Siliguri – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 29 Jun 2019 14:34:03 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Siliguri – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ইতিহাসে প্রথমবার মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিলেন বিচারক https://thenewsbangla.com/siliguri-subdivision-court-order-death-penalty-three-offenders/ Sat, 29 Jun 2019 14:32:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14728 শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতের ইতিহাসে; প্রথমবার মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিলেন বিচারক। একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার ঘটনায়; তিন দোষীকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিল শিলিগুড়ি মহকুমা আদালত।

শনিবার; অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের ফার্স্ট কোর্টে; বিচারক দেবপ্রসাদ নাথের এজলাসে তিনজনকে ফাঁসির সাজা শোনানো হয়। আদালতের এই রায়ে খুশি মৃতদের পরিবার। যদিও অভিযুক্তদের আইনজীবী জানিয়েছেন তারা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন।

আরও পড়ুনঃ শীতের শুরুতেই কলকাতায় অ্যানাকোন্ডা

২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর; শিলিগুড়ি মহকুমার শিবমন্দির লেলিনপুরের বাসিন্দা; বিদ্যুৎ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী প্রদীপ বর্ধন; তার স্ত্রী দীপ্তি বর্ধন ও তাদের ছেলে প্রসেনজিৎ বর্ধন খুন হন। তিনজনকেই শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়।

ঘটনার পর প্রদীপ বর্ধনের মেয়ে রেশমি সেন মাটিকাটা থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত নেমে মোবাইলের সূত্র ধরে তিনদিনের মাথায় ওই তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযুক্তরা এতদিন জেলে বন্দি ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ ক্রিকেট টিমের জার্সির রঙে নীল ও গেরুয়া, রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

পেশায় কাঠমিস্ত্রি সহদেব বর্মন; দীপু সুত্রধর ও চিরঞ্জিত মোদকে খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।টানা তিন বছর মামলা চলার পর; গত বুধবার অভিযুক্ত তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারক দেবপ্রসাদ নাথ। শনিবার তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।

খুনের ঘটনার দেড়মাস আগে; প্রদীপবাবুর বাড়িতে কাঠের কাজ করেছিলেন এই তিনজন। স্বাভাবিকভাবে এরা পরিচিত হওয়ায় ঘটনার দিন রাতে এরা বাড়ি এলে কোনো রকম সন্দেহ ছাড়াই তাদের দরজা খুলে দিয়েছিলেন প্রদীপবাবু।

আরও পড়ুনঃ কাটমানি ইস্যুতে তৃণমূল উপ পুরপ্রধান সরাসরি অভিযোগ তুললেন পুরপ্রধান ও অভিষেকের দিকে

শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে ইতিহাসে; মৃত্যুদণ্ডের আদেশ এই প্রথমবার শোনালেন কোন বিচারক। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে; এদিন বিচারক দোষীদের উদ্দেশ্যে বিচারপতি বলেন; নৃসংশভাবে খুন করার মত জঘন্যতম অপরাধ তারা করেছে; যার কোনো ক্ষমা নেই।

প্রদীপবাবুর মেয়ে জানান; আদালতের রায়ে তিনি খুশি। আদালত আজ এই রায় শুনিয়েছে; তাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটাতে গেলে দুবার ভাবতে হবে সবাইকে। দোষীদের পক্ষের আইবজীবী চন্দন দে বলেন; আমরা এই রায় নিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হব।

]]>
বাংলায় উন্নতিতে বাধা ‘স্পীডব্রেকার’ মমতা, কটাক্ষ মোদীর https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-is-the-speedbreaker-in-bengals-development-says-narendra-modi/ Wed, 03 Apr 2019 09:22:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9834 উত্তরবঙ্গে শিলিগুড়ি দিয়ে বাংলায় ভোট প্রচার শুরু করলেন নরেন্দ্র মোদী। দুপুর দেড়টা নাগাদ শিলিগুড়ি জনসভায় এসে পৌঁছেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সভার একদম প্রথম দিকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে উন্নয়নের ‘স্পীডব্রেকার’ বলে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা। রাজ্যের সব রকম উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন তৃণমূল নেত্রী, এমনটাই বলেন মোদী। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সাধারণ মানুষকে নিয়ে প্রতিনিয়ত রাজনীতি করছেন তৃণমূল। বাম কংগ্রেসও অবশ্য একই পথে হাঁটছে বলেই জানান মোদী।

আরও পড়ুনঃ বারবার স্বামী বদল করেন স্মৃতি ইরানী, কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ কংগ্রেস জোটসঙ্গীর

এক নজরে দেখে নিন, শিলিগুড়িতে কি বললেন মোদী।
জনসভায় প্রথমেই বাংলায় মন্তব্য শুরু করে, সাধারন মানুষকে ‘কেমন আছেন?’ জিজ্ঞেসা করেন। বাংলায় কথা বলার পরই তাঁর ছোটবেলায় শোনা বাংলাকে নিয়ে এক প্রবাদের কথা উল্লখ করে বলেন,’বাংলা যা করে, সারা দেশ তা পরে করে’। তারপরই সরাসরি তীর ছোঁড়েন মুখ্যমন্ত্রীর দিকে। তিনি বলেনঃ

১। দিদির নৌকা ডুবে গেছে পশ্চিমবাংলায়। শিলিগুড়ির এই জনসভা তারই প্রমাণ।
২। যেই গতিতে আমি সারা দেশে কাজ করেছি, সেই গতিতে আমি বাংলায় কাজ করতে পারিনি কারন বাংলায় একজন ‘স্পীড ব্রেকার’ আছে। তার নাম, মমতা বন্দোপাধ্যায়।
৩। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী গরিব মানুষদের নিয়ে রাজনীতি করে। তাই, তিনি চাননা বাংলায় উন্নয়ন আসুক।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে রাজ্যে ৩০ শতাংশেরও কম স্পর্শকাতর বুথ

৪। NDA সরকার মধ্যবিত্তদের জন্য।
৫। গরিবদের টাকা নিয়ে চিটফান্ডের কেলেঙ্কারি করেছেন ‘দিদি’।
৬। গরিবদের চিকিৎসার জন্য ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা থাকলেও তা আটকে দিয়েছেন দিদি।

আরও পড়ুনঃ বছরে ৩৪ লাখ সরকারি চাকরি, কৃষক বাজেটের প্রতিশ্রুতি কংগ্রেস ম্যানিফেস্টোতে

৭। কৃষকদের টাকাতেও ‘ব্রেক’ লাগিয়েছে মমতা দিদি।
৮। আয়ুষ্মান প্রকল্পও চালাতে দেননি দিদি, কারন তিনি চান না, কোন রকম উন্নতি হোক এই রাজ্যের।
৯। চা বাগানের দুরবস্থার কথা আমি জানি। তাদের জন্য অনেক কিছু করেছে বিজেপি। ভবিষ্যতে এই চা ওয়ালা চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য আরও করবে।

আরও পড়ুনঃ মোদী স্পেশাল, ব্রিগেডে আসার জন্য চারটে আস্ত ট্রেন বুক করল বিজেপি

১০। দেশের সেনা বালাকটের হামলার পর, দেশের সুরক্ষা করার জন্য বিরোধী দলের তরফ থেকে অনেক প্রশ্নের মুখে পড়েছিল দেশের সেনা। সেই বিরোধী দলের সঙ্গে আমাদের লড়াই।
১১। আমরা জঙ্গিদের ঘরে ঢুকে মেরেছি। দেশের শত্রুদের এই ভাবেই শেষ করব আমরা।
১২। পাকিস্তানের জঙ্গি হামলার পর, আমরা তাদের জবাব দিয়েছিলাম। সেই জবাবে পাকিস্তানীদের থেকেও বেশি কষ্ট পেয়েছিলেন বাংলার ‘দিদি’।

আরও পড়ুনঃ ভোট প্রচারে হেলিকপ্টার পাচ্ছেন না মমতা, অভিযোগের তীর কেন্দ্রের দিকে

১৩। এই লড়াই এক সৎ চৌকীদারের সঙ্গে দাগিদের।
১৪। আমার লড়াই দেশের চোরদের বিরুদ্ধে।
১৫। বিজেপিকে এই ভাবে সমর্থন করলে, দেশে আরও উন্নতি হবে।

আরও পড়ুনঃ বছরে ৩৪ লাখ সরকারি চাকরি, কৃষক বাজেটের প্রতিশ্রুতি কংগ্রেস ম্যানিফেস্টোতে

১৬। সারা দেশে আমরা চৌকিদারের ভুমিকা পালন করলে, কোন শত্রুই আমদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
১৭। বিজেপির প্রতি বাংলার মানুষের সমর্থন অভূতপূর্ব।
১৮। জনসভা শেষ করার আগে, ‘মে ভি চৌকিদার’ স্লোগান বারবার বলে সভা শেষ করলেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ জম্মু কাশ্মীরের জন্য আলাদা প্রধানমন্ত্রী, মোদী জবাব চাইলেন রাহুল ও মমতার কাছে

শিলিগুড়ির জনসভায় পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দিকে সরাসরি আঙ্গুল তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর জবাবে কি বলবেন দিদি, তা জানার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে গোটা রাজ্য। কোচবিহারের দিনহাটায় তৃণমূল নেত্রীর আজকের জনসভায় তারই উত্তর দেবেন বলে জানিয়েছেন খোদ ‘দিদি’।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সমাজের রীতি ভেঙে বাংলার স্কুলে একি করল সুন্দরী ছাত্রী https://thenewsbangla.com/bengal-woman-school-student-broke-the-tradition-of-saraswati-puja/ Sat, 09 Feb 2019 10:58:28 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6648 বাগদেবীর আরাধনায় মহিলা পুরোহিত, সমাজের রীতি ভাঙার দুঃসাহসিক প্রচেষ্টা। যুগ যুগ ধরে চলে আসা নিয়মের বেড়াজাল টপকে দেবী মায়ের পুজো করে নজির সৃষ্টি করল শিলিগুড়ির এক স্কুল ছাত্রী। রীতিমত সংস্কৃত মন্ত্র পরিষ্কার উচ্চারণ করে বাগদেবীর আরাধনায় মেতে উঠল ১৬ বছরের ছাত্রী। তার মন্ত্রেই স্কুল পড়ুয়ারা অঞ্জলী দিয়ে ব্রত ভাঙে। এমনকি পুজো শেষে যজ্ঞও করল এই তরুণী। তাকে সঙ্গ দিলেন স্কুলের সংস্কৃত শিক্ষিকা সহ অন্যান্য শিক্ষিকারা।

আরও পড়ুনঃ বেকার যুবকদের মুখে হাসি ফুটিয়ে বাংলায় তৈরি হচ্ছে ১০ লক্ষ চাকরি

বিদ্যার দেবী হলেন মা সরস্বতী। স্কুল, কলেজ ও প্রায় প্রতিটি বাঙালি ঘরে মাঘ মাসের পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজো হয়ে থাকে। পূজো করতে গেলে বাজার থেকে প্রতিমা কিনে ফল, ফুল, মিষ্টি আনলেই হয় না। তার জন্য প্রয়োজন পড়ে একজন পুরোহিতের। কিন্তু এত জায়গায় পুজো হয় বলে পুরোহিত পাওয়াও এসময় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়৷ তাই এবার স্কুলের ছাত্রীকে দিয়েই পুজো করিয়ে চমকে দিল বাংলার একটি স্কুল।

আরও পড়ুনঃ সার্কিট বেঞ্চ উদ্বোধন করে দিয়ে মমতার ‘বাড়া ভাতে’ ছাই দিলেন মোদী

সমাজের রীতি ভেঙে বাংলার একটি স্কুলের মধ্যে একি করল সুন্দরী ছাত্রী/The News বাংলা
সমাজের রীতি ভেঙে বাংলার একটি স্কুলের মধ্যে একি করল সুন্দরী ছাত্রী/The News বাংলা

পুজোর দিন, ছোট ছোট স্কুল পড়ুয়ারা না খেয়ে সারাদিন পুরোহিতের অপেক্ষায় থেকে শেষে নিরাশ হয়ে পড়ে। তখন কোনরকমে হাতে পায়ে ধরে রাস্তা থেকে যে কোন একজন পুরোহিতকে প্রায় জোর করে ধরে এনে পুজো করাতেও দেখা যায়। কিন্তু দিন বদলেছে। বদলেছে মানুষের চিন্তা ভাবনাও। পুজো করতে হলে পুরুষ পুরোহিতই কেন লাগবে?

আরও পড়ুনঃ নতুন যুদ্ধ, রোজভ্যালি চিটফান্ড কাণ্ডে মমতার দুই অফিসারকে ডেকে পাঠাল ইডি

পুজোর জোগাড় করবে সব মেয়েরা, উপোস করেও থাকবে মেয়েরা। যার পুজো হবে সেও একজন মেয়ে। তাহলে একজন মেয়ে কেন পুরোহিত হতে পারবে না? এই চিন্তাভাবনা থেকেই সমাজটাকে পাল্টে ফেলার পরিকল্পনা নেয় শিলিগুড়ির হায়দারপাড়া বুদ্ধ ভারতী স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা। তারা এবার ঠিক করে বাইরের পুরোহিতের কোন প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন নেই কোনো পুরুষের।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রে ক্ষমতায় এলে তিন তালাক বিরোধী আইন বাতিল করে দেবে কংগ্রেস

স্কুলের একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী স্নিগ্ধা সরকারকে তারা বেছে নেয় এবারের সরস্বতী পুজোর পুরোহিত হিসেবে। এটাকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নেয় স্নিগ্ধাও। একমাস চর্চা করে, সংস্কৃত শিক্ষিকা সাধনা মজুমদারের থেকে সংস্কৃত উচ্চারণ শিখে, সরস্বতী মন্ত্র উচ্চারণ করে দিব্বি পুজো সাঙ্গ হয়ে গেল৷ সাক্ষী রইল স্কুলেরই প্রায় সাড়ে আটশত পড়ুয়া।

আরও পড়ুনঃ মমতার ধর্ণায় বসা পুলিশ অফিসারদের কড়া শাস্তি দিতে চলেছে মোদী সরকার

সমাজের রীতি ভেঙে বাংলার একটি স্কুলের মধ্যে একি করল সুন্দরী ছাত্রী/The News বাংলা
সমাজের রীতি ভেঙে বাংলার একটি স্কুলের মধ্যে একি করল সুন্দরী ছাত্রী/The News বাংলা

সময় লাগল একটু বেশী। কিন্তু তাতে মিশ্রিত ছিল শ্রদ্ধা ও পূর্ণতা। তবে বাড়িতে পুজো করা এক জিনিস। আর জনসমক্ষে স্কুলের মধ্যে পুজো করে পুরোহিতদের রোজগারে থাবা বসানো অন্য জিনিস। তার ওপর নারীকুলের উত্তরনের যেখানে পদে পদে বাধা! সেই বাধা ভেদ করে পুরোহিত সমাজের গড়ে হানা! এটা যে পুরোহিতকুল মেনে নেবে না তা বলাই বাহুল্য।

আরও পড়ুনঃ মমতার বাংলায় ১ লাখ চাকরির প্রতিশ্রুতি দিলেন মুকেশ আম্বানি

প্রচারে এলে একটা হইচই যে পড়ে যাবে তাতে কোনো সন্দেহই নেই। তবে তার জন্য প্রস্তুত স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারাও। স্নিগ্ধার বক্তব্য, “শাস্ত্রে তো কোথাও লেখা নেই যে মেয়েরা পুজো করতে পারবে না। এটা একটা সামাজিক রীতি হয়ে আসছে মাত্র। তাছাড়া দেশকে মা বলি, পুজো করছি মায়ের, জোগাড় করছে মেয়েরা। তাহলে পুজো করার আসনে কেন মেয়েরা বসতে পারবে না”?

আরও পড়ুনঃ সারদা রোজভ্যালি চিটফান্ড কাণ্ডে মমতার পুলিশ কর্তাদের বারবার তলব গোয়েন্দাদের

এভাবে পুজো করে এই রীতিটাকে ভাঙতেই চায় হায়দারপাড়া বুদ্ধভারতী স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই পুজোর মাধ্যমে তারা সমাজে একটা বার্তা দিতে চায়। যাতে মেয়েরাও এবার পুরোহিতের কাজটাও সমান তালে করতে এগিয়ে আসতে পারে। স্নিগ্ধার মতো এভাবে আরও মেয়েরা এগিয়ে এসে সমাজের মুল স্রোতের ধারার পরিবর্তন ঘটাক সেই বার্তাও রয়েছে তাঁদের।

তবে একজন নারী যে আবার স্কুলের ছাত্রীও, তার পুরোহিত হওয়া তাও আবার অব্রাক্ষ্মন! পুরোহিত সমাজে এই খবর কতটা আলোড়ন সৃষ্টি করে এখন সেটাই দেখার। তবে ‘সুন্দরী স্নিগ্ধা’ যে বাংলা সমাজে একটা বিপ্লব ঘটিয়েছে সেটা বুঝতে পারছেন সবাই।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর https://thenewsbangla.com/students-get-sick-for-sitting-long-time-in-open-sunlight-ministers-interest-to-record/ Mon, 28 Jan 2019 16:31:41 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6139 সময় দুপুর ১টা। ১১টা থেকেই ছাত্র ছাত্রীদের বসিয়ে রাখা কাঠফাটা রোদে। বিষয় বসে আঁকো প্রতিযোগিতা। আর মন্ত্রীর ইচ্ছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তোলা। ব্যাস, আর কি! দুপুরের রোদে, গরমে পড়ুয়াদের খোলা আকাশের নিচে বসিয়ে চলল রেকর্ড গড়ার খেলা। আর মন্ত্রী নিজের সঙ্গী সাথীদের নিয়ে দেখলেন রেকর্ড গড়ার সেই খেলা। অবশ্যই তাঁদের জন্য ছিল ছাউনি, রোদ থেকে বাঁচার জন্য।

আরও পড়ুনঃ Exclusive কংগ্রেস ছেড়ে মমতার হাত ধরলেন মৌসম বেনজির নূর

একসাথে এক মঞ্চে বসে অঙ্কন প্রতিযোগিতা। এত বড় মঞ্চ বিশ্বের আর কোথাও নাকি নেই, বলে দাবী করে এই প্রতিযোগিতাটিকে গিনেস বুকে নাম তোলার জন্য ব্যাকুল উত্তরবঙ্গ উৎসব কমিটি। মন্ত্রী গৌতম দেব জানান, গিনেস বুকে নাম তোলার জন্য ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে ছবি তুলে রাখা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ জওহরলাল নেহেরুর গলায় মালা দিয়ে ৬০ বছর পরেও একঘরে ‘নেহেরুর বউ’

কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর/The News বাংলা
কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর/The News বাংলা

পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানটির একটি ডকুমেন্টেশানও করা হবে বলে জানান তিনি। উত্তরবঙ্গ উৎসবের বসে আঁকো প্রতিযোগিতা পৃথিবীর মধ্যে সর্ববৃহৎ, দাবী মন্ত্রী গৌতম দেবের।

আরও পড়ুনঃ আম দরবারে প্রকাশ্যে মহিলার ওড়না ধরে টান কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রীর

সোমবার শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে উত্তরবঙ্গ উৎসবের অঙ্গ হিসেবে বসে আঁকো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শিলিগুড়ি সহ পার্শবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক স্কুলের প্রায় ১৫ হাজার পড়ুয়াদের নিয়ে চারটি গ্রুপে ভাগ করে আয়োজিত হয় বসে আঁকো প্রতিযোগিতা।

কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর/The News বাংলা
কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ ২৪ ঘন্টায় এসএসসির রেজাল্ট প্রকাশ না হলে সচিবকে জেলে ভরার হুঁশিয়ারি বিচারপতির

বেলা ১টা থেকে প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনেক স্কুলের পড়ুয়াদের দু ঘন্টা আগেই নিয়ে আসা হয়। অনেক স্কুলের পড়ুয়ারা আবার ১টার সময় এসে পৌঁছাতে পারে নি। সরকারী ও বেসরকারী বাসের পাশাপাশি স্কুল বাসগুলো ভর্তি করে শহরের বুকে নিয়ে আসা ও যাওয়ার সময় শিলিগুড়ি শহর এক প্রকার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুনঃ মাঠ দিল না রাজ্য, মোদীর সভা ও হেলিকপ্টারের জন্য ফসল ত্যাগ শিক্ষকের

এদিকে কাঠফাটা রোদে কচি কচি ছেলে মেয়েদের মুখ প্রায় ঝলসে যাওয়ার উপক্রম। অবশ্য মন্ত্রীর মতে, এর ফলে বাচ্চাদের শরীরে ভিটামিন ডি তৈরী হয়। তবে প্রতি বছরই রোদের তাপে, গরমে, ভিড়ে ও চাপাচাপিতে পড়ুয়াদের অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। সোমবারও গরমের তাপে বেশ কয়েকজন শিশু অসুস্থ হয়ে পরল। শুধু শিশুরা নয়, অনেক অভিভাবকও অসুস্থ হয়ে পরে রোদে গরমে।

কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর/The News বাংলা
কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর/The News বাংলা

সে ব্যাপারে কোন হেলদোল না রেখেই মন্ত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য, কেউ অসুস্থ হলে তার জন্য মেডিকেল টিম রয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতাল ও নার্সিং হোমগুলিতে বলা আছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপধ্যায়ের চিন্তাভাবনার ফসল উত্তরবঙ্গ উৎসবের এই বসে আঁকো প্রতিযোগিতাটিকে গিনেস বুকে আনতেই হবে।

আরও পড়ুনঃ ভারতের এক ভুলে যাওয়া শহিদ সৈনিকের আজ জন্মদিন

তার জন্য প্রতিবছরই ২০ হাজার প্রতিযোগি নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়। স্কুল পড়ুয়াদের এই প্রতিযোগিতায় আসার জন্য উৎসাহিত করতে তাদের প্রত্যেককে একটি করে সার্টিফিকেট ও মেডেল দেওয়া হয়। এই প্রতিযোগিায় অংশগ্রহনকারীদের চারটে গ্রুপের প্রতি বিভাগের প্রতিযোগিদের মধ্য থেকে ৫০ জন করে মোট ২০০ জন বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে আগামি ১ ফেব্রুয়ারী।

কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর/The News বাংলা
কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ সীমান্তের কাঁটাতার অগ্রাহ্য করে একদিনের জন্য এক হল ভারত বাংলাদেশ

কিন্তু প্রতিযোগিতা নিয়ে প্রশাসনের প্রশংসা করলেও, রোদের মধ্যে বাচ্চাদের বসিয়ে রাখার তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিভাবকরা। অভিযোগ, রোদের তাপ থেকে বাঁচতে মন্ত্রীকে নিয়ে উদ্যোক্তারা বসে থাকেন ছাউনির তলায়। আর ছাত্র ছাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয় রোদে।

পরেরবার মন্ত্রীকে নিয়ে উদ্যোক্তারাও ছায়ায় বসে না থেকে, রোদে-গরমে বাচ্চাদের সঙ্গে বসে রেকর্ডের চেষ্টা করুন। এমনটাই চাইছেন অভিভাবকরা। তখনও রেকর্ড গড়ার এই পাগলামি থাকে কিনা সেটাই দেখতে চান তাঁরা।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ছাত্র ছাত্রীদের আন্দোলন সফল করে শিক্ষক শিল্পী পেলেন বঙ্গরত্ন https://thenewsbangla.com/artist-teacher-gets-banga-ratna-award-students-movement-is-successful/ Tue, 22 Jan 2019 03:05:12 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5880 উত্তরবঙ্গের সংস্কৃতি ও বিভিন্ন জনজাতির কথা, তিনি তাঁর রঙ তুলিতে ফুটিয়ে তুলে দেশ বিদেশে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তবে তাঁর কথা এতদিন ভাবেনি সরকার থেকে শুরু করে রাজ্যবাসী। সেই শিল্পী তাঁর শৈল্পিক স্বত্বা প্রায় হারাতে বসেছেন। কিন্তু এমন একটি প্রতিভাকে এভাবে অন্ধকারে হারিয়ে যেতে দিতে নারাজ ছিল তাঁর ছাত্র-ছাত্রীরা। বিভিন্ন নেতা মন্ত্রীর পর দ্বারস্থ হয়েছিলেন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। দাবী ছিল, শিল্পীকে দেওয়া হোক ‘বঙ্গরত্ন’ সম্মান। আন্দোলন সফল। শিল্পী পরিতোষ পাল এখন ‘বঙ্গরত্ন’।

আরও পড়তে পারেনঃ রাজ্যের হাতে টাকা নেই বাজারে ধার, তারপরেও বিধায়কদের ভাতা বাড়ছে

শিলিগুড়ির ডাবগ্রামের বাসিন্দা শিল্পী পরিতোষ পাল। যিনি তাঁর জীবনের অর্ধেকটা সময় শুধু ছবি এঁকেই কাটিয়েছেন। তাঁর ছবি পশ্চিমবাংলায় তো বটেই, প্রশংসা পেয়েছে মুম্বাই, ম্যাঙ্গালোর, চেন্নাই সহ সুইজারল্যান্ডেও। তিনি সব সময় তাঁর তুলির ছোয়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন উত্তরবঙ্গের সংস্কৃতিকে। কোনো আর্ট কলেজে পড়াশুনা না করে, কোনো গুরুর কাছ থেকে তালিম না নিয়েই তিনি নিজের চিন্তা ভাবনাগুলিকে ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলেন।

Image : The News বাংলা
Image : The News বাংলা

উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানা সম্প্রদায়ের মানুষ। সে সব মানুষের জীবন যাপন, তাদের সংস্কৃতি এসব কিছু দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন তাঁর ছবির মাধ্যমে। দেশ বিদেশের মানুষ জানতে পেরেছেন কিছু বিলুপ্তপ্রায় জনজাতির কথা। এক কথায় তিনি বাংলার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে বাংলার সংস্কৃতির প্রসার ঘটানোর কাজ করেছেন।

আরও পড়তে পারেনঃ পাহাড়ে মোর্চা বিজেপির সঙ্গেই, গোপন আস্তানা থেকে বার্তা বিমল গুরুংয়ের

ত্রীশক্তি অর্থাৎ নারীর শক্তির ওপরই ফোকাস করে ছবি আঁকতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। বেহুলা, সাবিত্রি, রতিমায়া তাঁর কাছে ত্রিশক্তি রমনি। শুরু হয় জয় করার পালা। চিত্র শিল্পকর্ম, ভাস্কর্যে একটু একটু করে এগোতে থাকেন তিনি। একটা সময় তাঁর এই শিল্পকর্ম দেশ ছাপিয়ে দুনিয়ার বিভিন্ন প্রদর্শনী ও গ্যালারিতে স্থান পেতে থাকে।

আরও পড়তে পারেনঃ বিজেপির সমালোচনা করে পাহাড়কে শান্ত থাকার অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর

তার আঁকা ছবি স্থান পায় দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও। ফ্রান্সের ব্রিভ মিউজিয়াম, লন্ডনের নোবেল সেজ, আমেরিকার ফাইন আর্ট গ্যালারী। পাশাপাশি মুম্বাইয়ের সিমরোচা গ্যালারী, চেন্নাইয়ের পালাজো গ্যালারী, দিল্লীর আগষ্ট রেইন গ্যালারী সহ দেশ বিদেশেত তাঁর ছবি স্থান পেতে শুরু করে। সুইডেনে শুধুমাত্র তাঁরই চিত্র ও ভাস্কর্যের ওপর প্রদর্শনী করে সেখানকার এক সংস্থা। বিদেশের মাটিতে প্রসার হয় বাংলা তথা ভারতবর্ষের শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্প ও ভাস্কর্যের।

Image : The News বাংলা
Image : The News বাংলা

জন্মের পর থেকেই তাঁর একটি কিডনি নেই। এই কিডনি জনিত রোগ ভোগে নুব্জ হয়ে গেলেও ভেঙে পরেন নি কখনই। সেই প্রতিবন্ধকতাকে জয় করতেই একটা সময় দক্ষিন ভারতে চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ সময় কাটান। কিন্তু তাঁর জীবনে আরও বিপর্যয় নেমে আসে, দুটো কিডনিই নষ্ট হয়ে যায়। ২০০২ সালে তা প্রতিস্থাপন হলেও তাঁকে সবসময় ওষুধ খেতে হয়। প্রতি মাসে প্রায় ১৫ হাজার টাকার ওষুধ খেয়ে তবে তিনি কিছুটা সুস্থ অনুভব করেন। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার সময় শিল্পীর পাশে কেউ দাঁড়ায় নি। সরকার থেকে এতদিন ন্যুনতম সাহায্যও তিনি পান নি।

আরও পড়তে পারেনঃ ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকেই প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা

একটা সময় আলিপুরদুয়ার কলেজে শিক্ষকতা করতেন তিনি, কিন্তু চিকিৎসার জন্য সময় দিতে গিয়ে সেটাও হাতছাড়া হয়ে যায়। এখন দুই মেয়ে, স্ত্রীর ভরণপোষণ ও নিজের ওষুধের খরচ সব কিছুই তিনি গৃহশিক্ষকতা করে উপার্জন করার চেষ্টা করেন। কলা বিভাগের স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের পড়িয়ে তিনি কোন রকমে সংসার চালান। ২০১৪ সালে তিনি ডুয়ার্স-রত্ন সম্মান পেয়েছেন। কিন্তু এই সম্মান থেকেও তিনি আরও বড় সম্মান পাওয়ার যোগ্য বলে মনে করেছিলেন তাঁর শিক্ষার্থীরা। সেই সম্মান হল ‘বঙ্গরত্ন’ সম্মান।

আরও পড়তে পারেনঃ বিহারী ভোট ধরতে বাংলায় বাবুলের বিরুদ্ধে বিহারীবাবু

সে কারনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করেছিলেন। উত্তরবঙ্গ উৎসবেই যাতে তাদের প্রিয় গুরু তথা মাস্টারমশাই ‘বঙ্গরত্ন’ সম্মান পান তার জন্য আন্দোলন শুরু করেন। নেতা, মন্ত্রী থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও তারা একটি চিঠি পাঠিয়ে আবেদন জানান। তাদের আবেদন ছিল, এমন একজন শিল্পীকে ‘বঙ্গরত্ন’ সম্মানে ভুষিত করা হোক। বিভিন্ন স্কুল কলেজ থেকে তারা সব ছাত্র, ছাত্রী, শিক্ষক, শিক্ষিকা ও সাধারণ মানুষের সই সংগ্রহ করেন তারা। সেই সাক্ষর সম্বলিত আরও একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয় প্রশাসনের হাতে।

Image: The News বাংলা
Image: The News বাংলা

লড়াই সফল। দেশের শিক্ষা সংস্কৃতিকে চিত্র শিল্প ও ভাস্কর্যের মধ্য দিয়ে সুদূর প্রসারের জন্য এবার বঙ্গরত্ন উপাধি পেলেন শিলিগুড়ির পরিতোষ পাল। সোমবার উত্তরবঙ্গ উৎসব মঞ্চে বাংলার আটজন কৃতি সন্তানকে বঙ্গরত্ন উপাধিতে ভুষিত করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। শিল্পী পরিতোষ পাল তাঁর মধ্যে একজন। বাংলার শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি গোটা বিশ্বের দরবারে অন্য আঙ্গিকে তুলে ধরার কারণেই বঙ্গরত্ন উপাধিতে তাঁর নাম নির্বাচিত করেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়তে পারেনঃ মার্চেই শুরুতেই ভারতে লোকসভা ভোটের ঘোষণা

পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ থেকে আর আট কৃতি সন্তানকে এই উপাধি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাদের মধ্যে বঙ্গরত্ন পেলেন আলিপুরদূয়ারের শিক্ষাবিদ পরিমল রায়, কোচবিহারের সাংবাদিক সুশান্ত গুহ, দার্জিলিং এর অবসরপ্রাপ্ত মেজর কে পি মাল্লা, উত্তর দিনাজপুরের শিক্ষাবিদ অমিত কুমার সরকার, দক্ষিন দিনাজপুরের ইতিহাসবিদ সুকুমার সরকার, মালদহের ভুমি ব্রান্ডের শিল্পি সৌমিত্র রায়, জলপাইগুড়ির সমাজসেবী অজিত বর্মন ও বিশেষভাবে বঙ্গরত্ন দেওয়া হল সম্প্রতি হেপ্টাথলনে সোনার পদক জয়ী স্বপ্না বর্মনকেও।

আরও পড়তে পারেনঃ মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী

তবে যেভাবে শিল্পী শিক্ষক পরিতোষ পালের জন্য আন্দোলন করে বঙ্গরত্ন পুরস্কারের জন্য তাঁর নাম তুলে ধরেন তাঁর প্রিয় ছাত্র ছাত্রীরা, সেটা এককথায় অভূতপূর্ব। তার এই সম্মানের অংশিদার হিসেবে আনন্দিত তার ছাত্র, ছাত্রী সহ গোটা শিলিগুড়ির বাসিন্দারা। আনন্দ খুব স্বাভাবিক। সবার আন্দোলন সফল করে তাদের শিক্ষক শিল্পী পরিতোষ পাল যে এখন ‘বঙ্গরত্ন’।

আরও পড়তে পারেনঃ

শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা

বাংলায় দুর্গা পুজো বন্ধ করার চক্রান্ত করছে মোদীর বিজেপি, মারাত্মক অভিযোগ মমতার

মোদীর প্রকল্পে আর টাকা দেবেন না মমতা, কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

ভোটের আগে মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে মোদী সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সবার সামনে শিক্ষক শিক্ষিকা ও স্কুল পরিদর্শককে ধমক দিয়ে শিক্ষার পাঠ মন্ত্রীর https://thenewsbangla.com/teachers-and-school-inspector-scold-by-the-minister-infront-of-all/ Sat, 12 Jan 2019 15:49:44 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5538 The News বাংলা, শিলিগুড়িঃ ‘আসি যাই মাইনা পাই, কাজের বেলা গুরুত্ব নাই’। শনিবার এই ভাষাতেই স্কুল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কটাক্ষ ও স্কুল পরিদর্শককে ধমক দেন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। প্রকাশ্যেই সবার সামনে স্কুল পরিদর্শক ও স্কুল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বকাঝকা করে শিক্ষার পাঠ দিলেন মন্ত্রী।

উত্তরবঙ্গ উৎসবকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়ির সহ আশেপাশের বিভিন্ন স্কুল কর্তৃপক্ষদের নিয়ে এক বৈঠকে দেরীতে আসায় পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেবের কাছে তিরস্কৃত হতে হল জেলা স্কুল পরিদর্শক তপন বসুকে। পর্যটন দপ্তরে অনুষ্ঠিত হওয়া এই বৈঠকে সকলের সামনেই তাঁর দেরি করে আসা নিয়ে তাঁকে একপ্রকার ভর্ৎসিত করলেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদে এক হিন্দু নারী

ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘ভাবনার বিপ্লব’ ভাবনা কস্তুরীর হাত ধরে

আর এই ঘটনায় কোনো কিছু বলার মত অবস্থাতেই ছিলেন না জেলা স্কুল পরিদর্শক তপন বসু। কার্যত মাথা নিচু করেই তাঁকে সব স্কুল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সামনেই মন্ত্রীর বকাঝকা হজম করতে দেখা গেল।

শনিবার শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়িতে মৈনাক টুরিস্ট লজ অর্থাৎ পর্যটন দপ্তরের কার্যলয়ে শিলিগুড়ির বাংলা মিডিয়াম বিশেষ করে ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ডের অধীনে স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকা সহ স্কুল ও কলেজের আধিকারিকদের নিয়ে উত্তরবঙ্গ উৎসবের আগে একটি মিটিং করেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব।

কিন্তু মিটিং যখন প্রায় শেষের পথে তখন তড়িঘড়ি সেখানে আসেন জেলা স্কুল পরিদর্শক তপন বসু। তাঁকে দেখেই রীতিমত অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ হয়েই গৌতম দেব তাঁকে ধমক দেন। তাঁকে সবার সামনেই প্রশ্ন করেন, এমন একটি সরকারী ও গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে দেরী করে এলেন তাহলে ডিউটিতেও নিশ্চয়ই দেরী করে ঢোকেন? আপনার কাছ থেকে স্কুলের শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষক শিক্ষিকারা কি শিক্ষা নেবে?

আরও পড়ুনঃ

জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন ‘মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার’

সিবিআই থেকে দমকলে বদলি, প্রতিবাদে চাকরি ছাড়লেন আইপিএস

সেই সঙ্গে তিনি স্কুল পরিদর্শককে আরও কটাক্ষ করে সবাইকে বলেন, “এই ধরনের মানুষ যদি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকে তাহলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার কি হবে? আপনাদের কাছ থেকেই তো সমস্ত শিক্ষক শিক্ষিকারা শেখে। তারাও বেশিরভাগই আসি যাই মাইনা পাই”। শিলিগুড়ির বেশ কিছু স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকারা দেরি করে আসেন, অভিযোগ আছে মন্ত্রীর কাছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা শিক্ষাটাকে প্রাধান্য দেই। আসলে আপনারা সরকারের মাইনে তো মাসের এক তারিখে পেয়েই যান, তাই শিক্ষায় অত গুরুত্ব দেন না”। এরপরই মন্ত্রীকে থামিয়ে দিয়ে, স্কুলের বেতন যে মাসের পাঁচ তারিখে হয় সেটা ধরিয়ে দেন শিক্ষক শিক্ষিকারা।

আরও পড়ুনঃ

বাংলায় দুর্গা পুজো বন্ধ করার চক্রান্ত করছে মোদীর বিজেপি, মারাত্মক অভিযোগ মমতার

আয়কর দফতরের নোটিশ, মাথায় হাত কলকাতার পুজো উদ্যোক্তাদের

তাতেই মন্ত্রী আরও বিরক্ত বোধ করে পাল্টা তাদের ‘সার্ভিস বুক ঠিক থাকলে মাইনা ঠিক হবে’ বলে চুপ করিয়ে দেন। এদিকে সমস্ত শিক্ষক শিক্ষিকা ও অন্যান্য সকলের সামনে কথাগুলো শুনে তপনবাবু মাথা নিচু করে বসে থাকেন। মন্ত্রীর কাছে তিরস্কৃত হয়ে মাথা নিচু করে বসে থাকেন শিক্ষক শিক্ষিকারাও।

এর পড়েই গৌতম দেব মিটিং শেষ করে চলে যান। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, “ভর্ৎসনা নয়। আমি স্কুল এডুকেশনের কেউ না। আমি ভর্ৎসনা করতে পারি না। শুধু ওনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করলাম মাত্র”।

মন্ত্রীর কাছে অপমানিত হওয়ার পর শিক্ষক শিক্ষিকা ও স্কুল পরিদর্শকের মধ্যে সময় সচেতনতা ফিরবে কি? প্রশ্ন অনেকের। কেউ কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন, এইভাবে প্রকাশ্যে শিক্ষক শিক্ষিকা ও স্কুল পরিদর্শককে বকাঝকা করে স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের হাতে আরও দুর্বিনীত হবার অস্ত্র তুলে দিলেন না তো মন্ত্রী?

আরও পড়ুনঃ

Exclusive: জাতীয় সংগীত এর অপেক্ষা না করেই মঞ্চ ছেড়ে বিতর্কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী

মোদীর প্রকল্পে আর টাকা দেবেন না মমতা, কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
খাঁচা বন্দী বাঘের যাওয়া আসা ‘ইচ্ছে মত’, প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ https://thenewsbangla.com/cheetah-sachin-one-of-the-attractions-of-siliguri-safari-park-returned-self-to-his-cage/ Fri, 04 Jan 2019 15:04:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5251 The News বাংলা, শিলিগুড়িঃ এমনিতে সে খাঁচা বন্দী। কিন্তু তার যাওয়া আসা নিজের ইচ্ছে মত। যখন খুশি খাঁচা থেকে বেড়িয়ে যায়, যখন ইচ্ছে আসে। এমনটাই ঘটল শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারির চিতা শচীনের ক্ষেত্রে। ৮৫ ঘণ্টা পরে নিজে নিজেই নিজের খাঁচায় ফিরে এল চিতাটি। যাবার সময়ও কেউ জানতে পারে নি। কখন ফিরে এল সেটাও টের পেল না কেউই। প্রশ্নের মুখে বন দফতর।

বেয়াদপ হলেও অবশেষে বাধ্য সন্তানের মত নিজের খাঁচায় ফিরে এল শিলিগুড়ি সাফারি পার্কের অন্যতম আকর্ষন চিতা বাঘ শচীন। দীর্ঘ ৮৫ ঘন্টা সাফারি পার্কের ঘন বনাঞ্চলের আনাচে কানাচে ঘুরে শেষমেশ শুক্রবার বিকাল সাড়ে চারটের পর নিজের খাঁচায় ফিরলো শচীন।

খাঁচা বন্দী বাঘের যাওয়া আসা 'ইচ্ছে মত', প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ/The News বাংলা
খাঁচা বন্দী বাঘের যাওয়া আসা ‘ইচ্ছে মত’, প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ/The News বাংলা

গত পয়লা জানুয়ারি ভোরে বেঙ্গল সাফারির এনক্লোজার থেকে গাছ টপকে গভীর জঙ্গলে গা ঢাকা দেয় পার্কের লেপার্ড সাফারির অন্যতম আকর্ষন শচীন। এরপর থেকে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ সহ গোটা বনদপ্তরকে নাকানি-চোবানি খাইয়ে পার্কেরই গভীর জঙ্গলেই লুকিয়ে ছিল সে। একপ্রকার অভুক্ত, অসুস্থ, ক্লান্ত হয়েই শুক্রবার ঠিক বাধ্য ছেলের মতই নিজের ঘরে ফিরে এলো সে।

আরও পড়ুনঃ বউ অদল বদল, বিকৃত যৌনাচারে ধর্ষণের অভিযোগ গৃহবধূর

এদিন শচীনের ফিরে আসার পর বেঙ্গল সাফারির ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর রাজেন্দ্র জাকার জানান, এদিন সাড়ে চারটা নাগাদ নিজের এনক্লোজারে নিজেই ফিরে আসে শচীন। তিনি আরও জানান, চিতা বাঘটির শরীরে বেশ কিছু আঘাত রয়েছে। মাথার ওপর, চোখের নিচে সামান্য আঘাত রয়েছে।

শচীন ফিরে আসার পর তাকে তার প্রয়োজনীয় আহার দেওয়া হয়েছে। সামান্য ক্লান্ত, কিছুটা শান্ত হয়ে রয়েছে আপাতত। রাজেন্দ্র জাকার আরও জানান, ওই দিন লেপার্ড এনক্লোজারের একটি গাছ বেয়ে বৈদ্যুতিক ফেন্সিং টপকে পালায় সে। এরপর থেকে ৪টি কুনকি হাতি, ছটি স্কয়্যাড ও দশটি খাঁচা পেতে পার্কের গোটা তৃণভোজি অঞ্চলে চিরুনি তল্লাশি চালিয়েছে পার্ক কর্তৃপক্ষ।

খাঁচা বন্দী বাঘের যাওয়া আসা 'ইচ্ছে মত', প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ/The News বাংলা
খাঁচা বন্দী বাঘের যাওয়া আসা ‘ইচ্ছে মত’, প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ/The News বাংলা

পাশাপাশি তার ফিরে আসার আশায় তার এনক্লোজারের গেটও খোলা রাখা ছিল এই কদিন। তাকে খুঁজে পেতে কোনরকম ত্রুটি রাখে নি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও পার্ক কর্তৃপক্ষ। অবশেষে একপ্রকার ক্লান্ত ও অভুক্ত অবস্থাতেই নিজের শেল্টারে ফিরে আসে শচীন। কিন্তু কিভাবে পুনরায় সে নিজের শেল্টারে প্রবেশ করল তা কেউই প্রত্যক্ষ করে নি।

সম্ভবত খোলা গেট দিয়েই প্রবেশ করেছে সে। এছাড়া, যেভাবে পালিয়েছিল ঠিক সেভাবেই ফিরে আসতে পারে বলে অনুমান রাজেন্দ্র জাকারের। তিনি জানান, তাকে আগামীকাল থেকে চিকিৎসা দেওয়া হবে। বাইরে সামান্য কাটা, ছেঁড়া রয়েছে সেগুলি সেরে যাবার পথেই রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ

ফের গরু চোর সন্দেহে খুন, এবার ‘গোরক্ষকের’ নাম মুসলিম মিঁয়া

কংগ্রেস ছেড়ে মমতার ‘মহানায়িকা’ এবার মোদীর বক্স অফিসে

ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’

দেশপ্রেম বাড়াতে স্কুলের রোল কলে এবার ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় ভারত’

শীতের বাংলায় বৃষ্টি আনতে আন্দামান থেকে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘পাবুক’

এদিন তিনি আরও জানান, এই মুহূর্তে লেপার্ড সাফারির ফেন্সিং-এর কোন পরিবর্তন করার দরকার নেই। সবটাই সঠিক এবং সিজেডের অনুমোদিত। বিদ্যুৎ সহ সমস্তটাই নিত্যদিনই পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। সুতরাং একটা বিক্ষিপ্ত ঘটনার জন্য এই মুহূর্তে কোন পরিবর্তন করা হচ্ছে না বলে জানান তিনি। তবে যাবার সময়ও কেউ জানতে পারে নি। কখন ফিরে এল সেটাও টের পেল না কেউই। এই বিষয়ে কিছু বলতে চান নি তিনি।

তবে এই মুহুর্তে শচীন চিতাকে খোলা খাঁচায় ছাড়া হবে কিনা তা নিয়ে দু-চার দিন পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে, শনিবার থেকে সমস্ত রাইড সহ পায়ে হেঁটে বেঙ্গল সাফারিতে ঘোরা সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। ক্রিকেট মাঠে শুধু শচীনকে দেখার জন্যই মাঠে আসতেন মানুষ। আর চিতা শচীনের পালিয়ে যাবার ঘটনাও এতটাই ভাইরাল হয়েছে যে, শুধু তাকে দেখতেই ভিড় বাড়ছে সাফারি পার্কে।

আরও পড়ুনঃ

EXCLUSIVE: সংখ্যালঘুদের ধর্মে সুড়সুড়ি দিয়ে প্রকাশ্যে ভারতের টাকার কালোবাজারি\

লোকসভার সঙ্গেই জম্মু কাশ্মীরে ভোট করতে প্রস্তুত মোদী সরকার

EXCLUSIVE: নতুন বছরে সুখবর, রাজ্য সরকারি কর্মীরা পাচ্ছেন বকেয়া ডিএ

‘রাম’কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে ‘হাতে’ নিয়ে বাংলায় তুলকালাম

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ভারতে সন্ত্রাস চালানো পাকিস্তানকে ‘গান্ধী’গিরি শেখাচ্ছে বাংলার আমজনতা https://thenewsbangla.com/bengalies-are-teaching-terrorist-pakistan-the-gandhigiri/ Sun, 09 Dec 2018 15:58:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3820 The News বাংলা, শিলিগুড়িঃ ভারতীয় সীমান্তে যখন তখন গুলি চালিয়ে আতঙ্ক ছড়ায়। ভারতের অভ্যন্তরেও সন্ত্রাসবাদী দল পাঠিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে। সেই পাকিস্তানে তৈরি বিভিন্ন উপকরণকেই আপন করে নিল শিলিগুড়ির গান্ধী মেলা।

ইন্দো-পাক সীমান্তে ধারাবাহিক গোলাগুলি লেগে থাকলেও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্নতাকে প্রশ্রয় দিতে নারাজ ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স। আর সেই কারনেই শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামের গান্ধী শিল্প বাজারে ভাতীয়দের কাছে পাকিস্তানে নির্মিত সামগ্রী তুলে ধরতে দুটো স্টল রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সব অনুষ্ঠানেই নেতা মন্ত্রীদের অতিথি করে আনার কুফল

দক্ষিনবঙ্গের দুর্গাপুরে ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের উদ্যোগে মার্চ মাসে প্রথম গান্ধী শিল্প বাজারের আয়োজন করা হয়। সেখানে অভুতপুর্ব সাড়া পেয়ে এবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে এই মেলা তথা বাজারের আয়োজন করলো আইসিসি। শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মেলাটি ৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে, চলবে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ভারতে সন্ত্রাস চালানো পাকিস্তানকে 'গান্ধী'গিরি শেখাচ্ছে বাংলার আমজনতা/The News বাংলা
ভারতে সন্ত্রাস চালানো পাকিস্তানকে ‘গান্ধী’গিরি শেখাচ্ছে বাংলার আমজনতা/The News বাংলা

ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের হাতে তৈরী বিভিন্ন সামগ্রীর সম্ভারে সাজিয়ে তোলা হয়েছে গোটা বাজারটিতে। গুজরাত, বারৌনি, রাঁচী, অসম, দিল্লী, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, হায়দারাবাদের পাশাপাশি বাংলাদেশ, এমনকি পাকিস্তানের তৈরী সামগ্রীর স্টল রয়েছে মেলার মধ্যে।

সব রাজ্যের মানুষদের শিল্প ও কারুকলা, শিল্পকলাকে এক ছাদের তলায় আনতে মিনিস্ট্রি অফ টেক্সটাইলসের একটি শাখা, ডেভেলপমেন্ট কমিশনার অফ হ্যান্ডিক্রাফ্টের সাথে যৌথ উদ্যোগে ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স ‘গান্ধী শিল্প বাজার’ নামে একটি মেলার আয়োজন করেছে শিলিগুড়িতে।

আরও পড়ুন: পাহাড়ে নিজের বাড়ি থেকে বিমলকে ধরল মমতার পুলিশ

তারই মাঝে পাকিস্তান থেকে আসা পাথর কেটে তৈরী নানা ধরনের গৃহসজ্জার উপকরন দেখে হতবাক অনেকেই। সকলের মনে প্রশ্ন জাগে, যেখানে কাশ্মীর নিয়ে সীমান্তে ভারত ও পাকিস্তানে প্রায় প্রতিদিন গুলিগোলা, অশান্তি লেগেই রয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সামগ্রীর সম্ভার শিলিগুড়ির মাটিতে!?

আরও পড়ুন: আরও সাজিয়ে তোলা হবে বাঙালির প্রিয় দিঘা সমুদ্রসৈকতকে

উদ্যোক্তারা জানান, উপকরনগুলি কাঁটাতারের ওপারের হলেও তা ভারতবাসীরা কিনে এনে এখানে নিয়ে বসেছে। পাকিস্তানের সামগ্রী কিন্তু বিক্রেতা ভারতীয়রা। বিক্রেতা মনসুর রহমান জানান, জিনিসগুলো পাকিস্তানের করাচিতে তৈরী। পাথরগুলো বালুচিস্তান ও কোয়েটার। সেখান থেকে কিনে এনে কলকাতায় তা বিক্রি করছেন তারা।

আরও পড়ুন: বিজেপির ‘বাংলা রথ’ এখন দেখার ও সেলফি তোলার অন্যতম আকর্ষণ

মার্চ মাসে দুর্গাপুরের গান্ধী শিল্প বাজারে তাদের ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মুল্যের সামগ্রীও বিক্রি হয়েছে। শিলিগুড়িতে প্রথম দিনেও তাদের ছোটখাট জিনিস অনেকগুলোই বিক্রি হয়েছে বলে তিনি জানান। পাকিস্তানের স্টল দুটোতে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মুল্যের সামগ্রী রয়েছে।

তবে যে দেশের সাথে প্রায় সমস্ত ধরনের যোগাযোগ ভারতের সাথে বিচ্ছিন্ন, সে দেশের সামগ্রী দক্ষিনবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বাজারে বাজারজাত করার ব্যাপারে একটা খচখচানি থেকেই যাচ্ছে। সামগ্রী ক্রয় করলেও একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে ক্রেতাদের মনেও।

]]>
অসমের এনআরসি’র পর উদ্বাস্তু হবার আশঙ্কায় বাংলার উদ্বাস্তু বাস্তুহারারা https://thenewsbangla.com/after-the-nrc-of-assam-the-refugees-of-bengal-are-in-fear/ Wed, 14 Nov 2018 16:58:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2398 শিলিগুড়ি, ১৪নভেম্বরঃ অসমে এনআরসি অর্ডিন্যান্স জারি হবার পরই পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের অর্ডিন্যান্স জারি হবার আশঙ্কায় ভুগছে সম্মিলিত কেন্দ্রীয় বাস্তুহারা পরিষদ। বাংলার তথা দার্জিলিং জেলার উদ্বাস্তুরা যাতে ফের বাস্তুহারা না হন, সে কারনে সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজতে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ইউনাইটেড সেন্ট্রাল রিফুজি কাউন্সিল অর্থাৎ ইউসিআরসি। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ির অনিল বিশ্বাস ভবনে রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বদের উপস্থিতিতে এই আলোচনা সভা হবে বলে জানা গেছে। এই আলোচনা সভায় সংগঠনের দাবী আদায়ের জন্য আন্দোলনের রূপরেখা তৈরী করা হবে বলেও খবর।

আরও পড়ুনঃ শিশুদিবসে বড়দের লজ্জা দিয়ে শিক্ষা দিল শিশুরা

দেশ ভাগের সময় তৎকালীন কেন্দ্র সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যদি পুর্ববঙ্গ থেকে কোনও তৎকালিন ভারতীয় হিন্দু ভারতবর্ষে আসে তাহলে তাদের সমস্ত দায়ভার কেন্দ্র বহন করবে। কিন্তু অভিযোগ, স্বাধীনতার ৭১ বছর পার হয়ে যাবার পরও উদ্বাস্তুরা প্রতিশ্রুতি মত ফল না পাওয়ায় আজও আন্দোলন করে চলেছে। বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করে ইউসিআরসির জেলা নেতৃত্ব।

The News বাংলা

ছিলেন সংগঠনের দার্জিলিং জেলার সম্পাদক পরেশ সরকার, সহ সম্পাদক নারায়ন গোস্বামী, কার্যকারী সভাপতি অনিল দাস ও জেলা সংগঠনের সদস্যা চন্দনা সাহা। সংগঠনের পক্ষে সম্পাদক পরেশ সরকার অভিযোগ করে বলেন, বর্তামানে কেন্দ্র সরকার এনআরসির নামে যা করছে তাতে রাজ্য সরকার সায় দিচ্ছে। কেননা বর্তমান রাজ্য সরকার উদ্বাস্তুদের দপ্তরটা তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। সে কারনে দপ্তরটাকে বিএলআরও-র সঙ্গে মার্জ করে দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘আন্তর্জাতিক’ ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে কাউন্সিলরের ‘বিজ্ঞাপন’, বিক্ষোভে মুখ পুড়ল বাংলার

কাজেই যে সমস্ত উদ্বাস্তুরা নদীনালা, জঙ্গল ও অনুর্বর জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছে তাদের জমির মালিকানা, বাসস্থান থেকে তারা আজও বঞ্চিত। তাদের জমির মালিকানার পাশাপাশি কেন্দ্র সরকারের হাউসিং ফল অল ২০২২ স্কিমের আওতায় অন্তর্ভুক্তির দাবী জানান তারা। পরেশবাবু বলেন, “আমরা অপমানিত, আমরা নির্যাতিত, অসমের ঘটনার পর আমরা ফের উদ্বাস্তু হবার আশঙ্কায় ভুগছি। তাই আমরা ন্যায়ের দরজায় দাড়িয়ে ন্যায় চাইছি।”

The News বাংলা

তার আরও বক্তব্য, “আমাদের বাধ্যতামুলকভাবে উদ্বাস্তু করা হয়েছে। সে কারনে আমাদের সমস্ত দায়ভার সরকারকে নিতেই হবে। না হলে আগামীদিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।” সংগঠনের কার্যকারী সভাপতি অনিল দাস বলেন, ‘আমাদের জমির মালিকানা স্বত্বের দাবীর পাশাপাশি মুল দাবী হল পুনর্বাসনের জন্য আমাদের ৫ হাজার ১০ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা দিতে হবে। তিনি জানান, তৎকালিন কেন্দ্র সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল পুর্ব পাকিস্থান থেকে যে সমস্ত হিন্দুরা পশ্চিমবঙ্গে আসবে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

আরও পড়ুনঃ ‘দরাজ নিমন্ত্রণে’ মায়ের শ্রাদ্ধে লোক খাওয়াতে ঘুম উধাও বাংলার বিধায়কের

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আজ পর্যন্ত পুনর্বাসনের জন্য এক টাকাও সরকার দেয় নি। দেশভাগের পর তাদের সর্বপ্রথম পুনর্বাসনের জন্য ৫০০ কোটি টাকার দাবী ছিল। কিন্তু জিনিসের মুল্য বৃদ্ধির অনুপাতে পুনর্বাসনের জন্য অর্থের দাবীও বৃদ্ধি পেয়েছে পর্যায়ক্রমে। বর্তমানে তা ৫ হাজার ১০ কোটি ৬০ লক্ষ টাকায় এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার বেলা তিনটের সময় বামেদের দার্জিলিং জেলা কার্যালয়ে সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক মধু দত্ত, রাজ্য কার্যকারী সভাপতি নিরঞ্জন মজুমদার ও জেলা বাম আহ্বায়ক জীবেশ সরকারের উপস্থিতিতে এক আলোচনা সভার মাধ্যমে আগামী আন্দোলনের রূপরেখা সুনির্দিষ্ট হবে।

]]>
উত্তরবঙ্গে বাংলা সিনেমার শতবর্ষ ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব https://thenewsbangla.com/centennial-years-of-bengali-films-and-international-film-festival-in-north-bengal/ Tue, 13 Nov 2018 08:03:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2292 শিলিগুড়িঃ কলকাতা অন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পরপরই এবার শিলিগুড়িতে শুরু হতে চলেছে বাংলা সিনেমার শতবর্ষ ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। পাশাপাশি ষষ্ঠতম শর্ট ফিল্ম ডকুমেন্টারি উৎসবও শুরু হবে এই উৎসবে। পরিচালক ব্যাডম্যানের শতবর্ষকে সামনে রেখে আন্তর্জতিক শর্ট ফিল্ম, ডকুমেন্টরী ও ১৯তম আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করতে চলেছে শিলিগুড়ির সিনে সোসাইটি।

আরও পড়ুনঃ অনেক চমক নিয়ে ২৪ তম কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু

আগামী ১৩ই নভেম্বর শিলিগুড়ি আন্তর্জাতিক শর্ট ফিল্ম ও ডকুমেন্টারির উদ্বোধন হবে বলে জানা গেছে। ওইদিন দিনাজপুরের শর্ট ফিল্ম ডকুমেন্টারী দিয়েই উৎসবের উদ্বোধন হবে। এই উৎসব চলবে আগামী ১৬ই নভেম্বর পর্যন্ত। এছাড়া ১৯ নভেম্বর অরিন্দম শীলের বাংলা সিনেমা “আসছে আবার শহর” সিনেমাটি দিয়ে শিলিগুড়ি আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন করা হবে বলে জানান সংস্থার কর্মকর্তারা।

Image Source: Google

মুখ্য অতিথি হিসেবে থাকবেন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব, অরিন্দম শীল ও শিলিগুড়ির মেয়ে অভিনেত্রী তুহিনা দাস এবং ফেডারেশান ফিল্ম সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার সভাপতি প্রেমেন্দ্র মজুমদার। আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে ২৬ শে নভেম্বর পর্যন্ত মোট আটদিনে ১৭ টি ফিচার ফিল্ম দেখান হবে। এই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শিত সিনেমাগুলির মধ্য থেকে বেস্ট শর্ট ফিল্ম, বেস্ট ডকুমেন্টারি, বেস্ট সিনেমাটগ্রাফি ও বেস্ট ডিরেক্টর বেছে নিয়ে ৫ হাজার টাকা করে নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’ তুমি কার ?

বাংলাদেশের পরিচালক তসমিয়া আফরিন, সাদিয়া খালিদ ও ভারতের শঙ্খজিৎ বিশ্বাস থাকবেন বিচারকের ভুমিকায়। সিনে সোসাইটির সভাপতি প্রদীপ নাগ জানান, ষষ্টতম আন্তর্জাতিক শর্ট ফিল্প ও ডকুমেন্টারি উৎসব উত্তরবঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সে কারনে উদ্বোধনের দিন দিনাজপুরের একটি শর্ট ফিল্মকে বেছে নেওয়া হয়েছে। শিলিগুড়ির রামকিঙ্কর হলে এই ষষ্টতম শর্ট ফিল্ম ডকুমেন্টারি উৎসবের সূচনা হবে বলে জানান তিনি।

সোমবার শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়িতে মৈনাক টুরিস্ট লজে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে শিলিগুড়িতে আন্তর্জাতিক সিনেমা উৎসবের কথা জানান পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিনে সোসাইটির সভাপতি প্রদীপ নাগ ও অন্যান্যরা। সিনে সোসাইটি বিগত ১৯ বছর ধরে শিলিগুড়িতে আন্তর্জাতিক সিনেমা উৎসবের আয়োজন করে চলেছে।

Image Source: Google

এ বছর বাংলা সিনেমার শতবর্ষকে সামনে রেখে সিনেমা উৎসবে আয়োজন করা হচ্ছে। প্রদীপ নাগ জানান, শর্ট ফিল্ম, ফিচার ফিল্ম ও ডকুমেন্টারী মোট ২০৫ টি ফিল্ম এসেছিল। তার মধ্য থেকে বেছে ৬৬ টি নির্বাচন করা হয়েছে। এদের মধ্যে মোট ৯ টা দেশের ১৭ টি ফিচার ফিল্ম থাকছে। ভারত ও বাংলাদেশ ছাড়া জার্মান, ইউনাইটেড কিংডম, সুইজারল্যান্ড, ভিয়েতনাম, চিলি ও নেপালের ছবি থাকছে।

আরও পড়ুনঃ আমার আপনার ‘অসুখ’ নিয়ে কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘অসুখওয়ালা’

গৌতম দেব জানান, প্রথম দিনের উদ্বোধনী ছবি দেখতে দর্শকদের কোনো প্রবেশমুল্য বা টিকিট লাগবে না। বাকি দিনগুলোতো টিকিট কেটে সিনেমা দেখতে হবে। টিকিটের মুল্য ২০ টাকা ও ৩০ টাকা। বেলা ২ টো ও সন্ধ্যা ৮ টায় সিনেমাগুলো দেখান হবে।

]]>