Indian Navy – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 08 Aug 2022 15:36:06 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Indian Navy – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ভারতের চাপে, চিনে তৈরি পাকিস্তানের ‘যু’দ্ধজাহাজ’কে নোঙর ফেলতে দিল না বাংলাদেশ https://thenewsbangla.com/indian-pressure-bangladesh-not-allow-pakistan-warship-made-in-china-to-anchor/ Mon, 08 Aug 2022 15:35:25 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=15951 ভারতের চাপে, চিনে তৈরি পাকিস্তানের ‘যু’দ্ধজাহাজ’কে; নোঙর ফেলতে দিল না বাংলাদেশ। এটাকে কূটনৈতিক জয় বলছে; ভারতের বিদেশমন্ত্রক। পাকিস্তানি র’ণতরীকে নোঙর ফেলতে দিল না বাংলাদেশ। পা’ক নৌ’সেনার কোনও ‘যু’দ্ধজাহাজ’কে বাংলাদেশের বন্দরে জায়গা দেওয়া হবে না; পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশ সরকার। এর ফলে অর্থনৈতিক ভাবে ভেঙে পরা শ্রীলঙ্কায়; নোঙর ফেলতে বাধ্য হবে পাকিস্তানের এই র’ণতরী।

আগস্টের ৭ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম নৌ-বন্দরে নোঙর ফেলার অনুমতি চেয়েছিল; পা’ক নৌ’বাহিনীর র’ণতরী ‘পিএনএস তৈমুর’। কিন্তু সেই আবেদন; পত্রপাথ খারিজ করে দেয় ঢাকা। তাৎপর্যের বিষয় হল এটাই; আগামী ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের মৃ’ত্যুদিন। ১৯৭৫ সালে ওইদিনই ঢাকার ধানমান্ডিতে, পাকিস্তানের মদতে মুজিবকে খু’ন করে; বাংলাদেশ ফৌ’জের কিছু সেনা আধিকারিক ও সেনা। জাতির এই শো’কদিবসে পাকিস্তানের ‘যু’দ্ধজাহাজ’কে নোঙর ফেলতে দেওয়া; বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান করার শামিল বলেই মনে করছে ঢাকা। তাছাড়া, শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে; ভারত সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি দলের সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত। তাই ঢাকার এই পদক্ষেপকে; নয়াদিল্লির কূটনৈতিক জয় বলেই মনে করছেন অনেকেই।

আরও পড়ুন; বাংলায় আওয়াজ উঠে গেল, ‘এই গরু চোর’, ‘এই চাকরি চোর’

র’ণতরী ‘পিএনএস তৈমুর’ চিনে নির্মিত। চিনের সাংহাই বন্দর থেকে, পা’ক নৌ’সেনায় যোগ দিতে; করাচির উদ্দেশে রওনা দিয়েছে টাইপ ০৫৪ এ/পি ফ্রিগেটটি। মাঝপথে কম্বোডিয়া ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে; মহড়া সেরেছে তৈমুর যু’দ্ধজাহাজ। সেখান থেকেই চট্টগ্রাম হয়ে করাচি যাওয়ার কথা ছিল জাহাজটির। কিন্তু বাংলাদেশ অনুমতি না দেওয়ায়; এবার শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে নোঙর করবে পিএনএস তৈমুর। আগস্টের ১২ তারিখ; কলম্বো বন্দরে পৌঁছবে পাক ‘যু’দ্ধজাহাজ’টি।

পা’কিস্তান নৌ’বাহিনীর জন্য; চারটি টাইপ ০৫৪ এ/পি ফ্রিগেট তৈরি করছে চিন। এই শ্রেণির দ্বিতীয় জাহাজ হচ্ছে ‘তৈমুর’। জুনের ২৩ তারিখ পা’ক নৌ’সেনায়; আনুষ্ঠানিকভাবে শামিল হয় জাহাজটি। এর আগে জানুয়ারিতে, পা’ক নৌ’সেনার হাতে এসেছে; এই ক্লাসের প্রথম ফ্রিগেট ‘পিএনএস তুঘরিল’। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরে ভারতীয় নৌ’সেনাকে ঘিরে ফেলতে; পা’কিস্তানের হাত মজবুত করছে চিন। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাকেও দলে টানার চেষ্টা করছে; কমিউনিস্ট দেশটির লাল ফৌজ। কড়া নজর রাখছে ভারতও।

]]>
অগ্নিবীর হতে চান, ফর্ম ফিলাপ করবেন, কোন পদে কী যোগ্যতা জেনে নিন এখনই https://thenewsbangla.com/agniveer-scheme-agnipath-recruitment-2022-eligibility-criteria-age-limit/ Fri, 24 Jun 2022 04:09:27 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15697 অগ্নিবীর হতে চান, ফর্ম ফিলাপ করবেন; ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। কোন পদে কী যোগ্যতা লাগবে জেনে নিন এখনই। সেনায় জওয়ান নিয়োগের জন্য, এই বছরেই অগ্নিপথ প্রকল্পের কথা; ঘোষণা করেছে কেন্দ্র সরকার। তা নিয়ে দেশজুড়ে বিক্ষোভও হয়েছে; তারমধ্যেই নিয়োগ নিয়ে বার্তাও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্র এবং ভারতীয় সেনার তরফে। এবার শুরুও হয়ে গেল; অগ্নিবীর নিয়োগ প্রক্রিয়া। অগ্নিবীর পদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ইতিমধ্যেই জেনে গেছে সবাই; এবার দেখে নিন এই পদে নিয়োগের জন্য কী কী যোগ্যতা লাগবে।

বিভিন্ন পদে ও বিভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে; নিয়োগ হবে সেনার তিন বাহিনীতেই। বেশ কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়া; তবে সব বাহিনীর ক্ষেত্রেই নিয়ম একই। দেখে নিন এখনই।

আরও পড়ুনঃ বেমালুম উধাও হয়ে যান শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়-কে ইঞ্জেকশন দেওয়া নার্স রাজদুলারী টিকু

অগ্নিবীর (জেনারেল ডিউটি, অন আর্মস);
বয়সসীমা: ১৭ বছর ৬ মাস থেকে ২৩ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অন্তত ৪৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে, দশম শ্রেণি বা তার সমকক্ষ; কোনও পরীক্ষা পাশ করে থাকতে হবে। তার সঙ্গেই প্রতিটি বিষয়ে অন্তত ৩৩ শতাংশ নম্বর; পেয়ে থাকতে হবে। যে বোর্ডে গ্রেড সিস্টেম রয়েছে, তার ক্ষেত্রে প্রতি বিষয়ে; অন্তত ডি-গ্রেড (৩৩%-৪০%) পেতে হবে। অথবা এমন কোনও গ্রেড পেতে হবে; যা আদতে ৩৩% শতাংশ নম্বর বোঝায়। এছাড়া সব মিলিয়ে সি২ গ্রেড অথবা ৪৫% নম্বর বোঝায় এমন গ্রেড পেতে হবে।

অগ্নিবীর (টেকনিক্যাল, অন আর্মস):
বয়সসীমা: ১৭ বছর ৬ মাস থেকে ২৩ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে ১০+২ স্তর বা দ্বাদশ স্তর বা সমগোত্রীয়; শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি ও অঙ্ক থাকতে হবে। ওই তিনটি বিষয় এবং ইংরেজিতে আলাদা করে; অন্তত ৪০% নম্বর থাকতে হবে। এছাড়া সামগ্রিক ভাবে মোট ৫০% নম্বর থাকতে হবে।

অথবা
কেন্দ্র বা রাজ্য স্বীকৃত যেকোনও বোর্ড থেকে; ১০+২ স্তর বা দ্বাদশ স্তর বা সমগোত্রীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত এক বছরের NIOS এবং ITI কোর্স করা থাকবে হবে; যেখানে NSQF লেভেল ৪ বা তার উপরে থাকতে হবে।

অগ্নিবীর (টেকনিক্যাল, এভিয়েশেন অ্যান্ড অ্যামুনিশন সেন্টার)
বয়সসীমা: ১৭ বছর ৬ মাস থেকে ২৩ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উপরে উল্লিখিত অগ্নিবীর (টেকনিক্যাল, অন আর্মস) পদের মতোই।

অগ্নিবীর ক্লার্ক/স্টোরকিপার (টেকনিক্যাল, অল আর্মস)
বয়সসীমা: ১৭ বছর ৬ মাস থেকে ২৩ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যে কোনও বিষয় নিয়ে (কলা, বিজ্ঞান বা কমার্স) ১০+২ স্তর বা দ্বাদশ স্তর বা সমগোত্রীয়; শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। মোট ৬০% নম্বর এবং প্রতিটি বিষয়ে; অন্তত ৫০% নম্বর থাকতে হবে। দ্বাদশ স্তরের পরীক্ষায় ইংরেজি এবং অঙ্ক অথবা অ্যাকাউন্টেসি অথবা বুক কিপিংয়ে; অন্তত ৫০% নম্বর পাওয়া বাধ্যতামূলক।

অগ্নিবীর ট্রেডসম্যান (অল আর্মস)
বয়সসীমা: ১৭ বছর ৬ মাস থেকে ২৩ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতা: দশম শ্রেণি উত্তীর্ণ হয়ে থাকতে হবে; প্রতিটি বিষয়ে অন্তত ৩৩% নম্বর থাকতে হবে।

অগ্নিবীর ট্রেডসম্যান (অল আর্মস)
বয়সসীমা: ১৭ বছর ৬ মাস থেকে ২৩ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ হয়ে থাকতে হবে; প্রতিটি বিষয়ে অন্তত ৩৩% নম্বর থাকতে হবে।

বয়সসীমায় বিশেষ ছাড়; শুধুমাত্র এই বছরের নিয়োগের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমায়; বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। ২১ বছর থেকে বাড়িয়ে তা ২৩ বছর করা হয়েছে।

]]>
আত্মনির্ভর ভারত, দেশে তৈরি প্রথম জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করল নৌসেনা https://thenewsbangla.com/atmanirbhar-bharat-indian-navy-drdo-launched-country-first-anti-ship-missile/ Wed, 18 May 2022 14:53:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15118 আত্মনির্ভর ভারত, দেশে তৈরি প্রথম জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র; উৎক্ষেপণ করল ভারতীয় নৌসেনা। দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘আত্মনির্ভর’ হওয়ার পথে; আরও একধাপ এগিয়ে গেল ভারত। বুধবার সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি, প্রথম জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল; উৎক্ষেপণ করল ভারতীয় নৌসেনা এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও(DRDO)। এদিন ওড়িশার বালাসোরে ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জে; এই মিসাইলের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এদিন ওড়িশার বালাসোরে ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জে; এই জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়। নৌসেনার একটি সি-কিং ৪২বি হেলিকপ্টার থেকে; ছোঁড়া হয় ক্ষেপণাস্ত্রটি। নৌসেনা ও ডিআরডিও-র যৌথ উদ্যোগে; এই মিসাইল পরীক্ষা চালানো হয়। প্রতিরক্ষায় বিশেষ করে মিসাইল প্রযুক্তিতে, আত্মনির্ভর হওয়ার ক্ষেত্রে; দেশের প্রথম জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইলের উৎক্ষেপণ বড় পদক্ষেপ বলেই মনে করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

আরও পড়ুনঃ কাশীর পর মথুরা, কৃষ্ণের জন্মস্থানে মসজিদ বন্ধের আর্জি, ইদগাহ সিল করতে মামলা

চিনকে নজরে রেখেই, ভারতীয় নৌবাহিনীকে; অত্যাধুনিক মিসাইল ও রণতরীতে সাজিয়ে তুলছে ভারত। মঙ্গলবার মুম্বইয়ের মাজগাওঁ ডক থেকে, আইএনএস সুরাট ও আইএনএস উদয়গিরি নামে; দু-দুটি যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বুধবার জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল উৎক্ষেপণ করে; চিনা নৌবহরকেই বার্তা দিল নয়াদিল্লি; এমনটাই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষঙ্গরা।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রীর মেয়ে, দুর্নীতির জালে জর্জরিত রাজ্য প্রশাসন

গত এপ্রিল মাসে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে; ফের অত্যাধুনিক ব্রহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করে ভারতীয় নৌসেনা ও বিমানবাহিনী। লাদাখে সীমান্ত সংঘাতের পর থেকেই; মুখোমুখি ভারত ও চিনের সেনাবাহিনী। এই পরিস্থিতিতে গতবছর ভারত মহাসাগরে, সুমাত্রার পশ্চিমে নজরদারি চলতে দেখা যায়; ‘শিয়াং ইয়াং হং ০৩’ নামের একটি চিনা জাহাজকে।

উপগ্রহ ছবিতেও ওই চিনা রণতরীর; হদিশ পাওয়া যায়। তারপর থেকেই দারুণ সতর্ক ভারত। চিনা নৌসেনার গতিবিধির উপর; তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে ভারত এর গোয়েন্দারা। নয়া দিল্লি সাফ জানিয়েছে, ভারতীয় জলসীমায় কোনও ধরনের অনুপ্রবেশ; মেনে নেওয়া হবে না। যদিও এই আগ্রাসী কার্যকলাপের পরও বেজিংয়ের দাবি; জলদস্যু দমনের জন্য আন্তর্জাতিক জলসীমায় নৌবহর পাঠাচ্ছে তারা। চিনকে সাবধান করতেই এবার, দেশে তৈরি প্রথম জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র; উৎক্ষেপণ করল ভারতীয় নৌসেনা।

]]>
অভিনন্দনের ছবি ব্যবহার করে বন্ধ হোক ভোট প্রচার দাবি সেনাকর্তাদের https://thenewsbangla.com/over-150-veterans-write-to-president-over-politicisation-of-armed-forces/ Fri, 12 Apr 2019 07:26:51 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10675 সেনাবাহিনীর অরাজনৈতিক ভাবমূর্তি বজায় রাখার দাবিতে প্রাক্তন সেনা কর্তারা চিঠি দিয়ে আবেদন করলেন রাষ্ট্রপতির কাছে। ৮ প্রাক্তন সেনাপ্রধানের উদ্যোগে ১৫৬ জন বিশিষ্ট সেনা কর্তাদের সই করা চিঠি দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রপতিকে। তবে রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এখনও কোন চিঠি তারা পান নি। অথচ সংবাদমাধ্যমে সেই চিঠি ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাহলে কি এটা ফেক চিঠি? উঠেছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ প্রতিশ্রুতি মতো ১০০ ভারতীয় বন্দীকে মুক্তি দিল পাকিস্তান

সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এর পরে উইং কমান্ডার অভিনন্দন এর ছবি যেভাবে প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দল ব্যবহার করছে তাতে সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করছেন সেনাবাহিনীর তরফ থেকে। সেনার কাজ নিয়ে রাজনীতি করা যায় না, এই মর্মে রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি দিলেন প্রাক্তন সেনাপ্রধানরা। তবে বিবৃতিতে সই করা ১৫৬ জন সেনাকর্তার অনেকেই বলেছেন তাঁরা এই নিয়ে কিছুই জানেন না।

আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় দফা ভোটে আরও ২৫ কোম্পানি সশস্ত্র বাহিনী আসছে বাংলায়

এটি একটি অভূতপূর্ব পদক্ষেপে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রাক্তন সেনা কর্তাদের তরফ থেকে। চলতি লোকসভা নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর “রাজনৈতিকীকরণ” এর বিরুদ্ধে ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, প্রাক্তন সেনাবাহিনী কর্তা, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর প্রধানসহ ১৫০ জনেরও বেশি সেনা কর্তা ও সদস্য সাক্ষর করেছেন এই আবেদন পত্রে।

আরও পড়ুনঃ সেনার পোশাকে বুথে রাজ্য পুলিশ কর্মী, গাদা বন্দুক নিয়েই ধরা পরে গেলেন

‘ভেটেরিনার্স গ্রুপ অফ আওর সুপ্রীম কমান্ডার’, শীর্ষক আবেদনে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ‘মোদিজী কি সেনা’ মন্তব্যকে তীব্র প্রতিবাদ জানায় প্রাক্তন সেনা সদস্যরা। তাদের মতে এই ধরনের কথা সেনার পক্ষে অত্যন্ত অপমান ও অসম্মানজনক। এই ধরনের কথা পরবর্তীকালে যেন কোন রাজনৈতিক ব্যাক্তি বা রাজনৈতিক দল ব্যবহার না করে সে রকম আর্জি এই চিঠিতে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ শুধু কোচবিহারে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস আটকাতে না পেরে লজ্জায় বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন

নজিরবিহীন চিঠিতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করে বলা হয়েছে, “আমরা আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ডার হিসাবে, কিছু কিছু ঘটনা যা আমাদের উদ্বেগের কারন হয়েছে, বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের মধ্যে যথেষ্ট বিপদ ও অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে”। অভিনন্দন বর্তমান যিনি এই দেশের প্রত্যকের গর্ব, বীরত্বের প্রতীক তাকে রাজনীতির মঞ্চে কোন দলের ব্যবহার করা উচিত না।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস

আবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্তে হামলা চালানোর মতো সামরিক অভিযানকে, রাজনৈতিক নেতাদের নিজেদের প্রচারে ব্যাবহার করা খুবই অস্বাভাবিক এবং পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য বিষয়, এমনকি সেনাবাহিনীকে “মোদি জি কি সেনা” বলে দাবি করা বা প্রচারাভিযানের সময় সামরিক বাহিনী ও ভারতীয় বিমান বাহিনী উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান এর ছবি উল্লেখ করা সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।

আরও পড়ুনঃ আশ্চর্য কাণ্ড, ভোট শুরু হতেই কোচবিহার থেকে কলকাতায় ফিরলেন বিবেক দুবে

চিঠির স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে আছেন তিন প্রাক্তন সেনাপ্রধান, সুনিথ ফ্রান্সিস রড্রিগুজ, শঙ্কর রায়চৌধুরী, দীপক কাপুর। চার প্রাক্তন নৌবাহিনীর প্রধান, লক্ষ্মীনারায়ন রামদাস, বিষ্ণু ভাগওয়াত, অরুণ প্রকাশ, সুরেশ মেহতা এবং প্রাক্তন বিমানবাহিনী প্রধান এনসি সুরি। এছাড়াও আবেদনে সই করেছেন ১৫০ জন প্রাক্তন সেনা কর্তা।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গি ঘাঁটিতে ফের হামলার পরিকল্পনা করছে ভারত, ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী https://thenewsbangla.com/indias-9-special-commando-forces-to-kill-the-enemy-in-momentspart-1/ Sat, 09 Mar 2019 08:05:18 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7883 ‘কম্যান্ডো’৷ একটা শব্দই ঝাঁকিয়ে দেয় সাধারণ মানুষকেও৷ যে কোন সাধারণ সেনাবাহিনীর তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালি, অনেক বেশি ক্ষিপ্র, চোখের পলক ফেলার আগেই শত্রুর উপর ঝাঁপিয়ে পরতে সদা প্রস্তুত ভারতের এই কম্যান্ডোরা। বিশ্বের যে কোন দেশের তুলনায় ভারতের ৯টি কম্যান্ডো বাহিনী যেন অধিক হিংস্র, ক্ষিপ্র ও গতিসম্পন্ন।

প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় এরা খুব বেশি পারদর্শী। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই শত্রুর সামনে সাক্ষাৎ যম হয়ে উদয় হয়ে শত্রু বিনাশ করতে এদের জুড়ি মেলা ভার। বিপদ মোকাবিলায় এরা এতটাই ভয়ানক যে এই ৯ বাহিনীকে বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর কম্যান্ডো বাহিনী হিসাবে গণ্য করা হয়।

পড়ুন দ্বিতীয় পর্বঃ শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী
পড়ুন তৃতীয় পর্বঃ শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, ভারতের এই ৯ কম্যান্ডো বাহিনীকে। প্রথম পর্বে ৩ কম্যান্ডো বাহিনী সম্পর্কে সবকিছু জেনে নিন।

শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী/The News বাংলা
শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী/The News বাংলা

১. Marine Commandos বা মার্কোসঃ মার্কোস, ভারতীয় নৌসেনা বাহিনীর কম্যান্ডো। ভারতের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কম্যান্ডো বাহিনী। বিশ্বের সেরা ১০ কম্যান্ডো বাহিনীর মধ্যে এর স্থান ৭ এ। নৌসেনার কম্যান্ডো হলেও জলে, স্থলে ও অন্তরীক্ষে শত্রুর মোকাবিলায় ওস্তাদ এরা। এমনকি, গভীর জলের নীচেও এরা সমান তালে লড়াই করতে সক্ষম।

আমেরিকান নেভি সিলের মত ১৯৮৭ সালে এই কম্যান্ডো বাহিনী তৈরি হয়। তারপর থেকে একের পর অসম্ভব অপারেশন করে দক্ষতায় সকলকে চমকে দিয়েছে এরা। শত্রুপক্ষ এদের ‘দাড়িওয়ালা ফৌজ’ বলেও ডাকে। জলে ‘মগরমাছ’ বা কুমীরের ক্ষিপ্রতায় শত্রুর উপর ঝাঁপিয়ে পরে এরা। নৌসেনার সেরা অফিসারদের মার্কোস বাহিনীতে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য পরীক্ষা হয়। মার্কোসের অন্তর্ভূক্তির পরীক্ষা মারাত্মক ও কঠোর।

মার্কোসের সদস্য হওয়ার জন্য যে শারীরিক পরীক্ষা দিতে হয়, তাকে ভয়ঙ্কর বললেও কম বলা হয়। জওয়ানদের প্রথমে শারীরিক সক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষায় পাশ করতে হয়। যারা এই পরীক্ষায় পাশ করে, তারপর তাদের ৫ সপ্তাহের একটি ভয়ঙ্কর ট্রেণিং এর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। যাকে বলা হয়, ‘হেলস উইক’ বা ‘নরকের সপ্তাহ’৷

যেখানে না ঘুমিয়ে কঠোর শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা দিতে হয় জওয়ানদের। যেখানে তাদের শুয়ে বসে, দাঁড়িয়ে, দৌড়াতে দৌড়াতে, সামনে পিছনে গুলি ছোঁড়ার ট্রেণিং দেওয়া হয়। এমনকি কাঁচে ছবি দেখেও গুলি চালাতে শিখতে হয়। এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে গুলি চালানো শিখতে হয়।

ফাইন্যাল ট্রেণিং এ ৮০০ মিটার হাঁটু ডোবা কাদা রাস্তায় হামাগুড়ি দিয়ে যেতে যেতে গুলি চালানো শিখতে হয়। যেটাকে বলা হয় মৃত্যুর হামাগুড়ি। ২ বছরের মারাত্মক ট্রেণিং এর শেষে তবেই মার্কোস বাহিনীতে অন্তর্ভূক্ত করা হয় একজন জওয়ানকে।

মার্কোস কম্যান্ডোরা বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত অস্ত্র ব্যবহার করে। এই কম্যান্ডোদের হাতে থাকে ব্রাউনিং হাই পাওয়ার ৯mm পিস্তল, গ্লক ১৭ ৯mm সেমি অটোমেটিক পিস্তল, ইসরায়েলে তৈরি টাভোরটার ২১ অ্যাসল্ট রাইফেল সহ বিশ্বের ৩৭টি উন্নত অস্ত্র। যেহেতু জলে থেকে লড়াই করে মার্কোস, তাই তাদের সমস্ত অস্ত্র ওয়াটারপ্রুফ। জলের তলায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা থাকলেও এদের অস্ত্রের কিছু হয় না।

হেলিকপ্টার, সাবমেরিন, যুদ্ধজাহাজ সহ যে কোন জায়গা থেকেই অ্যাটাক করতে পারে মার্কোস। মার্কোস বাহিনীর কম্যান্ডোদের আমেরিকায় নিয়ে গিয়ে আমেরিকান নেভি সিল ও ব্রিটিশ স্পোশাল ফোর্সের সঙ্গে ট্রেণিং হয়। অপারেশন পবন, অপারেশন ক্যাকটাস, অপারেশন লীচ, অপারেশন তাশা, অপারেশন সাওন সহ বিভিন্ন অপারেশনে অসম্ভবকে সম্ভব করেছে মার্কোস। অবাস্তবকে বাস্তবে ও অসম্ভবকে সম্ভবে পরিণত করার আর এক নাম মার্কোস।

শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী/The News বাংলা
শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী/The News বাংলা

২. গরুড় কম্যান্ডোঃ রামায়ণে কথিত আছে, সীতাহরণের সময় রাবণ এর মত প্রবল প্রতাপশালি যোদ্ধাকে প্রচন্ড লড়াইয়ের মুখে ফেলেছিলেন গরুড়। পুরাণে উল্লিখিত গরুড়ের নামেই এই কম্যান্ডো বাহিনীর নাম। ভারতীয় বায়ুসেনার অধীনে এই কম্যান্ডো বাহিনী। ‘আক্রমণই হলো বাঁচার মন্ত্র’, এই আদর্শেই অনুপ্রাণিত গরুড় কম্যান্ডো বাহিনী। বায়ুসেনার যে কোন আক্রমণে সামনের সারিতে থাকে এই কম্যান্ডো বাহিনী।

২০০১ সালে জম্মু কাশ্মীরে বায়ুসেনার দুটি বিমানঘাটিতে পরপর জঙ্গী আক্রমণ হয়। ২০০৪ সালে এইসব হামলা প্রাথমিক পর্যায়ে ঠেকাতেই বায়ুসেনার নিজস্ব এই কম্যান্ডো বাহিনী তৈরি করা হয়েছিল। এদের প্রশিক্ষণ এতটাই কঠিন যে, একজন বায়ুসেনা জওয়ানের পুরোপুরি গরুড় কম্যান্ডো হতে অন্তত ৩ বছর সময় লাগে। গরুড়ের মতই আকাশ থেকে আচমকা নেমে এসে শত্রু নিধন করে এই কম্যান্ডো বাহিনী।

অ্যান্টিহাইজ্যাকিং থেকে শুরু করে প্যারাট্রুপিং, এমনকি বরফের মধ্যেও লড়াইয়ের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় গরুড় কম্যান্ডোদের। নৌসেনার কমান্ডো বাহিনী থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর অ্যান্টিইনসার্জেন্সি এবং জঙ্গল ওয়ার-ফেয়ার স্কুলেও গরুড় কম্যান্ডোদের প্রশিক্ষণ দেয়ানো হয়। পাঠানকোট বায়ু সেনা ঘাটিতে জঙ্গিদের খতম করতে নামানো হয়েছিল গরুড় কম্যান্ডোদের।

শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী/The News বাংলা
শত্রুকে নিমেষে নিকেশ করে ভারতের সেরা ৯ কম্যান্ডো বাহিনী/The News বাংলা

৩. ঘাতক কম্যান্ডোঃ ভারতীয় পদাতিক বাহিনীর কম্যান্ডো এরা। ২০ সদস্যের এই কম্যান্ডো বাহিনীর প্রাথমিক লক্ষ্যই হলো সঠিক নিশানায়, চোখের পলকে হামলা করা এবং শত্রুপক্ষকে হতভম্ব করে দেওয়া। মূল বাহিনীর সাহায্য ছাড়াই যাতে এরা অভিযান চালাতে পারে, সেভাবে প্রশিক্ষিত করা হয় এদের। দুর্গম পাহাড়ের গা বেয়ে যে কোনো উচ্চতায় উঠে যেতে পারে ঘাতক কম্যান্ডো বাহিনী।

১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে এই কম্যান্ডো বাহিনীকে নামানো হয়েছিল। এদের হাতেও টেভরটার ২১, ইনসাস রাইফেল, একে ৫৬ জাতীয় রাইফেল থাকে৷ সঙ্গে থাকে স্নাইপার রাইফেল। সঙ্গে থাকে ছোট পিস্তলও। মূল সেনাবাহিনীর আক্রমণের আগেই বাহিনীর ঘাতক কম্যান্ডোদের হাতে ছিন্নবিছিন্ন হয়ে যায় শত্রু বাহিনী।

এঁরা রকেট লঞ্চার, গ্রেনেড লঞ্চার নিয়েও আক্রমণ করেন সীমান্ত শত্রুদের। গ্রেনেডিয়ার যোগেন্দ্র সিং যাদব ছিলেন একজন ঘাতক কম্যান্ডো যিনি ১৮ গ্রেনেডিয়ারের সদস্য ছিলেন। কার্গিল যুদ্ধে টাইগার হিল দখলের সময় তাঁর ঘাতক বাহিনীই আগে ঝাঁপিয়ে পরেছিল টাইগার হিলের শত্রুদের উপর। তিনি পরমবীর চক্রও পান।

]]>