Taslima Nasrin – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 30 Apr 2019 05:42:45 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Taslima Nasrin – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 শুধু শ্রীলঙ্কা নয়, সারা পৃথিবীতেই বোরখা নিষিদ্ধ চান তসলিমা নাসরিন https://thenewsbangla.com/taslima-nasrin-bangladesh-writer-demands-worldwide-ban-on-burkha/ Tue, 30 Apr 2019 05:42:45 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11997 সন্ত্রাসবাদের ঘা পুরোপুরি না শুকোতেই রবিবার বোরখা নিষিদ্ধ করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। মুখাবরণ ঢাকা থাকে, এই জাতীয় সমস্ত পোষাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বোরখা, হিজাব, নিকাব।

শ্রীলঙ্কার এই উদ্যোগের পরেই বোরখা নিষিদ্ধ করার পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। শুধু শ্রীলঙ্কা নয়, সারা পৃথিবী থেকেই বোরখা নিষিদ্ধ করার ডাক দিলেন তিনি।

এই নিয়ে ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, শ্রীলংকা বোরখা নিষিদ্ধ করেছে, জনমানুষের নিরাপত্তার জন্য। বোরখা পরে আত্মঘাতি বোমা হেঁটে বেড়াচ্ছে, আর সবাই তাকে নিরীহ মেয়েমানুষ ভেবে তার আশেপাশে নিরাপদ বোধ করছে, কিন্তু এই বোকামোর দিন শেষ হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গি হামলা থেকে শিক্ষা নিয়ে অবশেষে বোরখা নিষিদ্ধ করল শ্রীলঙ্কা

বোরখা কয়েকধরণের মানুষ পরে বলে তিনি লিখেছেন। দোযখে যাওয়ার ভয়ে, ধর্ম দ্বারা মগজধোলাই হওয়া মেয়ে, আত্মীয় স্বজনের চাপে বাধ্য হওয়া মেয়ে, জেল পালানো দাগী আসামি, ক্রিমিনাল যার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি হয়েছে, এমন ব্যক্তি এবং চোর, ডাকাত ও খুনী বোরখা পরে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানিয়েছেন, বোরখা পৃথিবীর সব জায়গায় নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। বোরখা নিষিদ্ধ হওয়ার পর মেয়েরা মানুষের অধিকার নিয়ে চলাফেরা করতে পারবে, চলমান কারাগারের ভেতর মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়ার শাস্তি ভোগ করতে হবে না, নামপরিচয়হীন অবয়বহীন একটি ভূতুড়ে জীবন যাপন করতে হবে না।

আরও পড়ুনঃ শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসবাদী হামলা চালান জঙ্গিদের প্রভাবিত করেছেন জাকির নায়েক

মেয়েদের জন্য এর চেয়ে বড় সুখবর আর কিছু হতে পারে না বলে জানান তিনি। যে মেয়েরা বলে বোরখা পরতে তাদের ভালো লাগে বা এটা তাদের মানবাধিকার, তারা মগজধোলাই হওয়ার কারণে বলে। এমনটাই মনে করেন তসলিমা।

উল্লেখ্য, রবিবারই শ্রীলঙ্কায় নিষিদ্ধ করা হল হিজাব, নিকাব এবং বোরখা। মুখমন্ডলের আচ্ছাদন ঢাকা থাকে, এই ধরনের সমস্ত প্রকার পোষাকের ওপর নিষেধাজ্ঞা করা হয়েছে। সুরক্ষার স্বার্থে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে এই ব্যবস্থার কথাই জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ শীঘ্রই আসছি ইনশাল্লাহ, বাংলায় পোস্টার ভয়ঙ্কর ইসলামিক স্টেটের

কিছুদিন আগেই সন্ত্রাসবাদী হামলায় মৃত্যু হয় ৩৭৫ জনের। ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠন হামলার সাথে জড়িতদের ছবি প্রকাশ করে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। এরপরেই ইসলামী জঙ্গিবাদ থেকে সতর্ক হতে বোরখা নিষিদ্ধ করার পথে হাঁটে শ্রীলঙ্কা।

প্রাথমিক উদ্যোগে বোরখা নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে, কারন অনেক সময়েই ঢাকা বোরখার আড়ালে জঙ্গিরা নিজেদের লুকিয়ে রাখে। উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কার রবিবারের জঙ্গি হামলায় কয়েকজন মহিলাকেও চিহ্নিত করা হয়েছে।

বোরখার আড়ালে যাতে জঙ্গিরা পালিয়ে যেতে না পারে, তাই এই পোষাক নিষিদ্ধ করার কথা ভাবে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপলা সিরিসেনার সঙ্গে মন্ত্রীসভার সদস্যদের সাথে বৈঠকে বোরখা নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে সমর্থন মেলে এবং অবশেষে নিষিদ্ধ হয়। এরপরেই এর সমর্থনে মুখ খোলেন তসলিমা নাসরিন।

]]>
শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা https://thenewsbangla.com/taslima-nasrin-openes-the-mask-of-bengal-intellectuals-in-the-srijato-heckle-case-in-assam/ Tue, 15 Jan 2019 05:58:39 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5628 এবার শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের একহাত নিলেন তসলিমা নাসরিন। মঙ্গলবার সকালেই নিজের ফেসবুক পোস্টে তুলধনা করেছেন বাঙালি বুদ্ধিজীবিদের। অনেকে বলছেন এই লেখায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা নাসরিন। রাজনীতির রং দেখেই যে বাংলার বাংলার বুদ্ধিজীবিরা প্রতিবাদ করেন সেই অভিযোগই ফের করলেন এই বাংলাদেশের লেখিকা।

শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা/The News বাংলা
শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা/The News বাংলা

ঠিক কি লিখলেন তসলিমা নাসরিন? পড়ুনঃ

“কবি শ্রীজাতর ওপর আক্রমণ হয়েছে আসামের শিলচরে। বজরং দলের লোকেরা বিক্ষোভ দেখিয়েছে। ইটবৃষ্টিও হচ্ছিল। পুলিশ তাঁকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে চলে যায়। এরপর শ্রীজাত বাক স্বাধীনতা নিয়ে বলেছেন, এটি থাকতেই হবে রাজ্যে। হ্যাঁ নিশ্চয়ই, এটি থাকতেই হবে। আমি চাই না শ্রীজাতর বাক স্বাধীনতা কেউ হরণ করুক, অথবা আর কারো বাক স্বাধীনতা।

শ্রীজাত নিজের বাক স্বাধীনতা চান, কিন্তু অন্যের বাক স্বাধীনতা কি চান? আমার বাক স্বাধীনতা? তাঁর রাজ্যে যখন আমার বাক স্বাধীনতা ভেঙ্গে চুরমার হয়েছিল, তখন শ্রীজাত তো নয়ই, বাক স্বাধীনতার অধিকার নিয়ে যারা ভীষণ লাফায়, তাদের প্রায় কাউকেই মুখ খুলতে দেখা যায়নি।

আরও পড়ুনঃ

‘ত্রিশূলে কনডম’, অসমের শিলচরে হিন্দুত্ত্ববাদী বিক্ষোভের মুখে কবি শ্রীজাত

বাংলায় দুর্গা পুজো বন্ধ করার চক্রান্ত করছে মোদীর বিজেপি, মারাত্মক অভিযোগ মমতার

কবে যেন শ্রীজাত কোথায় বলেছেনও শুনেছি, কলকাতায় আমার না যাওয়াই উচিত। আমার চলাফেরার অধিকারও নেই। টাইমস অব ইণ্ডিয়া থেকে টাইমস লিট ফেস্টে আমাকে কলকাতায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল গত নভেম্বরে। শেষের দিকে ওরা চুপচাপ জানিয়ে দিয়েছে কলকাতায় সম্ভব নয়। ওরা হয়তো ভেবেছিল, সিপিএম তো অনেকদিন গত হয়েছে, হয়তো নতুন সরকার পুরোনো সরকারের ভুল ত্রুটি শুধরে নিয়েছে।

অনেকে বলে বিজেপি আমার পক্ষে, যেহেতু বিজেপি মুসলিম কট্টরপন্থীদের বিপক্ষে। ওদের সরল অংকটা এরকম, যেহেতু মুসলিম কট্টরপন্থীরা আমাকে মেরে ফেলতে চায়, গত পঁচিশ বছর যাবত চাইছে, আর যেহেতু বিজেপি মুসলিম কট্টরপন্থীদের বিপক্ষে, তাই বিজেপি আমার পক্ষে।

শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু। সময় থাকলে টুইটারের মন্তব্য কলাম কেউ ঘুরে আসতে পারেন, ওখানে হিন্দু কট্টরপন্থীরা আমাকে লক্ষ করে প্রতিদিনই তাদের ঘৃণা ছুঁড়ছে, আমাকে ভারত ছাড়ার জন্য বলছে, যেন বাংলাদেশ চলে যাই, যেন পাকিস্তানে বা সৌদি আরবে চলে যাই। ওরা জানে আমি নাস্তিক, আমি ইসলাম মানি না, কিন্তু আমি অন্য কোনও ধর্মই যে মানি না, এমনকী হিন্দু ধর্মও নয়, তার ওপর হিন্দুর নারী বিরোধী কুসংস্কার নিয়ে প্রায়ই সরব হই, তা ওদের মোটেও পছন্দ নয়। তাই তারা চায় না, আমি ভারতে থাকি।

আরও পড়ুনঃ

নৃশংস নার্স, সেবাই যাদের ধর্ম তারাই পিটিয়ে মারল ১৬টি বাচ্চা কুকুর

ভয়াবহ নৃশংসতার নজির, পিটিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে ১৭টি কুকুরকে

আমার ওপর আক্রমণ হলে, আমার বই নিষিদ্ধ হলে, আমাকে রাজ্য থেকে, এমনকী ভারত থেকে তাড়ালেও কেন প্রগতিশীল বলে খ্যাত শহরেও কোনও প্রতিবাদ হয় না, যে শহরটির জন্য আমি ইউরোপের বাস ত্যাগ করে চলে এসেছিলাম? এই প্রশ্নটির আমি অনেকদিন কোনও উত্তর পাইনি।

আমার এখন মনে হয়, কলকাতার হাতে গোনা কিছু মানুষ ছাড়া অশিক্ষিত শিক্ষিত, মূর্খ বুদ্ধিমান, অলেখক লেখক, মুসলমান হিন্দু, আস্তিক নাস্তিক বিশ্বাস করে, আমি অনাগরিক, সুতরাং আমার অত বাক স্বাধীনতা থাকার দরকার নেই, ভারত জায়গা দিয়েছে, তাতেই আমার খুশি হয়ে ভারতের গুণগান গাওয়া উচিত, দালাই লামা যেমন গান।

আমার (রিফিউজি) মুখে অত এই চাই সেই চাই মানায় না। অত নারী স্বাধীনতা নারী স্বাধীনতা করছো কেন, মুসলমান মেয়েদের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছো কর, হিন্দু মেয়েরা সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করছে, ওদের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন করো না। ও তোমার কাজ নয়, অতিথি অতিথির মতো থাকো।

আরও পড়ুনঃ

জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন ‘মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার’

বাংলায় ক্ষোভ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়াচ্ছে মোদী সরকার

হিন্দু মেয়েদের স্বাধীনতা নিয়ে যদি সংগ্রাম করতে হয়, তাহলে হিন্দুরা করবে, তুমি কে হে মুসলমান হয়ে আমাদের জন্য কথা বলতে এসেছো? নাস্তিক বানাতে চাও, মুসলমানদের বানাও। হিন্দু ধর্ম অনেক উদার, এই ধর্ম প্রো উইমেন, দেখ না কতো দেবী পুজো করি আমরা! কলকাতায় কেন থাকতেই হবে তোমাকে, কলকাতায় তুমি জন্মেছো?

যেখানে জন্মেছো সেখানে যাওয়ার চেষ্টা কর। তাড়িয়ে দিয়েছে, তাড়িয়ে দিয়েছে, তাই বলে অত অভিযোগ করতে হবে কেন? দেশে তো আশ্রয় দিয়েছি, এটাই কি বেশি নয়? আবার বক বক কেন? অনাগরিকের বক বক নাগরিকদের সয় না, এমনকী প্রগতিশীল বলে খ্যাত নাগরিকদেরও নয়।

শত নাস্তিক হলেও আমি ওদের চোখে মুসলমান। খাতায় রিফুইজি নয়, রেসিডেন্ট স্টেটাস থাকলেও আমি ওদের চোখে রিফিউজি। সুইডেনের নাগরিক হলেও আমি ওদের চোখে বাংলাদেশি (তুচ্ছার্থে)। আমি অতিথি নই, নিজ খরচে থাকলেও, বছর বছর ট্যাক্স দিলেও ওদের চোখে আমি অতিথি। অতিথিদের ইন্টারনাল বিষয়ে নাক গলাতে হয় না, সুতরাং আমারও নাক গলানো চলবে না।

আরও পড়ুনঃ

সিবিআই থেকে দমকলে বদলি, প্রতিবাদে চাকরি ছাড়লেন আইপিএস

পরকীয়া প্রেমের জেরে অজয় দেবগণের ফিল্ম স্টাইলে খুন

আমার রংটা সাদা হলে, ধর্মটা খ্রিস্টান হলে, ভাষাটা ইংরেজি হলে, বইগুলো ইংরেজিতে হলে, বাড়ি ইউরোপে হলে অবশ্য আমার বাক স্বাধীনতার জন্য প্রগতিশীল শহরে মিছিল হতো, বুদ্ধিজীবীরাও চেঁচাতেন।

আমার কি দেখা হয়নি সব? শ্রীজাতর ওপর কী হয়েছে? আমার ওপর তার চেয়ে লক্ষ গুণ বেশি অত্যাচার হয়নি? কেউ কেউ বলবে, হলে হোক, তুমি তো বিদেশি। একই ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে জন্ম হলেও আমি বিদেশি। আসলে আমার কথা বার্তা পছন্দ না হলেই আমি ‘বিদেশি’। বিদেশিদের সমস্যা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না, আমরা প্রগতিশীল, আমরা বাঙালি বুদ্ধিজীবি! বটে।”

এই ভাষাতেই নিজের ক্ষোভ উগলে দিলেন তাসলিমা নাসরিন। কলকাতার বুদ্ধিজীবী তো বটেই, কটাক্ষ করেছেন রাজ্য সরকারকেও। শ্রীজাতর জন্য যারা গলা ফাটাচ্ছেন তসলিমার জন্য তাঁরা চুপ কেন? হিন্দুত্ত্ববাদীদের বিরুদ্ধে কথা বললে ক্ষতি নেই, রাজ্যের বিরুদ্ধে বা মমতার বিরুদ্ধে কথা বললেই অনেক সুযোগ সুবিধা মিলবে না। সেই কারণেই কি? প্রশ্ন কিন্তু উঠছে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদে এক হিন্দু নারী

ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

নতুন বছরের শুরুতেই খারাপ খবর, বড় বড় কোম্পানিতে কর্মী ছাঁটাই

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘ভাবনার বিপ্লব’ ভাবনা কস্তুরীর হাত ধরে

মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী

মোদীর প্রকল্পে আর টাকা দেবেন না মমতা, কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে ‘নিম্নরুচির মহিলা’ বলে বিতর্কে তসলিমা https://thenewsbangla.com/taslima-is-in-the-debate-as-she-called-chief-minister-mamata-is-a-woman-of-no-benevolence/ Sat, 17 Nov 2018 09:53:43 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2567 The News বাংলা, কলকাতা: বাংলার পর এবার বাংলাদেশ। পরিচালক অনীক দত্তের পর এবার চলচ্চিত্র উৎসবে প্রচার নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশের লেখিকা তসলিমা নাসরিন। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সর্বত্র মমতার কাট আউট লাগানো নিয়ে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রুচি নিয়েই কটাক্ষ করলেন তসলিমা।

The News বাংলা
The News বাংলা

সম্প্রতি কলকাতায় শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, কিছুদিন আগেই যে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরেই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত।

The News বাংলা
The News বাংলা

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে থেকেই সমগ্র নন্দন চত্বর জুড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া ফ্লেক্স, ব্যানারে ছেয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যার যৌক্তিকতা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন পরিচালক অনীক দত্ত। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর নাম উল্লেখ না করলেও কটাক্ষের সুরে তিনি বলেছেন, যাঁর ছবিতে নন্দন ছেয়ে আছে, এই অনুষ্ঠান যেন তাঁর একার!

আরও পড়ুনঃ ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’ তুমি কার ?

আর এবার এই বিষয়ে বলতে গিয়ে বেশকিছু বিতর্কিত মন্তব্য করলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন৷ তসলিমা তাঁর ফেসবুক একাউন্টে এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কতটা রুচিহীন, সে ব্যাপারে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

The News বাংলা
The News বাংলা

এই ব্যপারে তুলনা করতে বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্যকেও তিনি টেনে আনেন। তাঁর মতে, বুদ্ধদেব বোকা ও বুদ্ধু হলেও রুচিবোধে মমতার থেকে কয়েক কদম এগিয়ে ছিলেন। যদিও তাঁকে কলকাতা ছাড়া করার জন্য বুদ্ধদেবকে ‘শয়তান’ বলে বিঁধতেও ছাড়েননি তসলিমা৷

আরও পড়ুন: ‘আন্তর্জাতিক’ ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে কাউন্সিলরের ‘বিজ্ঞাপন’, বিক্ষোভে মুখ পুড়ল বাংলার

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটি চলচ্চিত্র উৎসবের প্রাঙ্গণ জুড়ে মমতার ছবি ছেয়ে দেওয়া মুখ্যমন্ত্রীর ‘রুচিহীনতার পরিচয়’। কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, কলকাতায় অনুষ্ঠিত রবীন্দ্র জয়ন্তী, নজরুল জয়ন্তী সবই এখন মমতাময় হয়ে উঠেছে, যেন উৎসবের নামে পালিত হচ্ছে মমতা জয়ন্তী।

Image Source: Google

যদিও তসলিমা এর দায় অনেকটাই চাপিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রগতিশীল মানুষের ওপর। তাঁর বক্তব্য, ‘প্রগতিশীল’ ট্যাগ লাগিয়ে তারা একটা ঝঞ্ঝাট বিহীন জীবনের আশায়। অনেক কিছু পাওয়ার আশায় এই সকল অনাসৃষ্টি দেখেও চুপ থাকেন। আর লোভের জন্যে এই চুপ করে থাকার ফলেই পশ্চিমবঙ্গের চেহারা চরিত্র প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে।

The News বাংলা
The News বাংলা

এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বাংলার বুদ্ধিজীবীদেরই তুলধুনা করলেন তসলিমা, বলে মনে করছেন অনেকেই। পরিচালক অনীক দত্তের মন্তব্যের পর এমনিতেই রাজ্য সরগরম। তারপর আবার তসলিমা সেই আগুনে ঘৃতাহুতি দিলেন বলেই মনে করছেন বাংলার বুদ্ধিজীবী মহল। এখন দেখার কথা এই বিতর্ক কোথায় গিয়ে থামে।

]]>