Suchitra Sen – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 05 Apr 2019 15:51:44 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Suchitra Sen – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ঘাসফুলে ভোট দিলে শান্তি পাবে মায়ের আত্মা, সুচিত্রার নাম করে ভোট প্রার্থনা মুনমুনের https://thenewsbangla.com/moon-moon-sen-asks-vote-for-mother-suchitra-sens-spirit-will-be-in-peace/ Fri, 05 Apr 2019 15:45:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10116 ঘাসফুলে ভোট দিলে শান্তি পাবে মায়ের আত্মা, সুচিত্রার নাম করে ভোট প্রার্থনা আসানসোলের তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনের। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিজেপির তরফ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানান হয়েছে এই নিয়ে।

আরও পড়ুনঃ চিত্র পরিচালক, লেখক ও বিজ্ঞানীদের পর এবার ৬০০ নাট্যকর্মী ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে

ভোট প্রচারে মায়ের নাম খাটিয়ে ভোট চাইলেন আসানসোলের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুনমুন সেন। বৃহস্পতিবার আসানসোলের একটি নির্বাচনী জনসভায় মুনমুন জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বলেন, তারা যেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ঘাসফুলে ভোট দেয়। তাহলেই তার মা সুচিত্রা সেনের আত্মা শান্তি পাবে।

আরও পড়ুনঃ চিত্র পরিচালক ও লেখকদের পর ঘৃণার রাজনীতি নিয়ে সরব দেশের সেরা বিজ্ঞানীরা

উল্লেখ্য, গতকালই ছিল বাংলার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের জন্মদিন। আর জন্মদিনেই সুচিত্রা সেনের আবেগকে কাজে লাগালেন আসানসোলের তৃণমূল প্রার্থী। এবারে তার মায়ের জন্মদিন জনসাধারণের সাথে ভাগ করে কাটাবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুনঃ ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দেশের ২০০ জন লেখক

কিন্তু মহানায়িকা তো কোনও দলের নন। যেকোনও রাজনৈতিক মতামত নির্বিশেষে আমজনতার মধ্যে তিনি সমান জনপ্রিয়৷ রাজনীতির মঞ্চে প্রয়াত মহানায়িকার নাম নিয়ে ভোট প্রার্থনাকে রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা বলে মন্তব্য করেছে বিরোধীরা।

আরও পড়ুনঃ কেরালার ওয়াইনডে মনোনয়ন জমা দিয়ে আমেঠীতে হার পাকা করল রাহুল

২০১৪ সালেই বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন মুনমুন সেন। কিন্তু ৫ বছরে বাঁকুড়ায় মুনমুনকে নিয়ে বেড়েছে ক্ষোভ। পাওয়ার থেকে না পাওয়ার সংখ্যাই বেশি। এবার মুনমুনকে আসানসোলে গতবারের বিজেপির তফরে নির্বাচিত সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন মুনমুন।

আরও পড়ুনঃ অগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ড হেলিকপ্টার দুর্নীতিতে ইডির চার্জশিটে সনিয়া ঘনিষ্ঠ আহমেদ প্যাটেল

আর শুরু থেকেই এবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে সামনে রেখে ভোট যুদ্ধে নেমেছেন মেয়ে মুনমুন। লোকসভাতে ৫ বছরে পারফরম্যান্স শুন্য হওয়াতেই মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে নিয়ে টানাটানি করতে হচ্ছে প্রার্থীকে, এমনটাই অভিযোগ বিজেপির তরফ থেকে। নিজের মায়ের কথা বলে কোন অন্যায় করেননি মুনমুন, পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ প্রথম দফার ভোটে বাংলায় অতিরিক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন

সবমিলিয়ে এবার বাংলা ফিল্মে চর্চার মতই ভোট যুদ্ধেও আছেন সুচিত্রা সেন। এখন দেখার মহানায়ক উত্তমকুমারকেও কেউ ভোট যুদ্ধে নামায় কিনা। তাহলে পর্দা থেকে ভোটে ফিরবে স্বর্ণ যুগের সেই অবিস্মরণীয় জুটি। আপাতত মমতার হয়ে আসানসোলের ভোটে পথে একাই লড়ে যাচ্ছেন মহানায়িকা সুচিত্রা সেন।

আরও পড়ুনঃ মমতার দাবি না মেনে জঙ্গলমহল থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী তুলছে নির্বাচন কমিশন

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
‘ম্যাডামে’র মুখের আদলেই দেবী দুর্গার মুখ https://thenewsbangla.com/the-face-of-madam-was-placed-in-the-face-of-goddess-durga/ Mon, 08 Oct 2018 10:15:36 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=855 বিশেষ রিপোর্ট, কলকাতা: ম্যাডামের মুখের আদলেই করতে হবে দেবী দুর্গার মুখ। দাবি, চাহিদা এটাই। কে এই ম্যাডাম? ওটাই তো রহস্য। এই ম্যাডাম আর কেউ নয়। মহানায়িকা সুচিত্রা সেন। এই রহস্যের পর্দা উন্মোচন করলেই বেরিয়ে আসে বাংলার সোনার যুগের সোনার অক্ষরে লেখা ‘নস্টালজিয়ার’ গল্প।

পঞ্চাশ-ষাটের দশকের বিখ্যাত দমকলের ঠাকুর। শিল্পী রমেশ পালের ঠাকুর দেখতে সেন্ট্রাল এভিনিউয়ে দমকল স্টেশনে যেতেন সবাই। অনবদ্য প্রতিমা, শাড়ীর রং আগুন কমলা, কি অপূর্ব শিল্প, কি অপূর্ব চিন্তাধারা।

কলকাতা দমকল বাহিনী এই পুজো করত যা দেখতে ভীড় উপচে পড়ত, মিডিয়ার ভাষায় যাকে বলে দর্শনার্থীর ঢল। তখনকার কলকাতার অন্যতম বিখ্যাত পুজো। এই পুজো বন্ধ হয় আনুমানিক ১৯৬৩ সালে। এই পূজা বন্ধ করে দেওয়া হয় কারণ, যদি দমকল বাহিনী পূজাব্যস্ততার কারনে ঠিকমত পরিষেবা কলকাতার অন্য প্যান্ডেলে দিতে না পারে।

একটা সময় কলেজ স্কোয়ার, পার্ক সার্কাস, খিদিরপুর যুবক সংঘ ছাড়া একডালিয়ার প্রতিমাও গড়তেন শিল্পী রমেশ পাল। দমকল বাহিনীর পুজো বন্ধ হয়ে যাবার পর এই পুজোর বেশ কিছু উদ্যোক্তাই পরে পাশের পার্কে মহম্মদ আলি পার্কের পুজো চালু করেন।

একটা সময়ে প্রতিমার মুখ মানে অবশ্যই ‘ম্যাডাম’ সুচিত্রা সেন। তখন মিসেস সেন ফুলফর্মে। প্রথম হায়েস্ট পেড নায়িকা, তাই দর্শক থেকে ক্লাব উদ্যোক্তারা সবাই চাইত প্রতিমা হবে ম্যাডামের মুখের আদলে। আর তারই সযত্নে রূপ দিতেন শিল্পী রমেশ পাল।

সে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। দেবী দুর্গার মুখে সুচিত্রা সেনের আদল। রক্ষনশীল বাংলা সমাজে সম্ভবতঃ সেই প্রথম, মা দুর্গার মুখ করা হত ম্যাডাম মিসেস সেনের মুখের আদলে।

প্রথম দিকে লক্ষী, সরস্বতীর মুখের আদল করা হত সুচিত্রা সেনের মুখের মত। তারপর জনতার দাবি মেনে মা দুর্গার মুখে বসানো হল ম্যাডামের মুখ। আর তাই দেখতে ভিড় করতেন হাজার হাজার মানুষ। কলকাতা, জেলার মানুষ ছাড়াও দমকল বাহিনীর ‘সুচিত্রা প্রতিমা’ দেখতে একসময় দলে দলে কলকাতায় আসতেন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মানুষ।

৫০ এর দশক থেকে প্রায় ৭০ এর দশক পর্যন্ত বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ‘রাজ’ করেছেন মহানায়িকা। উত্তমকুমারের সঙ্গে তাঁর জুটিকে বাংলা সিনেমার ‘Golden Era’ বা সোনার যুগ বলা হয়।

কিন্তু দুর্গা পুজোপ্রেমী মানুষ ও সাধারণ দর্শকদের চাপে, মা দুর্গার মুখে সুচিত্রা সেনের মুখের আদল দেওয়া হচ্ছে, এটাই ছিল সেই যুগের অবিস্মরণীয় একটা অধ্যায়।

]]>