TMC vs BJP – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 17 May 2022 08:07:12 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg TMC vs BJP – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ওয়ারেন্ট ছাড়াই বিরোধী দলনেতার অফিসে পুলিশি তল্লাশি, হাইকোর্টে শুভেন্দু https://thenewsbangla.com/police-search-opposition-leader-office-without-warrant-suvendu-adhikari-in-high-court/ Tue, 17 May 2022 08:06:33 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15098 ওয়ারেন্ট ছাড়াই বিরোধী দলনেতার অফিসে পুলিশি তল্লাশি, হাইকোর্টে শুভেন্দু। রবিবার নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা; শুভেন্দু অধিকারীর অফিসে তল্লাশি চালায় রাজ্য পুলিশ। যা নিয়ে তোলপাড়; রাজ্যের রাজনৈতিক মহল। এই ঘটনার পরেই, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়; রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেন। এবার বিষয়টি নিয়ে, সোজা আদালতে গেলেন; নন্দীগ্রামের বিধায়ক। কলকাতা হাইকোর্ট শুভেন্দুকে পুলিশের বিরুদ্ধে; মামলা দায়ের করতে অনুমতি দিল।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রামের কার্যালয়ে; ওয়ারেন্ট ছাড়াই পুলিশি তল্লাশি কেন? তা জানতে চেয়ে আগেই মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন; রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মঙ্গলবারই সেই রিপোর্ট; রাজ্যপালের কাছে পেশ হওয়ার কথা। এবার একই প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের হল; কলকাতা হাইকোর্টে। বিনা নোটিসে কেন বিরোধী দলনেতার বাড়িতে পুলিশি হানা? প্রশ্ন তুলে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে; মামলা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর প্রশ্ন, ওয়ারেন্ট ছাড়া কীভাবে বিরোধী দলনেতার অফিসে; তল্লাশি চালাল রাজ্য পুলিশ? মঙ্গলবার শুভেন্দুকে মামলাটি দায়ের করার অনুমতি দেন; হাইকোর্ট বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘সন্ধান চাই’, ‘নিখোঁজ’ তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান, পোস্টার এলাকায়

পুলিশি অভিযানের ছবি দিয়ে, বিষয়টি নিয়ে রবিবার রাতেই; ট্যুইট করেছিলেন বিরোধী দলনেতা। সেখানে তিনি লেখেন, “কোনও রকমের খবর না দিয়ে, কোনও সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই; ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে মমতার পুলিশ নন্দীগ্রামের বিধায়ক কার্যালয়ে অনধিকার প্রবেশ করে”। “এই ঘটনা মমতার সরকার পুলিশকে অপব্যবহারের মাধ্যমে; বিরোধী দলনেতার প্রতি ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে সামিল হয়েছেন”; বলেও অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বক্তব্য, “রবিবার যেখানে তল্লাশি চালানো হয়েছিল তা শুধু বিধায়কের অফিস নয়; তিনি সেখানে থাকেনও”। রবিবারের তল্লাশি নিয়ে তিনি রাজ্য পুলিশকে তীব্র কটাক্ষ করেন। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন; শুভেন্দু অধিকারী। আদালতে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “ওয়ারেন্ট ছাড়া কি ভাবে বিরোধী দলনেতার অফিসের তল্লাশি করা হল?” চাওয়া হয় মামলা করার অনুমতি।

সব শুনে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা; শুভেন্দুর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপরেই শুভেন্দুর তরফে দায়ের হয় মামলা। আগামী বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানি হবে বলে হাইকোর্ট সূত্রে খবর। এই নিয়ে পুলিশের তরফে এখনও কিছু বলা হয়নি।

]]>
‘সন্ধান চাই’, ‘নিখোঁজ’ তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান, পোস্টার এলাকায় https://thenewsbangla.com/wanted-tmc-mp-nusrat-jahan-missing-poster-in-basirhat-parliament-area/ Tue, 17 May 2022 06:25:04 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15090 ‘সন্ধান চাই’, ‘নিখোঁজ’ তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান, পোস্টার এলাকায়। বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান নাকি ‘নিখোঁজ’! হ্যাঁ, এমন পোস্টারেই ছয়লাপ হাড়োয়া বিধানসভার চাপাতলা পঞ্চায়েত এলাকা। ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়; কিন্তু আসল ব্যাপারটা কী? কেন এমন পোস্টার পড়ল এলাকায়? তাও আবার হাড়োয়া বিধানসভা এলাকায়?

সোমবার পড়েছে, নুসরাত জাহান নিখোঁজ পোস্টার। সাংসদ নাকি নিখোঁজ! শাসক দলের গো’ষ্ঠীদ্ব’ন্দ্বের জেরেই এই ধরনের পোস্টার পড়েছে বলে; দাবি বিরোধী শিবিরের। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন; স্থানীয় তৃণমূল নেতারা। দেগঙ্গা ব্লকের হাড়োয়া বিধানসভার চাঁপাতলা পঞ্চায়েতটি; বসিরহাট লোকসভার অন্তর্গত। সোমবার এই পঞ্চায়েতের কেয়াডাঙা এবং চাপাতলা এলাকায়; অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরত জাহানের নামে ‘নিখোঁজ’ এবং ‘সন্ধান চাই’ পোস্টার দেখা যায়। কোনও পোস্টারের নিচে লেখা; ‘সাধারণ জনগন’, আবার কোনওটায় লেখা ‘প্রতারিত জনগন’।

'সন্ধান চাই', ‘নিখোঁজ’ সাংসদ নুসরত জাহান, পোস্টার এলাকায়
‘সন্ধান চাই’, ‘নিখোঁজ’ সাংসদ নুসরত জাহান, পোস্টার এলাকায়

ঘটনাটি জানাজানি হতেই; এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। এ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী শিবির। অবশ্য বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ নুসরতের নামে নিখোঁজ পোস্টার মারার ঘটনাটি, ‘সাংসদের উপর এলাকাবাসীর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ’; এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। দেগঙ্গার চাপাতলা পঞ্চায়েতের প্রধান হুমায়ুন রেজা চৌধুরী বলেন; “গত ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত; বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন হাজি নুরুল ইসলাম। এলাকার উন্নয়ন-সহ সব কাজে; সাধারণ মানুষ থেকে তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে পাশে পেয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে তৃণমূল সাংসদকে; এলাকায় পাওয়াই যায় না। সম্ভবত সেই কারণেই এলাকার মানুষ; এই ধরনের পোস্টার দিয়েছে”। বিষয়টি জানার পরেই দলের কর্মীদের দিয়ে; সব পোস্টারগুলি ছিঁড়ে ফেলা হয় বলেও জানান তিনি।

যদিও, সাংসদ নুসরাত জাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি; “এটা বিরোধীদের কাজ। কোনও ইস্যু না থাকার কারণেই; বিরোধীরা এই ধরনের কুৎসা রটাচ্ছে। এলাকার উন্নয়নে সাংসদের ভূমিকা রয়েছে; স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও সাংসদ নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন”। অন্যদিকে, নিজেদের সাংসদের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ; বসিরহাটের সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, বসিরহাট উত্তর ও দক্ষিণ বিধানসভার তৃণমূলের একাংশও। তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশের অভিযোগ; তিনি শুধু ভোটের সময়; বসিরহাটে প্রচার করতে আসেন। করোনা-কালে বসিরহাটের সাংসদকে দেখা যায়নি; গতবছর আমফানের সময়ও মানুষ তাঁকে পাশে পায়নি”। এই নিয়ে সাংসদ-অভিনেত্রীর কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

]]>
“১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনার টাকা দেয়নি কেন্দ্র”, মোদীকে চিঠি মমতার https://thenewsbangla.com/100-days-work-center-not-pay-mamata-banerjee-wrote-letter-to-narendra-modi/ Fri, 13 May 2022 03:58:46 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15072 ‘এখান থেকে তুলে নিয়ে ভাগ বসাচ্ছ, টাকা দাও’; মোদীকে চিঠি মমতার। “১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনার টাকা দেয়নি কেন্দ্র”; এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন; বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফের একবার কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ফের সুর চড়িয়ে, মমতার মন্তব্য; “দুয়ারে সরকার, পাড়ায় সমাধান থেকে কন্যাশ্রী, ১০০ দিনের কাজ। কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিচ্ছে না, তুলে নিয়ে যাচ্ছে; আবাস যোজনা, কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না। রাজ্যের যে কোনও সমস্যা আমরা সমাধান করতে পারছি না”।

১০০ দিনের কাজের টাকা চাওয়া থেকে, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে; ফের সরব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি পাঠালেন মমতা। ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ প্রকল্পে বাংলার পারফরম্যান্স সবচেয়ে ভাল হওয়ার পরও; নতুন করে কোনও বরাদ্দ হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প অর্থাৎ মনরেগার টাকা পাচ্ছে না রাজ্য; তা উল্লেখ করে বকেয়া টাকা চেয়ে মোদীকে চিঠি পাঠালেন মমতা।

৪ মাস ধরে ১০০ দিনের কাজের টাকা বকেয়া থাকার অভিযোগ, আবাস যোজনায় নতুন করে বরাদ্দ টাকা না দেওয়ার অভিযোগ। অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর প্রশ্ন, “১০০ দিনের কাজের টাকা দেয়নি কেন্দ্র; টাকা এখান থেকে তুলে নিয়ে ভাগ বসায় কেন্দ্র। আর রাজ্যকে টাকা দেয় না। রাজ্যের সব সমস্যার কে সমাধান করবে?”

বৃহস্পতিবার দুপুরে WBCS অফিসারদের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে; কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অভিযোগ তুলেছিলেন, বাংলার বকেয়া টাকা দীর্ঘ সময় ধরে; আটকে রেখেছে কেন্দ্র সরকার। উলটে কর আদায় করছে। এরপর বিকেলে নবান্নে ফিরে তড়িঘড়ি; মোদীকে চিঠি লেখেন মমতা। গ্রাম বাংলার দরিদ্র জনতার স্বার্থে, বকেয়া সেই টাকা দ্রুত দিক কেন্দ্র; চিঠিতে জোর দিয়ে সেই আবেদনই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

তাঁর আরও বক্তব্য, “প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় নতুন করে অর্থ বরাদ্দ না করলে; সাধারণ মানুষজন মাথার উপর ছাদ গড়তে খুবই সমস্যায় পড়ছেন। ১০০ দিনের কাজে টাকা না দিলে; সমস্যায় পরছে বাংলার মানুষ। তাই প্রধানমন্ত্রী যেন দ্রুত এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রককে দ্রুত টাকা দেওয়ার কথা জানান; চিঠিতে এমনই আবেদন জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

]]>
মুম্বাইয়ের পর কলকাতায় অফিস খুলতে চলেছে যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশ সরকার https://thenewsbangla.com/yogi-adityanath-up-govt-is-going-to-open-an-office-in-kolkata-after-mumbai/ Thu, 12 May 2022 07:15:18 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15069 মুম্বাইয়ের পর কলকাতায় অফিস খুলতে চলেছে; যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশ সরকার। উত্তরপ্রদেশ থেকে বহু মানুষ, এই রাজ্যে আসেন; কাজের তাগিদে। কেউ আসেন ব্যবসার স্বার্থে; কেউ আসেন শ্রমিকের কাজ করতে; কেউ আসেন চাকরির স্বার্থে। বাংলায় বসবাসকারী উত্তরপ্রদেশের সেইসব নাগরিকদের সুবিধার্থে; কলকাতায় একটি অফিস খুলতে পারে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক; নিজেই একথা জানিয়েছেন।

পেটের তাগিদে দেশের বিভিন্ন কোণে ছড়িয়ে রয়েছেন; উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দারা। তাঁদের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশ সরকারের যোগাযোগকে; আরও মসৃণ করতে বিভিন্ন রাজ্যে দফতর তৈরির পথে চলছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বইয়ে; এমন একটি কার্যালয় তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এমন কার্যালয় হতে পারে কলকাতাতেও। এমনই মন্তব্য করলেন উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক।

শুধু বাংলা নয়। পেটের তাগিদে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে; ছড়িয়ে রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দারা। মুম্বই শহরেই অন্তত ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ মানুষ থাকেন, কাজ করেন; যাঁদের আদি বাড়ি উত্তরপ্রদেশে। তাঁদের সুবিধার জন্য এ বার মুম্বইয়ে তৈরি হতে চলেছে; যোগী আদিত্যনাথ সরকারের অফিস। এ কথা সম্প্রতি জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশের সরকার।

এই প্রসঙ্গেই সাক্ষাৎকারে ব্রজেশ বলেন; “ব্যবসা কিংবা চাকরির জন্য উত্তরপ্রদেশের অনেক মানুষ; রাজ্যের বাইরে বসবাস করেন। তাঁদের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশ সরকারের যোগাযোগ, আরও মসৃণ করতে; এবার উদ্যোগী হয়েছে আদিত্যনাথের সরকার। তাঁরা কোনও সমস্যায় পড়লে যাতে দ্রুত তাঁদের সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়; তা নিশ্চিত করতে মুম্বইয়ে অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি”। মুম্বাইয়ের পর এবার কলকাতা বা দিল্লিতেও; এই ধরনের অফিস খোলা হতে পারে বলে জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক।

এক সাক্ষাৎকারে ব্রজেশ পাঠক জানিয়েছেন; “মুম্বইয়ে যেমন ইউপি ভবন তৈরি হবে; আগামী দিনে তেমন কলকাতা বা দিল্লিতেও হতে পারে। সেখানে উত্তরপ্রদেশের অনাবাসী বাসিন্দারা গিয়ে থাকতে পারবেন। কোনও সমস্যায় পড়লে সরাসরি উত্তরপ্রদেশ সরকারের সঙ্গে; যোগাযোগ করতে পারবেন”।

উত্তরপ্রদেশ সরকার বারবার দাবি করে আসছে; ‘যোগীর আমলে রাজ্যে কর্মসংস্থান বেড়েছে’। অথচ, সেই যোগী সরকারই ভিনরাজ্যে পেটের দায়ে কাজ করতে যাওয়া মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য; দেশের বিভিন্ন শহরে অফিস খোলার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ঘুরিয়ে রাজ্যে কর্মসংস্থানের বেহাল দশার কথা; স্বীকার করে নিল যোগী আদিত্যনাথ সরকার?

]]>
“তৃণমূল নেতাদের পিছনে পেট্রোল ঢেলে দিন, দেখুন কেমন দৌড়ায়”, ফের বিতর্কে দিলীপ https://thenewsbangla.com/dilip-ghosh-controversial-comment-about-tmc-leaders-in-bankura/ Wed, 11 May 2022 14:24:45 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15055 “তৃণমূল নেতাদের পিছনে পেট্রোল ঢেলে দিন; দেখুন কেমন দৌড়ায়”, ফের বিতর্কে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। শাসক দলের উদ্দেশে ফের কুরুচিকর মন্তব্য; বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ও সাংসদ দিলীপ ঘোষের। বুধবার বাঁকুড়ার মাচানতলায়, এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে; তৃণমূল নেতাদের পিছনে পেট্রল ঢেলে দেওয়ার নিদান দিলেন দিলীপ ঘোষ। দৃষ্টান্ত দিয়ে তিনি ছেলেবেলায় কুকুরের পিছনে; পেট্রল ঢেলে দেওয়ার কথাও বলেন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে; ফের বিদ্বেষমূলক রাজনীতির অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা, দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছে।

বুধবার ভয় মুক্ত বাংলা, হিংসা মুক্ত রাজনীতির দাবি তুলে; বাঁকুড়ার হিন্দু হাইস্কুল ময়দান থেকে পদযাত্রা করে বাঁকুড়ার মাচানতলায় আকাশ মুক্তমঞ্চে সভা করেন দিলীপ ঘোষ। এই সভা থেকে আলুর দাম বৃদ্ধির জন্যে; রাজ্য সরকারকে দায়ী করেন দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় তৃণমূলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি কে, পরিস্কার জানিয়ে দিলেন অভিষেক

মঞ্চে তিনি বলেন, “আলু ১৫-২০ টাকা থেকে; আজ ৩৫ টাকায় পৌঁছে গেছে। আলু কি ইউক্রেন থেকে আসে; না রাশিয়া থেকে আসে? ৯০ টাকার পেট্রল যদি ১১৫ টাকা হয়; তাহলে দাম বাড়ল ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। আর আলু ১৮ টাকা থেকে ৩৬ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ ১০০ শতাংশ দাম বেড়েছে। পেট্রল কেউ খায় না; কিন্তু আলু সবাই খায়। এখন তৃণমূল নেতাদের ধরে; পিছনে একটু পেট্রল দিয়ে দিন। দেখুন তাঁরা কেমন দৌড় মারবে। আমরা ছোট বেলায় বদমায়েশি করে; কুকুরের পিছনে পেট্রল দিয়ে দিতাম”।

আরও পড়ুনঃ কাশীপুর, খেজুরির পর এবার ময়না, ফের বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু

প্রকাশ্যে বিজেপি নেতার এই কুরুচিকর মন্তব্যে প্রসঙ্গে; বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান শ্যামল সাঁতরা বলেন; “এর থেকে খারাপ বার্তা; মানুষের কাছে আর আসতে পারে না। এতেই বোঝা যায় বিজেপির সংস্কৃতি কোথায় পৌঁছেছে”। তাঁর মতে, “তৃণমূল কর্মীদের কুকুরের সঙ্গে তুলনা করার জন্য; দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত”।

দিলীপ ঘোষ এর এই বক্তব্য ঘিরে, শুরু হয়েছে; তৃণমূল বিজেপির জোর রাজনৈতিক তরজা। এর আগেও বিভিন্ন সময় দিলীপ ঘোষ এর বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে; রাজনৈতিক জলঘোলা কম হয়নি। এবার ফের তাঁর মন্তব্য নিয়ে শুরু হল বিতর্ক।

]]>
কাশীপুর, খেজুরির পর এবার ময়না, ফের বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু https://thenewsbangla.com/kashipur-khejuri-moyna-again-the-mysterious-death-of-a-bjp-worker-suvendu-protest/ Wed, 11 May 2022 06:59:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15040 কাশীপুর, খেজুরির পর এবার ময়না; ফের এক বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু। আবার এক বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু ঘটল; পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থানা এলাকায়। এবার ময়নাগুড়ির পিড়খালি সেতুর কাছ থেকে উদ্ধার হল; বিজেপি কর্মী কৃষ্ণ পাত্রর রক্তাক্ত দেহ। দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে; মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা করছে তদন্তকারীরা। বিজেপির দাবি, খু’ন করা হয়েছে; তাদের ওই যুবকর্মীকে।

ঠিক কী ঘটেছে ময়নায়?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর; মৃত বিজেপি যুবকর্মীর নাম কৃষ্ণ পাত্র। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থানার বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা কৃষ্ণ; বিজেপি কর্মী হিসেবে এলাকায় কাজ করতেন। পুরসভা নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছিলেন। মঙ্গলবার থেকে বেপাত্তা ছিলেন বিজেপি কর্মী কৃষ্ণ; আর বুধবার সকালে পিড়খালি সেতুর কাছ থেকে উদ্ধার হয় কৃষ্ণর র’ক্তাক্ত দেহ।

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে; বিজেপি করার জন্যই কৃষ্ণ পাত্রকে খু’ন করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। কী করে তার দেহ ওখানে গেল; কারা মে’রেছে ওই বিজেপি কর্মীকে; কোথায় গিয়েছিলেন এই যুবক?‌ এইসব প্রশ্ন খতিয়ে দেখছে পূর্ব মেদিনীপুর পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথকে নোবেল দিয়ে অপমান করা হয়েছে, ঘোষণা তৃণমূল নেতার

এর আগেও কাশীপুর ও খেজুরিতে; দুই বিজেপি কর্মীর র’হস্যমৃত্যু নিয়ে চলছে বিতর্ক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাংলা সফরের দিনই; বিজেপি যুবমোর্চার নেতা অর্জুন চৌরাসিয়ার ঝু’লন্ত দেহ উদ্ধার হয় কাশীপুর রেল-কোয়ার্টারের ঘর থেকে। ঝু’লন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধে; কোনও সুইসাইড নোটও মেলেনি। তাঁকে পরিকল্পনা করে খু’ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে; বিজেপির তরফ থেকে। দেহ উদ্ধারে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে পুলিশ। তবে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে, কেন্দ্রীয় সরকারের কম্যান্ড হাসপাতালে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে; খু’নের অভিযোগ প্রমাণ হয়নি।

কাশীপুরের মতই একই ঘটনা ঘটে খেজুরিতে। বাড়ি ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে উদ্ধার হয়; বিজেপি কর্মী দেবাশিস মান্নার (২২) দেহ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি বিধানসভার বাঁশগোড়া বাজার সংলগ্ন এলাকায়; এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খু’ন নাকি আ’ত্মঘাতী?‌ উঠছে প্রশ্ন। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য; কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। “দেবাশিস মান্নাকে খু’ন করা হয়েছে”; অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর। অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন; তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি।

]]>
গ্রুপ ডি থেকে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার, ‘জাল নথি’তে নাটকীয় পদোন্নতি শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ নেতার স্ত্রীর https://thenewsbangla.com/bank-manager-from-group-d-suvendu-adhikari-close-leader-wife-dramatically-promoted-with-fake-documents/ Fri, 29 Apr 2022 13:28:57 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14986 গ্রুপ-ডি থেকে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার; ‘জাল নথি’তে নাটকীয় পদোন্নতি শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ এক বিজেপি নেতার স্ত্রীর। আর এই অভিযোগে শোরগোল; পূর্ব মেদিনীপুর জুড়ে। মারাত্মক এই অভিযোগ সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে; ওই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে; আইন অনুযায়ী পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে ব্যাঙ্কের তরফ থেকে। তবে পুরো ঘটনাটা ঘটেছে যখন, তখন শুভেন্দু অধিকারী ও মেঘনাথ পাল; দুজনেই তৃণমূলে ছিলেন।

একুশের বিধানসভা ভোটে, নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন; প্রাক্তন তৃণমূল নেতা ও বর্তমানে বিজেপি নেতা মেঘনাথ পাল। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই তিনি তৃণমূল ছেড়ে; পদ্ম শিবিরে যোগ দেন। তাঁরই স্ত্রী মহুয়া জানা (পাল); ভুয়ো গ্র্যাজুয়েশন সার্টিফিকেট দেখিয়ে তমলুক কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার অ্যাণ্ড রুরাল ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্কের নন্দীগ্রাম শাখার ম্যানেজার হয়েছেন বলে বড়সড় অভিযোগ। শুধু তাই নয়, মহুয়াদেবীর উচ্চ মাধ্যমিকের শংসাপত্রটিও ভুয়ো; বলে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের তরফ থেকে।

বিজেপি নেতা মেঘনাথ পালের স্ত্রী মহুয়া জানা(পাল); ব্যাঙ্কের চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন গ্রুপ-ডি কর্মী হিসেবে। ‘ভুয়ো ডিগ্রি’ দেখিয়ে; সেই গ্রুপ-ডি কর্মীই এখন ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের পদ সামলাচ্ছেন বলে অভিযোগ। কাঠগড়ায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতা ও তাঁর স্ত্রী। বিষয়টি জানাজানি হতেই নড়েচড়ে বসেছে; তমলুক কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার অ্যাণ্ড রুরাল ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্কের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে মারাত্মক জালিয়াতির অভিযোগ; সেই ব্যাঙ্ক ম্যানেজার তথা বিজেপি নেতার স্ত্রী অবশ্য বিষয়টিতে নিজের দায় এড়িয়েছেন। মহুয়া জানা(পাল) বলেছেন; “আমাকে ব্যাঙ্কের তরফে কিছু জানায়নি; চণ্ডীপুরের একটি সংস্থা থেকে গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করি। ম্যানেজার গ্রেডের পরীক্ষার সময় সার্টিফিকেট চাওয়া হয়; আমাকে ম্যানেজার গ্রেডের পরীক্ষায় বসতে বলা হয়। যে সার্টিফিকেট আমার ছিল; তা দেখিয়েই পরীক্ষায় বসতে বলা হয়েছিল। আমি জানিয়েছিলাম, আমার সার্টিফিকেট আদৌ অনুমোদনযোগ্য কিনা; তা যাচাই করে আমায় পরীক্ষায় বসতে বলুন। আমি পরীক্ষায় বসি; আমাকে প্রোমোশনও দেওয়া হল। তারপর আমার স্বামী যখন দলবদল করলেন; তখনই বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল সমস্যা তৈরি করছে”।

বিধানসভা নির্বাচনপর্বে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে; বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মেঘনাদ পাল। তারপরেই নন্দীগ্রাম কো-অপারেটিভ মার্কেটিং সোসাইটির চেয়ারম্যান মেঘনাদ পালের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিলেন বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা। এবার তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে উঠল অভিযোগ।

]]>
“নিজের কপ্টার খরচও কেন্দ্র থেকে চেয়েছেন, মোদীর টাকায় ফুটানি”, বিস্ফোরক দিলীপ https://thenewsbangla.com/demanded-from-the-center-the-cost-of-her-own-helicopter-dilip-ghosh-on-mamata-banerjee/ Fri, 29 Apr 2022 12:48:16 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14983 “নিজের কপ্টার খরচও কেন্দ্র থেকে চেয়েছেন; মোদীর টাকায় ফুটানি”; ফের বিস্ফোরক বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। এবার ফের নিশানা করলেন; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে। তৃণমূল-বিজেপি বা শাসক বিরোধী তরজা লেগেই রয়েছে রাজ্যে। কেন্দ্রের কাছ থেকে কয়েক হাজার কোটি বকেয়া টাকা পাওয়া বাকি রাজ্যের; সম্প্রতি নবান্নে এই তথ্য জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল নবান্নর সভাঘর থেকে ফের; ‘রাজ্যের চিঠিতে কেন্দ্রের কুলুপ’ প্রসঙ্গে মোদী সরকারকে তোপ দাগেন তিনি। এবার সেই ইস্যুতেই তৃণমূল সুপ্রিমোকে পাল্টা বিঁধলেন; বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

শুক্রবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন; “রাজ্যের বকেয়া রয়েছে নাকি? দিল্লির কাছে আমিও জানতে চাইছি; ৯৭ হাজার কোটি টাকার হিসেব এল কোথা থেকে? ৪৩ হাজার কোটি টাকা আমফান সহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য; এটা যে মমতার মনগড়া তা নয় বোঝা গেল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেলিকপ্টারে চড়ে যে খরচ করেছেন; সেই খরচও দাবি করছেন সেই হিসেবে। পার্টির লোককে সরকারি পয়সায় পুষবে; আর সেই টাকা দিল্লি দেবে? কেন? অন্য রাজ্য তো কান্নাকাটি করে না; কেন টাকা নেই টাকা নেই বলে। এসব দাবি খালি এই রাজ্যে। সবসময় মোদিজীর টাকায় ফুটানি মারবেন; আর দিল্লির প্রকল্প নিজের নামে চালাবেন। বাংলার মানুষ কি বুঝতে পারেনা এসব”।

পাশাপাশি রামপুরহাট ও হাঁসখালির ঘটনায়; পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের ‘পুলিশমন্ত্রী’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি দিলীপ ঘোষ। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতির কথায়; “লজ্জা থাকা উচিত ওনার। ১১ বছর ধরে উনি পুলিশমন্ত্রী হয়ে কি করেছেন? প্রথমে বিরোধীদের ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। সফলও হয়েছেন। ওর কথা চলছে না, শুনছে না পুলিশ; তাহলে তো ওনার পদত্যাগ করা উচিত। পার্টিতেও কমিটি করেও লাভ হচ্ছে না; কথা কেউ শুনছে না ওর”।

এখানেই থেমে থাকেননি দিলীপ ঘোষ। রাজ্যের হিংসা, তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে তিনি বলেন; “বাংলা অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়; বাংলাদেশে অপরাধ করে এসে এখানে আশ্রয় নিচ্ছে। পাঞ্জাবে অপরাধ করে এসে; বাংলায় লুকোচ্ছে। এটা একটা টেরো-রিস্টদের হাব হয়ে গেছে। সমাজবিরোধী এবং গুন্ডাদের হাব বাংলা। এখানকার সরকার কতটা অকর্মণ্য; এর থেকেই প্রমাণ হচ্ছে”।

]]>
বাংলার সব ঘটনা ছেড়ে, দিল্লি গেল তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম https://thenewsbangla.com/leaving-all-the-incidents-in-bengal-tmc-fact-finding-team-went-to-delhi/ Sat, 23 Apr 2022 07:19:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14920 মাটিয়া, মালদহ, হাঁসখালি, নামখানা, বোলপুর, পিংলা, নবদ্বীপ; রাজ্য জুড়ে একের পর এক নারী, নাবালিকা গণ’ধ-র্ষণ ও নি-র্যাতনের ঘটনা ঘটেছে; কিন্তু কোথাও দেখা যায়নি তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে। দেখা গিয়েছিল হাথরসে; কিন্তু দেখা যায়নি হাঁসখালিতে। এবার দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখতে; শুক্রবার দিল্লি যায় তৃণমূলের ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম’। আর এরই চরম সমালোচনা করলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অর্পিতা ঘোষ, অপরূপা পোদ্দার, শতাব্দী রায়ের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম; জাহাঙ্গিরপুরীর বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলার উদ্দেশ্যে রাজধানী শহরে গেলেও; শেষ পর্যন্ত হিংসার ঘটনা ঘটেছিল যেখানে সেখানে ঢুকতে পারল না তৃণমূলের এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম! তৃণমূলের অভিযোগ, তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে; ‘আটকায়’ দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে; ওঠে তৃণমূলকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ! তৃণমূলের এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের; সফরের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরপরেই তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের দিল্লি যাওয়া নিয়ে; সরব হয় বিজেপি নেতৃত্ব। দিলীপ ঘোষ থেকে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার থেকে শমীক ভট্টাচার্য; প্রত্যেকেই তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে কটাক্ষ করেন। শনিবার সকালে জাহাঙ্গিরপুরীতে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠানো নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন; “রাজ্যে হিংসা বন্ধ করতে পারেন না; নাটক করতে ওখানে গেছেন। আসলে ছবি তুলতে গিয়েছিলেন; ওঁরা এটাই চান”।

শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন; “বাংলার কোথাও যেতে পারল না তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম; তবে পৌঁছে গেল দিল্লিতে। দিদিমণির নাটক আর নিচ্ছে না বাংলার মানুষ”। সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যও; একই সুরে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন।

তবে বিজেপিকে একহাত নেন; তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, “উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাতের মতন রাজধানী দিল্লিতেও সাম্প্র’দায়িক উস-কানি দিচ্ছে বিজেপি। দেশের পক্ষে লজ্জা ও বিপদজনক ঘটনা এটি”। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অর্পিতা ঘোষ, অপরূপা পোদ্দার, শতাব্দী রায়ও একযোগে বিজেপিকে একহাত নেন; দিল্লির ঘটনা নিয়ে।

]]>
বিধানসভায় হাতাহাতি, কে কার জামা ছিঁড়ল, কে খেল বেশি মার https://thenewsbangla.com/assembly-scuffle-west-bengal-assembly-incident-tmc-bjp-mlas-scuffle/ Mon, 28 Mar 2022 07:23:47 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14915 বিধানসভার অন্দরে নজিরবিহীন ঘটনা। বিধানসভায় হাতাহাতি, কে কার জামা ছিঁড়ল; কে খেল বেশি মার। হাতাহাতিতে জড়ালেন শাসক-বিরোধী দলের বিধায়করা। বীরভূমের রামপুরহাট এর গনহত্যার ঘটনা নিয়ে; বিধানসভায় বিজেপি-তৃণমূল বিধায়কদের হাতাহাতি। নাক ফাটল চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদারের। অন্যদিকে মার খেলেন বেশ কিছু বিজেপি বিধায়কও। বিরোধী দলের মূখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গার জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয়। ওয়েলে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গেও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন; বিজেপি বিধায়করা। যার জেরে বিধানসভা থেকে; ৫ বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

রামপুরহাট হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিধানসভায় তুলকালাম; তৃণমূল ও বিজেপি বিধায়কদের হাতাহাতি বেঁধে গেল; ভাঙল বিজেপি বিধায়কের চশমা। ‘চন্দনা বাউড়ি, তাপসী মণ্ডলকেও মেরেছে তৃণমূল’; ‘অধ্যক্ষের সামনেই হামলা চালায় তৃণমূল’; অভিযোগ বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারির। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ; সাদা পোশাকে পুলিশ, নিরাপত্তারক্ষীরা প্রথমে হামলা করে; তারপর তৃণমূল নেতারা কিল-ঘুষি-ধাক্কা মারে বিজেপি বিধায়কদের। এর প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ বিজেপি বিধায়কদের।

‘বিধানসভা চলছে, কেন বাইরে সরকারি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর? রামপুরহাট নিয়ে কেন যাবতীয় সরকারি ঘোষণা বাইরে করা হল? সংসদীয় ব্যবস্থায় এটা করা যায় না; দাবি বিরোধী দলনেতার। ‘প্রতিদিন আপনারা শুধু চিত্‍কার আর ওয়াকআউট করছেন’; আপনারা হঠাৎ আজ এসব বলছেন কেন? পাল্টা প্রশ্ন করেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই বিধানসভায় তৃণমূল ও বিজেপি বিধায়কদের হাতাহাতি বেঁধে যায়।

বীরভূমের বগটুই কাণ্ড নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই; রাজ্য-রাজনীতির পারদ চড়ছে। সেই আঁচ এদিন এসে পড়ে বিধানসভাতেও। সদনের অন্দরে বিরোধী দলের ভূমিকার সমালোচনা করেন; অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকারও; সমালোচনা করেন তিনি। এরপরেই আরও তেতে ওঠে বিরোধী বেঞ্চ; রে রে করে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি বিধায়কেরা। সেক্রেটরিয়েটের কাগজ কেড়ে নিতে গেলে; নিরাপত্তারক্ষীরা বাধা দেন। শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি।

এই অবস্থা দেখে চুপ করে বসে থাকেনি ট্রেজারি বেঞ্চও। শাসকদলের বিধায়করাও ওয়েলে নেমে আসেন; শুরু হয়ে যায় বিজেপি-ত্রিনমুল ‘ফাইটিং’। আহত হন দু-পক্ষের বেশ কয়েকজন বিধায়ক। গোটা ঘটনায় দু-পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করেছে। শেষে বিধানসভা থেকে ওয়াক-আউট করে বিজেপি বিধায়কেরা। অন্যদিকে, এই ঘটনায় ৫ বিজেপি বিধায়ককে; বিধানসভার নিয়ম ভাঙা ও অধিবেশনে অশান্তির জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে।

]]>