TMC Leaders get Cut Money – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 28 Jun 2019 06:55:14 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg TMC Leaders get Cut Money – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বছরে কত টাকা কাটমানি তোলেন তৃণমূল নেতারা, হিসাব দেখে চমকে যাবেন মুকেশ আম্বানিও https://thenewsbangla.com/mukesh-ambani-will-surprised-with-tmc-leaders-get-cut-money-in-a-year/ Fri, 28 Jun 2019 06:29:51 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14599 কাটমানি কেলেঙ্কারি। আর কাটমানি নিয়েই তোলপাড় গোটা রাজ্য। কিন্তু বছরে কত টাকা কাটমানি তোলেন তৃণমূল নেতারা? জানেন কি হিসাব? হিসাব দেখলে চোখ কপালে উঠবে সবার। আর খাতায় কলমে অঙ্ক কষে; হিসাব দেখিয়ে দিলেন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিকাল ইনস্টিটিউট (আই এস আই)-র; অর্থনীতির অধ্যাপক ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত। কি লিখলেন অর্থনীতির অধ্যাপক ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত? পড়ে নিন।

“আপনাদের কোনো ধারণা আছে; তৃণমূলীরা বছরে বাংলা থেকে কত কাটমানি খায়? আনুমানিক হিসাব; এই চুরির অঙ্ক এবছরে কমপক্ষে ৩০০০০ কোটি টাকা। হাঁ ঠিক দেখছেন। বছরে ত্রিশ হাজার কোটি টাকা; যা বাংলার একবছরে শিক্ষা খাতে খরচার সমান।

বিষয়টির ব্যাপকতা সঠিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচার করতে আমাদের জানা দরকার; গত বছর রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মোট মুনাফা ছিল ৪০০০০ কোটি টাকা। বাংলায় যে কোন সরকারী নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয়ের ১০-১৫ % কাটমানি হিসাবে যায় স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের পকেটে। ঠিক এর সমানুপাতে টাকা তৃণমূল নেতারা; বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, যেমন কন্যাশ্রী, রুপশ্রী অথবা গৃহনির্মাণ প্রকল্প থেকে সরিয়েছে।

২০১৯-২০ আর্থিকবর্ষে; বাংলার প্রস্তাবিত বাজেট ব্যয় ২লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দায় (পেনশন, বেতন এবং সুদপ্রদান); এবং ঋণ পরিশোধের যৌথ মিলিত পরিমাণ প্রায় ১ লক্ষ ৪০হাজার কোটি টাকা। অবশিষ্ট ১ লক্ষ কোটি টাকার; বেশিরভাগই খরচা ধরা হয়েছে পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ, নতুন প্রকল্প নির্মাণ এবং বিভিন্নভাবে ভর্তুকি প্রদানে।

এই সমস্ত কিছুই কাটমানির আওতায় পড়ে; এবং এগুলির থেকে কাটমানি নেওয়া হয়। এবছর নির্মাণ ও মেরামতি প্রকল্প এবং সাধারণ ভর্তুকি খাতে; আনুমানিক বরাদ্দ ৪০ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে। আমরা যদি ভালো মনে ধরেও নি যে; অন্য কোথাও কাটমানি নেওয়া হবে না; তবুও কমপক্ষে ধরলে ৫০০০ কোটি টাকা শুধু এখান থেকেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তার পরিমাণ ১৫০০০ কোটি টাকা পর্যন্তও হতে পারে।

এর সাথে যোগ করুন সিন্ডিকেট রাজের ফলে; বেসরকারি নির্মাণ প্রকল্পগুলিতে ৩০% থেকে ৪০ % খরচা বৃদ্ধি। বেসরকারী নির্মাণ প্রকল্পগুলি; বাংলার গড় রাজ্য অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিএসডিপি)-র ১০% উৎপন্ন করে। এবং বেসরকারী নির্মাণ ক্ষেত্রের; প্রায় অর্ধেক অংশে এই অন্যায় জুলুমবাজির জন্য; সোজা হিসাবে কমপক্ষে ২০ হাজার কোটি টাকা; তৃণমূল নেতাদের পকেটে যায় বছরে।

শেষে যোগ করুন চাকরি দেওয়ার নাম করে এবং তা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে; একবারে মোটা টাকা নেওয়া। প্রভাব খাটিয়ে কোন কাজ করে দেওয়ার বিনিময়ে; রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের উপর ‘জরিমানা’ চাপিয়ে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, রিক্সাওয়ালা এবং অটোচালকের কাছ থেকে; প্রতিদিন তোলার নামে কমপক্ষে বছরে আরও ৫হাজার কোটি টাকা।

এবারে দেখুন, কম করে ধরেও এই কাটমানির আনুমানিক হিসাব; বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা কিভাবে মিলে যাচ্ছে। এই অঙ্ক বাংলার প্রস্তাবিত মোট আয়ের ২% এবং গোটা শিক্ষা বাজেটে মোট বরাদ্দের সমান”।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই বলেছেন; গরিব ও গৃহহীনদের সরকারি বাড়ি প্রকল্পে ৩০০০০ টাকা করে কাটমানি নেওয়া হয়েছে। আবার মমতার সরকারি হিসাবে; রাজ্যে ৪০ লাখ এরকম বাড়ি তৈরি হয়েছে। সেই সোজা হিসাবেই; এই কাটমানিরই পরিমাণ দাঁড়াবে ১২০০০ কোটি টাকা।

তাই, রাজ্যের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মহলও অনেকটাই; এই কাটমানির হিসাবে একমত। গত বছর মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের; মোট মুনাফা ছিল ৪০০০০ কোটি টাকা। আর তৃণমূলের কাটমানির পরিমাণ বছরে ৩০০০০ কোটি টাকা। তৃণমূল নেতাদের ফুলে ফেঁপে ওঠার ব্যাপারটা; এই হিসাব দেখেই; অনেকটাই আন্দাজ করা যায়। তবে এই কাটমানির হিসাব; উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। তৃণমূলের বক্তব্য; অনেকেই এখন ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পরেছেন।

]]>
মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিভিন্ন প্রকল্পে, কাটমানি খেয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তৃণমূল নেতারা https://thenewsbangla.com/tmc-leaders-get-cut-money-from-cm-mamata-banerjee-government-projects/ Thu, 20 Jun 2019 06:53:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14141 নিজের দলের নেতাদেরই দুর্নীতিবাজ বললেন; দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি সম্পত্তি নিজের নামে করেছেন নেতা কাউন্সিলররা; খেয়েছেন কাটমানি; নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তৃণমূল নেত্রী। এদের কাউকেই ছাড়া হবে না; বলে পরিষ্কার জানিয়ে দেন তিনি।

ভোটে হারের কারণ খুঁজতে ও রাজ্য জুড়ে দলের নেতাদের সচেতন করতে; গত সোমবার নজরুল মঞ্চে সভা ডাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে নিজের দলের নেতাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধেই; মুখ খোলেন তৃণমূল নেত্রী। নেতাদের কাটমানি খাওয়ার জন্যই দলের এই হাল; পরিষ্কার জানিয়ে দেন মমতা।

পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে সমস্ত অভিযোগের তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। দুর্নীতিবাজ কাউকেই ছাড়া হবে না; পরিষ্কার জানিয়ে দেন তিনি। মমতার এই ঘোষণার পরে; মঙ্গলবার থেকেই কাটমানি ফেরত নিতে; বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে হাজির সাধারণ মানুষ। অভিযোগ অস্বীকার করেও; মানুষের সঙ্গত ক্ষোভ চাপা দিতে পারেননি তৃণমূল নেতারা।

রাজ্যের মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন প্রকল্পকেই টাকা খাওয়ার রাস্তা হিসাবে বেছে নিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। আবাস যোজনা থেকে শুরু করে; কন্যাশ্রী ও রুপশ্রী প্রকল্পেও যে যেমন পেরেছেন; কাটমানি খেয়েছেন তৃণমূল নেতারা।

বিভিন্ন জেলার অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে; কমবেশি মমতার বিভিন্ন প্রকল্প থেকে; টাকা কামিয়েছেন তাঁর দলেরই নেতারা। যে প্রকল্পে টাকার পরিমাণ যত বেশি; সেই প্রকল্পে তোলাবাজি তত বেশি। জঙ্গলমহলের চার জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও মেদিনীপুরে; মানুষের কাছে তোলাবাজি সবচেয়ে বেশি করেছেন তৃণমূল নেতারা।

জঙ্গলমহলের চার জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রকল্পের পাশাপাশি; মানুষের ১০০ দিনের কাজের টাকাও বেমালুম মেরে দিয়েছেন তৃণমূল নেতারা; এমনটাই অভিযোগ সাধারণ মানুষের। সেই কারণেই মানুষের ভোট গেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে; তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে আমজনতা।

বিজেপি সংগঠন দিয়ে মানুষের ভোট যত না পেয়েছে; তৃণমূলের বিরুদ্ধে মানুষ বিজেপিকে বেছে নেওয়ায়; গেরুয়া শিবিরের জয় জয়কার হয়েছে। ঠিক যেমন ২০১১ বিধানসভা ভোটে; তৃণমূলের কৃতিত্বের চেয়েও; মানুষ বামেদের বিকল্প হিসাবে মমতার তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিল।

জঙ্গলমহলের মত উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের অনেক জেলাতেই; মুখ্যমন্ত্রী মমতারই বিভিন্ন প্রকল্পে তাঁর দলের নেতাদেরই কাটমানি খাওয়াই; তৃণমূলের ভোটে খারাপ ফলের অন্যতম কারণ।

]]>