বুধবার আদালত বংশীলাল মণ্ডল, দেবগোপাল মণ্ডল, রিনা মণ্ডল, অরূপ ভৌমিক, অঞ্জনা মণ্ডল, গায়ত্রী মণ্ডল, পূর্ণ মণ্ডল, ভীষ্মদেব মণ্ডল, সোমনাথ পণ্ডিত এবং অমলেশ রায়, এই ১০জনকে ২৪ঘণ্টার মধ্যে সিবিআইয়ের কাছে চাকরির নথি নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
আরও পড়ুন; অভিষেকের নেতৃত্বে আসছে নতুন তৃণমূল, তাহলে পুরনো তৃণমূল-টার কি হবে
অন্যদিকে, টেট পাশ না করেও, স্কুলে শিক্ষকতা করেন অনুব্রত মণ্ডল কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। হাইকোর্টে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতির মেয়ের বিরুদ্ধে, সব তথ্য দিয়ে মামলা করেছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। অনুব্রতর আরও ৫ আত্মীয়, ভাই সুমিত মণ্ডল, ব্যক্তিগত সহায়ক অর্ক দত্ত, ভাইপো সাত্যকি দত্ত, ঘনিষ্ঠ কস্তুরি চৌধুরী, ঘনিষ্ঠ সুজিত বাগদি, দুর্নীতি করে চাকরি করছেন বলে, আদালতে কাগজপত্র জমা দিয়েছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। এদের সবাইকে আগামীকাল আদালতে ও সিবিআই অফিসে হাজিরা দিয়ে, কাগজপত্র দিয়ে নিজেদের শিক্ষক যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
]]>ডিসেম্বর, ২০২১-এ মুর্শিদাবাদে, প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পান মিরাজ শেখ। চার মাস পরে সার্ভিস বুক তৈরির সময়, তাঁর চাকরি বাতিল করে দেয় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। বলা হয়, এই চাকরি করার জন্য যে যোগ্যতামানের প্রয়োজন তা তাঁর নেই। চাকরি পাওয়ার ৪ মাস পরে, হঠাৎ কর্মহীন হয়ে পড়েন মিরাজ শেখ। এরপরেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে, কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন তিনি। ওই চাকরি করার সব যোগ্যতা তাঁর আছে বলে, মিরাজ শেখকে চাকরি ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ “ইডি-সিবিআই-কে তথ্য দিয়েছেন কুণাল ঘোষ”, বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেতার
মঙ্গলবার সেই মামলার রায়দানে, শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতির মন্তব্য, “পশ্চিমবঙ্গ এমন একটা রাজ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে টাকা না দিলে চাকরি মেলে না। মানিক ভট্টাচার্যকে টাকা দেয়নি, তাই হয়তো মামলাকারীর চাকরি বাতিল হয়েছে”।
]]>