TMC West Bengal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 16 Mar 2019 10:59:35 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg TMC West Bengal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ভুল মানুষের ছবি দিয়ে ভোট প্রচার তৃণমূলের https://thenewsbangla.com/namesake-confusion-in-trinamool-congress-campaign-in-jhargram/ Sat, 16 Mar 2019 10:57:05 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8602 রবিবার ২০১৯ লোকসভা ভোটের প্রার্থী তালিকার নাম ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী, মমতা বন্দোপাধ্যায়। কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার সময় মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন ‘মিসেস বিরবাহা সরেন’।
তারপর একি ঘটল?

বিরবাহা সরেনের বদলে বসলো বিরবাহার হাঁসদার ছবি! একজন শিক্ষিকা, অন্যজন অভিনেত্রী! এই ভুলের কারন অবশ্য অন্য। ঝাড়গ্রাম অঞ্চলে ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশায় বিরবাহা হাঁসদা সাঁওতালি সিনেমার মহানায়িকা হিসেবে সুপরিচিত। একাধিক সাঁওতালি সিনে পুরস্কার রয়েছে বিরবাহার ঝুলিতে। পেয়েছেন জাতীয় অভিনেত্রীর সম্মানও। দুজনের নাম এক হওয়ায় তার সাথে আসল প্রার্থীকে গুলিয়ে ফেলে কিহু তৃণমূল কর্মী।

আরও পড়ুনঃ বাড়ি ভাংচুর, থানায় এফআইআর, বিজেপির অর্জুনকে শিক্ষা দিতে উদ্যোগী তৃণমূল

কে প্রাথী হবেন তা নিয়ে তৃণমূলের বিভিন্ন মহলে দুই বিরবাহার নাম নিয়ে জল্পনা ছিল। প্রার্থী ঘোষণা শুনে ভুল করে বসেন রাজ্য তৃণমূল আদিবাসী সেলের সভাপতি দেবু টুডু। দেবু তাঁর ফেসবুক পেজ-এ ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী বিরবাহা সরেনকে ভোটে জয়যুক্ত করার আবেদন জানিয়ে পোস্ট করেন। সেখানে বিরবাহা হাঁসদার ছবি দিয়ে দেন দেবু। ওই পোস্ট ঘিরে বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

ওই পোস্ট দেখার পরে ঝাড়গ্রামে কয়েকজন তৃণমূল সহ প্রায় ৫০ জন শেয়ার করে ফেলেন। এদিকে অভিনেত্রী বিরবাহা হাঁসদার কাছে একের পর এক ফোন আসতে থাকে। জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিরবাহা হাঁসদার সবাই জানতে চায় উনি প্রার্থী কিনা! এদিকে, আসল তৃণমূলের প্রার্থী বিরবাহা সরেন হলেন আদিবাসী সামাজিক সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের নেতা রবিন টুডুর স্ত্রী। তিনি পেশায় একজন শিক্ষিকা।

আরও পড়ুনঃ মমতারই পুরোনো অস্ত্রে তাকে ভোটযুদ্ধে চরম সমস্যায় ফেললেন মুকুল

দেবু টুডু ভুলটা বুঝতে পেরেই, সেই পোস্ট ডিলিট করে দেয়। কিন্তু তাতে কি লাভ? পোস্টটি যে দেখে ফেলেছে বহু মানুষ! এই ভুল নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূলের কিছুজন। বিরবাহা হাঁসদাও জানান যে উনি মানহানির মামলা করবেন দেবু এবং তার দলের বিরুদ্ধে। এ প্রসঙ্গে দেবু জানায় যে ভুলটা তার ছেলেরা করে ফেলেছে, এবং ভুলটা সংশোধনও করা হয়েছে। দেবু পোস্টটি সরিয়ে দিয়ে বিরবাহা সরেনের ছবি দিয়ে নতুন করে পোস্ট করেন পরে।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

বিরবাহা সরেনের বাবা পদ্মলোচন সোরেন আদিবাসীদের সর্বভারতীয় সামাজিক সংগঠনের এ রাজ্যের প্রধান ছিলেন। সাঁকরাইলের রোহনী উচ্চমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে শাসকদলের প্রার্থী। শারীর শিক্ষায় স্নাতকোত্তর তিনি। স্বামী রবিন টুডু আদিবাসীদের সামাজিক সংগঠনের তিন জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা। ভোটে জেতার বিষয়ে রীতিমতো আত্মবিশ্বাসী বীরবাহা সোরেন।

আরও পড়ুনঃ ৪২টি কেন্দ্রে জেতানোর প্রার্থী নেই, অন্য দল থেকে আসা নেতার ভরসায় দিলীপ
আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির
আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

তবে, বিশেষ সুত্রে জানা গেছে, বিরবাহা হাঁসদাও দাঁড়াবে নির্বাচনে ঝাড়খন্ড গোষ্ঠীর হয়ে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মমতারই পুরোনো অস্ত্রে তাকে ভোটযুদ্ধে চরম সমস্যায় ফেললেন মুকুল https://thenewsbangla.com/bjps-mukul-roy-uses-mamata-banerjees-policies-against-her/ Sat, 16 Mar 2019 06:14:44 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8566 মুকুল রায়, ২০১৯ লোকসভা ভোটে বিজেপির অন্যতম সেনাপতি। দলে যোগ দেবার পর এই প্রথমবার বিজেপির হয়ে ভোট পরিচালনা করবেন একসময়ের তৃণমূল কংগ্রেসের চাণক্য। তৃণমূলের বহুবছরের ভোটের সেনাপতি হিসাবে দলের আঁটঘাট সবই জানেন। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাতিয়ারেই তৃণমূল ও মমতাকে সমস্যায় ফেলতে চলেছেন মুকুল রায়।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

মমতা ও তৃণমূল কংগ্রেসকে এবারের ভোটযুদ্ধে সমস্যায় ফেলতে পাল্টা চাল দিচ্ছেন দলের একসময়কার সেকেন্ড ইন কম্যান্ড মুকুল রায়। বাম আমলে নির্বাচনের সময় যে যে অভিযোগের চিঠি মমতা তুলে দিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনের হাতে, সেই সব চিঠি ফের কমিশনকে দিচ্ছেন মুকুল রায়।

তাতে যে সমস্ত অভিযোগ ছিল সেই একই অভিযোগ এবার মমতার বয়ানেই নির্বাচন কমিশনে করছেন মুকুল রায়। রাজ্যের কোথায় সন্ত্রাস হয়, কোথায় স্পর্শকাতর বুথ আছে, মমতার সেই হিসাবই এবার কমিশনকে দিচ্ছেন মুকুল।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির

শুধু তাই নয়। বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন বাংলার গণতন্ত্র নিয়ে একখানি বই লিখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেজ পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত মমতার লেখা বইটির নাম ‘SLAUGHTER OF DEMOCRACY’। রাজ্যে গণতন্ত্র এর বেহাল অবস্থার পাশাপাশি সেখানে রাজ্যের কোন কোন বুথকে স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করতে হবে সেই দাবিও আছে।

বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন ওই বইটি লিখেছিলে তৃণমূল নেত্রী নিজেই। বইয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচনের দাবিও তোলা হয়। বিভিন্ন ঘটনা বর্ণনা করে বাংলার গনতন্ত্র বিপন্ন সেটাই বোঝানো হয়। এই বইটিও এবার নির্বাচন কমিশনের কাছে উপহার দিতে চলেছেন মুকুল রায়।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

নির্বাচন কমিশনকে লেখা তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠিপত্রও এবার নির্বাচন কমিশনে জমা দিচ্ছেন মুকুল রায়। ওই চিঠিপত্রে মমতা দাবি করেছিলেন, কোন বুথেই রাজ্যের হোমগার্ড রাখা চলবে না। রাজ্য পুলিশকে কোন দায়িত্ব দেওয়া চলবে না। প্রতিটি বুথেই মোতায়েন করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ভোট করাতে হবে।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

মুকুল রায় ও বিজেপির বক্তব্য, এই দাবিগুলিই তো এখন তারা তুলেছে। এটা যদি বাংলাকে অপমান করা হয়, তাহলে মমতা কি বাংলাকে অপমান করেননি তখন? আজ বিজেপি একই দাবি তুলছে বলে তৃণমূল ধর্মতলায় অবস্থান করে নির্বাচন কমিশনের উপর চাপ বাড়াতে চাইছে।

তৃণমূলের এই দুই মুখকে তুলে ধরতেই নির্বাচন কমিশনে মমতার সব চিঠি ও বাংলার গণতন্ত্র নিয়ে লেখা বই জমা দিচ্ছেন মুকুল রায়। এর ফলে বাংলায় স্পর্শকাতর বুথের দাবি যে মমতা অনেক আগেই তুলেছিলেন সেটা প্রমাণ হবে। অন্যদিকে রাজ্যের গনতন্ত্র যে এখনও বিপন্ন সেটাও নির্বাচন কমিশনের কাছে তুলে ধরা যাবে।

আরও পড়ুনঃ অর্জুনকে ওপেন চ্যালেঞ্জ অভিষেকের, দীনেশ ত্রিবেদীকে ২ লাখ ভোট জেতাব

মুকুলের এই পাল্টা চাল মমতাকে কতটা বেকায়দায় ফেলে সেটাই এখন দেখার। তবে তৃণমূলের তরফ থেকে বলা হয়েছে বাম আমল আর তৃণমূল আমলের আকাশ পাতাল তফাৎ হয়েছে। মুকুল রায় ও বিজেপির সব অভিযোগ মিথ্যা। আর এই ইস্যুতে দূরে দাঁড়িয়ে তাড়িয়ে তাড়িয়ে মজা উপভোগ করছেন বাম নেতারা। তাঁরা এই নিয়ে মুখ খুলতে চান নি।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>