সম্পূর্ণরূপে স্বদেশী প্রযুক্তি-তে নির্মিত, বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ আইএনএস বিক্রান্ত। জাহাজটি লম্বায় ২৬২.৫ মিটার, চওড়ায় প্রায় ৬২ মিটার এবং ফ্লাইট-ডেকটির আয়তন ১২,৫০০ বর্গমিটার অর্থাৎ দুটি বড় ফুটবল মাঠের সমান। বিক্রান্তের ভিতরে মজুত থাকবে, ২৬টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার সহ মোট ৩০টি এয়ারক্রাফট, যে কোন মূহুর্তে সমুদ্র মধ্যবর্তী বিক্রান্তের ডেক থেকে হা’মলার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত থাকবে। বিক্রান্তের পেটের ভিতর থেকে বিমানগুলিকে, ডেকের উপর রানওয়েতে তুলে নিয়ে আসার জন্য আছে দুটি অত্যন্ত ক্ষমতাশালী লিফট।
আরও পড়ুনঃ বিশ্বকে চমকে দিয়ে জলে নামছে ভারতের আইএনএস বিক্রান্ত, কাঁপছে চিন পাকিস্তান
বিক্রান্তের সুরক্ষার জন্য জাহাজটিতে আছে, ১০০ কিলোমিটার রেঞ্জের ইজরায়েলি বাকার-৮ মিসাইল সিস্টেম এবং ৮টি শক্তিশালী কামান। থাকছে অন্য যুদ্ধ-জাহাজ ও সাবমেরিন থেকেও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। জাহাজটিতে নাবিক, সেলার, অন্যান্য ক্রু ও বৈমানিক সহ মোট ১৬৪৫ জন থাকতে পারবেন। জাহাজটির ভিতরে এতজনের মাসের পর মাস থাকা, রান্না খাওয়ার জন্য যেমন ব্যবস্থা আছে, তেমনি এদের চিকিৎসার জন্য জাহাজে আছে ১৬ বেডের একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল এবং দু-দুটি অপারেশন থিয়েটর, যা যুদ্ধকালীন বা অন্য যেকোন সময় আহত সৈনিকদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হবে।
ভারতীয় বিমানবাহিনীর জন্য, তেজস মার্ক ১ এর উৎপাদন ২০১৬ সালে শুরু হয়। তেজস হল এইচএএল এইচএফ-৪৪ মারুতের পরে, হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল দ্বারা নির্মিত দ্বিতীয় সুপারসনিক যুদ্ধবিমান। ২০১৯ সালের হিসাবে, ভারতীয় বিমানবাহিনী বিভিন্ন ভেরিয়েন্টে মোট ৩২৪টি তেজসের জন্য পরিকল্পনা করেছিল। ৪০টি মার্ক ১ বিমান সরবরাহ হয়েও গেছে। ২০২০ সালের ২৭ মে সুলুরে দ্বিতীয় তেজাস স্কোয়াড্রন-নং ১৮ স্কোয়াড্রন আইএএফ ফ্লাইং বুলেটস গঠনের দিকে নজর দেয়।
আকাশে, জলে বা স্থলে, বিদেশ থেকে অস্ত্র-জাহাজ কেনা কমিয়ে, ভারতেই তৈরি করার দিকে নজর দিয়েছে মোদী সরকার। তারই ফসল জলে বিক্রান্ত, আকাশে তেজস।
]]>রাশিয়া থেকে কেনা বর্তমানে কর্মরত, বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ আইএনএস বিক্রমাদিত্যর সঙ্গে, দ্বিতীয় বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ হিসাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যোগ দেবে আইএনএস বিক্রান্ত। বিক্রান্ত নামটি পুরানো হলেও, এই নয়া বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজটি আগেরটির তুলনায় বিশালত্ব-ওজন-শক্তিতে বহুগুণ। জাহাজটির ওজন ৪৩ হাজার টন। জাহাজে যে পরিমাণ স্টিল ব্যবহার হয়েছে, তা দিয়ে তিনটি আইফেল-টাওয়ার নির্মাণ করা সম্ভব। এর মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য যে সুবিশাল জেনারেটর-টি আছে, তা দিয়ে সম্পূর্ণ কোচি শহরটিকে আলোকিত করা সম্ভব।
জাহাজটি লম্বায় ২৬২.৫ মিটার, চওড়ায় প্রায় ৬২ মিটার এবং ফ্লাইট ডেকটির আয়তন ১২,৫০০ বর্গমিটার অর্থাৎ দুটি বড় ফুটবল মাঠের সমান। বিক্রান্তের ভিতরে মজুত থাকবে, ২৬টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার সহ মোট ৩০টি এয়ারক্রাফট, যে কোন মূহুর্তে সমুদ্র মধ্যবর্তী বিক্রান্তের ডেক থেকে হা’মলার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত থাকবে। বিক্রান্তের পেটের ভিতর থেকে বিমানগুলিকে, ডেকের উপর রানওয়েতে তুলে নিয়ে আসার জন্য আছে দুটি অত্যন্ত ক্ষমতাশালী সুবিশাল লিফট।
বিক্রান্তের সুরক্ষার জন্য জাহাজটিতে আছে, ১০০ কিলোমিটার রেঞ্জের ইজরায়েলি বাকার-৮ মিসাইল সিস্টেম এবং ৮টি শক্তিশালী কামান। থাকছে অন্য যুদ্ধ-জাহাজ ও সাবমেরিন থেকেও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। জাহাজটিতে নাবিক, সেলার, অন্যান্য ক্রু ও বৈমানিক সহ মোট ১৬৪৫ জন থাকতে পারবেন। জাহাজটির ভিতরে এতজনের মাসের পর মাস থাকা, রান্না খাওয়ার জন্য যেমন ব্যবস্থা আছে, তেমনি এদের চিকিৎসার জন্য জাহাজে আছে ১৬ বেডের একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল এবং দু-দুটি অপারেশন থিয়েটর, যা যুদ্ধকালীন বা অন্য যেকোন সময় আহত সৈনিকদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হবে।
আইএনএস বিক্রান্তের ভারতীয় নৌবহরে যোগদান, দেশের প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ। বর্তমানে আইএনএস বিক্রান্তের প্রস্তুতকারক সংস্থা কোচি শিপইয়ার্ড লিমিটেড, বিক্রান্তের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এর থেকেও বড় এবং শক্তিশালী ৬০ হাজার টন ওজনের ‘আইএনএস বিশাল’ নির্মাণের জন্য প্রস্তুত।
]]>অতীতে একবার স্রেফ মানবিক কারণেই, পাকিস্তানে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাকে। ফের সেই তাবারক হুসেনকে, গ্রেফতার করল ভারতীয় সেনা। সেনা সূত্রে খবর, ২১ আগস্ট জম্মুর রাজৌরি জেলায় নৌসেরার ঝাঙ্গর সেক্টরে, অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায় পা’কিস্তানি জ’ঙ্গিরা। কিন্তু নিয়ন্ত্রণরেখায় পুঁতে রাখা, মাইন-ফিল্ডের ফাঁদে পড়ে যায় ওই জেহাদিরা।
জানা গিয়েছে, ওইদিন নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর কিছুলোকের সন্দেহজনক গতিবিধি, দেখতে পান জওয়ানরা। পাকিস্তানের দিক থেকে ভারতের জমিতে, অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায় কয়েকজন স’ন্ত্রাসবা’দীকে। কিন্তু পেতে রাখা মাইন-ফিল্ডে পা দিতেই, বিস্ফোরণে নি’কেশ হয় দু’জন জ’ঙ্গি। আহত অবস্থায় পাকড়াও করা হয়, তাবারক হোসেন নামে এই স’ন্ত্রাস’বাদীকে।
বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, প্রাণ বাঁচাতে অপারেশনও করা হয়েছে। ধৃত জ’ঙ্গি জানিয়েছে, পাক গুপ্তচর সংস্থার কর্নেল ইউনুস চৌধরি, পাকিস্তানি মুদ্রায় ৩০ হাজার টাকা দিয়ে তাকে ভারতে সেনা পোস্টে হা’মলা করতে পাঠায়। একই সেক্টর থেকে ২০১৬ সালেও, তাবারক হুসেনকে গ্রেফতার করেছিল ভারতীয় সেনা। সেবার তার সঙ্গে ধরা পড়ে, তার ভাই হারুন আলিও। স্রেফ মানবিকতার খাতিরে, সেবার পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয় দুজনকেই।
]]>কাশ্মীরের সোপিয়ানের ছোটিগাম গ্রামের বাসিন্দা সুনীল এবং তাঁর ভাই পিন্টুর উপর, তাদের আপেল বাগানে হামলা চালায় জ’ঙ্গিরা। সুনীল কুমারের শরীরের দুটি গুলি লাগে, ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃ’ত্যু হয়। জ’ঙ্গি হামলায় আহত হন, তাঁর ভাই পিন্টুও। হামলার পরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তাবাহিনী। জ’ঙ্গিদের খোঁজে শুরু হয়েছে চিরুণি তল্লাশি। কারা এই হামলা চালাল, তার খোঁজ চলছে বলেই জানিয়েছে জম্মু কাশ্মীর পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ “ইডি-সিবিআই-কে তথ্য দিয়েছেন কুণাল ঘোষ”, বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেতার
এইবছরের মে মাসে, পরপর কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নিশানা করে জ’ঙ্গিরা। জম্মু-কাশ্মীরের বদগামে অফিসে ঢুকে, রাহুল ভট্ট নামে এক সরকারি কর্মীকে খু’ন করে জ’ঙ্গিরা। ঘটনার রেশ না কাটতেই, কুলগ্রামে জ’ঙ্গিদের গুলিতে, খু’ন হয়ে যান এক স্কুল শিক্ষিকা। এবার স্বাধীনতার ৭৫বছর পূর্তি উদযাপনের পরেরদিনই, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপর ফের জ’ঙ্গি হা’মলা।
]]>