিএ তথা বিজেপি ও জেডিইউ।

আরও পড়ুনঃ কেরালায় রাহুলের প্রার্থী হওয়া নিয়ে বাম কংগ্রেস বাকবিতন্ডা তুঙ্গে

বৃহস্পতিবারই নতুন দল গড়ার ঘোষণা করেছিলেন তেজপ্রতাপ। এরপর গতকালই আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন দল গঠন করেন তিনি। তিনি নতুন এই দলের নাম রেখেছেন লালু-রাবড়ি মোর্চা। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ২০টি আসনে প্রার্থীও দেবে তার দল।

আরও পড়ুনঃ হুমকি দিয়ে ভোট চাইবার ভিডিও প্রকাশ্যে, মিমির হয়ে শাসানি পঞ্চায়েত প্রধানের

তবে তেজপ্রতাপের মূল লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে বলে তিনি জানিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদী দেশের জনগনকে বোকা বানিয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। এক্ষেত্রে রাহুল গান্ধীর মতো তরুন জননেতাকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দরকার বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুনঃ ভোট প্রচারে হেলিকপ্টার পাচ্ছেন না মমতা, অভিযোগের তীর কেন্দ্রের দিকে

এদিন নাম না করে আরজেডির দিকেও তিনি আঙ্গুল তোলেন। তিনি বলেন, দলের কর্মীদের ভুল বোঝানো হচ্ছিল। মূলত তার অভিযোগ তেজস্বী যাদবের দিকেই। লালুপ্রসাদের দল আরজেডি প্রার্থী দিলেও তিনি সেখানে প্রার্থী দেবেন বলে ঘোষণা করেছেন। এর এতেই লাভের অংক কষছে বিজেপি ও জেডিইউ জোট।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকেই প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা https://thenewsbangla.com/rahul-will-be-next-prime-minister-flip-flop-of-leaders-after-returning-from-mamata-brigade/ Mon, 21 Jan 2019 12:03:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5847 কি কান্ড! পুরো ভোলবদল! জামাই আদর পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্রিগেড থেকে ফিরেই ফের উল্টো সুর দিদির ভরসার দুই ভাইয়ের। মহাজোটে প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার অনেক। কিন্তু বিজেপির বিরুদ্ধে একের বিরুদ্ধে এক লড়াইয়ে নামার জন্য ঠিক হয়েছে ভোটের পর মহাজোটের প্রধানমন্ত্রী ঠিক হবে। মমতার ব্রিগেডেও এমনটাই জানিয়েছিলেন সব দলের নেতারাই। কিন্তু নিজের নিজের রাজ্যে ফিরেই বেমালুম সুরবদল নেতাদের। আবার রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী করার কথা বলে পাল্টি মহাজোটের দুই নেতার।

আরও পড়তে পারেনঃ বিহারী ভোট ধরতে বাংলায় বাবুলের বিরুদ্ধে বিহারীবাবু

দেশের পরবর্তি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাহুল গান্ধীকেই দেখতে চায় তামিলনাড়ু। ব্রিগেড থেকে ফিরেই আরও একবার নিজের মত স্পষ্ট করে দিলেন ডিএমকে সুপ্রিমো এমকে স্টালিন। অন্যদিকে বাড়ি ফিরেই ব্রিগেড কাঁপানো আর এক নেতা লালুপুত্র তেজস্বীর দাবি, মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকারকে হারানোর ক্ষমতা রাহুল গান্ধীর রয়েছে। প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও ডিএমকে নেতা এম কে স্টালিন ও মমতার ভরসার ভাই তেজস্বীর ডিগবাজিতে বেশ ক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতারাও।

ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা/The News বাংলা
ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা/The News বাংলা

মমতার ব্রিগেড মঞ্চে একবারও কেউ বলেন নি, মহাজোটের কাউকে প্রধানমন্ত্রী করার কথা। রব উঠেছিল, প্রধানমন্ত্রী এখন নয় ভোটের পর ঠিক হবে। কিন্তু মমতা বা মায়াবতী নয়, ব্রিগেড থেকে ফিরেই ডিএমকের স্ট্যালিন ও রাষ্ট্রীয় জনতা দলের তেজস্বী দুজনেই বলে দিলেন, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সরকার গড়ার কথা। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি রাহুলের নেতৃত্ব নিয়ে মমতার মনোভাব জেনেই ব্রিগেড মঞ্চে বিষয়টি এড়িয়ে যান স্ট্যালিন-তেজস্বীরা। আর এখানেই মহাজোটের দিকে সমালোচনার তীর বিজেপির তরফ থেকে।

আরও পড়তে পারেনঃ মার্চেই শুরুতেই ভারতে লোকসভা ভোটের ঘোষণা

শনিবারের মোদী বিরোধী ব্রিগেড সমাবেশে মহাজোটের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর নাম নেয়নি কোনও নেতাই। মমতার ব্রিগেডে অন্য কারোর নাম নেওয়াটাই অস্বস্তির ছিল। তাই রেখে ঢেকেই জোট নিয়ে কথা বলেছিলেন নেতারা। কিন্তু ব্রিগেড ছেড়ে বাড়ি ফিরতে আবার স্বমূর্তী নেতাদের।

ব্রিগেডের মঞ্চে মহাজোটের বার্তা দিয়েছিলেন ডিএমকে নেতা স্ট্যালিনও। ফলে জল্পনা ছিল যে নিজের আগের মত থেকে সরে এসেছেন স্টালিন। কিন্তু সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। গত ডিসেম্বরেই চেন্নাইয়ের একটি রাজনৈতিক সমাবেশে তিনি জানিয়েছিলেন, তামিলনাড়ুর মানুষ কংগ্রেস নেতা রাহুলকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। ব্রিগেড থেকে ফিরেই আবার সেই একই দাবি।

ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা/The News বাংলা
ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা/The News বাংলা

শুধু তাই নয়, এবিষয়ে বন্ধু দলগুলির কাছে সমর্থনও চাইলেন ডিএমকে সভাপতি। তাঁর দাবি, কেন্দ্র থেকে বিজেপি শাসনের অবসান ঘটানোর ক্ষমতা কংগ্রেসে সভাপতির রয়েছে। স্ট্যালিনের প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। রাহুল গান্ধীকে ডিএমকে সভাপতি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করার প্রস্তাব দিলেও তাতে একমত নয় বিরোধী শিবিরের একটা অংশ। কংগ্রেস সভাপতিকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করে লোকসভা ভোটে যেতে নারাজ বিরোধী শিবিরের এই অংশ। স্ট্যালিনের প্রস্তাবে সায় নেই তাদের।

আরও পড়তে পারেনঃ

বাংলায় ক্ষোভ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়াচ্ছে মোদী সরকার

ভোটের আগে মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে মোদী সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট

পাশাপাশি বিরোধী দলগুলির প্রতি তাঁর আবেদন, গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে রাহুল গান্ধীর হাত শক্ত করুন। আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারাতে বিরোধী শক্তিগুলির হাত মেলানোর প্রয়োজন রয়েছে। স্ট্যালিনের যুক্তি, ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিগুলিকে একজোট করার জন্য রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা প্রয়োজন।

‘যদি মানুষ চান তাহলে রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী হওয়া থেকে কেউ আটকাতে পারবে না’, সোমবার কংগ্রেস সভাপতির প্রধানমন্ত্রী হওয়া প্রসঙ্গে আবার একথাই বললেন লালু পুত্র তেজস্বী যাদব। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তেজস্বী বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য রাহুল সব দিক থেকেই যোগ্য। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিভিন্ন কঠিন প্রশ্নের জবাব ঠাণ্ডা মাথায় দেন রাহুল।

আরও পড়তে পারেনঃ

শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা

ব্যর্থ মহাজোটে ত্রিমুখী লড়াই, উত্তরপ্রদেশে একা লড়বে কংগ্রেস

পাশাপাশি এদিন ফেডেরাল ফ্রন্টের কথা উল্লেখ করে লালুপুত্র বলেন, বিজেপিকে রুখতে আমরা সব বিরোধীরা এক হয়ে লড়ব। আর দেশের মানুষ যদি চান রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে তাহলে কেউই তাঁদের আটকাতে পারবে না। নিজের দাবির পক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন তেজস্বী। তাঁর মতে, বিজেপি-র পরে কংগ্রেসই এখন দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম দল। তাছাড়া গোটা দেশব্যাপী অস্তিত্ব এবং গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে কংগ্রেসের। ফলে, বিরোধী দলগুলির মধ্যে লোকসভা নির্বাচনে সবথেকে বেশি আসন জেতার সম্ভাবনা রয়েছে কংগ্রেসেরই।

ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা/The News বাংলা
ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা/The News বাংলা

ফলে ব্রিগেড থেকে ফিরেই মহাজোটের দুই নেতার কংগ্রেসের দিকে পাল্টি খাওয়ায় ব্রিগেডের সভাই যেন হাস্যকর হয়ে পড়ল। তবে মমতার ‘মান’ রেখেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়ার ছেলে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। তিনি ব্রিগেড থেকে ফিরে বলেছেন মমতা প্রধানমন্ত্রী পদের যোগ্য নেতা।

শনিবার ব্রিগেডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কে প্রধানমন্ত্রী হবে, কে নেতা হবে, তা বড় কথা নয়। আমাদের এই ইউনাইটেড ইন্ডিয়া জোটে নেতার অভাব নেই। সবাই নেতা। সবাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য। তিনি বলেন আমাদের নেতার অভাব নেই। বরং বিজেপিতে একজন প্রধানমন্ত্রী, একজন মাত্র সভাপতি। তাঁর সঙ্গে ব্রিগেডে তাল মেলান সব নেতাই।

কিন্তু বাড়ি ফিরেই যেভাবে আবার কংগ্রেসের হয়ে বা রাহুলের হয়ে গলা ফাটাতে শুরু করলেন মমতার ভরসার মহাজোটের নেতারা, তাতে ব্রিগেডের ঐক্যের পরেও ফের মহাজোটের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।

আরও পড়তে পারেনঃ

বাংলায় দুর্গা পুজো বন্ধ করার চক্রান্ত করছে মোদীর বিজেপি, মারাত্মক অভিযোগ মমতার

মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী

মোদীর প্রকল্পে আর টাকা দেবেন না মমতা, কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
জনগণকে ‘গাধা’ বানিয়ে ‘শিক্ষাগুরু নেহেরু’র যোগ্য ছাত্র সব রাজনীতিবিদ https://thenewsbangla.com/making-the-people-donkey-all-the-politicians-of-india-qualified-students-of-education-guru-nehru/ Tue, 04 Dec 2018 05:14:44 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3472 The News বাংলা, কলকাতা: মুখে নেহেরু পরিবারের তুমুল সমালোচনা, কিন্তু কাজে সবাই সেই পরিবারতন্ত্রেরই অন্ধ সমর্থক। এই বিষয়ে ভারতের সমস্ত রাজনৈতিক দলের ‘শিক্ষাগুরু’ সেই জওহরলাল নেহেরু। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। নেহেরু পরিবারকে সমালোচনা অথচ ভারতে সবাই সেই পরিবারতন্ত্রের পক্ষেই।

ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র/The News বাংলা
ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র/The News বাংলা

পুরসভা থেকে রাজ্য হয়ে দেশ। নেহেরু পরিবারের মতই সবাই চায় পরিবারতন্ত্র। মুখে কিন্তু নেহেরু পরিবারের তুমুল সমালোচনা। কারণ নেহেরু পরিবার ভারতে পরিবারতন্ত্রের সূচনা করেছে। জওহরলাল নেহেরু, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী বংশপরম্পরায় কংগ্রেসে পরিবারতন্ত্র চলেছে।

আরও পড়ুনঃ পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়
আরও পড়ুনঃ মোবাইলেই রাজনাথ সিং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুমুল কথা কাটাকাটি

সেই পরিবারতন্ত্র এখনও চলছে। আর তার তুমুল সমালোচনা করে এসেছে কংগ্রেস বিরোধী সব রাজনৈতিক দল। কংগ্রেসকে ‘নেহেরু-গান্ধী পরিবারের লিমিটেড কোম্পানী’ বলেছেন মোদী-অমিত শাহ। কিন্তু মুখে কংগ্রেস পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে বললেও কাজে সেই জওহরলাল নেহেরুকেই অন্ধ অনুসরণ করছে ভারতের সমস্ত রাজনৈতিক দল।

ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র/The News বাংলা
ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র/The News বাংলা

তেলেঙ্গানা নির্বাচন নিয়ে সরগরম রাজনৈতিক মহল। বিজেপির অবস্থা দেখুন। মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও-র মন্ত্রিসভার একাধিক মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীর আত্মীয়। তাঁর প্রায় সব আত্মীয়ই বিভিন্ন পদের মাথায়। চন্দ্রশেখরের ছেলে কে রামা রাও রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী। রিগেশন, মার্কেটিং এবং লেজিসলেটিভ অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী টি হরিশ রাও চন্দ্রশেখর রাওয়ের ভাইপো। শুধু ছেলে ভাইপোই নন। মেয়ে কবিতাও সাংসদ। এছাড়াও আরও অনেক আত্মীয়কে বিভিন্ন পদের মাথায় বসিয়ে নেহেরু-গান্ধী পরিবারের পরিবারতন্ত্রের সুযোগ্য বাহক তিনি।

আরও পড়ুনঃ মমতার স্বরাষ্ট্র সচিবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের এক রোহিঙ্গার
আরও পড়ুনঃ নিয়ম মেনে ভারতের জাতীয় পতাকা তুলে রাখা যায় রাতেও

মধ্যপ্রদেশের দিকে তাকান। একসময় মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশে যার বিরুদ্ধে ডাম্পার দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিল কংগ্রেস, সেই সঞ্জয় সিং মাসানিকে এবার বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট দিলেন রাহুল গান্ধী। সবচেয়ে বড় কথা, সঞ্জয় সিং মাসানি আর কেউ নন, খোদ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের শ্যালক।

এখানেও কংগ্রেসকে টেক্কা দিচ্ছে বিজেপি। বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র পুত্র আকাশকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি। অটলবিহারী বাজপেয়ির ভাইপো অনুপ মিশ্রকেও এবার মধ্যপ্রদেশে প্রার্থী করেছে বিজেপি। মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল গৌড়ের পুত্রবধূ কৃষ্ণাও এবার বিজেপি প্রার্থী। রাজনৈতিক মহলে চর্চা, যে বিজেপি পরিবারতন্ত্র নিয়ে কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে সেই বিজেপিই মধ্যপ্রদেশে একই কাজ করছে!

ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র/The News বাংলা
ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র/The News বাংলা

তবে নেহেরু গান্ধী পরিবারতন্ত্রকেও টেক্কা দিয়েছেন বর্তমানের ‘নেতাজী’ মুলায়ম সিংহ যাদব। যাদব পরিবারের কর্তা প্রথম থেকেই সমাজবাদী পার্টির জাতীয় সভাপতি। সেই পদ এখন গিয়েছে ছেলের দখলে। মুলায়ম নিজে দুদফায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকেছেন। এখন আজমগড়ের সাংসদ। বড় ছেলে অখিলেশ যাদব ২০০০ সালে কনৌজ থেকে প্রথমবার সাংসদ। এখন দলের জাতীয় সভাপতি ও উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

বড় বউমা ডিম্পল যাদব সাংসদ। ছোট ছেলে প্রতীক যাদব এর স্ত্রী অপর্ণা যাদবও বিধায়ক। বড় ভাই শিবপাল যাদব, একসময় রাজ্যের ডি-ফ্যাক্টো মুখ্যমন্ত্রী, সেচ এবং পুর্ত দফতরের মন্ত্রী থেকেছেন। মুলায়ম ও শিবপালের সব আত্মীয় স্বজনই এমএলএ বা এমপি হয়ে পরিবারতন্ত্রের ফসল।

ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র/The News বাংলা
ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র/The News বাংলা

বিহারে লালুপ্রাসাদ যাদবের পরিবারতন্ত্রের কথা কে না জানে। স্ত্রী রাবড়ি দেবীকে মুখ্যমন্ত্রী করা ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কমেডি বলেই মনে করা হয়। ছেলে, শ্যালক, মেয়ে মিশা ভারতী ছাড়াও আরও অনেক আত্মীয় এমএলএ বা এমপি বা উচুঁ পদে। লালুর পরিবার নেহেরু-গান্ধী পরিবারের যোগ্য অনুসরণকারী।

জম্মু ও কাশ্মীরের মুফতি মহম্মদ সাঈদ-মেহবুবা মুফতি। ফারুক আবদুল্লা-ওমর আব্দুল্লা। মহারাষ্ট্রে বাল থাকারে-উদ্ধব থাকারে-আদিত্য থাকারে, প্রণব মুখোপাধ্যায়-অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়। মানেকা-সঞ্জয় গান্ধীর ছেলে বরুণ গান্ধী। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা, রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া, প্রমোদ মহাজনের মেয়ে। কাকে ছেড়ে কার কথা শুনবেন!! প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম-পুত্র কার্তি পি চিদাম্বরম। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা-ছেলে জয়ন্ত সিনহা। রাজ্যসভার সাংসদ মুরলী দেওয়ারা-ছেলে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী মিলিন্দ দেওয়ারা।

আরও পড়ুনঃ বিরোধীদের অভিযোগ ও মমতা প্রশাসনের রিপোর্ট নিতে বাংলায় নির্বাচন কমিশন
আরও পড়ুনঃ মোবাইলেই রাজনাথ সিং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুমুল কথা কাটাকাটি

এনসিপি প্রধান প্রাক্তন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শরদ পাওয়ার-মেয়ে সুপ্রিয়া পাওয়ার। প্রয়াত কংগ্রেস নেতা মাধবরাও সিন্ধিয়া-ছেলে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। প্রয়াত নেতা রাজেশ পাইলট-ছেলে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সচিন পাইলট। প্রয়াত জিতেন্দ্র প্রসাদ-ছেলে জিনিত প্রসাদ। প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী তথা অভিনেতা সুনীল দত্ত-মেয়ে প্রিয়া দত্ত। প্রমোদ মহাজন-মেয়ে পুনম মহাজন। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সাহিব সিং বর্মা- ছেলে প্রবেশ। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র সিং হুড্ডা-পুত্র দীপেন্দ্র। অসমের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ-ছেলে গৌরব। শীলা দীক্ষিত-ছেলে সন্দীপ।

আরও পড়ুনঃ নিয়ম মেনে ভারতের জাতীয় পতাকা তুলে রাখা যায় রাতেও
আরও পড়ুনঃ জওহরলাল নেহেরুর গলায় মালা দিয়ে ৬০ বছর পরেও একঘরে ‘নেহেরুর বউ’

ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী রমন কুমার- ছেলে অভিষেক। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং-ছেলে রাজবীর। হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল- ছেলে কুলদীপ। হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌতলা-ছেলে দুষ্মন্ত চৌতলা। রামবিলাস পাশোয়ান-ছেলে চিরাগ। কর্ণাটকে জনতা দল(সেকুলার) প্রধান এইচ ডি দেবগৌড়া-তাঁর ছেলে এইচ ডি কুমারস্বামী এখন কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। কর্ণাটকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এস বাঙ্গারাপ্পা-মেয়ে গীতা শিবরাজকুমার। উত্তরপ্রদেশে রাষ্ট্রীয় লোকদল প্রধান অজিত সিং-ছেলে জয়ন্ত চৌধুরি।

তামিলনাড়ুর করুণানিধি ও তাঁর পরিবার পরিবারতন্ত্রে কোন অংশে নেহেরু-গান্ধি পরিবারের চেয়ে কম নয়। ওড়িশায় বিজু পট্টনায়েক পরিবার, পাঞ্জাবে অমরিন্দার সিং পরিবার, উত্তরপ্রদেশে মায়াবতীর ভাই-ভাইপো, উদাহরণ আরও আছে, আরও অনেক। ভারতে পরিবারতন্ত্রের এই গল্প শেষ হবার নয়। পরিবারতন্ত্রের ঘটনা লিখতে শুরু করলে তা মহাভারত হয়ে যাবে। গোটা ভারতে সব রাজনৈতিক দলেরই একই হাল। জনগণকে গাধা বানিয়ে রেখে চলছে সেই পরিবারতন্ত্রেরই পুনরাবৃত্তি।

ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র/The News বাংলা
ভারতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র/The News বাংলা

বাংলার দিকে তাকালে সেখানেও সেই এক ইতিহাস। গানিখান চৌধুরী পরিবার যদি বাংলায় পরিবারতন্ত্রের শিক্ষক হয় তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই শিক্ষায় শিক্ষিত। পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকারী পরিবার থেকে ‘ভাইপো’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায়-শুভ্রাংসু, মানস ভুঁইয়া-তাঁর স্ত্রী গীতা রানী ভুঁইয়া, সবই তো মমতার হাত ধরে।

এমনকি বিধানসভা লোকসভা আসনগুলোর পর কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর পদগুলোকেও এবার কুক্ষিগত করে নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। যেদিকেই তাকাবেন সেই পরিবারতন্ত্র। সে অরূপ-স্বরূপ-জুঁই বিশ্বাস বলুন বা একদম হালে ১১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটে দাঁড়ানো মেয়র পারিষদ তারক সিং এর ছেলে অমিত সিং। ইতিহাস সেই এক। পরিবারতন্ত্র। কংগ্রেসের প্রিয়রঞ্জন-দীপা দাশমুন্সী বা বামেদের ক্ষেত্রে লক্ষণ শেঠ- তমালিকা পণ্ড শেঠ সেই পরিবারতন্ত্রেরই উদাহরণ।

আরও পড়ুনঃ আম দরবারে প্রকাশ্যে মহিলার ওড়না ধরে টান কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রীর
আরও পড়ুনঃ মাঠ দিল না রাজ্য, মোদীর সভা ও হেলিকপ্টারের জন্য ফসল ত্যাগ শিক্ষকের

এটাই সত্য যে, মঞ্চে উঠে নেহেরু-গান্ধী পরিবারের পরিবারতন্ত্রের কথা বললেও প্রায় সব রাজনৈতিক দলই জওহরলাল নেহেরুর দেখানো পথেই হাঁটতে পছন্দ করে। আর সেই পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে এই নেতাদেরই ভাষণ শুনে আমরা হাততালিও দি। সেই হাততালিটা যে আমাদের বোকামোর জন্যই, সেটাই এখনও বুঝতে পারি নি আমরা। শিরদাঁড়াহীন ভারতবাসী, ‘রাম-দুর্গা-গরু-পাকিস্তান’ নিয়ে বোকার মত ব্যস্ত থাকা ভারতবাসী আদৌ কি কোনদিন সেটা বুঝতে পারব?!

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>