Social Media – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 27 May 2019 14:33:30 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Social Media – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 সংসদে পা রেখেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করলেন বাংলার অভিনেত্রীরা https://thenewsbangla.com/bengali-actresses-posted-photos-in-social-media-infront-of-india-parliament/ Mon, 27 May 2019 14:10:33 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13396 সাত দফার ভোটযুদ্ধের পর; ২৩শে মে, ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। যুদ্ধে বিভিন্ন রথী মহারথীদের মধ্যে ছিলেন টলি তারকারাও; আর ফলাফল ঘোষণা হতেই দিল্লিতে সংসদ ভবনে পদার্পণ করলেন তারা। গনতন্ত্রের মন্দির বলে পরিচিত; সংসদ ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে যথেচ্ছ ছবিও তুললেন তারা; সেই ছবি পোস্টও করলেন স্যোশাল মিডিয়ায়।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের; কয়েকটি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিভিন্ন জগতের তারকা প্রার্থীরা। এদের মধ্যে রয়েছেন অভিনয় জগতের মিমি চক্রবর্তী; নুসরত জাহান; দীপক অধিকারী(দেব); মুনমুন সেন; লকেট চ্যাটার্জি এবং গায়ক বাবুল সুপ্রিয়।

আসানসোলের তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেন; বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়র কাছে হেরে গেলেও; বাকি সকলেই ভোটযুদ্ধের বৈতরণী পার করেছেন। এদের মধ্যে তৃণমূলের ঘাটালের প্রার্থী দেব এবং বিজেপির আসানসোলের প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় গতবারের সাংসদ।

অন্যদিকে এবারেই প্রথম লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে; সংসদে পা রাখলেন তৃণমূলের মিমি চক্রবর্তী; নুসরাত জাহান এবং বিজেপির লকেট চ্যাটার্জি। সংসদ ভবনে পা রেখেই সংসদ ভবনের সামনে থেকে; নিজেদের ছবি তুলে এই তিন তারকাই স্যোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন।

মিমি চক্রবর্তী যাদবপুর কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন; ভোট প্রচারের প্রথম থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে সমালোচনার সম্মুখীন হন মিমি চক্রবর্তী; তবে সমস্ত সমালোচনাকে দূরে সরিয়ে সফলভাবে সংসদে পদার্পণ করলেন তিনি।

অন্যদিকে; বসিরহাট কেন্দ্রে বিজেপির হেভিওয়েট প্রার্থী সায়ন্তন বসুকে হারিয়ে; লক্ষাধিক ভোটে জিতে সংসদে পা রেখেছেন নুসরাত জাহান। মিমি আর নুসরত এই দুজন ছাড়াও বিজেপির তরফে হুগলি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে; তৃণমূলের দাপুটে ও প্রভাবশালী প্রার্থী রত্না দে নাগকে হারিয়ে সংসদে পৌঁছেছেন লকেট চ্যাটার্জি।

মিমি বা নুসরাতের মতই অভিনয় জগৎ থেকে রাজনীতিতে পা রাখলেও; বিগত কয়েক বছর লকেট রাজনীতির লড়াইয়ে রয়েছেন। প্রথমে তৃণমূল ঘনিষ্ঠতা থাকলেও নারী সুরক্ষার প্রশ্ন তুলে; তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। গত বিধানসভা নির্বাচনে বীরভূমের ময়ূরেশ্বর কেন্দ্রে; লড়াই করেও পরাজিত হন তিনি। এবার সেই লড়াইয়ে ভর করেই; সংসদে প্রথমবার পা রাখলেন লকেট।

তবে সবাই কি ২০১৪ র মুনমুন সেন আর সন্ধ্যা রায়ের মত; অকার্যকরী হবেন? সেটাই এখন আশঙ্কা বাঙালীর। আর প্রথমেই সংসদে ছবি দেখে সেই আশঙ্কা আরও দৃঢ় হচ্ছে।

]]>
স্যোশাল মিডিয়ায় মোদীকে শুভেচ্ছাবার্তা বলিউড তারকাদের চুপ টালিগঞ্জ https://thenewsbangla.com/bollywood-stars-wish-to-modi-on-social-media-intellectuals-of-bengal-silent/ Fri, 24 May 2019 16:12:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13262 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে অপ্রতিরোধ্য জয়লাভ করেছে বিজেপি; জয়ের কান্ডারী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার জয়ের আভাস পাবার সঙ্গে সঙ্গেই নরেন্দ্র মোদী আরও একবার জয়ী হবার জন্য; শুভেচ্ছাবার্তা আসতে শুরু করে বিভিন্ন মহল থেকে; বাদ যায়নি বলিউড তারকারাও।

সালমান খান, নরেন্দ্র মোদীকে ট্যুইটারে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়ে জানান; “নরেন্দ্র মোদীকে তাঁর অপ্রতিরোধ্য জয়ের জন্য অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আমরা শক্তিশালী ভারত গঠনে আপনার পাশে রয়েছি”। অভিনেতা বরুণ ধওয়ান জানিয়েছেন; “নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারতবাসী ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে চায়”।

আরও পড়ুনঃ রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

অভিনেতা অর্জুন কাপুর জানিয়েছেন; দেশবাসী ভোটের মাধ্যমে যে রায় দিয়েছেন; তা ক্রিস্টালের মতই পরিষ্কার। নরেন্দ্র মোদীর শক্ত হাত ধরেই ভারত এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। অভিষেক বচ্চন জানিয়েছেন; দেশের উন্নতি; সমৃদ্ধি; প্রগতির স্বার্থে ভারতের জয় হলো।

সারা দেশ বিদেশসহ বলিউডের তারকারা; যখন দেশের প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে ব্যস্ত, তখন অদ্ভুত ভাবে চুপ টালিগঞ্জের নায়ক নায়িকা থেকে শুরু করে পরিচালক; সঙ্গীত পরিচালক সহ গায়ক গায়িকা সবাই। মোদীর জয়ে আশ্চর্য রকম নীরব টলিউড। অদ্ভুত রকম নীরব; চুপ বাংলার বুদ্ধিজীবীরা।

কিন্তু কেন এই নীরবতা, যেখানে এই লোকসভা নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছেন; টালিগঞ্জের দুই সুপারহিট নায়িকা মিমি, নুসরাত; মুনমুন সেন, দেব। রাজনীতি নিতে এত আগ্রহী বাংলার মানুষ কি তবে সৌজন্যবোধ ভুলে গেল। বুদ্ধিজীবীতে ভরা এই বাংলা কি সৌজন্য ভুলতে বসেছে?

আরও পড়ুনঃ ডিএ, পে কমিশন না পাওয়ায় ভোটে জবাব দিলেন বাংলার সরকারি কর্মীরা

নাকি বিজেপি বাংলায় পা রাখায় আত্মসঙ্কটে ভুগছে বাঙালি; নিজেদের ভাষা সাহিত্য বা বাংলার পরম্পরা সম্পর্কে আতঙ্কিত হয়ে পরছে কি বাংলার মানুষ? কিন্তু মহারাষ্ট্রের মানুষ যখন একই সাথে মারাঠি সাহিত্য ও চটুল হিন্দি সিনেমা নিয়ে; একটা বিরাট শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে পেরেছে; তখন বাঙালি কেন পারবে না নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রেখে এগিয়ে চলতে।

হিন্দিবলয়ের মানুষের সংশস্পর্শ এলে; বাঙ্গালির নিজস্বতা মুছে যাবে এই ভয়ে ভুগছে কি বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা? নাকি শুধুই শাসকদলের কাছে; নিজেদের ভাবমূর্তি বজায় রাখার নিরন্তন প্রচেষ্টা! প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে; শাসকদলের কুনজরে পড়ার আশঙ্কায় কি ভুগছে বুদ্ধিজীবীরা?

]]>
জীবন বাজি রেখে ভালবাসার ভয়াবহ ছবি তোলেন জিন ও ক্যামিল https://thenewsbangla.com/instagram-couple-criticized-on-social-media-for-kissing-a-train-in-srilanka/ Thu, 09 May 2019 08:13:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12628 ভ্রমণের শখ জিন ও ক্যামিল দম্পতির; ঘুরে বেড়ান এ দেশ-ও দেশ; সুউচ্চ পাহাড় আর সমতলের সৌন্দর্য দুচোখ ভরে দেখেন তাঁরা; নীল জলরাশি আর বরফের ছোঁয়ায় উজ্জীবিত হন; আর কার না রোমাঞ্চিত হতে ভালো লাগে!

কিন্তু এ দম্পতির ভয়ংকর নেশা আছে; জীবন বাজি রেখে ভয়াবহ সব জায়গায় ছবি তোলেন তাঁরা; আর সেইসব ছবি শেয়ার করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে; সম্প্রতি তেমনই এক ‘বন্য চুমু’র ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন ইউরোপের দেশ বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে বসবাসরত এ দম্পতি!

আরও পড়ুনঃ অভিনেতা অভিনেত্রীদের সামনেই মদন মিত্রকে জয় শ্রী রাম ও মোদী স্লোগান

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের অনলাইন সংস্করণ প্রতিবেদন আরো জানিয়েছে; তাঁদের ‘বন্য চুমু’র ছবি দেখে তিরস্কার করেছেন অন্তর্জাল ব্যবহারকারীরা; সম্প্রতি শ্রীলঙ্কায় ভ্রমণে যান জিন-ক্যামিল; সেখানে চলন্ত ট্রেনের বাইরে হেলে পড়ে চুমুর দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছেন তাঁরা; এ দম্পতির ভয়াবহ স্টান্ট দেখে রীতিমতো ভড়কে গেছেন সবাই।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে; জিন এক হাতে চলন্ত ট্রেনের দরজার হ্যান্ডেল ধরে বাইরে হেলে পড়েছেন আর তাঁর ওপর চড়ে চুম্বনে মেতেছেন ক্যামিল—তাঁর আবেগী চুম্বনে ডান পা ছুঁয়েছে জিনের পাঁজর;
ছবি দেখে সমালোচকেরা তিরস্কার করেছেন এই দম্পতিকে; তাঁরা বলছেন; ভয়ংকর এই স্টান্টে সাংঘাতিক দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুনঃ মুসলিম সেজে রমজানের শুভেচ্ছা জানানোয় ট্রোলের শিকার মিমি

গত এপ্রিলে শ্রীলঙ্কা ভ্রমণ করেন ওই দম্পতি। সেখানে তোলা ছবি ইনস্টাগ্রাম পেজে শেয়ার করেছেন ওই দম্পতি। তবে দ্রুতই অন্য এক সাইটে তাঁদের ছবি রি-পোস্ট করা হয়। শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডি থেকে এলায় যাওয়ার পথে নৈসর্গিক দৃশ্য নজর কাড়ে ভ্রমণপিপাসুদের। সেখানেই ভয়াবহ এ ছবিটি তোলা।

তবে সমালোচকেরা এই দম্পতিকে আহাম্মক আখ্যা দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের জন্য তিরস্কার করেছেন। কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, এভাবেই মানুষ মরে; কেউ লিখেছেন, একে রোমাঞ্চকর বলব না ইনস্টাগ্রামে লাইক পাওয়ার জন্য নির্বোধেরা জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ দেখতে রাহুলের গান্ধীর মতো, লজ্জায় ও হতাশায় চেহারা পাল্টালেন যুবক

বেলজিয়ামের এই যুগল আনুষ্ঠানিকভাবে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খোলেন ২০১৭ সালের জুন মাসে; দক্ষিণ আমেরিকায় তাঁরা পাঁচ মাসের লম্বা সফর করেছিলেন। ইনস্টাগ্রামে ভালোবাসাপূর্ণ অনেক ছবিই আছে তাঁদের। আছে ঝুঁকিপূর্ণ ছবিও।

]]>
সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া নজর রাখছে নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/the-election-commission-of-india-is-keeping-an-eye-on-social-media/ Sat, 23 Mar 2019 05:42:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9075 সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া নজর রাখছে নির্বাচন কমিশন। বিভিন্ন নিয়ম কানুনে এবার সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচন বা ভোট করাতে চায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু অন্যবারের তুলনায় এবার কমিশনের নতুন সমস্যা সোশ্যাল মিডিয়া। সোশ্যাল মিডিয়াকে কন্ট্রোল করতে এবার কড়া কমিশন।

আরও পড়ুনঃ ৪৮ ঘণ্টা পর ৬০ ফুট গভীর গর্ত থেকে শিশুকে উদ্ধার করে কামাল ভারতীয় সেনার

সোশ্যাল মিডিয়াকে কড়া নজরে রাখবে নির্বাচন কমিশন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার নিয়ে নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম তথা ইন্টারনেট ও মোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরা নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধিকে অভিনব ও ঐতিহাসিক ব্যবস্থা বলে ব্যাখ্যা করে বলেন, নির্বাচনী নির্ঘন্ট ঘোষনার দিন থেকে সমগ্র প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব রাজনৈতিক দল ও প্রতিষ্ঠান এই বিধি মেনে চলবে।

আরও পড়ুনঃ ‘ভারতমাতা কি জয়’, বলে দলের মধ্যেই ফের বিপদে নেতা

সব রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতির প্রেক্ষিতেই এই আচরণবিধি। শ্রী আরোরা সোস্যাল মিডিয়া সংগঠনগুলিকেও লোকসভা নির্বাচন তথা দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে নিয়ম মেনে চলার জন্য একই ধরনের বিধি প্রণয়নের পরামর্শ দেন। নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত মাধ্যমগুলির ‘ভূমিকা’ প্রণয়নের ব্যাপারে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানান।

আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামলে নিশীথের হয়েই প্রচার শুরু বিজেপির বিক্ষুব্ধদের

তিনি বলেন, সংযত থাকার মানসিকতা সভ্য নাগরিক সমাজগুলির হলমার্ক স্বরুপ। এই মানসিকতা নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে থাকে। নির্বাচন কমিশন নৈতিকতা বজায় রেখে সুষ্ঠ, অবাধ নির্বাচন পরিচালনায় অঙ্গিকারবদ্ধ জানিয়ে জনপ্রতিনিধিদের জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়াগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা রিপোর্টে গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদদের পারফরম্যান্স লজ্জাজনক

বিভ্রান্তি দূর করার ক্ষেত্রেও এই ধরনের গণমাধ্যমগুলির ভূমিকা উপেক্ষা করা যায় না। সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচনের উদ্দেশ্য পূরণে সোশ্যাল মিডিয়াগুলির অংশগ্রহণ নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করবে। রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন খাতে ব্যয়ের ক্ষেত্রে আগাম সংশাপত্র দেওয়া এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ও আলোচনা হয়।

আরও পড়ুনঃ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে ভরা তৃণমূলের তারকা তালিকা নির্বাচন কমিশনে

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৬ নম্বর ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার রুখতে এই ধরনের মাধ্যমগুলির জন্য এক কার্যকরী ব্যবস্থা প্রণয়নের ওপরেও বৈঠকে জোর দেওয়া হয়। বৈঠকে ইন্টারনেট ও মোবাইল অ্যাসোসিয়েশন সহ ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার, গুগল, শেয়ার চ্যাট, টিকটক এবং বিগো টিভির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আরও পড়ুনঃ ভোটের গানে বিপাকে বাবুল, কমিশনের হাতে টুইট অস্ত্র

বৈঠকে সোশ্যাল মিডিয়াগুলি দিন দুয়েকের মধ্যেই নির্বাচনী নৈতিকতা বিধি কার্যকর করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিভাবে এই নিয়মবিধি কার্যকর হয় সেটাই এখন দেখার। ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ এ বিশেষভাবে নজরদারি চালান হচ্ছে। ভোটের সময় সোশ্যাল মিডিয়াতেও যে কড়া নজর থাকছে নির্বাচন কমিশনের তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ম্যায় ভি চৌকিদার হু, আমজনতাকে ভোটের স্লোগান জানিয়ে দিলেন মোদী https://thenewsbangla.com/narendra-modi-replies-to-rahul-gandhi-terms-himself-as-chowkidar/ Sat, 16 Mar 2019 08:07:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8580 শনিবার সকালে নিজেকে চৌকিদার বলে একটা টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি টুইটে বলেন, ‘তোমাদের চৌকিদার শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে দেশ চালাচ্ছে।’ আর এই চৌকিদারকেই ফের ভোট দেবার আর্জি জানান তিনি। ওই টুইটেই ম্যায় ভি চৌকিদার হু, আমজনতাকে ভোটের স্লোগান জানিয়ে দিলেন মোদী।

দেখে নিন মোদীর টুইটঃ

ম্যায় ভি চৌকিদার হু, আমজনতাকে ভোটের স্লোগান জানিয়ে দিলেন মোদী/The News বাংলা
ম্যায় ভি চৌকিদার হু, আমজনতাকে ভোটের স্লোগান জানিয়ে দিলেন মোদী/The News বাংলা

২০১৮ সালের শেষের দিকে রাজস্থানের দুঙ্গারপুরে এক জনসভায় কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করে বলেন, “গলি গলি মে শোর হে, হিন্দুস্তান কা চৌকিদার চোর হে”। তারপর এটাই প্রায় প্রবাদে পরিণত করে কংগ্রেস। লোকসভা ভোটেও এটাকেই হাতিয়ার করেছে কংগ্রেস। তার উত্তরে, “ম্যায় ভি চৌকিদার হু” এটাকেই তুলে ধরছে বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ মমতারই পুরোনো অস্ত্রে তাকে ভোটযুদ্ধে চরম সমস্যায় ফেললেন মুকুল

রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নারেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ভারতের বিমানবাহিনীর ৩০ হাজার কোটি টাকা চুরির অভিযোগ এনেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিতে মোদী ভারতের হিন্দুস্তান আইরোনেটিক্স লিমিটেড(এইচএএল) বা হ্যালকে দায়িত্ত্ব না দিয়ে শিল্পপতি অনিল আম্বানিকে দিয়ে দেন। বিমানের দাম অনেক বাড়িয়ে অনিল আম্বানিকে ৩০ হাজার কোটি টাকা পাইয়ে দেন মোদী।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ২০১৬ সালে ফ্রান্সের সঙ্গে ৫৮ হাজার কোটি টাকার চুক্তি হয় ভারতের। ওই অর্থে ৩৬টি যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি হয়। ওই চুক্তিতে নয়ছয়ের অভিযোগ করে কংগ্রেস। তারপরেই “চৌকিদার চোর হে”, স্লোগান দেন রাহুল।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

সেই কটাক্ষের উত্তরেই যে এই টুইট, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। টুইটের শেষ ভাগে নারেন্দ্র মোদী লিখেছেন, “তবে আমি একা নই। দেশের সব মানুষ, যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ছে তারা সকলেই দেশের চৌকিদার। যারা দেশটা কে ভালো করার চেষ্টা করছে তারাও চৌকিদার। এখন দেশের প্রত্যেকটা মানুষ বলছে, আমি চৌকিদার” ।

আরও পড়ুনঃউত্তরপ্রদেশে মহাজোটে সামিল বিজেপিও

এর আগেও নরেন্দ্র মোদী উত্তরপ্রদেশের গাজীপুরে রাহুল গান্ধীর কটাক্ষের কড়া জবাব দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, এই চৌকিদার একদিন চোরদের উপযুক্ত ঠিকানায় পাঠাবে। জনসমাবেশে সাধারণ মানুষকে তার উপর ভরসা রাখতে বলেছিলেন বার বার।

শনিবার, সেই জবাব প্রকাশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় টুইট করে জানান প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। টুইটের শেষে তিনি #MainBhiChowkidar হ্যাশট্যাগও দেন। বিশেষ সূত্রে জানা যাচ্ছে, #MeinBhiChowkidar হতে পারে ২০১৯ লোকসভা ভোটে বিজেপির স্লোগান এবং ভোট প্রচারের ক্যাম্পেনের এক হাতিয়ার। এই হাতিয়ার অবশ্য ইতিমধ্যেই মানুষকে আকৃষ্ট করেছে।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন
আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মিমি নুসরতকে নিয়ে সীমা ছাড়াল সোশ্যাল মিডিয়া, পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের https://thenewsbangla.com/election-commission-to-look-after-nusrat-jahan-and-mimi-chakrabortys-trolls-in-social-media/ Fri, 15 Mar 2019 06:58:41 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8474 গত রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন ২০১৯ লোকসভা ভোটে তৃণমূল প্রার্থীদের নাম। এদের মধ্যে বাংলা ফিল্মের দুই নায়িকার নাম পাওয়া যায়। একজন নুসরত জাহান ও অন্যজন মিমি চক্রবর্তী। তারপর থেকেই বিভিন্ন ট্রোলের শিকার হয় দুই নায়িকা। মিমি নুসরতকে নিয়ে যা চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাতে এবার কড়া নজর দিল নির্বাচন কমিশন। দোষীদের কড়া শাস্তি দেওয়া হবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড যাদবপুরের মিমি চক্রবর্তী এবং বসিরহাটের তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহান। মিমির একটি সাহসী ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড হয়েছে। ট্রোলড হয়েছে নুসরাত জাহানের একটি ফেক ছবি। এ বিষয়ে অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সঞ্জয় বসু বলেন, “ সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেক ছবি সংক্রান্ত সেরকম বিষয় নজরে এলে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। অভিযোগ না এলেও স্বতঃপ্রণোদিত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে”।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহানের একটি ফেক অশ্লীল ছবি। যা ইতিমধ্যেই নজরে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয়ের। এ বিষয়ে স্বতপ্রণোদিত পদক্ষেপ নেওয়ার পথে কমিশন। অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সঞ্জয় বসু জানিয়েছেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ ভাটপাড়া কি হতে চলেছে বাংলার প্রথম বিজেপি পরিচালিত পুরসভা

ভোট প্রচারে এবার নজর থাকবে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। নির্বাচনে নির্ঘণ্ট ঘোষণার দিন জানিয়েছিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরা। সেই কাজ শুরু করে দিয়েছে এ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয়। কার্যালয়ে তৈরি করা হয়েছে একটি পৃথক মনিটরিং সেল। যারা প্রতি মুহূর্তে নজর রাখছে মিডিয়া এবং সোশ্যাল মাধ্যমে।

আরও পড়ুনঃ অর্জুনের হাত ধরে বারাকপুর লোকসভা ছিনিয়ে নিতে পারে বিজেপি

সূত্রের খবর, তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহানের যে ফেক অশ্লীল ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেটি নজরে পড়েছে মনিটরিং সেলের। শুধু নুসরত নয়, মিমির ছবি নিয়েও চলছে নোংরামি। আর সেদিকেও কড়া নজর দিয়েছে কমিশন।

বাংলা ফিল্মের প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতা ও রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস দুজনেই নুসরত জাহান ও মিমি চক্রবর্তীর নাম প্রস্তাব করেন বলেই তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছিল। আর মমতা নিজেও এই দুই নায়িকাকে বেশ পছন্দই করেন। ফলে এই দুই নায়িকাকেই ভোট যুদ্ধে নামিয়ে রীতিমত চমকে দিয়েছিলেন মমতা।

আরও পড়ুনঃ অর্জুনকে ওপেন চ্যালেঞ্জ অভিষেকের, দীনেশ ত্রিবেদীকে ২ লাখ ভোট জেতাব

মিমি নুসরত দুজনের ক্ষেত্রেই ট্রোলড এর বিষয় সীমা ছাড়িয়েছে। এই নোংরামির প্রতিবাদ করেছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ। এবার এই নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমা ছাড়লেই দোষীদের কড়া শাস্তি দেওয়া হবে, জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
দেশ বা সরকারের সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেই জেল https://thenewsbangla.com/posting-to-the-social-media-criticize-country-or-govt-can-put-you-in-prison/ Thu, 07 Mar 2019 14:48:51 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7778 দেশ বা সরকারের সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেই জেল, প্রস্তাব পাশ হয়ে গেল রাশিয়া পার্লামেন্টে। তবে এই নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে দেশ জুড়ে। আন্দোলনে নেমেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলি।

শুধু দেশ বা সমাজ নয়। সরকার থেকে সরকারি কর্মী এমনকী খোদ রাষ্ট্রপতির সমালোচনা করেও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেও হতে পারে জরিমানা থেকে জেল সবই। এই মর্মে প্রস্তাব পাস হল রাশিয়ার পার্লামেন্টে, যা নিয়ে সরব রাশিয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলি।

বিলটিতে বলা হয়েছে, দেশ, সমাজ বা সরকারের পক্ষে মর্যাদাহানিকর মতামত প্রকাশ করলেই তা আইন বিরুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে আইনের আওতায় কোনো ব্যক্তি থেকে রাজনৈতিক দল অথবা সামাজিক সংগঠন যে কেউ দোষী বিবেচিত হতে পারেন।

এক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশ বা সরকারের সমালোচনাকারীকে সর্বাধিক ১ লক্ষ রুবল জরিমানা গুনতে হতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১,০৬,৩১৫ টাকা। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি হলে গুনতে হবে দ্বিগুণ জরিমানা। প্রস্তাবে এমন কিছুই আছে।

মস্কোর সোভ সেন্টারের প্রধান আলেকজান্ডার ভারখোভস্কি বিবৃতিতে জানান, এই নতুন আইন অনুযায়ী মজার ছলে কোনও ব্যক্তি রাশিয়ার পার্লামেন্টের ব্যাপারে অসম্মানজনক বা অবমাননাকর মন্তব্য করলেও তাকে আইনি সমস্যায় পরতে হবে।

যদিও কোন ধরনের মন্তব্য বা আচরণ সরকার বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবমাননাকর বলে গণ্য হবে, তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন।

আইন প্রনেতাদের আইন মোতাবেক আরও বলা হয়েছে, কোন সামাজিক মাধ্যমে যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা খবর বা প্ররোচনামূলক এবং বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করা হয়, তবে সেই সোশ্যাল মিডিয়ার ওপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করবে সরকার। রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল প্রো ক্রেমলিন ইউনাইটেড রাশিয়ান পার্টি এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে।

মিডিয়া কি ধরনের খবর পরিবেশন করছে, বিশেষ করে উদ্দেশ্যমূলক, ধারাবাহিক মিথ্যা খবর প্রচার করলে মাধ্যমটিকে একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। দাঙ্গা বা অস্থিরতা ছড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত হলে দেড় লক্ষ মিলিয়ন রুবল বা ২২,৭০০ মার্কিন ডলার জরিমানা গুনতে হবে বলে জানানো হয়।

বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই আইন পাস করে একদিকে সরকার স্বেচ্ছাচারী মনোভাবের প্রকাশ ঘটিয়েছে। এর ফলে বিনা বিচারে কোন ব্যক্তি বা সংগঠন শাস্তি ভোগ করতে পারে। সরকারের বিরুদ্ধে অতিমাত্রায় সেন্সরশিপের অভিযোগ এনেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ভ্লাদিমির র‍্যাজখভ। সরকারকে তোপ দেগেছেন দেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলি।

]]>