Skin – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sun, 02 Dec 2018 18:26:24 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Skin – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 জেনে নিন শীতে ত্বকের যত্ন কিভাবে নেবেন https://thenewsbangla.com/find-out-how-to-take-care-of-skin-in-winte-learn-all-the-things/ Sun, 02 Dec 2018 18:26:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3469 The News বাংলাঃ আপনার ত্বক কি প্রকৃতিগত ভাবেই শুষ্ক? আপনার বয়স কি তিরিশ পেরিয়েছে? আপনি কি দিনের মধ্যে বেশিরভাগ সময়টাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় কাটান? তা হলে কিন্তু আগামী কয়েকটা মাস আপনাকে একটু বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে, না হলে ত্বকের শুষ্কতা খুব ভোগাবে।

মনে রাখবেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার ত্বক ক্রমশ আর্দ্রতা হারাবে, তাই বিশেষ যত্নআত্তি না পেলেই দেখা দেবে বলিরেখা। বয়সের আগেই ত্বকে ভাঁজ পড়বে, তা কুঁচকে যেতেও পারে৷ আশার কথা হচ্ছে, সামান্য একটু সচেতন হলেই কিন্তু এই সমস্যার হাত থেকে নিজেকে বাঁচানো সম্ভব। কি কি করবেন, জেনে নিন।

শুষ্ক ত্বকের হাত থেকে বাঁচতে পর্যাপ্ত জলপান করুন:
শরীর ভিতর থেকে আর্দ্র না হলে তার ছাপ পড়বে ত্বকের উপর। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান করুন৷ দিনে অন্ততপক্ষে আট-দশ গ্লাস জলপান করা একান্ত আবশ্যক৷ ডাবের জল, ফলের রসও পান করতে পারেন।

অলিভ অয়েল:
অলিভ অয়েল সাধারণত সব ধরনের ত্বকের পক্ষেই খুব কার্যকর। এর মধ্যে উপস্থিত ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টি অক্সিডান্ট শুধু আপনার মুখ নয়, পুরো শরীরের ত্বকের যত্ন নেয়৷ স্নানের আধ ঘণ্টা আগে মুখে ও পুরো শরীরে অলিভ অয়েল মেখে নিন। তার পর হালকা গরম জলে স্নান সেরে লাগিয়ে নিন ময়েশ্চরাইজ়ার৷

অলিভ অয়েল, ব্রাউন সুগার, আর মধু এমন অনুপাতে মিশিয়ে নিন যেন ঘন ক্রিমের মতো একটি উপাদান তৈরি হয়, তারপর হালকা হাতে সর্বাঙ্গে মেখে নিন এই মিশ্রণটি। অল্প চাপ দিয়ে গোল গোল করে মালিশ করুন, এতে আপনার শরীরের সমস্ত মৃত কোষ উঠে যাবে। তারপর স্নান করে হালকা ময়েশ্চরাইজ়ার লাগিয়ে নিন।
দুধ ও দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড শুষ্ক ত্বকের পক্ষে খুব ভালো

দুধ/দই:
রুক্ষ, শুষ্ক, ফাটা ত্বকে অনেক সময়েই জ্বালা বা চুলকানির মতো সমস্যাও দেখা যায়। তেমন হলে এক লিটার ঠান্ডা দই বা দুধে নরম কাপড় বা তুলো ভিজিয়ে নিন সর্বাঙ্গে লাগান। অন্তত পাঁচ মিনিট এই প্রলেপটি ব্যবহার করুন। তাতে ত্বকের জ্বালাভাব দূর হবে। দই বা দুধে উপস্থিত ল্যাকটিক অ্যাসিডের প্রভাবে ঝলমলিয়ে উঠবে আপনার ত্বক। কাঁচা দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। তার পর সেটি আপনার গোটা শরীরে লাগিয়ে নিন স্নানের আগে। দই দিয়েও এই লেপটি তৈরি করা যায়। প্রলেপটি শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন ও স্নান করে নিন।

অ্যালো ভেরা:
অ্যালো ভেরা এমনই একটি উদ্ভিদ, যা টবে লাগালে খুব সহজেই বেড়ে ওঠে। একটি অ্যালো ভেরা পাতা নিন, মাঝখান থেকে কেটে ফেলুন সেটিকে। শাঁসটা বের করে নিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। জ্বালাভাব, চুলকানি মুহূর্তে কমে যাবে। সেরে যায় ছোটখাটো ইনফেকশনও। আর্দ্রতা জোগানোর পাশাপাশি এই শাঁস বা জেলের পরত আপনার ত্বকের উপর তৈরি করে রাখে সুরক্ষার আবরণ, তাতে দূষণ আপনার ত্বকে কোনও ছাপ ফেলতে পারে না।

নারকেল তেল:
মুখ ও শরীরের ত্বকের পাশাপাশি গোড়ালি, হাঁটু, কনুইয়েরও বিশেষ খেয়াল রাখা প্রয়োজন, বিশেষ করে শীতকালে। না হলে এগুলি রুক্ষ ও কালো হয়ে যায়। প্রথমে এই অংশের ত্বক ভিজিয়ে রাখুন জলে। ত্বক যখন কুঁচকে যাবে, তখন বুঝবেন তা যথেষ্ট আর্দ্রতা পেয়েছে। নারকেল তেল সাধারণত শীতকালে জমে যায়। জমা তেলের মোটা পরত লাগিয়ে নিন আর্দ্র ত্বকে। তার পর মোজা বা লম্বা হাতা টপ বা পাজামা পরে ঘুমোতে যান। টানা বেশ কয়েকদিন করলে নিজেই ফারাকটা বুঝতে পারবেন।

ওটমিল:
আজ বলে নয়, বহু হাজার বছর ধরে ত্বকের পরিচর্যায় ব্যবহৃত হচ্ছে ওটমিল। সবচেয়ে ভালো কাজে দেবে ইনস্ট্যান্ট ওট, সেটাকে ব্লেন্ডারে দিয়ে প্রথমে পাউডারের মতো গুঁড়ো করে নিন। তার পর স্নানের বাথটবে জল ভরে এক কাপ এই পাউডার দিয়ে ভালো করে ছড়িয়ে দিন হাত দিয়ে। দেখে নেবেন যেন নিচের দিকে দলা পাকিয়ে না থাকে। তার পর এই জলে ১৫-২০ মিনিট শুয়ে থাকুন। ওটমিল ত্বক পরিষ্কার করে, আর্দ্রতা জোগায়। এর মধ্যে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডান্ট বজায় রাখে উজ্জ্বলতা।

কমলালেবু:
কমলালেবুতে উপস্থিত ভিটামিন সি ঠেকিয়ে রাখে বলিরেখা। কমলালেবুর খোসা, সরবাটা, ময়দা বা বেসনের প্রলেপের ব্যবহার রূপটান হিসেবে বহুদিন প্রচলিত। এই শীতে যত কমলালেবু খাবেন, তার খোসা ফেলবেন না। সব রোদে শুকনো করে রেখে দিন। পরে গুঁড়ো করে ব্যবহার করতে পারবেন।

মেয়োনিজ়:
শুনতে একটু অদ্ভুত লাগলেও মেয়োনিজ় কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে দারুণ কার্যকর। তবে মেয়োনিজ়ে সাধারণত নুন, গোলমরিচ, মাস্টার্ড পাউডার ইত্যাদি যোগ করা হয় স্বাদ বাড়ানোর জন্য। এই জিনিসগুলি যোগ করার আগে খানিকটা তুলে রেখে দিন মাস্ক হিসেবে ব্যবহারের জন্য। তা না হলে ত্বকে প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে। ডিমের কুসুম আর তেল ব্লেন্ড করে যে মেয়োনিজ় তৈরি হয়, তার সঙ্গে খানিকটা বেবি অয়েল মিশিয়ে নিন। তার পর মুখে, ঘাড়ে, কনুইয়ে, হাতে লাগিয়ে নিন স্নানের আগে। ডিমের গন্ধটা একটু কড়া, সেটা সহ্য করে নিতে পারলে এই প্যাকের কোনও জবাব নেই।

মধু ও পাকা কলা:
পাকা কলা ও মধু একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। মুখে লাগান প্রলেপের মতো করে, তার পর ২০-২৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন ও ময়েশ্চরাইজ়ার লাগান। এটি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ত্বক পাবে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা, তা হয়ে উঠবে নরম ও কোমল। পাকা কলা, মধু আর সরের প্রলেপও শুষ্ক ত্বকের খুব ভালো দাওয়াই হতে পারে। মধু অন্য নানা প্যাকের সঙ্গেও নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন।

আমন্ড তেল:
আমন্ড তেলে প্রচুর ভিটামিন ই থাকে এবং তা আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় ও ত্বককে করে তোলে মসৃণ। ত্বক খুব সহজেই এই তেল শুষে নেয়, কিন্তু চটচটানি অনুভূত হয় না। অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা আমন্ড তেল আর মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে সামান্য গরম জলে ধুয়ে ফেলুন।

অ্যাভোকাডো:
অ্যাভোকাডোতে উপস্থিত প্রাকৃতিক তেল ত্বকের শুষ্কতা দূর করে এবং তা নরম ও কোমল হয়ে ওঠে৷ সেই সঙ্গে যদি খানিকটা মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করেন, তা হলে আরও ভালো ফল পাবেন৷

চকোলেট:
চকোলেটে উপস্থিত ক্যাফেইন থেকে ত্বকে আসে উজ্জ্বলতা। সেই সঙ্গে চকোলেটের ফ্যাটও ময়েশ্চরাইজ়ার হিসেবে ভালোই কাজ করে। ডার্ক চকোলেট গলিয়ে নিন মাইক্রোওয়েভ ওভেনে। হালকা গরম থাকতে থাকতে তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে ফেস প্যাক বানিয়ে নিন। মুখে, গলায়, ঘাড়ে, হাতে তা লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। চোখের নিচ আর ঠোঁটের আশপাশের অংশে যেন প্যাক না লাগে সেদিকে নজর রাখবেন। তারপর সার্কুলার মোশনে হাত ঘুরিয়ে ম্যাসাজ নিন মুখে, সামান্য গরম জলে ধুয়ে ময়েশ্চরাইজ়ার লাগান।

]]>
অবহেলা না করে ত্বকের ক্যানসারের লক্ষণগুলো খেয়াল রাখুন https://thenewsbangla.com/avoid-negligence-keep-in-mind-the-symptoms-of-skin-cancer/ Thu, 25 Oct 2018 07:44:56 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1473 The News বাংলা: আপনার ত্বকে অস্বাভাবিক দাগ? শেভিংয়ের সময় আপনার গাল থেকে রক্ত ঝরে? অথবা আপনার কি অস্বাভাবিক তিল আছে? অথবা কোনো ব্রণ কি দীর্ঘদিন ধরে আছে? এসব কিন্তু স্কিনের অর্থাৎ ত্বকের ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

* আঁচিল বা তিল:
যখন আপনি ত্বকের ক্যানসারের কথা ভাববেন, আপনি বাদামী বা কালো আঁচিল বা তিলের ওপর লক্ষ্য করবেন। ত্বকের ক্যানসারের বিভিন্ন ধরন রয়েছে। প্রধান প্রধান ধরন হচ্ছে ব্যাসাল সেল, স্কোয়ামাস ও মেলানোমা।

ব্যাসাল সেল হচ্ছে সর্বাধিক কমন ধরন। দ্বিতীয় হচ্ছে স্কোয়ামাস সেল, স্কিন ক্যানসার ফাউন্ডেশন রিপোর্ট অনুসারে। মেলানোমা বিরল, কিন্তু সবচেয়ে মারাত্মক। মেলানোমা নির্ণীত হওয়া ১৯ জনের মধ্যে একজন মারা যায়, যেখানে ব্যাসাল সেল বা স্কোয়ামাস ক্যানসারে আক্রান্ত ৩০০ জনের মধ্যে একজন মারা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের একজন খ্যাতনামা সার্জিকেল ও কসমেটিক ডার্মাটোলজিস্ট অ্যাডেলে হেইমোভিক বলেন, ‘সমস্যা শনাক্তকরণ গুরুত্বপূর্ণ।’ কিছু মেললানোমা তিল বা আঁচিল প্রকৃতপক্ষে ত্বকের বর্ণের মতো হতে পারে অথবা ফ্যাকাশে লাল- তারা অ্যামেলাটিক মেলানোমা নামে পরিচিত। এই টাইপের মেলানোমা শনাক্ত করা চ্যালেঞ্জিং, কারণ আমরা ধারণা করি যে এটি নিরীহ বাম্প। এ কারণে ডার্মাটোলজিস্ট দ্বারা নিয়মিত ত্বক পরীক্ষা করা উচিত।

* শেভিংয়ে সমস্যা:
যদি দেখেন যে শেভ করার পর রক্তক্ষণ হচ্ছে, তাহলে এটি অবহেলা করার মতো বিষয় নয়। ডা. হেইমোভিক বলেন, ‘ব্যাসাল সেল কার্সিনোমা এবং স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমার কারণে শেভিংয়ের পর রক্ত ঝরতে পারে অথবা অন্যান্য ছোট ট্রমা হতে পারে এবং কখনো কখনো কোনো উদ্দীপক ঘটনা ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্তভাবে রক্তক্ষরণ হতে পারে। এরকম হয়, কারণ ত্বকের ক্যানসার ত্বককে সুস্থ ত্বকের তুলনায় অধিক ভঙ্গুর করে।’

* পারিবারিক ইতিহাস:
মেলানোমা নির্ণীত হওয়া প্রতি দশজনের মধ্যে একজনের মেলানোমার পারিবারিক ইতিহাস থাকে। ফ্যামিলিয়াল ম্যালিগন্যান্ট মেলানোমা পরিবারকে নির্দেশ করে, যেখানে দুই বা তার অধিক ফার্স্ট-ডিগ্রি রিলেটিভের (যেমন- মা, বাবা, ভাই, বোন বা সন্তান) মেলানোমা থাকে। ফ্যামিলিয়াল ম্যালিগন্যান্ট মেলানোমা, মেলানোমার ঝুঁকি ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করে।

* চলে যাচ্ছে না এমন ফুসকুড়ি বা ব্রণ:
ডা. হেইমোভিক বলেন, ‘ব্যাসালসেল কার্সিনোমা দেখতে সাদা বা ত্বকের মতো রঙের কিংবা ফ্যাকাশে লাল হতে পারে, যা নিজে নিজে চলে যায় না অথবা একই জায়গা আবার হয় না।’ সাধারণত ফুসকুড়ি বা ব্রণ দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে নিজে নিজে চলে যায়, যদি কোনো ফুসকুড়ি বা ব্রণ এর বেশি সময় থাকে, তাহলে তা ডার্মাটোলজিস্ট দ্বারা পরীক্ষা করানো উচিত।

* নখের ওপর কালো দাগ:
যদি আপনি হাতের আঙুল অথবা পায়ের আঙুলের ওপর কালো ভার্টিকেল দাগ দেখেন, তাহলে আপনি ভাবতে পারেন যে কোথাও আঘাত পেয়ে এমন হয়েছে। কিন্তু ভালো করে লক্ষ্য করুন। ডা. ওয়াং হার্বাল স্কিনকেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভেন ওয়াং বলেন, ‘যদি নখের ওপর সৃষ্ট দাগটিতে বাদামী বা কালো বর্ণের বিভিন্ন শেড থাকে, তাহলে তা উদ্বেগের বিষয়। এছাড়া দাগটির দৈর্ঘ্য তিন মিলিমিটারের বেশি হবে, যা আরেকটি উদ্বেগীয় বৈশিষ্ট্য।’

* একটি তিল অন্যগুলোর মতো নয়:
ডা. ওয়াং বলেন, ‘অনেকগুলো তিলের মাঝে একটি লালচে বা হালকা বাদামী বর্ণের তিল ত্বকের ক্যানসারের একটি লক্ষণ হতে পারে। ত্বকের ক্যানসারের ক্ষেত্রে সাধারণত একটি তিল অন্যদের থেকে আলাদা হবে। তিলের সাধারণ প্যাটার্নের মধ্যে কোনো তিল অস্বাভাবিক বা অপেক্ষাকৃত বড় হলে ডার্মাটোলজিস্টের শরণাপন্ন হোন, তিনিই নির্ণয় করতে পারবেন এটি আসলেই ক্যানসার কিনা।

** ত্বকের ক্যানসারের ৭ ঝুঁকি:

* আপনার পিইউভিএ ট্রিটমেন্ট হয়েছে;
ত্বকের তীব্র খারাপ অবস্থার (যেমন- সোরিয়াসিস ও ডার্মাটাইটিস রোগ) ক্ষেত্রে পিসোরালেন অ্যান্ড ইউভি-লাইট চিকিৎসা (পিইউভিএ) করা হয়ে থাকে।

এটি একপ্রকার আল্ট্রাভায়োলেট রেডিয়েশন চিকিৎসা। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের গবেষকরা একবার পিইউভিএ চিকিৎসা নেওয়া একজন রোগীর মধ্যে ১৫ বছর পর ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের বর্ধিত ঝুঁকি দেখেছেন।

প্রকৃতপক্ষে, যেসব রোগীরা ২৫০ বা তার অধিক বার পিইউভিএ চিকিৎসা নিয়েছেন তাদের ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি যারা এই চিকিৎসা নেয়নি তাদের তুলনায় পাঁচগুণ বেশি। সময় অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

* আপনার এইচপিভি ইনফেকশন ছিল:
কিছু প্রকারের হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) যা যৌনাঙ্গ ও মলদ্বারকে আক্রান্ত করে, তা নন-মেলানোমা ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকিও বৃদ্ধি করে। আমেরিকান জার্নাল অব এপিডেমিওলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, যেসব লোকের এইচপিভির বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি ছিল তাদের ননমেলানোমা বিকশিত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি ছিল।

* আপনার ইমিউন সিস্টেম দুর্বল:
রোগ বা কিছু চিকিৎসার কারণে দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের লোকদের ত্বকের ক্যানসারের উচ্চ ঝুঁকি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, এইচআইভি/এইডস ও লিম্ফোমা রোগীদের বর্ধিত ঝুঁকি থাকতে পারে এবং যারা কেমোথেরাপি নিয়েছেন অথবা ইমিউনিটির ওপর চাপ সৃষ্টি করে এমন ওষুধ গ্রহণ করেছেন তারাও।

* আপনার এক্সপি জিন আছে:
জেরোডার্মা পিগমেন্টোসাম (এক্সপি) হচ্ছে একটি বিরল বংশগত ব্যাধি। ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন অনুসারে, এই রোগে আক্রান্ত লোকদের সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রতি অত্যধিক সেনসিটিভিটি থাকে। এই জিন ডিএনএ ড্যামেজ মেরামত করার জন্য ত্বকের কোষের ক্ষমতাকে সীমিত করে ফেলে।

আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটি অনুসারে, এক্সপি জিন আছে এমন অল্পবয়স্ক লোকদের মেলানোমা ও অন্যান্য ত্বকের ক্যানসার হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি থাকে। এই দশা সাধারণত চোখ ও সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসে এমন অংশে উপসর্গ প্রকাশ করে।

* আপনি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কেমিক্যাল নিয়ে কাজ করেন:
যেসব লোক শিল্পপ্রতিষ্ঠানে (যেমন- স্টিল ও আয়রন অথবা কয়লা ও অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠান) কেমিক্যাল নিয়ে কাজ করেন তাদের ত্বকের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উচ্চ, বায়োমেড রিসার্চ ইন্টারন্যাশনালে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে। যারা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কার্সিনোজেন (যেমন- আর্সেনিক ও পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন) নিয়ে কাজ করেন তারাও বর্ধিত ঝুঁকিতে থাকে।

* আপনার ইতোমধ্যে স্কোয়ামাস সেল টিউমার ছিল:
পূর্বে আপনার শরীর থেকে স্কোয়ামাস সেল টিউমার অপসারণ করার মানে এই নয় যে আপনি এটি থেকে চিরতরে মুক্তি পেয়েছেন। স্কোয়ামাস সেল টিউমারের পুনরাবৃত্তি হয়, বিশেষ করে কান, নাক ও ঠোঁটে। সাধারণত সার্জারির দুই বছর পর এটির পুনরুত্থান ঘটে।

ডা. হেইমোভিক বলেন, ‘আপনার ক্যানসার ফিরে আসছে কিনা নিশ্চিত হতে নিয়মিত ত্বক পরীক্ষার সময় আপনার ডার্মাটোলজিস্ট আগের চিকিৎসার কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখবেন।’

]]>