Trinamool – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 29 Jun 2019 08:00:26 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Trinamool – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ফ্যাসিবাদে আক্রান্ত দেশ, প্রথম ভাষণেই মোদীকে কটাক্ষ মহুয়ার https://thenewsbangla.com/tmc-mp-mahua-moitra-point-signs-of-fascism-against-modi-in-debut-speech/ Sat, 29 Jun 2019 07:16:47 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14685 রাতারাতি লাইমলাইটে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। প্রশংসায় মুখর অধিকাংশ রাজ্যবাসি। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের বিপুলভাবে জয়লাভের পর; বিরোধী পক্ষ নিয়ে সংশয় ছিল। বাংলার মহুয়া মৈত্রের উপস্থিতি সরকারের অস্বস্তি বাড়াতে পারে বলে; প্রথম ভাষণের পরেই মনে করছেন দিল্লির রাজনৈতিক মহল।

সাংসদ হিসাবে মহুয়া মৈত্র লোকসভার প্রথম ভাষণে দাবি করেন; ভারতে ফ্যাসিবাদের প্রতিটি চিহ্ন স্পষ্ট। মহুয়ার ভাষণে যথেষ্ট অপ্রস্তুতে পরেন; বিজেপি তথা মোদী সরকার। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে ভারতের সংবিধানের আদর্শের কথা; ও বিজেপি সরকারের তা অমান্য করার কথা। মোদী সরকারকে ফ্যাসিবাদের সরকার; বলে ইঙ্গিত দিয়ে বিতর্ক উসকে দেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ মুসলিম স্কুলে খাবার ঘর, বিতর্কের জেরে সার্কুলার প্রত্যাহার করে নিলেন মমতা

কৃষ্ণনগরের সাংসদের বক্তৃতা টুইটার সহ; গোটা সোশ্যাল মিডিয়াতে আলোড়ন ফেলেছে ইতিমধ্যেই। ইহুদি গণহত্যার একটি পোস্টার দেখিয়ে তিনি বলেন; “আমাদের ঠিক করতে হবে; আমরা ইতিহাসের কোন অংশ হতে চাই। যে পক্ষ সংবিধানের সমর্থক নাকি; যে পক্ষ হয়েছে সংবিধানের শববাহক”।

মৌলানা আবুল কালাম আজাদকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন; “দেশের সংবিধান আক্রান্ত। মানুষের স্বাধীনতা আক্রান্ত”। দেশ যে ভাঙতে চলেছে; তার সাতটি প্রমাণের বিশদ ব্যাখ্যা দেন সাংসদ মহুয়া। বক্তৃতা শেষ করেন উর্দু কবি রাহাত ইন্দোরির একটি কবিতা দিয়ে। যার শেষ লাইন;‘কিসিকা বাপ কা হিন্দুস্তান থোড়ি হ্যায়’।

মহুয়া বলেন; “আপনারা বলতেই পারেন ‘আচ্ছে দিন’ এসে গিয়েছে; এবং ভারতীয় সাম্রাজ্যের সূর্য যাতে কখনও অস্ত না যায় সরকার সেটাই চাইছে। কিন্তু তাহলে আপনারা বিপদ সঙ্কেতটা ধরতে পারছেন না। যদি আপনি চোখ খোলেন; দেখবেন দেশের সর্বত্র প্রমাণ ছড়িয়ে রয়েছে; যা থেকে বোঝা যাচ্ছে দেশটা ভাগ হতে চলেছে”।

এনআরসি নিয়ে তিনি বলেন; যে দেশের নেতারা নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রমাণের জন্য সার্টিফিকেট দেখাতে পারেন না; সেই দেশে ৫০ বছর ধরে থাকা মানুষদের নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য হেনস্থা করা হচ্ছে গরিবদের।

দেশজুড়ে চলতে থাকা হিংসার কথাও তিনি বলেন। ঝাড়খণ্ডের গণপিটুনির প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। মহুয়া বলেন; “২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সময়কালে বেড়েছে হিংসাজনিত অপরাধ”। মহুয়া প্রথম ভাষণেই বুঝিয়ে দিয়েছেন; আগামী ৫ বছর তিনিও বিজেপি বিরোধী মুখ হিসাবে উঠে আসতে চলেছেন।

]]>
তৃণমূল বিজেপি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বাংলার সব এসপি অফিস ঘেরাও করল বিজেপি https://thenewsbangla.com/tmc-bjp-clash-all-police-super-office-gherao-in-bengal-by-bjp/ Mon, 24 Jun 2019 06:18:43 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14305 রাজ্য জুড়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে; রাজ্যের সব এসপি অফিস ঘেরাও করল বিজেপি। দিলীপ ঘোষ ঘোষণা করেছিলেন, সোমবার রাজ্যের প্রতিটি জেলায়; পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাও করা হবে। তিনি বলেছেন, “তৃণমূল নেতাদের জনরোষের হাত থেকে রক্ষা করতে; পুলিশ বারবার গুলি চালাচ্ছে”।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কেও এদিন সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। শনিবার বাঁকুড়ার পাত্রসায়রে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে; তৃণমূলের মিছিলকে কেন্দ্র করে; উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। তৃণমূলের মিছিল ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া শুরু করে। ২ বিজেপি সমর্থক-সহ মোট ৩ জন গুলিবিদ্ধ হন।

বিজেপির অভিযোগ, পুলিশ গুলি চালিয়েছে। পুলিশ অবশ্য গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করেন। বিজেপি অভিযোগে অনড় থেকে; ইতিমধ্যেই পাত্রসায়রের ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছে। ভাটপাড়া নিয়েও; সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছে বিজেপি। রাজ্যের সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা বলে; বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে দেন দিলীপ ঘোষ।

দিলীপ ঘোষের কথা অনুযায়ী; সোমবার দুপুর ১২টা থেকেই; রাজ্যের সব জেলায়; বিজেপি পথে নামল। ঘেরাও করা হল সব পুলিশ সুপার অফিস। গত কয়েকদিনে ভাটপাড়া, আমডাঙা, পাত্রসায়র, খণ্ডঘোষ, নরেন্দ্রপুর, চোপড়া থেকে; রাজনৈতিক হিংসার খবর আসতে শুরু করে; তারই প্রতিবাদে বিজেপির রাস্তায় নামা।

আরও পড়ুনঃ খেয়েছেন যারা কাটমানি, দাদারা অথবা দিদিমণি, কাটমানি নিয়ে মমতাকেই আক্রমণ নচিকেতার

দিলীপবাবু বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃঙ্খলার অবস্থা এখন যে রকম, তা শুধু রাজ্যের নয়; সারা দেশের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মীদের রক্ষা করার জন্য আমাদের রাস্তায় নামা ছাড়া; আর কোনও পথ খোলা নেই”।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো কথা বলছেন। কাটমানির কথা মুখ্যমন্ত্রী এত দিন জানতেন না, এমন তো নয়। উনি সব জানতেন। এত দিনে স্বীকার করছেন”। দিলীপবাবু আরও বলেন যে; “যে কাটমানির বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মুখ খুলেছেন; তার ভাগ মুখ্যমন্ত্রী নিজেও পান”।

দিলীপবাবু বলেন, “এ রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে তৃণমূল ‘বোড়ে’ হিসেবে ব্যবহার করছে। তাঁর মন্তব্য, “সংখ্যালঘু সমাজের চিন্তা করার প্রয়োজন রয়েছে। কোনও রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার হিসেবে তারা যেন ব্যবহৃত না হন। না হলে তাদের সুরক্ষা নিয়েই সংশয় দেখা দেবে”। “বিজেপিই রাজ্য জুড়ে অশান্তি ছড়াচ্ছে; পাল্টা অভিযোগ তৃণমূলের।

]]>
ভোটের ফল দেখেই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলের দুই সাংসদ https://thenewsbangla.com/trinamool-mps-can-join-the-bjp-after-the-election-results/ Wed, 22 May 2019 13:17:34 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13086 রাত পোহালেই ভোটের মহাযুদ্ধের ফলাফল। সিংহাসনে বসবে কে; এনডিএ নাকি ইউপিএ তা নিয়ে চলছে তর্ক বিতর্ক। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে; বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার পুনরায় মসনদে ফিরতে চলেছে।

এদিকে বাংলায় এক ধাক্কায় গতবারের কয়েক গুন আসন বাড়িয়ে নেবে বিজেপি; এমনই সম্ভাবনা উঠে এসেছে সমীক্ষায়; সমীক্ষার ফল বেরোতেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল থেকে শিবির বদলে পদ্ম শিবিরে নাম লেখানোর জল্পনা উঠে আসছে।

আরও পড়ুন সাট্টা বাজারের রিপোর্টেও গেরুয়া ঝড়ের ইঙ্গিত

সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর; বুথ ফেরত সমীক্ষার ফলাফল বের হতেই রাজ্যে পালাবদলের ইঙ্গিত পেয়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন দুই তৃণমূল সাংসদ। যদিও কোন দুই তৃণমূল সাংসদ যোগ দিতে চলেছেন; তা জানা যায়নি। ভোটের ফলাফল বের হলেই; তারা বিজেপিতে যোগ দেবেন বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে বহুবার রাজ্য বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মুকুল রায় দাবি করেছেন; প্রায় ১০০ জন তৃণমূল বিধায়ক তাত সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও একই দাবি করেন। ভোটের ফলাফল বের হলেই তৃণমূল দল ভেঙে পড়বে বলে অনেকবার দাবি করেছেন বিজেপি নেতারা।

আরও পড়ুন নির্বাচন কমিশনের তোপে পড়ার আশঙ্কা, মমতার কাছে যাচ্ছেন না আমলারা

১৯শে মে ভোট শেষ হতেই একাধিক সংস্থা তাদের বুথ ফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করে। তাতে দেখা যায়; রাজ্যে ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে বিজেপি অন্তত ১১ থেকে সর্বাধিক ২৩ টি আসন পেতে পারে; এমনকি ভোটের শতাংশে তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে জোর টক্কর চলবে বলে সমস্ত সমীক্ষায় আভাস মিলেছে। এর ফলে তৃণমূল নেতাদের দলত্যাগের সম্ভাবনা আরও বেড়েছে বলেই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

]]>
দলবিরোধী কাজকর্ম চালানোর জন্য দল থেকে বহিষ্কৃত তৃণমূল নেত্রী https://thenewsbangla.com/trinamool-leader-expelled-from-the-tmc-party-to-run-anti-party-activities/ Fri, 03 May 2019 14:04:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12271 দলবিরোধী কাজকর্ম চালানোর জন্য দল থেকে বহিষ্কার করা হল দার্জিলিং ডিস্ট্রিক্ট হিল তৃণমূল কংগ্রেসের সারদা রাই সুব্বাকে। শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেস দলের শৃঙ্খলা কমিটি সারদা রাই সুব্বার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং দলবিরোধী কাজে বারবার যুক্ত থাকার অভিযোগ এনে তাকে দল থেকে ছয় বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

পার্টির তরফে পরিষ্কার করেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে; আর কোনও পরিস্থিতিতেই সারদা রাই সুব্বার সাথে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। যেকোনও ধরনের বেআইনি ধরনের কাজকর্মে সারদা রাই যুক্ত থেকে থাকলে; তৃণমূল কংগ্রেস দল কখনোই দল তার দায়িত্ব নেবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

দলের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করে দার্জিলিং বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন পাহাড়ের তৃণমূল নেত্রী সারদা সুব্বা রাই; নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি; এই আসনে তৃণমূল সমর্থিত নির্দল প্রার্থী মোর্চা নেতা বিনয় তামাং; প্রার্থী দিয়েছে বিজেপিও।

আরও পড়ুনঃ অবাস্তব ঘটনা বাস্তবে, ফণীর দাপটে লোহার চেন দিয়ে ট্রেন বেঁধে রাখল রেল কর্তৃপক্ষ

এদিকে পাহাড়ে সারদা সুব্বা রাই নির্দল হয়ে নমিনেশন পেশ করায় পাহাড়ের সমস্যার মুখে তৃণমূল কংগ্রেস। সূত্রের খবর অনুযায়ী; পাহাড়ের তৃণমূল নেত্রী সারদা সুব্বা রাই-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ; ২০১৭-তে পাহাড়ে টানা বনধে বিমল গুরুং-এর পাশে বিশেষ ভূমিকায় ছিলেন তিনি।

ফলে পাহাড়ের বাসিন্দারা তৃণমূল সমর্থিত নির্দল প্রার্থী বিনয় তামাংকে ভোট দেবেন না; তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও করেছেন তিনি। তাঁর অভিযাগ; পাহাড়ে বিভিন্ন অনিয়ম করলেও বিনয় তামাং-এর সহযোগীরাই নানা সুবিধা পাচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ ফণীর তাণ্ডবে মৃত ৬, চোখের নিমেষে পুড়ে গেল দোতলা বাড়ি

এছাড়াও পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগও করেছেন তিনি; এই অভিযোগেই তাকে বহিষ্কৃত করা হল। দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেও নিজেকে দলের অনুগত সৈনিক হিসেবে দাবি করেছেন সারদা সুব্বা রাই। দল তাঁর বিরুদ্ধে কোনও সিদ্ধান্ত নিলে তিনি তা মেনে নেবেন বলেই জানিয়েছেন তিনি।

]]>
ঘোড়া গাধা খচ্চর বিতর্কের পর গরুর গাড়িতে প্রচার, বিরোধী মতে মরার গাড়িতে তৃণমূল https://thenewsbangla.com/trinamool-campaigns-on-bullock-cart-bjp-call-cart-of-carcass/ Mon, 08 Apr 2019 08:46:59 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10283 তিনি মানেই প্রচারে অভিনবত্ব। কখনও হুড খোলা গাড়ি, কখনও খচ্চরের পিঠে চড়ে ভোট প্রচারের পর এবার গোরুর গাড়িতে। রবিবাসরীয় প্রচারে বেরিয়ে এবার সুসজ্জিত গোরুর গাড়িতে সওয়ার হয়ে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা তাঁর নির্বাচনী এলাকায় প্রচার চালালেন। তবে এখানেও বিতর্ক। বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে মরার গাড়ি।

আরও পড়ুনঃ সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে ভোট বন্ধ করে দেবার হুমকি লকেটের

অসংখ্য দলীয় কর্মী সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে রবিবার জয়পুর ব্লকের কুচিয়াকোল গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রামে ঘোরেন বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা। তৃণমূল প্রার্থী শ্যামল সাঁতরা ভোট প্রচারে বেরোনো মানেই মানুষের ঢল।

আরও পড়ুনঃ নারদা-সারদার মূল পান্ডাকে কোলে নিয়ে ঘুরছেন মোদী, দিনভর তরজা মুকুল মমতার

প্রত্যাশিতভাবে কুচিয়াকোলও তাঁকে নিরাশ করেনি। গ্রামে ঢুকে বার বার থামাতে হয়েছে গোরুর গাড়ি। মানুষ ছুটে এসেছেন ফুলের মালা নিয়ে। চন্দনের ফোঁটা, গলায় ফুলের মালা পরিয়ে শঙ্খ ও উলুধ্বণীর মাধ্যমে তাঁকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বারাসাত কেন্দ্রের বিজেপি ভোট প্রার্থী নিজেই কোনদিন ভোট দেননি ভারতে

কয়েকদিন আগেই একটি প্রাণীর পিঠে চেপে ভোট প্রচারে বেরোন তিনি। তাঁর তরফ থেকে দাবি করা হয় সেটি ঘোড়া। বিরোধীরা বলে গাধার পিঠে চাপলেন বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা। যদিও পরে প্রমাণ হয় সেটি খচ্চর।

আরও পড়ুনঃ নবরাত্রি উপলক্ষ্যে জোরপূর্বক দুই শতাধিক মাংসের দোকান বন্ধের অভিযোগ হিন্দু সেনার বিরুদ্ধে

এদিন গরুর গাড়ি সাজিয়ে তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা প্রচার করেন। তিনি বলেন, আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সারা রাজ্যের সাথে এই এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে তা ইতিপূর্বে কখনো হয়নি। আমাদের নেত্রীকে দেখেই মানুষ জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দেবেন।

আরও পড়ুনঃ তিন তালাকের ব্যাপারে সরকারের হস্তক্ষেপ অনুচিত, বলছেন মুসলিম মহিলারা

আর এদিনও তাঁর সাজানো গরুর গাড়িকে ঠিক যেন মরার গাড়ি বলে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে, মরার গাড়িতে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা।

আরও পড়ুনঃ সাহস থাকলে কেরালা বা তামিলনাড়ু থেকে লড়ুন, মোদীকে চ্যালেঞ্জ শশীর

তবে তৃণমূলের তরফ থেকে এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, হার নিশ্চিত জেনেই বিজেপি উল্টো পাল্টা বকছে। বিজেপি বলেছে, মানুষের হাসির খোরাক হচ্ছেন তৃণমূল প্রার্থী।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয়দের বাঁদরের সঙ্গে তুলনা করলেন রাহুলের গুরু পিত্রোদা

আপাতত গাধা ঘোড়া ও খচ্চর বিতর্কের পর এবার গরুর গাড়ি না মরার গাড়ি, এই বিতর্কে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা। তবে প্রচারে যে তিনি জাঁকিয়ে বসছেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুনঃ কংগ্রেস নির্বাচনী ইস্তাহারকে প্রো জিহাদ ও অ্যান্টি ইন্ডিয়া বলে আক্রমণ কোয়েনা মিত্রের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের https://thenewsbangla.com/trinamool-only-has-problems-with-central-force-in-west-bengal/ Mon, 18 Mar 2019 12:15:51 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8714 শনি ও রবিবারের পর সোমবারেও রাজ্য জুড়ে রুট মার্চ করল কেন্দ্রীয় বাহিনী। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম সবাই মুখ খুলেছেন এই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে। বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের? উঠছে প্রশ্ন।

সোমবার, কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে রুটমার্চ করল কেন্দ্রীয় বাহিনী। যাদবপুর, ওয়েলিংটন থেকে গার্ডেনরিচ- সর্বত্রই শোনা গেল ভারী বুটের শব্দ। এদিকে বাহিনীর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

>আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

আমডাঙা, বাঁশদ্রোণী, যাদবপুর, বিজয়গড়, ওয়েলিংটন, ওয়াটগঞ্জ, খিদিরপুর, গার্ডেনরিচ, মেটিয়াবুরুজ – রাজপথ থেকে অলিগলি, রবিবার শহরের আনাচে কানাচে রুটমার্চ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল ও সন্ধ্যায় রোজই রুটমার্চ চলবে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নিয়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত মন্তব্য ক্ষিতির

পাড়ার মোড়ে মোড়ে স্থানীয় মানুষ ও দোকানদার-ব্যবসায়ী সবার সঙ্গে কথা বলছেন বাহিনীর সদস্যরা। নির্বিঘ্নে ভোটদানের আশ্বাস দিচ্ছেন এলাকার মানুষকে। এদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, “বিজেপি বাহুবলী হতে চাইছে, কাশ্মীরেও এত কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে কি না সন্দেহ। তার থেকেও বেশি বাহিনী এখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে”।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

“কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেই বাড়ি–বাড়ি হুমকি দিচ্ছে, বাহিনী পক্ষপাতদুষ্ট”, অভিযোগ করেছে তৃণমূল। রবিবার দক্ষিণ কলকাতার নজরুল মঞ্চে প্রার্থী মালা রায়ের সমর্থনে কর্মিসভা ছিল। পার্থ চ্যাটার্জি থেকে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত বক্সি, সুব্রত মুখার্জি ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সকলেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

তারা বলেছেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেই বাড়ি–বাড়ি হুমকি দিচ্ছে”। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জি বলেন, ‘”বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে দেখা গেছে, তারা হুমকি দিচ্ছে। পক্ষপাতদুষ্ট এই বাহিনী। কাশ্মীরেও এতো বাহিনী পাঠানো হয়নি। এরা রুটমার্চ করতেই পারে। রুটমার্চের নামে যা করছে তা মেনে নেওয়া যায় না”।

আরও পড়ুনঃ চোখ মেরে শাড়ির আঁচল ফেলে প্রচার মুনমুনের, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকুক বা না থাকুক, আমাদের কিছু এসে যায় না। ২০১৪–র নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করেছিল। বিজেপি ভেবেছিল আমরা হেরে যাব। ৩৪টি আসন আমরা পেয়েছিলাম। সে–সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী কম অত্যাচার করেনি। তা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ মমতাকে দু’‌হাত ভরে আশীর্বাদ করে। ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী আমাকেই আমার বুথে ঢুকতে দেয়নি”।

আরও পড়ুনঃ ভাটপাড়ায় অনাস্থা, তৃণমূল বনাম বিজেপির জমজমাট লড়াই

মেয়রের প্রশ্ন, “এত আগে থেকে কেন বাহিনী পাঠানো হল?‌ কাশ্মীর ও জঙ্গলমহলে শান্তি ফেরাতে এতো বাহিনী পাঠানো হয়নি। আমার মনে হয়, এর পেছনে বিজেপি–র রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। বাহিনী আসতেই পারে। এসে যে–কাজ ওরা করছে তা সমর্থনযোগ্য নয়”।

কেন এত আগে থেকে বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হল তা নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হচ্ছে। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিজেপি প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না। কোনও সংগঠন নেই। এদিন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, সুব্রত মুখার্জি ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বাহিনী নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ মোদীর সঙ্গে সবাই চৌকিদার, অদ্ভুত প্রচার বিজেপির

সুব্রত বক্সি বলেন, ‘”২০০৪ সালে এক দফায় লোকসভা নির্বাচন হয়। তৃণমূল একটি আসন পায়। ২০০৯–এ তিন দফায় ভোট হয়। আমাদের আসন সংখ্যা বেড়ে ১৯ হয়। ২০১৪ সালে পাঁচ দফায় ভোটে তৃণমূল পায় ৩৪টি আসন। এবার সাত দফা ভোটে তৃণমূল পাবে ৪২–এ ৪২”।

তৃণমূল নেতারা বলেন, “এই কয়েক বছরে যতবার ভোট হয়েছে ততবারই কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে। মানুষ কিন্তু ভরসা রেখেছে মমতা ব্যানার্জির ওপরে। সিপিএম, কংগ্রেস জোট নিয়ে নাটক করছে। যত পারে করুক। আখেরে কোনও লাভ হবে না। বিজেপি–কে মানুষ প্রত্যাখান করবে”। তারপরেও কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অভিযোগ বুঝতে পারছেন না বিরোধীরা।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “মমতা যেভাবে উন্নয়ন করেছেন তাতে যত বাহিনী আসুক ভোটে তার কোনও প্রভাব পড়বে না। এর পিছনে রাজনীতি আছে। ওদের নিয়ে ভয়ের কোনও কারণ আছে বলে মনে করি না। গোটা বাংলা জুড়ে মমতা কেন্দ্রের অসহযোগিতা সত্ত্বেও যে উন্নয়ন করে চলেছেন, তাতে বিরোধীরা কোনও সুবিধে করতে পারবে না”।

আরও পড়ুনঃ ২০২৫ সালের পর ভারতের অংশ হবে পাকিস্তান, ঘোষণা আরএসএস নেতার

ভোটে ১৩৫ কোম্পানি আধা সেনা কেন মোতায়েন করা হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। রাজ্যে ভোটে নিরাপত্তা নেই অভিযোগ বাম, কংগ্রেস, বিজেপির সবার। পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার প্রমান সন্তুষ্ট করেছে নির্বাচন কমিশনকেও। তাই এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে বাংলাকে মুড়ে দিয়েই ভোট করাবে কমিশন।

তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ২০১৬ বিধানসভা জিতে আসা তৃণমূল কংগ্রেস কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন এত সমালোচনা করছে, বিরোধী দলগুলির পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে আমজনতার মনেও।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বিজেপি নেতাকে পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে পেটাল তৃণমূল নেতাকর্মীরা https://thenewsbangla.com/bjp-leader-hackled-by-trinamool-congress-in-coochbihar/ Mon, 18 Mar 2019 07:34:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8678 বিজেপি নেতাকে পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে পেটাল তৃণমূল নেতাকর্মীরা। আর বিজেপির এই অভিযোগ কে ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।

এক বিজেপি নেতাকে নিজেদের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনা কোচবিহার জেলার শীতলকুচি ব্লকের ঠগেরডাঙা এলাকায়। বিজেপির তরফ থেকে থানায় ও নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেই জানিয়েছে স্থানিয় বিজেপি। যদিও বিজেপির সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ মমতা কি পাকিস্তানের কণ্ঠ, বিতর্কিত প্রশ্ন নিৰ্মলার

বিজেপির অভিযোগ, রবিবার সন্ধ্যায় ব্লক সভাপতিদের সাথে বৈঠক সেরে ফিরছিলেন স্থানিয় বিজেপি নেতা বরেনচন্দ্র বর্মণ। এইসময় তাঁকে তৃণমূল নেতা কর্মীরা স্থানিয় তৃণমূল পার্টি অফিসে ঢুকিয়ে বেধড়ক মারধর করে বলেই অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটে কোচবিহার জেলার শীতলকুচি ব্লকের ঠগেরডাঙা এলাকার।

আরও পড়ুনঃ ম্যায় ভি চৌকিদার হু, আমজনতাকে ভোটের স্লোগান জানিয়ে দিলেন মোদী

গুরুতর আহত বরেনচন্দ্র বর্মণকে কোচবিহার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা গুরুতর বলেই জানা গেছে। এই ঘটনায় আহত হন আরও একজন বিজেপি নেতা। তাকেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃমসজিদে ঢুকে মুসলিমদের গুলি করে হত্যা করা নিয়ে বিস্ফোরক তসলিমা

বরেনচন্দ্র বর্মণ গত বিধানসভায় বিজেপির প্রার্থী ছিলেন।এবারেও তিনি ভোটের প্রচার শুরু করেছিলেন। বিজেপির অভিযোগ স্থানিয় এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এর বিরুদ্ধে। তৃণমূল ভয় পেয়েই এই কান্ড ঘটাচ্ছে বলেই অভিযোগ বিজেপির।

আরও পড়ুনঃ ২০২৫ সালের পর ভারতের অংশ হবে পাকিস্তান, ঘোষণা আরএসএস নেতার

তবে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের দাবি, মিটিং থেকে ফেরার পথে ওই নেতার বাইকে ধাক্কা লাগে এক ব্যক্তির। সেই কারনে, গন্ডোগল শুরু হয়। এর সঙ্গে রাজনীতি বা তৃণমূলের কোন সম্পর্ক নেই। বিনাকারণে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম জড়ান হচ্ছে বলেই জানিয়ে দিয়েছে স্থানিয় তৃণমূল নেতারা।

আরও পড়ুনঃ মোদীর সঙ্গে সবাই চৌকিদার, অদ্ভুত প্রচার বিজেপির

তবে এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের দারস্থ হচ্ছে বিজেপি। ভোটের মুখে বিজেপি নেতা কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই তৃণমূলের এই পরিকল্পিত হামলা বলে অভিযোগ দায়ের হচ্ছে নির্বাচন কমিশনে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>