Sheila Dikshit – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 14 Mar 2019 14:10:14 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Sheila Dikshit – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 সন্ত্রাসদমনে মোদীর সমকক্ষ ছিলেন না মনমোহন, বিষ্ফোরক স্বীকারোক্তি শীলা দীক্ষিতের https://thenewsbangla.com/sheila-dikshit-admits-manmohan-singhs-response-to-terror-not-strong-as-narendra-modi/ Thu, 14 Mar 2019 13:59:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8432 সত্য কথাটা কি স্বীকার করেই নিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত। “সন্ত্রাস দমনে মোদীর সমকক্ষ ছিলেন না মনমোহন”, বিষ্ফোরক স্বীকারোক্তি শীলা দীক্ষিতের। আর এর জেরেই কংগ্রেসের তরফ থেকেই লোকসভা ভোটের আগে বিজেপিকে বড় অস্ত্র তুলে দেওয়া হল বলেই মনে করছেন কংগ্রেস নেতারাই। আর শীলা দীক্ষিতের এই বক্তব্যকেই ভোটের হাতিয়ার করেছে বিজেপি নেতারা।

আরও পড়ুনঃ মা মাটি মানুষ এখন শুধুই মানি মানি মানি

পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হানার পর থেকে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তুলধোনা করতে ছাড়ছে না, ঠিক তখনই উল্টো পথে গিয়ে বিষ্ফোরক মন্তব্য করলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত। সন্ত্রাসদমনে নরেন্দ্র মোদীর ভুমিকার প্রশংসা করেই সমালোচনা করলেন নিজের দলের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীরই।

আরও পড়ুনঃ অর্জুনের হাত ধরে বারাকপুর লোকসভা ছিনিয়ে নিতে পারে বিজেপি

দেশের প্রথম শ্রেনীর একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে শীলা দীক্ষিত জানান, “বিগত ইউপিএ আমলের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সন্ত্রাসবাদের সাথে আপোষ করেছিলেন। তিনি সন্ত্রাসবাদ দমনে নরেন্দ্র মোদীর মতো কঠোর পদক্ষেপ নেননি”।

আরও পড়ুনঃ অর্জুনকে ওপেন চ্যালেঞ্জ অভিষেকের, দীনেশ ত্রিবেদীকে ২ লাখ ভোট জেতাব

শীলা দীক্ষিতের এই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই তুমুল অস্বস্তিতে পড়েছে কংগ্রেস। যদিও সন্ত্রাসবাদ দমনে মোদীর অবস্থান অনেকটা রাজনৈতিক স্বার্থেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন। কিন্তু এই মন্তব্য চাপা পরে যায় নরেন্দ্র মোদীর ভুমিকার প্রশংসার কথাতে।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

আজ বৃহস্পতিবার এক জাতীয় স্তরের সংবাদমাধ্যমের তরফে শীলা দীক্ষিতকে ২৬/১১ মুম্বাই হামলার বিষয়ে তৎকালীন ইউপিএ সরকারের অবস্থানের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়। তখনই তিনি মন্তব্যে জানান, “সন্ত্রাসবাদ দমনে মনমোহন সিংহের দৃঢ়তার অভাব ছিল, কিন্তু সন্ত্রাসবাদ দমনে নরেন্দ্র মোদী কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন”। যদিও তার অনেকটাই তিনি রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুনঃ মিছিল মিটিং করতে মমতার পুলিশ প্রশাসন আর আটকাতে পারবে না বিজেপিকে

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ২৬শে নভেম্বর মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসবাদী হানায় প্রায় ১৭০ জনের মৃত্যু হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে তখন পাকিস্তানের ওপর প্রত্যাঘাতের অনুমতি চাওয়া হলেও আসন্ন ২০০৯ লোকসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভাবাবেগের কথা মাথায় রেখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং প্রত্যাঘাতের অনুমতি দেননি।

আরও পড়ুনঃ লাস্যময়ী নুসরত ও সুন্দরী মিমিই এবার মমতার চমক

সম্প্রতি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হানায় ৪৯ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন। তারপরেই সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয় সরকারের তরফে। তার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা। পাকিস্তানের বিপক্ষে একের পর কূটনৈতিক স্তরে আক্রমণ করে মোদী সরকার।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির

আর এই সব নিয়েই সন্ত্রাসদমনে মোদীর প্রশংসা করতে গিয়ে নিজের দলের প্রধানমন্ত্রীরই সমালোচনা করেন কংগ্রেসের সিনিয়ার নেতা ও দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত। আর এই মন্তব্য যেমন কংগ্রেসকে বেজায় অস্বস্তিতে ফেলেছে তেমনি ভোটের মুখে বিজেপির হাতে বড় অস্ত্র তুলে দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন
আরও পড়ুনঃ প্রচুর চমক, রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
রাহুলের কংগ্রেস মোদীর বিজেপির বি টিম বলে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর https://thenewsbangla.com/delhi-cm-arvind-kejriwal-lashes-out-at-congress-calls-it-b-team-of-modis-bjp/ Tue, 05 Mar 2019 18:40:44 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7610 কংগ্রেসকে বিজেপির বি টিম বলে কটাক্ষ কেজরিওয়ালের। এদিকে অধরাই থেকে গেলো দিল্লিতে আপ-কংগ্রেসের জোট। মঙ্গলবার দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে দলীয় কমিটির বৈঠকে জোটের সম্ভাবনার কথা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেন দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত। অন্যদিকে জোটের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালও। এরপরেই রাহুলের কংগ্রেস মোদীর বিজেপির বি টিম বলে কটাক্ষ করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করে দল থেকে বরখাস্ত নেতা

বিজেপিকে সরাতে বিরোধী দলগুলোর এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় দাবি মোদী বিরোধী মহাজোট গড়ে তোলা। তার জন্য যে যে লোকসভা এলাকায় যে দল শক্তিশালী, মোদী বিরোধী দলগুলোকে সেখানে সেই দলকেই সমর্থন করার কথা বলা হচ্ছে বিরোধী দলগুলোর তরফে। এই সূত্রকে কাজে লাগাতে প্রায়ই অগ্রনী ভূমিকা নিয়েছেন কেজরিওয়াল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল দিল্লিতে এই সূত্র প্রয়োগ করে কংগ্রেসকে বারবার কাছে টানতে চেয়েছেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ পুলওয়ামা জঙ্গিহানাকে দুর্ঘটনা বলে দেশ ও সেনাকে অপমান

এই সংক্রান্ত আলোচনার জন্য মঙ্গলবার দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে দলীয় কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সেখানে জোটের সম্ভাবনার কথা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেন দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত।

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে ভারতবাসীকে নতুন উপহার মোদীর

রাহুল গান্ধী এর আগেও দিল্লিতে একা লড়ার পক্ষে ছিলেন। আম আদমি পার্টির তরফে একাধিকবার কংগ্রেসের সাথে জোট করার প্রস্তাব দেওয়া হলেও সেই প্রস্তাবকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি কংগ্রেস। এবার তারা পরিষ্কারভাবেই জানিয়ে দিল, আপের সাথে কোনও প্রকার আসন সমঝোতায় যাচ্ছে না কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ ভারতের চাপে মাথা নত করল পাকিস্তান

কেজরীওয়ালের আম আদমি পার্টি যদিও এখনো সম্ভাবনার দিক খোলা রাখছে। দিল্লিতে ৭টি লোকসভা আসনের মধ্যে আম আদমি পার্টি ৬টিতেই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। জোট হলে বাকী ১টি আসন কংগ্রেসকে ছাড়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১টি আসনও কংগ্রেসকে ছাড় দিতে পারে আপ। কিন্তু জোট হলে কংগ্রেস ৪-৩ আসন চায় যা মানতে নারাজ আপ।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে হত্যা কর, কংগ্রেস নেতার প্রকাশ্য নির্দেশ

লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে জোটের প্রস্তাব দেওয়া হলেও আপের ওপর ক্ষুব্ধ দিল্লির কংগ্রেস। কোনও অবস্থাতেই জোট না হওয়ায় কেজরিওয়াল কংগ্রেসকেই কটাক্ষ করেন। তার মতে, মোদী বিরোধী জোটে আপের সাথে না থেকে প্রকারান্তরে বিজেপিকে সুবিধা করে দিচ্ছে কংগ্রেস, যে কারনে কংগ্রেসকে বিজেপির বি টিম বলে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তিনি।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গিদের সরাসরি সেনাবাহিনীতে নিচ্ছে ইমরানের পাকিস্তান

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে দিল্লি বিধানসভার ভোটে কংগ্রেসকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে আপ। প্রাথমিকভাবে আপের সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় কংগ্রেসকে সাথে নিয়ে সরকার চালাতে হয়। এরপর মাত্র ৪৯ দিনের মাথায় সরকার ভেঙ্গে দেন কেজরিওয়াল।

আরও পড়ুনঃ ম্যাডাম খুব তাড়াতাড়ি যুদ্ধ বিমানে বসতে চাই, নির্মলাকে অভিনন্দন

এরপর ২০১৫ সালে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দিল্লি বিধানসভার ৭০টির মধ্যে ৬৭টি আসন দখল করে ক্ষমতায় আসে আম আদমি পার্টি। কংগ্রেস একটিও সিট পায়নি। এদিকে ২০১৪ লোকসভা ভোটে আপ ভালো সংখ্যক ভোট পেলেও আপ বা কংগ্রেস কেউই কোনো আসন জিততে পারেনি। এবার ত্রিমুখী লড়াইয়ে বিজেপির কতটা সুবিধা হয় সেটাই এখন দেখার।

আরও পড়ুনঃ মুম্বাই হামলার মত ফের জলপথে জঙ্গি হামলার ছক
আরও পড়ুনঃ ভারতীয় সাবমেরিনের ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>