State police – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 17 May 2022 08:07:12 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg State police – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ওয়ারেন্ট ছাড়াই বিরোধী দলনেতার অফিসে পুলিশি তল্লাশি, হাইকোর্টে শুভেন্দু https://thenewsbangla.com/police-search-opposition-leader-office-without-warrant-suvendu-adhikari-in-high-court/ Tue, 17 May 2022 08:06:33 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15098 ওয়ারেন্ট ছাড়াই বিরোধী দলনেতার অফিসে পুলিশি তল্লাশি, হাইকোর্টে শুভেন্দু। রবিবার নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা; শুভেন্দু অধিকারীর অফিসে তল্লাশি চালায় রাজ্য পুলিশ। যা নিয়ে তোলপাড়; রাজ্যের রাজনৈতিক মহল। এই ঘটনার পরেই, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়; রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেন। এবার বিষয়টি নিয়ে, সোজা আদালতে গেলেন; নন্দীগ্রামের বিধায়ক। কলকাতা হাইকোর্ট শুভেন্দুকে পুলিশের বিরুদ্ধে; মামলা দায়ের করতে অনুমতি দিল।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রামের কার্যালয়ে; ওয়ারেন্ট ছাড়াই পুলিশি তল্লাশি কেন? তা জানতে চেয়ে আগেই মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন; রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মঙ্গলবারই সেই রিপোর্ট; রাজ্যপালের কাছে পেশ হওয়ার কথা। এবার একই প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের হল; কলকাতা হাইকোর্টে। বিনা নোটিসে কেন বিরোধী দলনেতার বাড়িতে পুলিশি হানা? প্রশ্ন তুলে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে; মামলা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর প্রশ্ন, ওয়ারেন্ট ছাড়া কীভাবে বিরোধী দলনেতার অফিসে; তল্লাশি চালাল রাজ্য পুলিশ? মঙ্গলবার শুভেন্দুকে মামলাটি দায়ের করার অনুমতি দেন; হাইকোর্ট বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘সন্ধান চাই’, ‘নিখোঁজ’ তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান, পোস্টার এলাকায়

পুলিশি অভিযানের ছবি দিয়ে, বিষয়টি নিয়ে রবিবার রাতেই; ট্যুইট করেছিলেন বিরোধী দলনেতা। সেখানে তিনি লেখেন, “কোনও রকমের খবর না দিয়ে, কোনও সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই; ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে মমতার পুলিশ নন্দীগ্রামের বিধায়ক কার্যালয়ে অনধিকার প্রবেশ করে”। “এই ঘটনা মমতার সরকার পুলিশকে অপব্যবহারের মাধ্যমে; বিরোধী দলনেতার প্রতি ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে সামিল হয়েছেন”; বলেও অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বক্তব্য, “রবিবার যেখানে তল্লাশি চালানো হয়েছিল তা শুধু বিধায়কের অফিস নয়; তিনি সেখানে থাকেনও”। রবিবারের তল্লাশি নিয়ে তিনি রাজ্য পুলিশকে তীব্র কটাক্ষ করেন। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন; শুভেন্দু অধিকারী। আদালতে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “ওয়ারেন্ট ছাড়া কি ভাবে বিরোধী দলনেতার অফিসের তল্লাশি করা হল?” চাওয়া হয় মামলা করার অনুমতি।

সব শুনে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা; শুভেন্দুর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপরেই শুভেন্দুর তরফে দায়ের হয় মামলা। আগামী বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানি হবে বলে হাইকোর্ট সূত্রে খবর। এই নিয়ে পুলিশের তরফে এখনও কিছু বলা হয়নি।

]]>
এই বুথটা আমার, এখানে এত পুলিশ কেন, রাজ্য পুলিশকেই শাসানি তৃণমূল বিধায়কের https://thenewsbangla.com/tmc-mla-scold-state-police-this-booth-is-mine-why-are-so-many-police-here/ Tue, 23 Apr 2019 05:59:47 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11485 এই বুথটা আমার, এখানে এত পুলিশ কেন, শাসানি তৃণমূল বিধায়কের। তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মাহমুদা বেগম মঙ্গলবার এই শাসানি দেন রাজ্য পুলিশ কর্মীদের। দক্ষিণ দিনাজপুরের কু্মারগঞ্জের শ্যামনগরে একটি বুথে যান কু্মারগঞ্জে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মাহমুদা বেগম। সেখানে বিশাল পুলিশ বাহিনী দেখেই ক্ষুব্ধ হন প্রাক্তন বিধায়ক। তখনই পুলিশকে তিনি বলেন, এই বুথটা আমার, এখানে এত পুলিশ কেন?

বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ করা হয় কু্মারগঞ্জের শ্যামনগরে একটি বুথে তৃণমূল কংগ্রেস ভোটারদের টাকা বিলি করছে। অভিযোগ যায় নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের কাছে। খবর পেয়েই তিনি বিশাল পুলিশ বাহিনী পাঠান ঘটনা দেখতে। তারপরেই সেখানে পৌঁছান কু্মারগঞ্জে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মাহমুদা বেগম।

আরও পড়ুনঃ ডোমকলের মোমিনপুরে তৃণমূলের হামলায় দুই মহিলা বিজেপি সমর্থক গুরুতর আহত

এত পুলিশ বাহিনী দেখেই খেপে যান তিনি। বলেন, এই বুথটা আমার, এখানে এত পুলিশ কেন? তাঁর সঙ্গী সাথিরা পুলিশকেই বহিরাগত বলে হুমকি দেন। তবে বিধায়কের শাসানি সত্ত্বেও নিজের কর্তব্যে অটল থাকেন রাজ্য পুলিশের অফিসার ও কর্মীরা। তাঁরা প্রাক্তন বিধায়ক মাহমুদা বেগমকে জানান তাঁরা নির্দেশ পেয়েই এখানে ভোটের ডিউটিতে এসেছেন।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ভোট শুরুতেই বোমা হামলা, বুথের কাছেই বোমা ফেটে গুরুতর আহত তৃণমূল নেতা

তবে এই জবাবে সন্তুষ্ট হননি প্রাক্তন বিধায়ক মাহমুদা বেগম। বুথের ভিতর এত পাহারা আবার বুথের বাইরেও এত পুলিশি তৎপরতা দেখে রেগে যান এই তৃণমূল নেত্রী। তারপরেই পুলিশকে হুমকি দেন তিনি।

তবে ভোটারদের টাকা বিলি করার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁদের দাবী বিশাল বাহিনী পাঠিয়ে ভোটারদের ভয় পাইয়ে দিচ্ছে নির্বাচন কমিশনই। তবে কুমারগঞ্জে দু একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটের উপর ভোট শান্তিতেই হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ নিরাপত্তায় বুড়ো আঙুল, দ্বিতীয় হুগলী সেতুতে বাইক দাঁড় করিয়ে আড্ডা, দেদার ভিডিও

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সেনার পোশাকে বুথে রাজ্য পুলিশ কর্মী, গাদা বন্দুক নিয়েই ধরা পরে গেলেন https://thenewsbangla.com/state-police-in-the-uniform-of-the-army-in-the-booth-was-caught-by-his-gun/ Thu, 11 Apr 2019 15:42:37 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10652 গায়ে সেনা জওয়ানদের মতো জলপাই রঙের ডোরাকাটা জামা। মাথায় টুপিতে লেখা ইন্ডিয়ান আর্মি। টুপির সামনে ইন্ডিয়ান আর্মির সিম্বল। ডিউটি করছেন ভোটকেন্দ্রে। একঝলক দেখে মনে হচ্ছে কোনও আধাসেনা জওয়ান বুঝি। কিন্তু ভালো করে ঠাহর করতেই মালুম হয়, সেনা পোশাকে ওই ‘জওয়ান’ আসলে রাজ্য পুলিসকর্মী। পিঠে থ্রি নট থ্রি ‘গাদা’ বন্দুক ফাঁস করল তাঁর পরিচয়।

আরও পড়ুনঃ রণক্ষেত্র কোচবিহার জেলাশাসক দফতর, বিজেপি প্রার্থীর অবস্থান তুলতে বিশাল পুলিশ

গায়ে সেনা জওয়ানদের মতো জলপাই রঙের ডোরাকাটা জামা। মাথায় টুপিতে লেখা ইন্ডিয়ান আর্মি। একনজরে দেখে বোঝা সম্ভব নয়, যে উনি আধাসেনা নন, বাংলার পুলিশ কর্মী। ডিউটি করছেন ভোটকেন্দ্রে। সাধারণ মানুষের দেখেই মনে হবে কোনও আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ান বুঝি। কিন্তু ভালো করে দেখলেই বোঝা যায় যে সেনাবাহিনীর পোশাকের ওই ব্যক্তিরা আসলে রাজ্য পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ শুধু কোচবিহারে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস আটকাতে না পেরে লজ্জায় বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন

সন্দেহ হয় তাঁর পিঠে থ্রি নট থ্রি ‘গাদা’ বন্দুক দেখে। এই বন্দুক এখন বাংলার পুলিশ কর্মীরা ছাড়া কেউই এখন ব্যবহার করে না। অন্তত আধা সেনারা তো নয়ই। কারণ তাঁদের হাতে থাকে একে ৪৭ বা একে ৫৬ বা আধুনিক ইনস্যাস রাইফেল। তাই পুলিশ কর্মীর থ্রি নট থ্রি বন্দুকই তাঁর আসল পরিচয় ধরিয়ে দিল।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস

সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় এমন বেশ কিছু ছবি ধরা পড়েছে ভোটের সারাদিনে। এমন ঘটনা ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়ায়। সেনার পোশাকে ওই রাজ্য পুলিশকর্মীদের দেখে ভোটাররা প্রথমে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান বলেই মনে করেছে।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভবিষ্যতের ভূতকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা দেবে মমতা সরকার

পরে জানা গেছে, তারা রাজ্য পুলিশ কর্মী। পোশাক বিভ্রান্তির জের ধরে সামরিক বাহিনী নিয়ে ভোটারদের মনে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। একজন রাজ্য পুলিশ কেন আধাসেনার পোশাক পরে ডিউটি করবেন এমন প্রশ্ন উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ ভোটের ‘দাওয়াই’ দেওয়ার বেনজির হুমকি রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

সেনা পোশাকে ওই রাজ্য পুলিশকর্মীকে দেখে ভোটাররা প্রথমে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান বলেই মনে করে। পরে জানা যায়, তিনি একজন রাজ্য পুলিশকর্মী। রাজ্য পুলিশের এক কর্মী কেন আধাসেনার পোশাক পরে ডিউটি করবেন, উঠছে প্রশ্ন। কিন্তু এর উত্তর জেলা প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশন, কেউই দেয়নি।

আরও পড়ুনঃ মমতার ফোনের পরই ৫ টি বুথে পুনরায় নির্বাচন চাইলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

পুলিশ কর্মীরাও এই নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হন নি। তবে এই নিয়ে প্রশ্ন কিন্তু উঠে গেছে। রাজ্য পুলিশের কর্মী হয়েও কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক? আধাসেনার আড়ালে নিজেদের লুকিয়ে রাখতেই কি? প্রশ্ন উঠেছে। তবে উত্তর দেবার জন্য রাজ্য পুলিশের কোন কর্তাকে পাওয়া যায় নি।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা নয় কোচবিহার থেকে ভোট মনিটরিং করবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে
আরও পড়ুনঃ আশ্চর্য কাণ্ড, ভোট শুরু হতেই কোচবিহার থেকে কলকাতায় ফিরলেন বিবেক দুবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
লজ্জার ছবি, বাংলার পুলিশের কাজ কি তৃণমূলের ছাতা ধরা https://thenewsbangla.com/picture-of-shame-bengal-police-staff-holds-umbrella-for-tmc-leader/ Wed, 10 Apr 2019 17:14:23 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10521 ভোট প্রচারে লজ্জার ছবি। ইতিমধ্যেই ভাইরাল সেই ছবি। এক পুলিশ কর্মী ধরে আছেন তৃণমূলের ছাতা। আর এরপরেই প্রশ্ন উঠেছে, বাংলার পুলিশের কাজ কি তৃণমূলের ছাতা ধরা? ভাইরাল হওয়া ছবিতে পুলিশের এই ভূমিকা খুব লজ্জার বলেছেন সাধারণ মানুষ।

LIVE: সারাদিন কি হচ্ছে বাংলার ভোটে, দেখে নিন প্রথম দফার ভোটের সব ঘটনা

বারাসত লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ও ফের ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদারের মাথায় ছাতা ধরে আছেন রাজ্যের এক পুলিশ কর্মী। ছাতায় তৃণমূলের সিম্বল দেওয়া। আর এই ছবি এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজ্যের কোন পুলিশ কর্মী কি কোন রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীর মাথায় দলিয় চিহ্ন দেওয়া ছাতা ধরে থাকতে পারেন? উঠে গেছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস

দেখুন সেই ভাইরাল ছবিঃ

লজ্জার ছবি, বাংলার পুলিশের কাজ কি তৃণমূলের ছাতা ধরা/The News বাংলা
লজ্জার ছবি, বাংলার পুলিশের কাজ কি তৃণমূলের ছাতা ধরা/The News বাংলা

আর এই লজ্জার ছবি পোস্ট করেছেন বারাসত লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ও ফের ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদার নিজেই। আর ছবি ভাইরাল হবার পরেই প্রশ্ন উঠেছে, রাজ্যের পুলিশ কর্মীদের কাজ কি রাজনৈতিক নেত্রীর মাথায় ছাতা ধরা? এটাই কি পুলিশের কাজ। পুলিশের উর্দির অপমান কি এই ছবিতে হয় নি? প্রশ্ন তুলেছেন আমজনতা।

আরও পড়ুনঃ ভোটের ‘দাওয়াই’ দেওয়ার বেনজির হুমকি রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

দেখুন সেই ভাইরাল ছবিঃ

লজ্জার ছবি, বাংলার পুলিশের কাজ কি তৃণমূলের ছাতা ধরা/The News বাংলা
লজ্জার ছবি, বাংলার পুলিশের কাজ কি তৃণমূলের ছাতা ধরা/The News বাংলা

গাড়িতে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুজিত বসুও। গাড়িতে সাংসদ ও মন্ত্রী ছাড়াও রয়েছেন অনেক তৃণমূল নেতা কর্মী। কিন্তু কেউই নেত্রীর মাথায় তৃণমূলের ছাতাটি ধরার প্রয়োজন বোধ করেন নি। নেত্রীর মাথায় তৃণমূলের ছাতাটি ধরতে হয়েছে রাজ্যের এক পুলিশ কর্মীকে।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভবিষ্যতের ভূতকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা দেবে মমতা সরকার

রাজ্যের পুলিশ কর্মীর কাজ নেত্রীকে নিরাপত্তা দেওয়া। তাঁর ফাই ফরমাশ খাটা বা ব্যক্তিগত কেজ করা নয়। কিন্তু নেত্রীর মাথায় তৃণমূলের ছাতাটি ধরে সেই লজ্জাজনক কাজটিই তিনি করেছেন। রাজ্যের পুলিশের হাল এই ছবি দেখেই বোঝা যায় বলেই মন্তব্য করেছেন অনেক মানুষ।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিমির বিজ্ঞাপনে মুখ ঢাকল যাদবপুর

ভাইরাল হওয়া ছবিকে ঘিরে ফের একবার বাংলার পুলিশ কর্মীদের নৈতিক চরিত্রটা সামনে এল বলেই মনে করছেন সাধারণ মানুষ। ভাইরাল হওয়া ছবিতে নিজেদের মতামত জানিয়েছেন আমজনতা। পুলিশ এখন শাসক দলের ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের চামচা বলেই মন্তব্য করেছেন অনেকেই। আর সেটা যে বাংলার পুলিশ কর্তাদের খুব একটা খুশি করবে না সেটা বলাই বাহুল্য।

আরও পড়ুনঃ মমতার ফোনের পরই ৫ টি বুথে পুনরায় নির্বাচন চাইলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

তবে এই নিয়ে মুখ খুলতে চান নি কোন পুলিশ কর্তা। এই নিয়ে যোগাযোগ করলেও পাওয়া যায় নি বারাসত লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ও ফের ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সঙ্গে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে নেত্রী ও মন্ত্রীর উপস্থিতিতে রাজ্য পুলিশের এই হাল দেখে।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা নয় কোচবিহার থেকে ভোট মনিটরিং করবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে
আরও পড়ুনঃ আশ্চর্য কাণ্ড, ভোট শুরু হতেই কোচবিহার থেকে কলকাতায় ফিরলেন বিবেক দুবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বিরোধীদের সব অভিযোগ উড়িয়ে মমতার পুলিশ দিয়েই ভোট হবে রাজ্যে https://thenewsbangla.com/election-commission-cancel-complaints-from-opppsition-use-state-police-in-booths/ Sat, 06 Apr 2019 07:16:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10150 শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর বিরোধীদের দাবি উড়িয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশও থাকবে বুথে। যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে না, সেখানে শুধুই রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ থাকবে। পরিস্কার জানিয়ে দিল রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী অফিসার দফতর। আর তাই দেখেই বিভিন্ন জল্পনা শুরু রাজনৈতিক মহলে।

আরও পড়ুনঃ ঘাসফুলে ভোট দিলে শান্তি পাবে মায়ের আত্মা, সুচিত্রার নাম করে ভোট প্রার্থনা মুনমুনের

তৈরী হয়ে গিয়েছিল পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনা নির্দেশিকার আকারে চলে গিয়েছিল জেলায়। কিন্তু প্রথম দফার ভোটের সেই পরিকল্পনা নিয়ে আপত্তি আছে নির্বাচন কমিশনের। সূত্রের খবর তেমনটাই। নতুন করে পরিকল্পনা তৈরির জন্য কোচবিহারের তাই আনা হলো নতুন পুলিশ অবজারভার।

আরও পড়ুনঃ কলকাতার পুলিশ কমিশনার বদল, মমতা ঘনিষ্ঠ অফিসারদের ভোট থেকে দূরে রাখা হল

দুজন পুলিশ অবজারভার এখন জেলায়। প্রথম দেখার ভোটের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় তিনি বেশ কিছু পরামর্শ দেবেন বলে সূত্রের খবর। শুক্রবারই নতুন পুলিশ অবজারভার শুরু করে দিয়েছেন কাজ। কিন্তু বুথে থাকবে রাজ্য পুলিশও, এই ঘোষণায় ‘মোদী মমতা চুক্তি’ নিয়ে সরগরম বাম ও কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ ঘাসফুলে ভোট দিলে শান্তি পাবে মায়ের আত্মা, সুচিত্রার নাম করে ভোট প্রার্থনা মুনমুনের

লোকসভা নির্বাচনে বেশিরভাগ বুথেই থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুধুমাত্র স্পর্শকাতর বুথগুলোতেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। বাকি সব বুথে থাকতে চলেছে রাজ্য পুলিশের অস্ত্রধারী কনস্টেবলরা। ইতিমধ্যেই ADG আইন শৃঙ্খলা সিদ্ধিনাথ গুপ্তা আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার সহ বেশ কিছু জেলার পুলিশ সুপারের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন ভোটের সুরক্ষা ব্যবস্থার প্ল্যান।

আরও পড়ুনঃ মমতার দাবি না মেনে জঙ্গলমহল থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী তুলছে নির্বাচন কমিশন

সেই চিঠি বলছে, এবার লোকসভা ভোটে সুরক্ষার প্রশ্নে প্রাধান্য পাবে রাজ্য পুলিশ। আর এক কিম্বা দুই বুথ থাকা ভোট প্রেমিসেসে শুধুমাত্র থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তিন চার কিংবা পাঁচ বুথ বিশিষ্ট পোলিং প্রেমিসেসে থাকবে শুধুই রাজ্য পুলিশ। আর এই ঘোষণার পরেই তৃণমূল- বিজেপি ঘোঁট নিয়ে মুখ খুলেছে বামেরা।

আরও পড়ুনঃ মমতার দাবি না মেনে জঙ্গলমহল থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী তুলছে নির্বাচন কমিশন

ADG আইন-শৃঙ্খলা প্রথম দুই দফা ভোটের জন্য যে বিন্যাস পাঠিয়েছেন, তা বলছে জলপাইগুড়ির যে অংশে প্রথম দফায় ভোট হবে তার ২৪৪ টা প্রেমিসেসের ৩০৫ টি বুথে থাকবে মাত্র ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার মধ্যে বুথে মোতায়েন থাকবে মোট ৬ সেকশন অর্থাৎ ৪৮ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য।

আরও পড়ুনঃ মোদী সরকারের উদ্যোগে ইউনেস্কোর কালচারাল হেরিটেজ সম্মান মনোনয়নে বাংলার দুর্গাপূজা

কুইক রেসপন্স টিমে থাকবে ৪ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য। বুথে মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে থাকবে ১৫ জন লাঠিধারী হোমগার্ড। কোচবিহারে ১৬৬৮ টি পোলিং প্রেমিসেসে থাকা ২২৬২ টি বুথে থাকবে ৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার মধ্যে বুথে মোতায়েন করা হচ্ছে ৪১ সেকশন বাহিনী।

আরও পড়ুনঃ সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠায় উচ্চবর্ণের জন্য অতিরিক্ত ২% কর চাপাচ্ছে সমাজবাদী পার্টি

কুইক রেসপন্স টিমে থাকবে ১০ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর স্ট্রংরুম পাহারার দায়িত্বে থাকবে তিন সেকশন। আলিপুরদুয়ারে মোতায়েন হচ্ছে ৩ কোম্পানি বাহিনী। তার মধ্যে বুথে থাকবে ১৭ সেকশন, কুইক রেসপন্স টিমে ৮ সেকশন, স্ট্রং রুম পাহারার দায়িত্বে তিন সেকসন কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্য পুলিশের তরফে ৬৯ জন ইন্সপেক্টর কাজ করবেন ভোট সুরক্ষার। তবে সব বুথেই থাকছে সশস্ত্র পুলিশ। কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া যে বুথ গুলিতে ভোট হবে তাতে থাকতেন সশস্ত্র কনস্টেবলরাই।

আরও পড়ুনঃ কলকাতার পুলিশ কমিশনার বদল, মমতা ঘনিষ্ঠ অফিসারদের ভোট থেকে দূরে রাখা হল

সিদ্ধিনাথ গুপ্তার পাঠান নির্দেশিকা পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে বলে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে খবর। সূত্র জানাচ্ছে, সেই কারণেই তড়িঘড়ি অলক কুমার রায়কে শুধুমাত্র কোচবিহার লোকসভার জন্য পুলিশ অবজারভার করে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। আগে আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার এর জন্য একজন পুলিশ অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছিল। তিনি বিনোদ কুমার।

আরও পড়ুনঃ কংগ্রেসের সভায় মুসলিম লীগের পতাকা, ভাইরাস বলে কটাক্ষ যোগীর

ঠিক হয়েছে বিনোদ শুধুই আলিপুরদুয়ারের পুলিশ অবজারভারের দায়িত্ব পালন করবেন। এদিকে সংশ্লিষ্ট সব মহলের সঙ্গে কথা বলে স্পেশাল পুলিশ অবজারভার বিবেক দুবে দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে শনিবার দিল্লির নির্বাচন সদনে একটি বৈঠক করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

আরও পড়ুনঃ হেলিকপ্টার দুর্নীতিতে আহমেদ প্যাটেলের নাম, সনিয়া রাহুলকে তুলধোনা নরেন্দ্র মোদীর

বিবেক দুবে প্রথম দফার ভোট সহ গোটা রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রাথমিক রিপোর্ট পাঠিয়েছেন বলে খবর। সূত্র জানাচ্ছে, প্রথম দফার নিরাপত্তার বিষয়টিতে তার মতামত গুরুত্ব পাবে কমিশনের কাছে। তবে লাঠিধারী পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে বুথে থাকা নিয়ে আপত্তি তুলেছে বাম ও কংগ্রেস। বিজেপি কেন এটা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে না, প্রশ্ন তাঁদের। তাহলে কি দিদি- মোদী ঘোঁট হয়েছে? প্রশ্ন বাম ও কংগ্রেসের।

আরও পড়ুনঃ চিত্র পরিচালক, লেখক ও বিজ্ঞানীদের পর এবার ৬০০ নাট্যকর্মী ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পুলিশে ভরসা নেই, একমাস আগেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/central-forces-in-bengal-a-month-ago-before-parliament-election-no-faith-in-state-police/ Tue, 12 Mar 2019 07:49:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8168 আগামী শুক্রবারই বাংলায় আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার নিরাপত্তায় আর কোন ফাঁকফোঁকর রাখতে চায় না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তাই শুক্রবারই প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে আসছে ১০ কোম্পানি বিএসএফ বাহিনী। বাংলায় এসেই বিভিন্ন এলাকায় রুট মার্চ করবে তারা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চের ভিডিও করবে প্রশাসন।

শুক্রবার থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাতে শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার পর কেটেছে মাত্র দুদিন। তার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত একপ্রকার রাজ্যকে চাপে রাখার চেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। একেই পশ্চিমবঙ্গে ৭ দফায় ভোট করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তারপরে ভোটের এত আগে থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোয় তুঙ্গে উঠেছে বিতর্ক।

আরও পড়ুনঃ রায়গঞ্জে বিজেপির হয়ে কি লড়বেন দীপা দাশমুন্সি

সোমবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন ছাড়ার সময় বলেন, বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে পশ্চিমবঙ্গে ৭ দফায় নির্বাচন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও তিনি একথাও বলেন যে, নির্বাচন কমিশনের প্রতি তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

শুক্রবারই ১০ কোম্পানি বিএসএফ আসছে রাজ্যে। তারপরেই কমিশন অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলিতে বাহিনীকে দিয়ে রুটমার্চ করাবে। মাও আক্রমণ বন্ধ হলেও রুটমার্চ চলবে জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতেও। জঙ্গলমহলের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে রুটমার্চ করাবে কমিশন। দিল্লি সূত্রের খবর, এবার ভোটের আগেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আর থানা বা পুলিশ সুপার তদারকি করবে না।

আরও পড়ুনঃ এগিয়ে তৃণমূল, মঙ্গলবার বিকালেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা

তার বদলে কমিশনের নিজস্ব পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কন্ট্রোল করবে। অর্থাত্‍ ভোটের আগেই অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলি সহ গোটা রাজ্যই পুরোপুরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরে চলে আসবে। আর তাদের পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গি মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ আজহার জী’ বলে সম্বোধন করে বিতর্কে রাহুল

শনিবার থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী গোটা রাজ্যে ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে টহলদারি চালাবে। তবে কোন কোন এলাকায় টহলদারি চলবে, তা ঠিক করবেন জেলাশাসকরা ও পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা। গত বিধানসভা নির্বাচনেও ভোটের দিনের আগে থেকেই রাজ্যে টহলদারির জন্য ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছিল। এবার আরও অনেক আগে থেকেই সেই বাহিনী আসছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর। এবার প্রতি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্থান চিনকে ভয় দেখিয়ে বালাশোরে পিনাক রকেট ছুঁড়ল ভারত

বিজেপি সহ সব বিরোধী দলের পক্ষ থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে অভিযোগ করা হয়। পঞ্চায়েত ভোটের বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও ক্লিপিংস জমা দেওয়া হয়। সেইসব অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়, ভোটের বিজ্ঞপ্তি ঘোষণা হতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে। সেইরকম ইঙ্গিত দিল্লি থেকে কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে আসে। তারপরেই শুক্রবার বাহিনী আসার খবর জানা যায়।

আরও পড়ুনঃ মমতাকে মুকুলের ভয় দেখিয়ে কি রাজ্যে মন্ত্রী হচ্ছেন অর্জুন

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে এবার ভোটগ্রহণের অনেক আগেই প্রতিটি বুথে ও এলাকার দখল নেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট সময়ে বাহিনী বুথে পৌঁছল কি না, তার ছবি তুলে সেক্টর অফিসকে তা পাঠাতে হবে কমিশনে। কোনও ভাবেই রাজ্য পুলিশকে বুথে ঘেঁষতে দেওয়া হবে না। খুব প্রয়োজনে লাঠিধারি রাজ্য পুলিশ বুথের বাইরে ভোটারদের লাইন দেখভালের দায়িত্বে থাকতে পারে।

আরও পড়ুনঃ রমজান মাসে নির্বাচনে কোনও সমস্যা নেই, ববিকে পাল্টা দিলেন ওয়েসি

বড়জোর কেন্দ্রীয় বাহিনীর দোভাষির কাজ করতে পারে তারা অতীতে অতি-স্পর্শকাতর বুথের দখল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিলেও এভাবে রাজ্যের প্রতিটি বুথেই এতদিন আগে থেকে বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ কায়েমের নজির নেই। রাজ্য পুলিশকে এভাবে বুথ থেকে ব্রাত্য করে দেওয়াও সমান বেনজির৷ রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসলে রাজ্যের পুলিশের প্রতি অনাস্থারই প্রকাশ।

আরও পড়ুনঃ সুব্রত বক্সির বদলে কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

কমিশনের এক আধিকারিকের মতে, এবারের ভোটে রাজ্য পুলিশকে যতটা সম্ভব কম ব্যবহারের কথাই ভাবা হয়েছে। তাই ভোটের জন্য তৈরি ফ্লাইং স্কোয়াড, কুইক রেসপন্স টিম ও সেক্টর মোবাইল ইউনিটেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই প্রথমে দায়িত্ব দেওয়া হবে। কাজের সুবিধার জন্য জিপিএস ব্যবহার করবে ফ্লাইং স্কোয়াড৷ এলাকা সর্ম্পকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সাহায্য করতেই জিপিএসের মতো অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ দিতে চায় নির্বাচন কমিশন৷

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন
আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
Exclusive: লোকসভা ভোটের আগে মমতার পুলিশে ব্যপক রদবদল, ১২০ অফিসার বদলি https://thenewsbangla.com/lok-sabha-vote-ahead-a-huge-reshuffle-of-state-police-120-police-officers-transferred/ Tue, 08 Jan 2019 16:37:02 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5320 The News বাংলাঃ Exclusive: লোকসভা ভোটের আগে রাজ্য পুলিশে ব্যপক রদবদল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবারই খুব আর্জেন্ট জানিয়ে রাজ্য পুলিশে ব্যপক রদবদল করা হয়েছে। রদবদল লিস্টে নাম আছে ১২০ জন পুলিশ অফিসারের। বদলি করা হয়েছে সবাইকেই।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় রাস্তায় বিজেপির রথ চলবে কিনা ঠিক হবে আগামী মঙ্গলবার

জরুরি নির্দেশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে সব আইজি, ডিআইজিদের, সব কমিশনারেটে, সিআইডিতে, সব জেলার পুলিশ সুপারকে ও আক্যাউনট দফতরে।

একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন ১২০ জন পুলিশ অফিসারের নাম আছে নবান্ন থেকে ইস্যু হওয়া ৬ পাতার লিস্টে। দেখে নিন নবান্নের নির্দেশের প্রথম দুই পাতা।

Exclusive: লোকসভা ভোটের আগে মমতার পুলিশে ব্যপক রদবদল, ১২০ জন পুলিশ বদলি/The News বাংলা
Exclusive: লোকসভা ভোটের আগে মমতার পুলিশে ব্যপক রদবদল, ১২০ জন পুলিশ বদলি/The News বাংলা

রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এটা রুটিন রদবদল। এর পিছনে অন্য কোন কারণ খোঁজা অনর্থক। এই রদবদল হওয়ার কথা ছিল। লোকসভা ভোটের আগেই এই বদলি সেরে নেওয়া হল।

একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন ১২০ জন পুলিশ অফিসারের নাম আছে নবান্ন থেকে ইস্যু হওয়া ৬ পাতার লিস্টে। দেখে নিন নবান্নের নির্দেশের তিন ও চারের পাতা।

আরও পড়ুনঃ

গুরুবারে শুরু অযোধ্যায় রাম মন্দির বাবরি মসজিদ শেষ লড়াই

ভোটের আগে সিবিআই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে জোর ধাক্কা খেল মোদী সরকার

Exclusive: লোকসভা ভোটের আগে মমতার পুলিশে ব্যপক রদবদল, ১২০ জন পুলিশ বদলি/The News বাংলা
Exclusive: লোকসভা ভোটের আগে মমতার পুলিশে ব্যপক রদবদল, ১২০ জন পুলিশ বদলি/The News বাংলা

তবে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু অফিসারের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ আছে। আদালতে মামলা আছে। কিছু অফিসার একই জায়গায় অনেক বছর আছেন। তাই এই রদবদল করা হয়েছে।

একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন ১২০ জন পুলিশ অফিসারের নাম আছে নবান্ন থেকে ইস্যু হওয়া ৬ পাতার লিস্টে। দেখে নিন নবান্নের নির্দেশের পাঁচ ও ছয়ের পাতা।

আরও পড়ুনঃ

উচ্চবর্ণের গরীব হিন্দুদের জন্য সংরক্ষণ মোদীর, দেশ জুড়ে বিতর্ক

ফের গরু চোর সন্দেহে খুন, এবার ‘গোরক্ষকের’ নাম মুসলিম মিঁয়া

Exclusive: লোকসভা ভোটের আগে মমতার পুলিশে ব্যপক রদবদল, ১২০ জন পুলিশ বদলি/The News বাংলা
Exclusive: লোকসভা ভোটের আগে মমতার পুলিশে ব্যপক রদবদল, ১২০ জন পুলিশ বদলি/The News বাংলা

বেশ কিছু পুলিশ অফিসারের বদলিতে বেশ আশ্চর্য হয়েছেন সংশ্লিষ্ট অফিসারও। তাঁদের কাছে এই হঠাৎ বদলি বেশ অদ্ভুত লেগেছে। কিন্তু সরকারী নির্দেশ মেনেই তাঁরা যোগ দিচ্ছেন নতুন জায়গায়।

তবে এর পিছনেও মমতা সরকারের চাল দেখেছেন বিরোধীরা। বিরোধীদের তরফ থেকে বলা হয়েছে লোকসভা ভোটের আগে বিশেষ বিশেষ জায়গায় বিশেষ অফিসারদের ভোট করাতে পাঠাল তৃণমূল সরকার। তাই একসঙ্গে ১২০ জন অফিসারকে একসঙ্গে বদলি করা হল। অবশ্য নবান্ন থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ রুটিন বদলি। এর পিছনে অন্য কোন কারণ নেই।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>