Uneducated Politician – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 17 Dec 2018 12:32:14 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Uneducated Politician – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা https://thenewsbangla.com/telangana-assembly-is-full-of-educated-mlas-when-the-bengal-will-learn/ Mon, 17 Dec 2018 10:24:20 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4378 The News বাংলা, কলকাতা: বিধানসভার ১১৯ বিধায়কের মধ্যে একজন শুধু সই করতে জানেন, বাকি প্রত্যেকেই শিক্ষিত। শুধু তাই নয়, তেলাঙ্গানা বিধানসভায় এবার বসবেন ২ জন পিএইচডি, ৫ জন ডাক্তার, ৯ জন ইঞ্জিনিয়ার, ১২ জন আইনজীবীও। দেশের সবচেয়ে শিক্ষিত বিধানসভা হিসাবে উঠে আসছে তেলাঙ্গানা। বাংলা কবে পারবে? আদৌ কোনদিন পারবে কি?

আরও পড়ুনঃ শহীদ জওয়ানকে সম্মান নয়, সেনাকে পাথর ছুঁড়ে দেশদ্রোহীরাই ভারতে ‘নায়ক’

বিধানসভা ভোটে দৃষ্টান্ত স্থাপন করল তেলাঙ্গানা। বিধানসভায় সবাই শিক্ষিত। শুধু শিক্ষিত বললে কম বলা হবে। ১১৯ জনের মধ্যে ৭০ জনই কলেজে গেছেন। অর্থাৎ ৫৮.৮ শতাংশ বিধায়ক কলেজে পড়েছেন। শুধু মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও এর দল তেলাঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতিই শুধু নয়, সব দলই শিক্ষিতদের ভোটে দাঁড় করিয়েছে।

শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা
শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা

‘অশিক্ষিত’ ও ‘আঙ্গুঠা ছাপ’দের রাজনীতিতে তেলাঙ্গানা বিধানসভা যেন একঝলক শিক্ষার হাওয়া। ১১৯ আসনের ভোট যুদ্ধে কেসিআর এর দল ৮৮ টা আসনে জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। কংগ্রেস ১৯ টা, বিজেপি সহ বাকিরা পেয়েছে ১০ টা আসন। কিন্তু প্রত্যেকেই শিক্ষিত মানুষদের ভোটে দাঁড় করিয়েছে। মানুষ ভোট দিয়ে জিতিয়েছেও শিক্ষিত প্রার্থীদের।

আরও পড়ুনঃ শুধু দিনে নয় দার্জিলিংয়ের ঐতিহ্যের টয় ট্রেন এবার সন্ধ্যাবেলাতেও

১১৯ জন বিধায়কের মধ্যে টিআরএস বা শাসক দলের ২ জন বিধায়ক ডক্টরেট। ২৬ জন বিধায়ক পোস্ট গ্রাজুয়েট। ৪৪ জন গ্রাজুয়েট। ৪৪ জন গ্রাজুয়েট বিধায়কের মধ্যে ১৮ জন আবার প্রফেশনাল গ্রাজুয়েট। বেশির ভাগ শাসক দলের বিধায়কই উচ্চ শিক্ষিত।

শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা
শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা

এখানেই শেষ নয়। তেলাঙ্গানা বিধানসভায় এবার বসবেন ২ জন পিএইচডি, ৫ জন ডাক্তার, ৯ জন ইঞ্জিনিয়ার, ১২ জন আইনজীবীও। ২৪ জন বিধায়ক উচ্চ মাধ্যমিক পাশ, ১৬ জন মাধ্যমিক পাশ, ২ জন ক্লাস এইট পাশ, ৩ জন ক্লাস ফাইভ পাশ। মাত্র একজন বিধায়ক শুধু সই করতে জানেন। বিজেপির বিধায়ক টি রাজা সিং শুধু সই করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ২৫ টাকা কেজি পেঁয়াজ, নাসিকে দাম না পেয়ে আত্মহত্যা

বোঝাই যাচ্ছে ভারতের ‘সবচেয়ে নতুন’ রাজ্যের ভবিষ্যৎ বেশ উজ্জ্বল। আগামীর ৫টা বছর শিক্ষিত বিধায়করা রাজ্যের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বিধানসভায় বসবেন সব শিক্ষিত মানুষ। রাজ্যের আমলারাও শিক্ষিত বিধায়কদের নির্দেশে রাজ্য শাসন করতে পারবেন।

শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা
শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা

রাজ্যের মানুষ ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন শিক্ষিত প্রার্থীদের। তারও আগে শিক্ষিত মানুষদের প্রার্থী করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা ও রাজ্যের মানুষের বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ভোট দেওয়াও এর পিছনে অন্যতম কারণ।

আরও পড়ুনঃ নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি

তবে শিক্ষার পিছনে অন্যদিকটাও আছে। তথ্য বলছে ১১৯ জনের মধ্যে ১০৬ জন কোটিপতি। আর ৪৭ জনের নামে রীতিমতো ক্রিমিনাল কেস আছে। তবে সেসব বিচারাধীন। তবে বিধানসভায় শিক্ষিত বিধায়কের সংখ্যা বাড়াটা রাজ্যের পক্ষে বেশ ভালো বলেই জানিয়েছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা
শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা/The News বাংলা

অন্যদিকে, কেরালা, গুজরাত, গোয়া, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, পাঞ্জাব এমনকি ওড়িশাও শিক্ষিত মানুষদের বিধায়ক করেছে। রাজনৈতিক দল ও সাধারণ ভোটার দুই তরফই এই পরিবর্তনে এগিয়ে এসেছে। এইসব রাজ্যের উন্নয়ন পরিসংখ্যানও বেশ ভালো। দল না দেখে শিক্ষিত প্রাথীদের জেতাবার দায়িত্ত্ব নিচ্ছে ভোটাররাও। অবশ্যই ‘শিক্ষিত’ ভোটার।

আরও পড়ুন: ‘অশিক্ষিত রাজনীতিবিদ’ কলঙ্ক ঘোচাতে বুড়ো বয়সে মাধ্যমিকে

অসম্ভবকে সম্ভব করেছে তেলাঙ্গানা। বাংলার রাজনীতিবিদরা বলেন, ‘বাংলা নাকি গোটা ভারতকে পথ দেখায়’। শিক্ষিত মানুষদের ভোটে দাঁড় করিয়ে বাংলা কবে ছুঁতে পারবে তেলাঙ্গানাকে? সেই আলোর পথে কোনদিন কি হাঁটতে পারবে আমাদের বাংলা? তবেই উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগোতে পারবে বাংলা। শিক্ষিত মানুষদের হাতে রাজ্যের শাসনভার না গেলে ‘উন্নয়ন’ বা ‘আচ্ছে দিন’ কোনটাই দিনের আলো দেখবে না।

পড়ুন হাড়হিম করা অদ্ভুত সত্য গল্প

পড়ুন প্রথম পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

পড়ুন দ্বিতীয় পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

পড়ুন তৃতীয় ও শেষ পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

]]>
‘অশিক্ষিত রাজনীতিবিদ’ কলঙ্ক ঘোচাতে বুড়ো বয়সে মাধ্যমিকে https://thenewsbangla.com/uneducated-politician-to-end-this-blame-old-politician-appeared-in-secondary-examination/ Fri, 14 Dec 2018 15:43:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4191 কৃষ্ণা দাস, The News বাংলা, শিলিগুড়িঃ বর্তমানে বেশিরভাগ রাজনীতিবিদ অশিক্ষিত। বলা হয় ‘আঙ্গুঠাছাপ’। আর সেই বদনাম ঘোচাতেই এবার বুড়ো বয়সে উদ্যোগী হলেন এক কাউন্সিলার।’পাছে লোকে কিছু বলে’, ভাবনাকে সরিয়ে রেখেই মাধ্যমিকের ফর্ম ফিলাপ করেন ৪০ বছরের রাজনীতিবিদ।

আরও পড়ুন: বাংলায় উদ্বাস্তুদের নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করল বামফ্রন্ট

শিক্ষার যে কোনো বয়স হয় না, তা ফের একবার প্রমান দিলেন শিলিগুড়ি পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার নিখিল সাহানী। ৪০ বছর বয়েসেও তিনি মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে নজির সৃষ্টি করলেন। সেই সঙ্গে তাঁর ওয়ার্ডের যে কোনো গরীব পরিবারের কেউ অর্থের জন্য পড়াশুনা করতে না পারলে, তাদের আর্থিক সাহায্য করবেন বলে আশ্বাস দিলেন তিনি।

শিলিগুড়ি পুরনিগমের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের রানা বস্তির বাসিন্দা নীখিল সাহানী। ১৯৯৪ সালে শিলিগুড়ির ভারতী হিন্দি হাই স্কুলে অষ্টম শ্রেনীতে পাশ করার পর পড়াশুনা থেকে অব্যহতি নেন। সে সময় এই বিদ্যালয়টি জুনিয়র স্কুল ছিল। নবম শ্রেনীতে ভর্তি হতে গেলে নতুন স্কুলে বেশ কিছু অর্থ ব্যয় হবে।

আরও পড়ুনঃ রাহুলের হার রাফায়েলে সুপ্রিম কোর্টে জয় নরেন্দ্র মোদীর

অথচ তাঁর পরিবারের তেমন আর্থিক সংগতি ছিল না। তাই আর পড়াশুনা হয়ে ওঠে নি। বর্তমানে তিনি শিলিগুড়ি পুরনিগমের বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর। তাঁর কাছে ওয়ার্ডের বিভিন্ন লোকজনকে নানারকম কাজের জন্য আসতে হয়। এদিকে তিনি মাধ্যমিক পাশ না করায় “আঙ্গুঠা ছাপ” ও “অশিক্ষিত” সহ নানা রকম কটুক্তি শুনতে হয়।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ২৫ টাকা কেজি পেঁয়াজ, নাসিকে দাম না পেয়ে আত্মহত্যা

এরপরই তিনি মনস্থ করেন যে, তিনি তার এই “আঙ্গুঠা ছাপ” ব্যঙ্গের অবসান ঘটাবেন। চলতি বছর তিনি রবীন্দ্র মুক্ত বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেন। কিন্তু সেখানে তিনি বাংলা বিষয়ে অকৃতকার্য হন। তবু তিনি থেমে থাকেন নি। শুক্রবার তিনি ফের ওই বিষয়ে পরীক্ষা দিতে যান এদিকে দুদিন ধরে তিনি জ্বরে আক্রান্ত। তা সত্বেও সব বাধা অতিক্রম করে তিনি পরীক্ষা দেন।

আরও পড়ুন: বিধায়কের গাড়িতে বোমা গুলির ‘শুট আউট’ এর তদন্তে সিআইডি

মাঝপথে যারা পড়াশুনা ছেড়ে দিয়েছে তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘পড়াশুনার কোন শেষ বা বয়েস হয় না’। একজন জন প্রতিনিধি হিসেবে তিনি যখন এই বয়েসে এসেও পড়াশুনা করে ডিগ্রি নেবার চেষ্টা করতে পারেন, তখন অন্যরা এতে উৎসাহ পাবে বলে তিনি আশা করেন।

পাশাপাশি যে সমস্ত যুবারা পড়াশুনো বিমুখ তাদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন, ‘সরকার কর্মসংস্থানের অনেক পথ খুলে দিয়েছে’। ডিগ্রির অভাবে অনেক যুবারা তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই স্কুলে গিয়ে নতুন করে পড়াশুনা না করতে পারলেও এরকম মুক্ত বিদ্যালয়গুলি থেকে পরীক্ষা দিয়ে ডিগ্রি অর্জন করার পরামর্শ দেন তিনি।

]]>