usa – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 26 Sep 2022 05:34:02 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg usa – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 পাকিস্তানের জন্য ‘বিশেষ সামরিক প্যাকেজ’, আমেরিকাকে ‘একহাত’ নিল ভারত https://thenewsbangla.com/usa-special-military-package-for-pakistan-india-protest-against-america-decisions/ Mon, 26 Sep 2022 05:33:34 +0000 https://thenewsbangla.com/?p=16848 পাকিস্তানের জন্য ‘বিশেষ সামরিক প্যাকেজ’ ঘোষণা করল জো বাইডেন সরকার, আর তারপরেই আমেরিকাকে ‘একহাত’ নিয়েছে ভারত। এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত জিনিসের সরবরাহ, পাকিস্তানকে করে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকার পরিকল্পনা ‘ফরেন মিলিটারি সেলস’এর আওতায়, এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের হার্ডওয়্যার-সফ্টওয়্যার সহ পাকিস্তানকে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিরক্ষা সামগ্রী দেওয়া হবে। আর এতেই চটেছে ভারত।

পাকিস্তানের জন্য বিশেষ সামরিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে আমেরিকা। “পাক বায়ুসেনার মার্কিন এফ-১৬ জেটগুলির আধুনিকীকরণের জন্য, এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে”, দাবি ওয়াশিংটনের। এতে নাকি পাকিস্তানের সন্ত্রা’সবি’রোধী লড়াই, আরও জোরাল হবে! কিন্তু এতেই চরম ক্ষুব্ধ ভারত। শত্রুর হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ায়, আমেরিকাকে একহাত নিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর।

আরও পড়ুনঃ মহালয়ার ভিডিওয় দুর্গা সেজে, ‘মৌল’বাদী’দের হু’মকির মুখে ‘মহানায়িকা’

ওয়াশিংটনের এক অনুষ্ঠানে, আমেরিকার বিরুদ্ধে তোপ দাগেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি বলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করে, আমেরিকার কোনও উদ্দেশ্যপূরণ হচ্ছেনা”। কড়া ভাষায় জয়শংকর বলেন, “বিষয়টি নিয়ে আমেরিকার ভেবে দেখার সময় হয়েছে। আপনারা বলছেন, এফ-১৬ যুদ্ধবিমান সন্ত্রা’সবিরোধী লড়াইয়ে ব্যবহার করবে পাকিস্তান। আপনারা কাকে নির্বোধ ভাবছেন! সবাই জানে, এই বিমান কার বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে। ভেবে দেখুন আপনারা কী করছেন”।

যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত আমেরিকার ‘পাকিস্তানি প্যাকেজ’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-ও। রাজনাথ জানান, “যেভাবে পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত প্যাকেজের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা, তা নিয়ে ভারত একেবারেই সন্তুষ্ট নয়”।

]]>
কেন যুদ্ধ হচ্ছে রাশিয়া ইউক্রেনের, আমেরিকার ভূমিকা কতটা https://thenewsbangla.com/russia-ukraine-fight-for-what-reasons-what-is-the-role-of-america-nato/ Fri, 25 Feb 2022 13:39:18 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14838 রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সামরিক অভিযানের কথা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই; শুরু হয়েছে দুই দেশের যুদ্ধ। ইউক্রেনের একাধিক শহরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে রুশরা। রাজধানী কিয়েভ, খারকিভ-সহ একাধিক শহরে শোনা যাচ্ছে; একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ। রাশিয়ার যুদ্ধ-ট্যাঙ্ক ঢুকে পরেছে ইউক্রেনে। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইউক্রেনও। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে; রাশিয়া হঠাৎ ইউক্রেন আক্রমণ করল কেন? একনজরে দেখে নেওয়া যাক; এবারের যুদ্ধের কারণগুলি।

রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউক্রেনের ঢোকার বিরোধীতা করে আসছে। ২০২১-এর জানুয়ারি মাসে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে আবেদন জানান; ইউক্রেনকে যেন NATO-তে যোগ দিতে দেওয়া হয়। এই বিষয়টিই ক্ষুব্ধ করে তোলে রাশিয়াকে। তারা গতবছরই আচমকা “প্রশিক্ষণ মহড়ার” নামে; ইউক্রেন সীমান্তের কাছে সৈন্য পাঠানো শুরু করে এবং পরবর্তী সময়ে তা আরও বাড়ানো হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার এই সৈন্য মোতায়েনের বিরোধীতা করলেও; তা কানে তোলেননি পুতিন। প্রেসিডেন্ট বাইডেন রাশিয়াকে সতর্ক করে বলেন; রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া দাবি করে; পশ্চিমের তরফে গ্যারান্টি দেওয়া হোক যে; ন্যাটো পূর্ব ইউরোপ এবং ইউক্রেনে কোনও সামরিক ক্রিয়াকলাপ করবে না। পাশাপাশি পুতিন দাবি করেন, ইউক্রেন হল পশ্চিমের ‘পুতুল’।

রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে; দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা অব্যাহত ছিল। ২০২১ সাল থেকে; পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করে। রাশিয়া-ইউক্রেনের অস্থিরতার নিদর্শন এটাই প্রথম নয়। ২০১৪ সালেও ইউক্রেনকে আক্রমন করেছিল রাশিয়া। রাষ্ট্রপতি পুতিনের সমর্থনপুষ্ট বিদ্রোহীরা যখন পূর্ব ইউক্রেনের বিশাল অংশ দখল করেছিল; তখন থেকেই ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই শুরু হয়েছে। সেই সময় রাশিয়া; ইউক্রেনের ক্রিমিয়াকে দখল করেছিল। ইউক্রেন যে নেটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিতে চায়; অনেকদিন ধরে সেই বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে রাশিয়া।

প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশ হিসাবে রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের গভীর সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে; সেখানে রুশ ভাষাও ব্যাপকভাবে বলা হয়। ইউক্রেনের দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক প্রজাতন্ত্র প্রকারান্তরে রাশিয়াই পরিচালনা করছে। এই দুইটি অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে পুতিনের স্বীকৃতির ফলে; রাশিয়া এখন সেখানে সরাসরি সৈন্য পাঠাতে পারবে; তারা সেখানে সামরিক ঘাটিও তৈরি করতে পারবে।

]]>
দুই দেশের যুদ্ধ শুরু, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কায় কাঁপছে পৃথিবীর মানুষ https://thenewsbangla.com/the-war-between-two-countries-started-people-of-the-world-trembling-in-fear-of-third-world-war-russia-ukraine-crisis/ Thu, 24 Feb 2022 06:45:18 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14824 দুই দেশের যুদ্ধ শুরু; তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কায় কাঁপছে পৃথিবীর মানুষ। আশঙ্কা সত্যি করেই শুরু হয়ে গেল যুদ্ধ; ইউক্রেনের কিয়েভ সহ একাধিক শহরে আক্রমণ করল রাশিয়া। এড়ানো গেল না দুই দেশের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। রাষ্ট্রপুঞ্জের হুঁশিয়ারি অগ্রাহ্য করে; ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করল রাশিয়া। ক্রিমিয়া দিয়ে ইউক্রেনে ঢুকল রুশ সেনা। পাওয়া যাচ্ছে মিসাইলের আওয়াজ; এমনকি মাঝপথ থেকে ফিরতে বাধ্য হল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান।

আক্রমণ শুরু হবার পরেই; পাওয়া গিয়েছে মিসাইলের আওয়াজ। মার্কিন বিএনও নিউজ একটি ভিডিও ফুটেজ দেখিয়েছে; যাতে পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণে অন্ধকার দিগন্তে আলোর বিশাল ঝলক দেখা গিয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার কিছুক্ষণ পরেই; ইউক্রেনের কিইভ এবং খারকিভ অঞ্চলে বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

রাশিয়ার আক্রমণ শুরু হতেই; কৃষ্ণসাগরের আকাশে কালো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। মুহুর্মুহু বিস্ফোরণে কেঁপে উঠছে কিয়েভ-সহ ইউক্রেনের একাধিক বড় শহর। হামলা চলছে ইউক্রেনের সেনাঘাঁটিতেও। হামলার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন; ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী দিমাত্রেয় কুলেবা। এর আগে দেশে একটি টেলিভিশন ভাষণে, ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন যে; তিনি ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চলে একটি বিশেষ সামরিক অভিযান চালানোর জন্য রাশিয়ান সেনাদের অনুমোদন দিয়েছেন। পুতিন এও বলেছেন যে, ইউক্রেন থেকে আসা হুমকির প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি যোগ করেছেন যে; “রাশিয়ার লক্ষ্য তার প্রতিবেশী দেশ দখল করা নয়; নিজের দেশে শান্তি বজায় রাখা”।

Russia Ukraine Conflict

কোনওভাবেই যাতে ইউক্রেনে হামলা না করে রাশিয়া; সেজন্য রাষ্ট্রসংঘের তরফে বারবার সতর্ক করা হয়েছিল পুতিনকে। কিন্তু, সেইসবের তোয়াক্কাই করেননি রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। তিনি বলেছেন, “আমি ইউক্রেনে মিলিটারি অপারেশন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি”। ইউক্রেন সেনাকে অস্ত্র নামিয়ে পিছিয়ে যাওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। এদিন সেই যুদ্ধই শুরু হয়ে গেল। সূত্রের খবর, দেশের দুই শহরের সেনাঘাঁটিতে; মিসাইল হামলা হয়েছে। হামলার খবর মিলেছে; বেলগার্দ ওবাস্ত শহর থেকেও। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর; রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্ত পেরিয়ে খারকিভ শহরের দিকে এগোচ্ছে রুশ বাহিনী।

রাশিয়ার এই হামলা নিয়ে মুখ খুলেছেন; ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী দিমাত্রেয় কুলেবা। বলেছেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিস্ফোরণের খবর মিলেছে; রাশিয়ার আগ্রাসনের মুখে ইউক্রেন; এই হামলার বিরুদ্ধে যোগ্য জবাব দেবে ইউক্রেন”।

]]>
বাণিজ্য বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করতে একজোট ভারত মার্কিন https://thenewsbangla.com/strengthen-trade-investment-relations-usa-and-india-become-together/ Thu, 27 Jun 2019 07:54:15 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14522 এই প্রথম ভারতে এলেন আমেরিকার কোনও উচ্চ পদস্থ সরকারি আধিকারিক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। আশা করা যাচ্ছে তাঁর ভারত সফর ঘিরে; নতুন করে দুই দেশের সম্পর্ক; আরও উন্নতি করবে ভবিষ্যতে। ভারতীয় কূটনৈতিক মহলও এমনই আশা দেখছে।

সরকারি সফরে ভারতে আসা; মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। গতকাল সকালে রাজধানীতে; এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও শুল্কারোপ নিয়ে; চলমান উত্তেজনার মধ্যে ভারত সফরে এলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ জনতার অসন্তোষে মমতার ক্ষতিপূরণ কি নাম দেখে, প্রশ্ন বিজেপির

মূলত দুই দেশের মধ্যে; বাণিজ্য উত্তেজনা হ্রাসে; ভারত সফরে এসেছেন পম্পেও। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে; দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করতে ফের আলোচনা শুরু হবে। তবে পম্পেও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে; যে বিবাদ চলছে তা কীভাবে সমাধান করা হবে; তা নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।

আরও পড়ুনঃ ভাগাড় পচা মাংস কাণ্ডে মুখ পুড়ল সিআইডির, বেকসুর খালাস আসল অভিযুক্তরা

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে পম্পেও বলেন, এই দুই দেশ এমন বন্ধু; যারা একে অন্যকে সবসময় সাহায্য করতে পারে। বর্তমানে যে বিবাদ তৈরি হয়েছে; তা বন্ধুত্বের সজীবতা।

আরও পড়ুনঃ ভারতের রঙ কমলা, পরিবর্তনের পিছনেও মোদীর হাত দেখছে বিরোধীরা

এক টুইটার বার্তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাভিশ কুমার জানান, দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব গভীরতর করার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ইন্দো-মার্কিন সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময়ের আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ শান্তি ফেরাতে বৃহস্পতিবার ভাটপাড়া যাচ্ছেন বাঙলার বুদ্ধিজীবিরা

মঙ্গলবার রাতে ভারতে পৌঁছোন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ভারতে আসার আগে তিনি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও আফগানিস্তান সফর করেছেন। ইরানের বিরুদ্ধে জোট গঠনের প্রয়াসে এ সফর করছেন পম্পেও।

ভারত ও মার্কিন জোটবদ্ধ হয়ে; দেশের উন্নতির দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। আদেও প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হবে কিনা! সে বিষয় দেখার অপেক্ষায় দেশ। আশা করা হচ্ছে; দেশের সর্বাঙ্গিন উন্নতির দিক গুলির বিষয়ে। এখন ভবিষ্যৎ্‌-ই বলবে ভবিষ্যতের কথা।

]]>
ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের এফ ১৬ এর অপব্যবহার, মার্কিন রিপোর্ট https://thenewsbangla.com/f-16-against-india-misused-by-pakistan-us-report-says/ Wed, 06 Mar 2019 07:29:58 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7633 পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের মাটিতে ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এবং তারপরেই এফ ১৬ যুদ্ধবিমান নিয়ে ভারতের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে পাকিস্তানের অনুপ্রবেশ। আর এখানেই উঠেছে বিতর্ক। পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে এফ ১৬ যুদ্ধবিমানের অপব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে ভারতবাসীকে নতুন উপহার মোদীর

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রশাসনিক অধিকর্তা জানিয়েছেন, সম্প্রতি ভারত পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধকালীন আবহের মধ্যে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে এফ ১৬ যুদ্ধবিমান অপব্যবহার করেছে।

আরও পড়ুনঃ ভারতের চাপে মাথা নত করল পাকিস্তান

ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে গত বৃহস্পতিবার ভারতীয় বায়ুসেনার দ্বারা ধবংস করা এফ ১৬ বিমানের ধবংসাবশেষ প্রমান হিসেবে তুলে ধরে, যা মার্কিন সংস্থার তৈরি। বালাকোটে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান যে এই যুদ্ধ বিমান ব্যবহার করেছে, তা পরিষ্কার। পাকিস্তান যদিও এফ ১৬ ব্যবহার করার দায় অস্বীকার করেছে।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে হত্যা কর, কংগ্রেস নেতার প্রকাশ্য নির্দেশ

মার্কিন প্রশাসনিক দপ্তর এই ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পাকিস্তানের কাছে আরো রিপোর্ট তলব করেছে। এর সাথে আরও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারতের বিরুদ্ধে মার্কিন সংস্থার তৈরি যুদ্ধ বিমান ব্যবহার করে পাকিস্তান আমেরিকার সাথেও চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয় সাবমেরিনের ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান

মঙ্গলবার মার্কিন প্রশাসনিক দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, তারা এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন। তিনি জাসনান, এফ ১৬ যুদ্ধ বিমান ব্যবহারের মেয়াদ চুক্তি অনুযায়ী শেষ হলেও পাকিস্তান তা মানেনি। তবে যাবতীয় চুক্তির ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করেন নি। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কিছু বিষয় তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রকাশ করতে চান নি।

আরও পড়ুনঃ মুম্বাই হামলার মত ফের জলপথে জঙ্গি হামলার ছক

উল্লেখ্য ১৪ই ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জইশ ই মহম্মদ সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের হানায় ৪৯ জন জওয়ান শহীদ হন। ২৬ শে ফেব্রুয়ারি ভারত পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা চালায় জইশের হেড কোয়ার্টার লক্ষ্য করে। তারপরেই যুদ্ধের আবহ তৈরি হয় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
‘শোভন-বৈশাখী’র মতোই পরকীয়ার গল্প ‘ক্লিনটন-মনিকা’র https://thenewsbangla.com/sovan-baishakhi-love-story-is-like-the-love-story-of-clinton-monica/ Thu, 22 Nov 2018 06:22:42 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2874 The News বাংলা, কলকাতা: কলকাতায় এখন জোর চর্চা শোভন ও বৈশাখীর প্রেম নিয়ে। তবে একটা সময়, আমেরিকার পাশাপাশি গোটা বিশ্বে চর্চার মধ্যে ছিল আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও মনিকা লিউনেস্কির পরকীয়া প্রেম নিয়ে।

The News বাংলা

উইলিয়াম জেফারসন ক্লিনটন যিনি বিল ক্লিনটন নামে পরিচিত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম রাষ্ট্রপতি। তিনি নিউইয়র্ক সেনেটর ও বর্তমান ওবামা প্রশাসনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের স্বামী। বিল ক্লিনটন ক্ষমতায় থাকাকালে ১৯৯৮ সালে মনিকা লিউনিস্কি ইস্যু নিয়ে ভীষণ ঝামেলায় পড়েছিলেন।

১৯৯৫ সালে মনিকা লিউনস্কির বয়স যখন ২২ বছর, তখন ক্লিনটনের সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি হয়। তাদের প্রেম বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি করে। ৪৫ বছর বয়স্ক মনিকা বর্তমানে টেলিভিশনে শো পরিচালনা করেন।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: ‘বৈশাখী প্রেমে ব্যস্ত’ কলকাতা ছাড়ছেন এক সাচ্চা প্রেমিক

৯০-এর দশকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের কর্মচারী মনিকা লিউনস্কিকে জড়িয়ে পরকীয়ার কাহিনী জনসমক্ষে প্রকাশ পায়। ক্ষমতাসীন কোনো প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত যৌন কেলেংকারির ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়া, ইতিহাসে সেই ছিল প্রথম। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকে ইমপিচমেন্টের মুখোমুখি হতে হয়েছিলো। তিনি যা করেছেন তা যদিও বেআইনি নয়, কেননা লিউনস্কি প্রাপ্তবয়স্কা।

Image Source: Google

ক্লিনটনের বিষয়টি যতটা না ছিলো স্ক্যান্ডাল, তার চেয়ে অনেক বেশি চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিলো রাজনৈতিক অঙ্গনে। ক্লিনটনের প্রতি মার্কিন জনগণ ছিলো সহানুভূতিশীল। কারণ সে সময় মার্কিন অর্থনীতির অবস্থা ছিল খুবই ভাল এবং বেকারত্বের হার ছিলো নূন্যতম পর্যায়ে।

১৯৯৫ সালের আমেরিকার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে চাকরি পায় লুইস এবং ক্লার্ক কলেজ গ্র্যাজুয়েট সুন্দরী মনিকা লিউনস্কি। এ সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম জেফারসন বিল ক্লিনটন সপরিবারে এই রাজকীয় প্রাসাদে বসবাস করতেন। ২২ বছরের এই সুন্দরীর প্রতি নজর পড়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের। কিছু দিন দৃষ্টি বিনিময় এবং অল্পস্বল্প কথোপকথনের পর মনিকার সঙ্গে ক্লিনটনের গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

Image Source: Google

মনিকা এবং ক্লিনটন নিয়মিত অভিসারে মিলিত হতেন। তাঁরা রোমান্স এত উপভোগ করতেন যে, হোয়াইট হাউসেই ৯ বার গোপন অভিসারে লিপ্ত হন। এর মধ্যে পাঁচ বার এরকম অভিসারের সময় ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারি রডহাম ক্লিনটন, হোয়াইট হাউসে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাঁদের এই অভিসারের খবর হিলারি কেন, কাকপক্ষীও টের পায়নি।

আরও পড়ুন: প্রেমের জয়ে বদনাম বিশ্ব সংসার ‘অ-শোভন’

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরির সুবাদে মনিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে তাঁর সহকর্মী লিন্ডা ট্রিপের। আলাপচারিতার একপর্যায়ে মনিকা তাঁর বিশ্বস্ত বন্ধু ও সহকর্মী লিন্ডাকে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর গোপন অভিসারের কথা জানান।

ট্রিপ মনিকাকে পরামর্শ দেন, প্রেসিডেন্ট যে উপহার প্রদান করেন তা যেন সংরক্ষণ করা হয়। এ ছাড়া তিনি আরো অনুরোধ করেন যে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে গোপন অভিসারের সময় যে বস্ত্র পরিধান করা হয় তা যেন পরিষ্কার না করা হয়। এই বস্ত্র পরে ‘নীল বস্ত্র’ নামে খ্যাতি লাভ করে।

Image Source: Google

মনিকা ও ক্লিনটনের গোপন রোমান্সের কথা লিন্ডা সাহিত্যিক লুসিয়ানা গোল্ডবার্গকে জানান। গোল্ডবার্গ লিন্ডাকে পরামর্শ দেন যে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মনিকার কথোপকথন যেন গোপনে রেকর্ড করা হয়।

বহুবার চেষ্টার পর ট্রিপ ১৯৯৭ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁদের মধ্যকার প্রেমালাপ রেকর্ড করতে সক্ষম হন। এবার গোল্ডবার্গ ট্রিপকে পীড়াপীড়ি করে যে এই রেকর্ড করা টেপটি স্বাধীন তদন্ত কর্মকর্তা কেনথ স্টারকে প্রদান করতে।

আরও পড়ুন: ‘তাজমহল’ গড়া শেষ না করেই মারা গেলেন ‘শাহজাহান’

কিন্তু তাঁর এই আবেদনে ট্রিপ সাড়া দেননি। গোল্ডবার্গ বহুবার চেষ্টা করে ট্রিপকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়ে এই বছরের শেষের দিকে নিউজউইকের প্রতিবেদন মাইকেল ইসিকফের কাছে এ ঘটনা ফাঁস করে দেন।

এই স্ক্যান্ডালের খবর প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১৭ জানুয়ারি ১৯৯৮ সালে ড্রাজ রিপোর্ট ওয়েবসাইটে। এই বছরেরই ২১ জানুয়ারি দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের প্রধান প্রতিবেদন হিসেবে এই স্ক্যান্ডালের খবর প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদন জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

Image Source: Google

উপায়ন্তর না দেখে ক্লিনটন স্ত্রী হিলারিকে সঙ্গে নিয়ে হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এই সংবাদ সম্মেলনে ক্লিনটন বলেন, ‘মনিকা নামে যে মহিলার কথা বলা হচ্ছে তাঁর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি কখনো কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কোনো সময় একটিও মিথ্যা কথা বলিনি। এই অভিযোগ মিথ্যা।’

অতঃপর মনিকাও দাবি করেন যে ঘটনা মিথ্যা এবং ট্রিপ ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারের জন্য এই অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন। এমতাবস্থায় ট্রিপ তাঁর কাছে সংরক্ষিত মনিকা এবং ক্লিনটনের প্রেমালাপের টেপ তদন্ত কর্মকর্তা কেনথ স্টারকে প্রদান করেন। কেনথ এই টেপের কথোপকথন পরীক্ষা করে বলেন, এ ঘটনা সত্য।

আরও পড়ুন: কয়েক দশকের সম্পর্ক শেষ করে শোভনকে তাড়ালেন মমতা

উপায়ন্তর না দেখে মনিকা গ্র্যান্ড জুরির কাছে তাঁর সঙ্গে ক্লিনটনের শারীরিক সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করেন এবং তাঁর কাছে সংরক্ষিত নীল বস্ত্র তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রদান করেন। তদন্ত কর্মকর্তা এই নীল বস্ত্র পরীক্ষা করে বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ সত্য এবং ক্লিনটনের দাবি মিথ্যা।

অতঃপর বিচারক সুসান ডি ওয়েবার মিথ্যা কথা বলার জন্য প্রেসিডেন্টকে ৯০ হাজার ডলার জরিমানা করেন। অন্যদিকে ইয়েল আইন স্কুলের ছাত্র ক্লিনটনকে সুপ্রিম কোর্ট বার থেকে এক মাসের জন্য এবং আরকানসাস অঙ্গরাজ্যের বার থেকে পাঁচ বছরের জন্য বরখাস্ত করা হয়।

এ ঘটনা সত্য প্রমাণিত হওয়ার পর সেনেট সদস্যরা প্রেসিডেন্টের নৈতিক মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁকে ইমপিচমেন্টের দাবি করেন। ক্লিনটনের ডেমোক্রেটিক পার্টির অনেক সদস্য ও বিরোধী রিপাবলিকানদের এই দাবি সমর্থন করেন।

Image Source: Google

ফলে সেনেটে এ বিষয়ে ২১ দিন ধরে তুমুল বিতর্ক হয়। অবশেষে ভোটাভুটিতে ক্লিনটন জয়লাভ করেন। অর্থাৎ এ যাত্রায় প্রেসিডেন্ট ইমপিচমেন্টের হাত থেকে রক্ষা পান। হিলারি ক্লিনটন পুরো ঘটনায় স্বামীর পাশে থেকে স্বামীর মনোবল জোগান।

‘ক্ষমতার অপব্যবহার করে হোয়াইট হাউসের ইন্টার্ন মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়াননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। এ জন্য প্রেসিডেন্ট পদ না ছেড়ে ঠিকই করেছিলেন তিনি।’ পরবর্তীকালে বলেছেন হিলারি।

আরও পড়ুন: বাংলার পুরমন্ত্রীই কি কলকাতা পুরসভার নতুন মেয়র

মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে বিল ক্লিনটনের যৌন কেলেঙ্কারি মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে রয়েছে। সে সময় বিল ক্লিনটনের পদত্যাগের দাবিতে সরব ছিল বিরোধীরা। যদিও এই নিয়ে একটি মন্তব্যও করেননি ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারি। বহু দিন পর তিনি মুখ খুলেছিলেন স্বামীর হয়েই।

হোয়াইট হাউসের কর্মী মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে যৌন কেলেঙ্কারির জন্য বিল ক্লিনটনের পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল। কিন্তু তখন এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি বিল হিলারি। ২ দশক পর তিনি বলেন, ‘মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে ক্লিনটনের যৌন কেলেঙ্কারি বিষয়টি ক্ষমতার অপব্যবহার নয়। লিউনস্কি ছিলেন একজন ‘প্রাপ্তবয়স্ক’। তাই, প্রেসিডেন্ট পদ না ছেড়ে ঠিক কাজই করেছিলেন বিল ক্লিনটন’।

The News বাংলা

ট্রাম্পের কাছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যাওয়া হিলারি বলেন, ‘#মি-টু’ আন্দোলন নিয়ে যখন পুরো বিশ্ব তোলপাড় হচ্ছে তখন কিন্তু মনিকা লিউনস্কি কিছুই বলেননি। কারণ মনিকার ওই কাজে (যৌন সম্পর্ক) সম্মতি ছিল।

আরও পড়ুন: ঘাসফুল ছেঁটে মমতার ‘কাননে’ কি এবার পদ্ম

মনিকার সঙ্গে সম্পর্কের কথা লুকিয়েছিলেন, তাই বিল ক্লিনটনের পদত্যাগ করা উচিত ছিল—মার্কিন সিনেটর ক্রিস্টিন গ্রিলব্যান্ডের এই দাবিকে খারিজ করে দিয়েছেন হিলারি। পদত্যাগ না করার প্রশ্নে ক্লিনটনের পাশেই দাঁড়িয়েছেন হিলারি। এত দিন পরে সে কথা প্রকাশ করলেন তিনি।

The News বাংলা

সেদিন যে স্বামীর সিদ্ধান্তকে তিনি সমর্থন করেছিলেন, সেটাও সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন হিলারি। হিলারি বলেন, মনিকা লিউনস্কিরও সম্মতি ছিল তাতে। ক্লিনটন পদত্যাগ না করলেও তাকে ইমপিচ করা হয়েছিল।

স্বামীর পাশে সেদিন সর্বশক্তি নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন হিলারি ক্লিনটন। রত্না চ্যাটার্জি সেই কাজটা করেন নি। আর এখানেই আমেরিকার বিল ক্লিনটনের কাছে হেরে গিয়েছেন ‘প্রেমের নায়ক’ কলকাতার শোভন চ্যাটার্জি।

]]>
পাকিস্তান নিয়ে আমেরিকার দ্বিমুখী নীতি কবে পাল্টাবে https://thenewsbangla.com/when-will-the-two-pronged-policy-of-usa-for-pakistan-will-change/ Tue, 02 Oct 2018 15:31:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=737 বিশেষ রিপোর্ট :‘গত ১৫ বছর ধরে সন্ত্রাস দমনের নামে আমেরিকার কাছে অর্থ নিয়ে ঠকিয়েছে পাকিস্তান’, বক্তার নাম আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ আমেরিকান প্রেসিডেন্টের হিসাব অনুযায়ী গত ১৫ বছরে ৩৩০০ কোটি ডলার পাকিস্তানকে দিয়েছে আমেরিকা৷ তাও আবার সেটা নাকি সন্ত্রাস দমনের জন্য৷ ভারতবাসীর কাছে এর চেয়ে হাসির তথ্য আর হতে পারে না৷ আর তাতেই প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র, এটাও কি আমেরিকার ফাঁকা বুলি৷

১৯৪৭ এ কাশ্মীরকে নিয়ে লড়াই বাদ দিলে ১৯৬৫, ১৯৭১ ও ১৯৯৯ এ ভারত পাক যুদ্ধ দেখেছে গোটা বিশ্ব৷ ১৯৭১ সালে মুখোমুখি যুদ্ধে হারার পর ১৯৮০ র দশক থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধে নেমেছে পাকিস্তান৷

১৯৮০ র পর আজ পর্যন্ত ৬ জন আমেরিকান প্রেসিডেন্টকে দেখেছে ভারত৷ এনারা হলেন, রোনাল্ড রেগন(১৯৮১-১৯৮৯), জর্জ বুশ (সিনিয়ার ১৯৮৯-১৯৯৩), উইলিয়াম ‘বিল’ ক্লিন্টন(১৯৯৩-২০০১), জর্জ বুশ (জুনিয়ার ২০০১-২০০৯), বারাক ওবামা (২০০৯-২০১৭) আর ২০১৭ থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প৷

এঁরা প্রত্যেকেই পাকিস্তানকে কখনও না কখনও সন্ত্রাসবাস কার্যকলাপ বন্ধ করার জন্য হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সাহায্য বন্ধ করে দেবার হূমকি দিয়েছেন৷ কিন্তু পাকিস্তান কোনদিন আমেরিকার সাহায্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয় নি৷ ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বীকারোক্তিই তার প্রমাণ৷ ১৫ বছরের ৩৩০০ কোটি ডলার আমেরিকা দিয়েছে পাকিস্তানকে৷

ফের মার্কিন প্রেসি়ডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, ‘সন্ত্রাস দমনের নামে বছরের বছর অর্থ নিয়ে ঠকিয়েছে পাকিস্তান৷ জঙ্গি দমনের নামে ১৫ বছর ধরে পাকিস্তান আমাদের থেকে ৩৩০০ কোটি ডলার নিয়েছে৷ অথচ বিনিময়ে ঝুড়ি-ঝুড়ি মিথ্যে কথা বলা ছাড়া কিছুই করেনি৷ প্রেসিডেন্টের এই ক্ষোভের পরই পাকিস্তানকে ২৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামরিক সহায়তা আপাতত আটকে দিল আমেরিকা৷ হোয়াইট হাউস সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সে দেশে জঙ্গি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়, তার ওপরই নির্ভর করবে এই আর্থিক সাহায্যের ভবিষ্যত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন প্রশাসনের এক পদস্থ আধিকারিক সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, ২০১৬ আর্থিক বর্ষের বিদেশী সামরিক সহায়তা খাতে ২৫৫ মিলিয়ন ডলার এবার পাকিস্তানের জন্য ব্যয়ের কোনও পরিকল্পনা নেই। প্রেসিডেন্ট সাফ বলেছেন যে, পাকিস্তান তাদের দেশে সন্ত্রাসবাদী ও জঙ্গিদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করে আমেরিকা৷ পাকিস্তানের সহযোগিতার মাত্রা খতিয়ে দেখার কাজও চালিয়ে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন৷

১৯৮৪ সালের সেপ্টেম্বরে জেনারেল জিয়া উল হককে পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন তৎকালিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগন, যে ভারত যেকোন মূহুর্তে পাকিস্তানের নিউক্লিয়ার বোমা বানাবার পরিকল্পনার উপর মিলিটারি হামলা চালাতে পারে৷ ‘‘Talking Points for Use in Delivering Letter to General Zi’’, ১৯৮৪ সালের ১২ ই সেপ্টেম্বর লেখা একটি চিঠি ফাঁস হবার পরই এই ঘটনা সামনে আসে৷

অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট রেগনও পাকিস্তানের ভূমিকার কথা ও ভারতের প্রতিবাদের কথা জানতেন৷ প্রেসিডেন্ট রেগনের আমলেই CIA এর বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে পাকিস্তানের লজ্জাজনক ভূমিকা বা দ্বিচারিতার কথা বারবার উঠে এসেছিল৷ কিন্তু তা সত্বেও পাকিস্তানকে আর্থিক ও সামরিক সাহায্য দিতে ছাড়ে নি আমেরিকা৷ যা পাকিস্তান পুরোপুরি ব্যবহার করে এসেছে ভারতের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধে৷

২০০৩ সালে প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের আমলে ৩ বিলিয়ান ডলার সামরিক সাহায্য পায় পাকিস্তান৷ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য৷ আর তারপরেই পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ দেখে এই জর্জ বুশই বলেছিলেন, বোমা ফেলে পাকিস্তানকে শেষ করে আবার পাথরের যুগে ফিরিয়ে দেওয়া হবে৷ আর এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছিলেন স্বয়ং পাক রাষ্ট্রপতি পারভেজ মুশারফ৷

২০০৮ এর মুম্বাই হামলার চক্রীদের কঠোর শাস্তি দিতে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা৷ ২০১৫ তে পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বারাক ওবামা৷ পাকিস্তানকে সমস্ত সন্ত্রাববাদী কার্যকলাপ বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন৷ জাতিসংঘকেও জানিয়েছিলেন যে, পাকিস্তানকে বাধ্য করা হোক সন্ত্রাসবাদকে মদত না দেওয়ার জন্য৷ এমনকি ২০১৬ তে নিজের পাকিস্তান সফর বাতিল করে দেন ওবামা৷ কিন্তু তারপরেও পাকিস্তানকে সামরিক সাহায্য থেকে বঞ্চিত করে নি আমেরিকা৷

তাই ট্রাম্পের এই হূমকিকেও সেই একই ‘থোড় বড়ি খাড়া’ হিসাবেই দেখছেন ভারতের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা৷ তাঁরা মনে করছেন এর সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কোন ভূমিকাই নেই৷ বিগত কয়েক বছরে চীনের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক অনেকটাই বেড়েছে পাকিস্তানের৷ আর সেটাতেই বেজায় ক্ষুব্ধ আমেরিকা৷ আর তার জন্যই আপাততঃ পাকিস্তানকে আর্থিক সাহায্য বন্ধ রাখল আমেরিকা৷

তবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষেশজ্ঞ ইমনকল্যাণ লাহিড়ি মনে করছেন যে, এবারের পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা৷ যেভাবে এবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি পাকিস্তানের নাম করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ও আমেরিকাকে ঠকানোর কথা বলেছেন তাতে এবার যে এটা আর ফাঁকা আওয়াজ নয়, তা আমেরিকার বিভিন্ন সিদ্ধান্তে পরিস্কার বলে মনে করছেন তিনি৷ ইমনকল্যাণ লাহিড়ির মতে, সম্প্রতি ভারত যে সীমান্তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এতটা ‘আপারহ্যান্ড’ বা সদর্থক ভূমিকা নিতে পারছে তার পিছনেও দুই শক্তিধর দেশ আমেরিকা ও রাশিয়ার পরোক্ষ মদত আছে৷

তাই ট্রাম্পের এই ক্ষোভ ও আর্থিক সাহায়্য বন্ধের ঘোষণা কতদিন বজায় থাকে সেটাই এখন দেখার৷ তবে, সীমান্তে যেভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়ছে ভারত, তাতে বলাই যায় বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলির প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে ভারতের দিকেই৷ সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে এবার আর সহজে ছাড় পাবে না পাকিস্তান৷ তাই আমেরিকার এই কড়া পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে থাকবে ভারতও৷ শেষ ১৫ বছরের মত বড় ভুল আমেরিকা আর করবে না বলেই মনে করছে ভারত সরকার৷

]]>