Sachin Tendulkar – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 02 Jan 2019 15:46:48 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Sachin Tendulkar – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ‘অর্জুন’ শচীন তেন্ডুলকরের ‘দ্রোণাচার্য’ গুরু প্রয়াত https://thenewsbangla.com/ramakant-achrekar-childhood-coach-of-sachin-tendulkar-passes-away/ Wed, 02 Jan 2019 15:19:02 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5120 The News বাংলা: ‘শচীন তেন্ডুলকরের কোচ’ রমাকান্ত আচরেকার প্রয়াত। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। ক্রিকেটের ‘ভগবান’কে নিজের হাতে তৈরি করেছিলেন ‘দ্রোণাচার্য’ কোচ। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি।

শচীন তেন্ডুলকরের ‘ক্রিকেট গুরু’ রমাকান্ত আচরেকার প্রয়াত। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। বুধবার মুম্বইয়ে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। খবর শুনে মুম্বাই ক্রীড়া জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকের ছায়া গোটা তেন্ডুলকর পরিবারে।

১৯৩২ সালে রমাকান্ত আচরেকারের জন্ম। শচীন তেন্ডুলকরকে সম্পূর্ণ নিজের হাতে তৈরি করেছিলেন ‘দ্রোণাচার্য’ কোচ। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। হারিয়েছিলেন বাকশক্তি। নিয়মিত কোচের খোঁজ খবর নিতেন শচীন। শচীন ছাড়াও প্রভিন আমরে, চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত, সঞ্জয় বাঙ্গার, রমেশ পাওয়ার সহ আরও অনেক ক্রিকেটারকে তিনি তৈরি করেছিলেন।

তাঁর প্রতিটি জন্মদিনে ছুটে যেতেন তাঁর প্রিয় ছাত্র শচীন। আচরেকারকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র তৈরির কাজে হাত দেন শচীন। রমাকান্ত আচরেকারের মৃত্যুর খবরে ক্রীড়া মহলে শোকের ছায়া ছড়িয়েছে।

‘গুরু’ নাকি কখনোই শচীন তেন্ডুলকরের খেলার প্রশংসা করেন নি। কখনোই বলেন নি ‘ওয়েলডান’ বা ‘ওয়েলপ্লেইড’। ‘ভালো খেলেছ’—এই কথাটা শোনার জন্য ব্যাকুল হয়ে ছিলেন তেন্ডুলকর। নিজের বিদায়ী ভাষণেও সেই কথা বলেছিলেন তিনি। শচীনের অবসরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গুরুর ফোন পেয়ে যান তেন্ডুলকর।

শুনলেন স্যার বলছেন, ‘কনগ্র্যাচুলেশনস ফর ভারতরত্ন’। একটু থেমেই বললেন, ‘ওয়েলডান ফর ইওর লং জার্নি, ‘ওয়েল প্লেইড মাই বয়।’

খেলোয়াড়ি জীবনে সারা পৃথিবীর প্রশংসার সাগরে ভাসলেও গুরুর কাছ থেকে কখনোই প্রশংসা পাননি তেন্ডুলকর। স্যার আচরেকার ভেবেচিন্তেই শিষ্যকে প্রশংসা থেকে দূরে রেখেছিলেন। পাছে, অহংবোধ জন্ম নেয় তাঁর মধ্যে! যদি তেন্ডুলকর আত্মতৃপ্তিতে ভোগে, পরিশ্রম করা কমিয়ে দেয়।

বিদায়ী ভাষণে সে কথাই উল্লেখ করে তেন্ডুলকর বলেছিলেন, ‘আর যেহেতু মাঠেই নামব না, স্যার নিশ্চয়ই এখন আমাকে বলতে পারেন, ‘ওয়েল প্লেইড।’ ‘অর্জুনের’ সেই চাওয়া পূরণ করে দেন ‘দ্রোণাচার্য’।

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তেন্ডুলকরের বিদায়ী বক্তৃতার সময় টেলিভিশনের সামনেই ছিলেন স্যার আচরেকার। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া এই প্রবীণ ক্রিকেট প্রশিক্ষক তখন বাড়ির ড্রয়িংরুমে বসেই শিষ্যের আবেগময় ভাষণে ভেসেছিলেন।

নিজের সম্পর্কে ওই কথাটা শোনার পর থেকেই নাকি ছাত্রকে একটা ফোন করার জন্য ছটফট করছিলেন তিনি। গুরুর প্রশংসা পেয়ে তেন্ডুলকর বলেছেন, ‘আমার জীবন এত দিনে পূর্ণতা পেল। স্যারের কাছ থেকে প্রশংসা শুনেছি। আমার আর কী লাগে!’

তেন্ডুলকরের অবসর সিদ্ধান্তটি অবশ্য পছন্দ হয়নি আচরেকারের। মেয়ে কল্পনা জানিয়েছেন, ‘বাবা মনে করতেন তেন্ডুলকর আরও দুই-এক বছর খুব ভালোভাবেই খেলে যেতে পারতেন।’

তাঁর ‘সেরা ছাত্র’ হয়ে গেছেন অনেক বছর আগেই। কিন্তু আচরেকার বিশ্বাস করতেন, শচীন ক্রিকেটেরই এক বিরল প্রতিভা। নয়তো কোনো ক্রিকেটারের পক্ষেই ২৪ বছর ফিটনেস ধরে রেখে খেলে যাওয়া সম্ভব নয়।

আচরেকার চাইতেন না তাঁর ছাত্র খেলা ছেড়ে রাজনীতি করুক। প্রাক্তণ ভারতীয় অলিম্পিয়ান মিলখা সিং অনেক আগেই তেন্ডুলকরকে ভারতের ‘ক্রীড়ামন্ত্রী’ বানানোর আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু আচরেকার চাইতেন না তেন্ডুলকরকে এমন কোনো দায়িত্ব দেওয়া হোক।

তিনি চাইতেন, তাঁর ছাত্র ভবিষ্যতের ক্রিকেটারদের তৈরি করুক। ক্রিকেট প্রশাসনে নিজের ভূমিকা রাখুক। রাজনীতির নোংরা তাঁকে কখনো যেন ছুঁতে না পারে, বৃদ্ধ আচরেকার বাড়িতে বসে বরাবর সেই প্রার্থনাই করে যেতেন। তবে রাষ্ট্রপতির অনুরোধে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন শচীন।

২রা জানুয়ারীর পর থেকে অবশ্য তিনি অন্য কোথা থেকেও কড়া নজরে রাখবেন তাঁর প্রিয় ছাত্রকে। শচীন তেন্ডুলকর এর গোটা পরিবার ভেঙে পরেছে তাঁর গুরুর মৃত্যুতে। খবর পাবার পরেই মুম্বাইয়ের গোটা ক্রিকেট মহল এখন মুম্বাই ক্রিকেটের ‘সেরা গুরুর’ বাড়ির সামনে।

]]>
ডন ব্র্যাডম্যানের ঠিক পরেই ‘রানমেশিন’ বিরাট কোহলি https://thenewsbangla.com/virat-kohli-the-indian-run-machine-is-just-after-the-great-don-bradman/ Sun, 16 Dec 2018 11:38:12 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4326 The News বাংলা, স্পোর্টস: রবিবার অস্ট্রেলিয়ার পার্থে টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ২৫তম সেঞ্চুরিটি হাঁকালেন বিরাট কোহলি। কম টেস্ট খেলে সেঞ্চুরির রেকর্ডে ডন ব্র্যাডম্যানের ঠিক পরেই ক্রিকেট বিশ্বে এখন বিরাট কোহলি। পাশাপাশি ছুঁয়ে ফেললেন, ‘ক্রিকেট ভগবান’ শচীন তেন্ডুলকরের অস্ট্রেলিয়ার পিচে করা সেঞ্চুরির রেকর্ডও।

আরও পড়ুনঃ ভক্তকে বিখ্যাত করে বিপদে ফেলে দিয়েছেন লিওনেল মেসি

২৫ নাম্বার টেস্ট সেঞ্চুরি হয়ে গেল ভারতীয় অধিনায়কের। টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম, ১২৭ ইনিংসে ২৫তম সেঞ্চুরিয়ান হলেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ফলে টেস্ট ক্রিকেটের কিংবদন্তি ডন ব্র্যাডম্যানকে বাদ দিলে এত কম ইনিংসে ২৫টি সেঞ্চুরির রেকর্ড আর কোন ক্রিকেটারের নেই। এমনকি অস্ট্রেলিয়ায় মাটিতে দ্রুততম ১০০০ রান করতে ব্রাডম্যানকেও হারিয়ে দিয়েছেন তিনি।

ডন ব্র্যাডম্যানের ঠিক পরেই 'রানমেশিন' বিরাট কোহলি/The News বাংলা
ডন ব্র্যাডম্যানের ঠিক পরেই ‘রানমেশিন’ বিরাট কোহলি/The News বাংলা

২৫টি সেঞ্চুরি করতে ব্র্যাডম্যান নিয়েছিলেন মাত্র ৬৮টি ইনিংস। রেকর্ডটা এখনও তাঁরই দখলে। আর ১২৭ ইনিংসে ২৫তম সেঞ্চুরি করে ডনের ঠিক নিচেই বসলেন কোহলি। তালিকার তিন ও চার নম্বরে রয়েছে আরও দুই ভারতীয় ব্যাটসম্যান। তারা হলেন শচীন তেন্ডুলকর(১৩০ ইনিংস) ও সুনীল গাওস্কার।

আরও পড়ুন: সপ্তশৃঙ্গর পর সপ্ত আগ্নেয়গিরি, বিশ্বরেকর্ডের দোরগোড়ায় বাঙালি

অস্ট্রেলিয়ায় ৬টি সেঞ্চুরি করে গ্রেট শচীন তেন্ডুলকরকে ছুঁলেন বিরাট। মিচেল স্টার্ক এর বল বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে নিজের ২৫তম সেঞ্চুরি করে ফেললেন ভারত ক্যাপ্টেন। মাত্র ৭৫ টেস্টে। অর্থাৎ ৩ টি টেস্ট পিছু ১টি সেঞ্চুরি ভারতের রানমেশিনের।

আরও পড়ুন: সৌরভের পর বিরাট ওষুধে স্লেজিং শেষ অস্ট্রেলিয়ার

এদিনের সেঞ্চুরিকে বিরাটের অন্যতম সেরা বলা হচ্ছে। ফাস্ট বাউন্সি পিচে যেখানে দুদলের ব্যাটসম্যানরাই সমস্যায় পড়েছেন সেখানে খুব সহজেই খেলেছেন বিরাট। অস্ট্রেলিয়ার কোন বোলারই বিরাটের বিরুদ্ধে তেমন দাগ কাটতে পারেন নি।

ডন ব্র্যাডম্যানের ঠিক পরেই 'রানমেশিন' বিরাট কোহলি/The News বাংলা
ডন ব্র্যাডম্যানের ঠিক পরেই ‘রানমেশিন’ বিরাট কোহলি/The News বাংলা

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে মিশেল স্টার্ককে স্ট্রেট ড্রাইভ হাঁকিয়ে ১০০ করেন বিরাট। ২১৪ বলে শতরানের এই ইনিংসে মোট ১১টি চার মেরেছেন বিরাট। শনিবার যখন তিনি ক্রিজে আসেন, তখন ভারতের অবস্থা মোটেও ভালো ছিল না। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে করা ৩২৬ রানের উত্তরে টিম ইন্ডিয়া তখন আট রানে দুই উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল। সেখান থেকেই একার হাতে খেলা ধরেন বিরাট।

আরও পড়ুনঃ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারতীয় ক্রিকেটারদের দাবি ‘কলা আর বউ’

অস্ট্রেলিয়ায় ৬টি সেঞ্চুরি করে বিরাট স্পর্শ করলেন শচীন তেন্ডুলকরকে। পেরিয়ে গেলেন কুক, গাওয়ার ও লয়েডকে। যদিও শচীন ৬টা সেঞ্চুরি করতে অস্ট্রেলিয়াতে ২০টি টেস্ট খেলেছেন। কিন্তু বিরাট মাত্র ১০টি টেস্ট খেলেই ৬টি সেঞ্চুরি করলেন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে।

আরও পড়ুনঃ নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি

শুধুমাত্র জ্যাক হবস ৯টি ও ওয়ালি হামন্ড ৭টি সেঞ্চুরি করে, সফরকারী দলের অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি করার রেকর্ডে বিরাটের চেয়ে এগিয়ে আছেন। তবে যেভাবে ভারত ক্যাপ্টেন খেলছেন তাতে জ্যাক হবস ও ওয়ালি হামন্ড এর রেকর্ডও যে কোন দিন ভেঙে যাবে বলেই মনে করছেন এক্সপার্টরা। হয়ত এই সিরিজেই। ‘বিরাট রামমেশিন কোহলি’র হাতে ভাঙছে একের পর এক ক্রিকেট রেকর্ড।

পড়ুন ফুটবলের হাড় হিম করা অদ্ভুত সত্য গল্প

পড়ুন প্রথম পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

পড়ুন দ্বিতীয় পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

পড়ুন তৃতীয় ও শেষ পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

]]>