Volodymyr Zelenskyy – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 07 Mar 2022 08:26:00 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Volodymyr Zelenskyy – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে বুক চিতিয়ে ভারতীয় পড়ুয়াদের রক্ষা করছে বাংলার পৃথ্বীরাজ https://thenewsbangla.com/prithviraj-of-bengal-is-protecting-indian-students-in-ukraine-at-russia-ukraine-crisis/ Mon, 07 Mar 2022 08:22:27 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14909 রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে বুক চিতিয়ে; ভারতীয় পড়ুয়াদের রক্ষা করছে বাংলার পৃথ্বীরাজ। কে বলে বাঙালি কাপুরুষ, শিরদাঁড়া নেই। পৃথ্বীরাজ ঘোষরা যতদিন আছেন, শুধু বাংলায় বা ভারতে নয়; বিদেশের মাটিতেও পশ্চিমবঙ্গের নাম জ্বলজ্বল করবে। কে এই পৃথ্বীরাজ ঘোষ?

ইউক্রেনের কিয়েভে যেখানে এখন চারিদিকেই ধ্বংসস্তুপ, রাশিয়ার মিসাইল-বোমা কখন কার বাড়িতে, কার ঘাড়ে আছড়ে পড়বে কেউ জানে না; সেই কিয়েভে গত ২০ বছর ডাক্তারি করছেন কলকাতার বাসিন্দা পৃথ্বীরাজ ঘোষ। এখন তিনি প্রফেসরও; ডাক্তারি ছাত্রদের পড়ান। কি করেছেন ইউক্রেনের কিয়েভে থাকা; এই বাঙালি ডাক্তার-প্রফেসর?

না, খুব একটা কিছুই করেননি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৫০ জন ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীকে; রাশিয়ার মুহুর্মুহু আক্রমণের মধ্যেও নিরাপদে কিয়েভ থেকে বের করে পার্শ্ববর্তী দেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন। যেখান থেকে তাদের বিমানে করে; বাড়ি ফিরিয়েছে ভারত সরকার। তবে পৃথ্বীরাজ নিজে কিয়েভ ছাড়েননি। শেষ ভারতীয় নিরাপদে বেরিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত, তিনি কিয়েভ ছাড়বেন না; পরিষ্কার জানিয়েও দিয়েছেন।

২০১৪ সালেও রাশিয়া-ইউক্রেন ঝামেলার সময়ও; তিনি মাটি আঁকড়ে পড়েছিলেন। জানেন যুদ্ধের পরিস্থিতি কি হয়; এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫টি বাস জোগাড় করে ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের ইউক্রেন সীমান্ত পাড় করিয়ে দিয়েছেন। না, বাস ভাড়ার টাকা রাজ্য বা কেন্দ্র কেউ দেয়নি; নিজের পকেট থেকেই গেছে। ৩৫০ জনকে ফিরিয়েও ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া ইউক্রেনের কিয়েভে; মাটি কামড়ে লড়ছেন বাংলার পৃথ্বীরাজ।

মানুষের সেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে উধাও গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের খোঁজ পাওয়া গেল ইউক্রেনে

গোলা-গুলি, মিসাইল, বোমা থেকে বাঁচাতে; অনেক ছাত্র-ছাত্রীকে আশ্রয় দিয়েছেন গোপন ব্যাঙ্কারে। করেছেন খাদ্য-জলের ব্যবস্থা। জীবনের রিস্ক? টিভির পর্দায় যাঁরা কিয়েভের ছবি দেখছেন, তারা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন; যেকোন সময় একটা বোমা বা মিসাইল শেষ করে দিতে পারে সবকিছু। কলকাতায় ছেলের মুখ চেয়ে বসে বাবা প্রদীপ ঘোষ ও মা ব্রততী ঘোষ; তারা চান, তাদের ছেলেও খুব তাড়াতাড়ি নিরাপদে যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে ঘরে ফিরে আসুক।

কিন্তু ডাক্তার-প্রফেসর পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন; “বাঙালি ভয়ে পালায় না; আমার সব ছাত্র-ছাত্রী ও ভারতের সব পড়ুয়াকে না নিয়ে আমি কিয়েভ ছাড়ব না”। বাংলার পৃথ্বীরাজকে কুর্ণিশ জানাচ্ছে গোটা বাংলা ও দেশ। তিনি আবারও প্রমাণ করলেন, বাঙালি কাপুরুষ নয়; বাঙালির শিরদাঁড়া আছে।

]]>
কেন যুদ্ধ হচ্ছে রাশিয়া ইউক্রেনের, আমেরিকার ভূমিকা কতটা https://thenewsbangla.com/russia-ukraine-fight-for-what-reasons-what-is-the-role-of-america-nato/ Fri, 25 Feb 2022 13:39:18 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14838 রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সামরিক অভিযানের কথা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই; শুরু হয়েছে দুই দেশের যুদ্ধ। ইউক্রেনের একাধিক শহরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে রুশরা। রাজধানী কিয়েভ, খারকিভ-সহ একাধিক শহরে শোনা যাচ্ছে; একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ। রাশিয়ার যুদ্ধ-ট্যাঙ্ক ঢুকে পরেছে ইউক্রেনে। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইউক্রেনও। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে; রাশিয়া হঠাৎ ইউক্রেন আক্রমণ করল কেন? একনজরে দেখে নেওয়া যাক; এবারের যুদ্ধের কারণগুলি।

রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউক্রেনের ঢোকার বিরোধীতা করে আসছে। ২০২১-এর জানুয়ারি মাসে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে আবেদন জানান; ইউক্রেনকে যেন NATO-তে যোগ দিতে দেওয়া হয়। এই বিষয়টিই ক্ষুব্ধ করে তোলে রাশিয়াকে। তারা গতবছরই আচমকা “প্রশিক্ষণ মহড়ার” নামে; ইউক্রেন সীমান্তের কাছে সৈন্য পাঠানো শুরু করে এবং পরবর্তী সময়ে তা আরও বাড়ানো হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার এই সৈন্য মোতায়েনের বিরোধীতা করলেও; তা কানে তোলেননি পুতিন। প্রেসিডেন্ট বাইডেন রাশিয়াকে সতর্ক করে বলেন; রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া দাবি করে; পশ্চিমের তরফে গ্যারান্টি দেওয়া হোক যে; ন্যাটো পূর্ব ইউরোপ এবং ইউক্রেনে কোনও সামরিক ক্রিয়াকলাপ করবে না। পাশাপাশি পুতিন দাবি করেন, ইউক্রেন হল পশ্চিমের ‘পুতুল’।

রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে; দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা অব্যাহত ছিল। ২০২১ সাল থেকে; পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করে। রাশিয়া-ইউক্রেনের অস্থিরতার নিদর্শন এটাই প্রথম নয়। ২০১৪ সালেও ইউক্রেনকে আক্রমন করেছিল রাশিয়া। রাষ্ট্রপতি পুতিনের সমর্থনপুষ্ট বিদ্রোহীরা যখন পূর্ব ইউক্রেনের বিশাল অংশ দখল করেছিল; তখন থেকেই ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই শুরু হয়েছে। সেই সময় রাশিয়া; ইউক্রেনের ক্রিমিয়াকে দখল করেছিল। ইউক্রেন যে নেটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিতে চায়; অনেকদিন ধরে সেই বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে রাশিয়া।

প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশ হিসাবে রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের গভীর সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে; সেখানে রুশ ভাষাও ব্যাপকভাবে বলা হয়। ইউক্রেনের দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক প্রজাতন্ত্র প্রকারান্তরে রাশিয়াই পরিচালনা করছে। এই দুইটি অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে পুতিনের স্বীকৃতির ফলে; রাশিয়া এখন সেখানে সরাসরি সৈন্য পাঠাতে পারবে; তারা সেখানে সামরিক ঘাটিও তৈরি করতে পারবে।

]]>
বিপদে মনে পরল মোদীর ভারতকে, জন্ম থেকেই বন্ধু পাকিস্তান https://thenewsbangla.com/india-ukraine-relation-in-russia-ukraine-crisis-ukraine-always-against-india-now-seeks-narendra-modi-help/ Fri, 25 Feb 2022 11:01:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14832 ‘বিপদে না পড়লে মানুষ আসল বন্ধু চিনতে পারে না’; পুরোনো প্রবাদ আজও সত্যি হল। ইউক্রেনের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই ঘটল; বিপদে মনে পরল মোদীর ভারতকে, আর জন্ম থেকেই বন্ধু পাকিস্তান। অর্ধেক দেশ রাশিয়া দখল করে নেবার পরে হল চৈতন্য; মনে পড়ল ‘শান্তি দূত’ ভারতকে। আর তার আগে পর্যন্ত? ভারত-ইউক্রেন ইতিহাস খুব সুখের নয়।

১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে তৈরি হয় ১৫টি স্বাধীন রাষ্ট্র; জন্ম নেয় স্বাধীন রাষ্ট্র ইউক্রেন। তারপরেই শুরু হয় বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের বিরোধীতা; রাশিয়ার বন্ধু ভারতের বরাবর বিরোধীতাই করে এসেছে পূর্ব ইউরোপের এই ছোট্ট দেশটি। অনেকটা অকারণেই।

সালটা ১৯৯৮; কেন্দ্রে অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকার। পোখরানে ১১মে তিনটি ও ১৩মে দুটি; মোট পাঁচটি পরীক্ষামূলক পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটায় ভারত। জাতিসংঘ-র নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের বাইরে; বিদেশী সাহায্য ছাড়া কোন দেশ পারমাণবিক পরীক্ষা করল। ক্ষেপে উঠল বিশ্ব; ভারতের বিরুদ্ধে নেমে এল অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ।

সেদিন বিশ্বের একটি ছোট্ট দেশ সবচেয়ে বেশি হইচই করেছিল; ঘটনাচক্রে সেই দেশটার নাম ছিল ইউক্রেন। UN Resolution 1172 এ ভারতের বিরুদ্ধে নিন্দাপ্রস্তাবে সই করেছিল তারা; চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাকি ২৫টা দেশের সঙ্গে। ভারতকে সমস্ত ধরনের প্রতিরক্ষামূলক সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছিল। বন্ধ করে দিয়েছিল সমস্ত রকমের অস্ত্র বিক্রি; সব রকমের প্রযুক্তিমূলক সাহায্যও। ভারতের সঙ্গে সবরকমের সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল।

এখানেই শেষ নয়। এরপর বিশ্বের দরবারে প্রায় প্রতিটা ক্ষেত্রে; ভারতের বিরোধীতা করেছে দেশটি। কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের পক্ষে দাঁড়িয়ে; জাতি সংঘকে হস্তক্ষেপ করাতে উদ্যোগ নিয়েছে এই ইউক্রেন। যেখানে ভারত এই দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে কাউকেই ঢুকতে দিতে কোনদিনই রাজি নয়। কাশ্মীর ও ভারতে সন্ত্রাসবাদের মূল স্পনসরার পাকিস্তানকে; অস্ত্র-গোলা বারুদ দিয়ে সাহায্য করেছে এই ইউক্রেন। ভারত সহ গোটা বিশ্বের বিরোধীতা করে পাকিস্তানকে বিক্রি করেছে; T 80 মডেলের অত্যাধুনিক যুদ্ধের ট্যাঙ্ক।

অথচ ইউক্রেনের চেরনোবিল পরমাণু কেন্দ্রের চুল্লিতে বিস্ফোরণের ফলে; মারাত্মক তেজস্ক্রিয় উপাদান চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। অসংখ্য মানুষ মারা যান; পঙ্গু হয়ে যান। প্রতিবেশী বেলারুশ ও রুশ প্রজাতন্ত্র থেকে শুরু করে জার্মানি সহ পশ্চিম ইউরোপের বিস্তীর্ণ এলাকায়; তেজস্ক্রিয়তার কুপ্রভাব ধরা পড়ে। পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল সেই ভারতই।

এখন সেই ইউক্রেন মহাভারত থেকে উক্তি নিয়ে ভারতের দরবারে ভিক্ষা চাইছে; রাশিয়ার আক্রমণের মুখে দিশেহারা হয়ে সাহায্য চাইল ভারতের। কি বলল তারা? “এই মুহূর্তে ভারতের সমর্থনের জন্য অনুরোধ করছি আমরা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ওপর সর্বগ্রাসী আক্রমণ হলে; ভারতের উচিত তার সর্বজনীন দায়িত্ব নেওয়া। মোদীজি পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী এবং শ্রদ্ধেয় নেতা। মোদীজিকে নিয়ে আমরা আশাবাদী; তাঁর দৃঢ় কণ্ঠ শুনলে হয়ত পুতিন একবার ভেবে দেখতে পারেন। আমরা ভারত সরকারের থেকে আরও অনেক আনুকূল্যের মনোভাব দেখতে চাইছি”।

কি অদ্ভুত পরিবর্তন….!!
আসলে আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মতো; পৃথিবীর আদর্শহীন দেশগুলিরও কোন স্থায়ী শত্রু বা স্থায়ী বন্ধু থাকে না। শুধু স্বার্থটাই স্থায়ী থাকে।
এই পরিস্থিতিতে অনেকেই তাই ইউক্রেনকে এখন বন্ধু পাকিস্তানের সাহায্য নিতে বলেছে; কারণ ইমরানের দেশ জানে কি করে আত্মসমর্পণ করতে হয়…..

এডিটোরিয়াল লিখলেন; মানব গুহ

]]>