Sabarimala Temple – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 24 Jan 2019 15:48:20 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Sabarimala Temple – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 মন্দিরে ঢোকার অপরাধে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়ানো হল দুর্গাকে https://thenewsbangla.com/woman-who-entered-sabarimala-temple-thrown-out-from-home-by-in-laws/ Thu, 24 Jan 2019 15:27:15 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5976 শুধু মারধর করেই থামল না শ্বশুরবাড়ির লোকজন। কেরালার শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করার অপরাধে কনকদুর্গাকে এবার পরিবার থেকে বিতাড়িত করা হল। মন্দিরে ঢুকে বিপ্লব করার ফল হাতেনাতে পেল কনকদুর্গা।

প্রথাগত বাধা অতিক্রম করে কেরালার শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করা প্রথম নারী কনকদুর্গা এবার পরিবার থেকেই বিতাড়িত হয়েছেন। ওই নারীর স্বামী তাকে বাড়িতে নিতে অস্বীকার করেছেন। এর আগে প্রথা ভেঙে মন্দিরে প্রবেশ করার অভিযোগে কনকদুর্গার শ্বাশুড়ি তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছিলেন। মোটা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর শ্বাশুড়ি।

এইপ্রসঙ্গে আরও পড়ুনঃ

মন্দিরে ঢুকে বিপ্লবের শাস্তি, পিটিয়ে বৌমাকে হাসপাতালে পাঠাল শাশুড়ি

নারী ঢোকায় ‘অপিবত্র’ শবরীমালা, ‘শুদ্ধ’ করার জন্য বন্ধ মন্দির

ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’

এবার কনকদুর্গা চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে এসে পরিবারের কাউকে পাননি। স্বামী, দুই সন্তান কেউই বাসায় ছিলেন না এবং দরজায় তালা দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তাঁর সঙ্গে যাওয়া পুলিশ কর্মীরা নারীদের জন্য বরাদ্দ একটি সরকারি নিবাসে তাঁকে নিয়ে যান।

পুলিশ সুপার প্রতীশ কুমার জানিয়েছেন, পরের দিন কনকদুর্গা ও তার স্বামী কিরিশনান উনিকে থানায় ডেকে আনা হয়। এই সময় কনকদুর্গার স্বামীকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি স্ত্রীকে বাসায় নিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপরই কনকদুর্গার স্বামী থানা থেকে চলে যান এবং তিনি নারীদের জন্য বরাদ্দ সরকারি নিবাসে যেতে বাধ্য হন।

আরও পড়ুনঃ

নেতাদের পর সিনেমার প্রয়োজক, চিটফান্ড দুর্নীতিতে গ্রেফতার শ্রীকান্ত মোহতা

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মা দুর্গার সাক্ষাৎ অবতার, পোস্টার কংগ্রেসের

পুলিশ বলছে, কনকদুর্গা এর আগে শ্বাশুড়ির হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে মামলা করেছিলেন। এখন বিষয়টি আদালতে সিদ্ধান্ত হবে। তবে কনকের এক সহযোদ্ধা জানিয়েছেন, বাড়িতে প্রবেশের অনুমতি চেয়ে তিনি আদালতে পিটিশন দাখিল করবেন। এই ঘটনায় কনক ভীষণ উদ্বিগ্ন। শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করে যে তাঁকে বাড়ি থেকে বিতাড়িত হতে হবে তা কল্পনাও করতে পারেননি তিনি।

আরও পড়ুনঃ

ফের গরু চোর সন্দেহে খুন, এবার ‘গোরক্ষকের’ নাম মুসলিম মিঁয়া

হিন্দুত্ববাদীদের নিশানা করতে মসজিদে পাথর ছুঁড়ে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা, ধৃত সিপিএম নেতা

কেরালা রাজ্যের শবরীমালা মন্দিরে প্রথাগতভাবে ১০ থেকে ৫০ বছরের ঋতুমতি নারীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এর বিরুদ্ধে সেপ্টেম্বরে রায় দেয় ভারতের শীর্ষ আদালত। এরপরই এটি নিয়ে তীব্র আন্দোলন শুরু হয়। নারীরা মন্দিরটিতে প্রবেশ করতে চাইলে মন্দিরের পুরুষ ও নারী ভক্তদের বাধার সম্মুখিন হয়। এই অবস্থার মধ্যেই গত ২রা জানুয়ারি কনকদুর্গা ও অন্য এক নারী বিন্দু পুলিশি পাহাড়ায় মন্দিরটিতে প্রবেশ করেন।

এই নারীরা মন্দিরে প্রবেশ করে অপবিত্র করে ফেলেছে এই অভিযোগে তখন রাজ্যজুড়ে সহিংস বিক্ষোভ হয়। সে অবস্থায় ওই দুই নারীকে পুলিশি নিরাপত্তায় রাখা হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে বাড়িতে ফিরলে কনকদুর্গার শ্বাশুড়ি তাঁকে মন্দিরে প্রবেশ করার অভিযোগে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন।

আরও পড়ুনঃ

উচ্চবর্ণের গরীব হিন্দুদের জন্য সংরক্ষণ মোদীর, দেশ জুড়ে বিতর্ক

EXCLUSIVE: সংখ্যালঘুদের ধর্মে সুড়সুড়ি দিয়ে প্রকাশ্যে ভারতের টাকার কালোবাজারি

শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশে লিঙ্গ বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা কনকের এক বন্ধু প্রসাদ আমোরি জানিয়েছেন, “মন্দিরে প্রবেশের পর কনকের পরিবার আর তাঁকে নিতে চাইছে না। কারণ তারা মনে করে কনক তার পরিবারের সম্মান নষ্ট করে ফেলেছে। তার সম্প্রদায়ও মন্দিরটিতে ঋতুমতি নারীদের প্রবেশের বিরোধীতা করে আসছে”।

তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। কারণ শবরীমালা মন্দিরে নারীদের প্রবেশের ক্ষেত্রে বিজেপির স্থানিয় নেতারা বিরোধীতা করছেন বলেই অভিযোগ নারীদের। ফলে যেভাবে এই বিষয়টি সামনে এগোচ্ছে তাতে আগামী এপ্রিল-মে মাসে লোকসভা নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ

লোকাল ট্রেনকে এক্সপ্রেস ভাবলেন ষ্টেশন মাস্টার, তারপরেই হল বিপদ

মোদীর বিরুদ্ধে ইন্দিরা তাস খেলতে রাহুলের কংগ্রেসে প্রিয়াঙ্কা

মোদীর মাস্টারস্ট্রোকে দেশ পেতে পারে প্রথম মহিলা বাঙালি সিবিআই প্রধান

জন্মদিনে নেতাজি সুভাষের মৃত্যুদিন নিয়ে ছেলেখেলা রাহুলের কংগ্রেসের

বাংলায় ক্ষোভ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়াচ্ছে মোদী সরকার

ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকেই প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা

রাজ্যের হাতে টাকা নেই বাজারে ধার, তারপরেও বিধায়কদের ভাতা বাড়ছে

পাহাড়ে মোর্চা বিজেপির সঙ্গেই, গোপন আস্তানা থেকে বার্তা বিমল গুরুংয়ের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মন্দিরে ঢুকে বিপ্লবের শাস্তি, পিটিয়ে বৌমাকে হাসপাতালে পাঠাল শাশুড়ি https://thenewsbangla.com/kanakadurga-who-entered-sabarimala-temple-attacked-by-her-mother-in-law-at-home/ Tue, 15 Jan 2019 10:05:23 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5644 ভক্তরা এখনও তাঁদের নাগাল পাননি। পালিয়েই বেড়াচ্ছিলেন তাঁরা। ভক্তদের হাতে পড়লে কি হবে কেউ জানে না। তবে কি হতে পারে তার একটা ঝলক পেয়ে গেলেন শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি করা ৪৪ বছরের কনকদূর্গা। শবরীমালার আয়াপ্পা ভক্তদের থেকে লুকিয়ে অনেক দিন পালিয়ে বেড়াবার পরে বাড়ি ঢুকতেই উত্তম-মধ্যম মার খেলেন শাশুড়ির। ‘নারী নিষিদ্ধ’ শবরীমালা মন্দিরে ঢোকার শাস্তি, পিঠে চ্যালাকাঠ ভাঙল শাশুড়ি।

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে মোদী সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট

কেরালার শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস তৈরি করেন দুই মহিলা, বিন্দু ও কনকদূর্গা। সুপ্রিম কোর্ট রায় দেবার পর এই প্রথম মন্দিরে ঢুকতে পারলেন মহিলারা। ৪২ বছরের বিন্দু ও ৪৪ বছরের কনকদূর্গা ভারতে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ তাঁরা মন্দিরে প্রবেশ করেন। মন্দিরে পুজোও দেন তাঁরা। বিন্দুর বাড়ি কেরলেরই মালাপ্পুরমে। কনকদূর্গার বাড়ি কোঝিকোড়ে। বাড়ি ফিরতেই শাশুড়ির মারে আহত হন তিনি। পুলিশ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

আরও পড়ুনঃ

ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’

নারী ঢোকায় ‘অপিবত্র’ শবরীমালা, ‘শুদ্ধ’ করার জন্য বন্ধ মন্দির

মন্দিরে ঢোকার শাস্তি, পিঠে চ্যালাকাঠ ভেঙে হাসপাতালে পাঠাল শাশুড়ি/The News বাংলা
মন্দিরে ঢোকার শাস্তি, পিঠে চ্যালাকাঠ ভেঙে হাসপাতালে পাঠাল শাশুড়ি/The News বাংলা

নিয়মমতো শবরীমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ‘ঋতুমতী’ মহিলাদের ঢুকতে দেওয়া হত না। গত ২৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, ‘ওই নিয়ম অসাংবিধানিক’। শবরীমালা মন্দিরে সবাই প্রবেশ করতে পারবেন বলেই রায় দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তারপরেই মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস গড়েন তাঁরা। তবে মন্দিরে ঢুকে বেরনোর পরই নিরাপত্তার জন্য ওই দুই মহিলাকে খুব তাড়াতাড়ি কোন অজানা জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ভক্তরা নাগাল পাননি দুজনের।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ক্ষোভ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়াচ্ছে মোদী সরকার

মন্দিরে ঢোকার পরে দুজনেই আর বাড়ি ফিরতে পারেননি। তাঁদের কোচি শহরের কাছে কোনও এক গোপন জায়গায় রাখা হয়েছিল সরকারের তরফ থেকেই। জানা যায়, কনকদুর্গা পেশায় সরকারি কর্মচারী। বিন্দু কান্নুর বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার। এদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিল কেরলের পিনারাই বিজয়ন সরকার। প্রায় দু সপ্তাহ কেটে যাবার পর হইচই একটু থামলে তাদের বাড়ি ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ

ফের গরু চোর সন্দেহে খুন, এবার ‘গোরক্ষকের’ নাম মুসলিম মিঁয়া

হিন্দুত্ববাদীদের নিশানা করতে মসজিদে পাথর ছুঁড়ে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা, ধৃত সিপিএম নেতা

মন্দিরে ঢোকার শাস্তি, পিঠে চ্যালাকাঠ ভেঙে হাসপাতালে পাঠাল শাশুড়ি/The News বাংলা
মন্দিরে ঢোকার শাস্তি, পিঠে চ্যালাকাঠ ভেঙে হাসপাতালে পাঠাল শাশুড়ি/The News বাংলা

আর সেখানেই বাড়ল বিপদ। শবরীমালার আয়াপ্পা ভক্তদের থেকে লুকিয়ে রক্ষা পেলেও, বাড়ি ফিরে শাশুড়ির হাত থেকে পেলেন না কনকদুর্গা। দু সপ্তাহ প্রাণের ভয়ে লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল তাঁদের। মঙ্গলবার তাঁরা নিজের নিজের বাড়ি ফেরেন। কিন্তু বাড়ি ফেরা মাত্রই কনকদুর্গার শাশুড়ি সজোরে আঘাত করেন তাঁর মাথায়। লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি মারেন পিঠে ও শরীরে।

কনকদুর্গার শাশুড়ি একেবারেই চাননি যে পুত্রবধূ ভগবান আয়াপ্পার শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করুক। শাশুড়ির মারে গুরুতর আহত হয়ে কনকদুর্গা আপাতত হাসপাতালে ভরতি হয়েছেন। তবে, হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, তাঁর অল্প বিস্তর চোট লেগেছে মোটা লাঠি জাতীয় কিছু দিয়ে মারার জন্য।

আরও পড়ুনঃ

উচ্চবর্ণের গরীব হিন্দুদের জন্য সংরক্ষণ মোদীর, দেশ জুড়ে বিতর্ক

EXCLUSIVE: সংখ্যালঘুদের ধর্মে সুড়সুড়ি দিয়ে প্রকাশ্যে ভারতের টাকার কালোবাজারি

শবরীমালা মন্দিরে ঢোকার পরেই কনকদুর্গা জানিয়েছিলেন, তাঁর পরিবার চায় না তিনি ওই মন্দিরে ঢুকুন। পরিবারের মত না মেনেই তিনি মন্দিরে প্রবেশ করেন। তাঁরা মন্দিরে প্রবেশ করেছেন শুনে কেরল জুড়ে হরতাল শুরু হয়। সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায় রাজ্য জুড়ে। মারাও যান একজন।

এতদিন লুকিয়ে থাকার পর তাঁরা ভেবেছিলেন, ভক্তদের রাগ প্রশমিত হয়েছে। পরিস্থিতি ঠাণ্ডা হয়েছে। এখন বাড়ি ফেরা নিরাপদ। কিন্তু বাড়িতেই যে আক্রমণের মুখে পড়তে হবে তাঁকে, সেটা ভাবেননি রাজ্য সরকারের সঙ্গে কনকদুর্গা নিজেও। দেশে ইতিহাস সৃষ্টি করা কনকদুর্গার নিজের বাড়িও ইতিহাস সৃষ্টি করল তাঁকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ

দেশপ্রেম বাড়াতে স্কুলের রোল কলে এবার ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় ভারত’

নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে

শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা

‘ত্রিশূলে কনডম’, অসমের শিলচরে হিন্দুত্ত্ববাদী বিক্ষোভের মুখে কবি শ্রীজাত

নৃশংস নার্স, সেবাই যাদের ধর্ম তারাই পিটিয়ে মারল ১৬টি বাচ্চা কুকুর

ভয়াবহ নৃশংসতার নজির, পিটিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে ১৭টি কুকুরকে

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদে এক হিন্দু নারী

ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
হিন্দুত্ববাদীদের নিশানা করতে মসজিদে পাথর ছুঁড়ে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা, ধৃত সিপিএম নেতা https://thenewsbangla.com/kerala-communists-vandalised-mosque-to-incite-riots-and-blame-it-on-sangh-parivar/ Mon, 07 Jan 2019 13:42:44 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5271 The News বাংলাঃ হিন্দুত্ববাদীদের ফাঁসাতে গিয়ে ধরা পড়লেন সিপিএম নেতা। ঘটনাটি ঘটেছে কেরলে। শবরীমালা মন্দিরের উত্তপ্ত ঘটনার মধ্যেই একটি মসজিদে পাথর ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ওঠে গেরুয়া গোঁড়া হিন্দুত্ববাদীদের দিকেই। সমালোচনার ঝড় ওঠে গোটা দেশ জুড়ে। পরে তদন্তে দেখা যায়, এর পিছনে আছে এক সিপিএম নেতা। কেরল পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

শবরীমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছরের মহিলাদের প্রবেশাধিকার নিয়ে প্রায় এক সপ্তাহ উত্তপ্ত কেরল। প্রায় প্রতিদিনই দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে প্রবেশাধিকারের দাবিতে মন্দিরে ঢুকতে চাওয়া আন্দোলনকারী ও আয়াপ্পা ভক্তদের মধ্যে। এদিকে সংঘ পরিবার থেকে শুরু করে বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন মন্দিরের চলে আসা প্রথাকেই মান্যতা দিয়ে শবরীমালা কর্তৃপক্ষের পাশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে কেরল সরকার সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে মহিলাদের প্রবেশাধিকারের পক্ষে আন্দোলনকারীদের দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ

ফের গরু চোর সন্দেহে খুন, এবার ‘গোরক্ষকের’ নাম মুসলিম মিঁয়া

বউ অদল বদল, বিকৃত যৌনাচারে ধর্ষণের অভিযোগ গৃহবধূর

EXCLUSIVE: সংখ্যালঘুদের ধর্মে সুড়সুড়ি দিয়ে প্রকাশ্যে ভারতের টাকার কালোবাজারি

EXCLUSIVE: নতুন বছরে সুখবর, রাজ্য সরকারি কর্মীরা পাচ্ছেন বকেয়া ডিএ

গত ২রা জানুয়ারী মন্দিরের প্রথা অগ্রাহ্য করে কেরল পুলিশের সহায়তায় মন্দিরে প্রবেশ করে পুজো দেন বিন্দু ও কনকদুর্গা নামের দুজন মহিলা পূজারিনী। আর তাতেই আগুনে ঘি পড়ে। সংঘর্ষ শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে। মন্দিরের প্রথা চালু রাখার দাবিতে আন্দোলনরত আয়াপ্পা ভক্তদের ওপর পুলিশি অত্যাচারেরও অভিযোগ ওঠে। কেরল সরকার এখনও পর্যন্ত ১৬৬৯ জন আয়াপ্পা ভক্তকে গ্রেফতার করেছে। এরই মধ্যে গতকাল মসজিদে পাথর ছোঁড়া ও মসজিদে ভাংচুর করে সাম্প্রদায়িক পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগ ওঠে সিপিএম সমর্থক ও সদস্যদের বিরুদ্ধে।

পুলিশ জানিয়েছে, পেরামব্রায় একটি মসজিদে পাথর ছোঁড়ার ঘটনা ঘটে। ক্ষতি হয় মসজিদের। প্রাথমিক ভাবে সংঘ পরিবারের দিকেই অভিযোগের আঙুল ওঠে। পুলিশ তদন্তে উঠে আসে সম্পূর্ণ আলাদা তথ্য। জানা যায়, এর পিছনে আছে এক ডিওয়াইএফআই নেতা।

পুলিশ রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সংঘ পরিবার ও হিন্দুত্ববাদীদের নিশানা করতেই মসজিদে হামলা করে সাম্প্রদায়িক বাতাবরণ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে অভিযুক্তরা সংঘ পরিবারের ওপরেই দায় চাপায়। কিন্তু তদন্তে আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে। তদন্ত চালিয়ে সিপিএমের ছাত্র সংগঠন ডিওয়াইএফআই এর সুনির্দিষ্ট যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে পুলিশ।

এই ঘটনায় স্থানীয় সিপিএমের ব্রাঞ্চ সেক্রেটারি সহ ২১ জন সিপিএম এবং ডিওয়াইএফআই সদস্যদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এই বিষয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ১৫৩-এ নং ধারায় দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসার বাতাবরণ তৈরি ও দাঙ্গা বাঁধানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে ৫ই জানুয়ারী সিপিএম সমর্থকদের বিরুদ্ধে কেরালার বিজেপি সাংসদ মুরলীধরণের বাড়ি সহ এক সংঘ প্রচারকের বাড়িতে হামলা এবং কান্নুরে একটি আরএসএসের কার্যালয়ে আগুন লাগানোর অভিযোগ ওঠে। তারও আগে ২রা জানুয়ারী শবরীমালা কর্ম সমিতির ৫৫ বছর বয়সী এক সদস্যকেও পাথর ছূঁড়ে হত্যা করে সিপিএম সমর্থকরা।

আরও পড়ুনঃ

কংগ্রেস ছেড়ে মমতার ‘মহানায়িকা’ এবার মোদীর বক্স অফিসে

ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’

দেশপ্রেম বাড়াতে স্কুলের রোল কলে এবার ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় ভারত’

শীতের বাংলায় বৃষ্টি আনতে আন্দামান থেকে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘পাবুক’

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
নারী ঢোকায় ‘অপিবত্র’ শবরীমালা, ‘শুদ্ধ’ করার জন্য বন্ধ মন্দির https://thenewsbangla.com/sabarimala-temple-unpurified-by-women-entry-closed-temple-for-purify/ Wed, 02 Jan 2019 06:01:44 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5094 The News বাংলা: অবিশ্বাস্য ঘটনা! ‘ঋতুমতী নারী’ ঢুকে ‘অপিবত্র’ শবরীমালা মন্দির, শুদ্ধ করার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল মন্দির। মন্দিরের সব সিসিটিভি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত মন্দির কর্তৃপক্ষ এর। ২০১৯ সালে পা দেওয়ার পরও ভারতের একটি মন্দিরের এই খবরে বিস্ময় গোটা বিশ্বে।

আরও পড়ুন: ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’

শবরীমালা মন্দিরে বুধবার ভোরে ইতিহাস তৈরি করলেন দুই মহিলা। ভারতে নতুন ইতিহাস বিন্দু ও কনকদূর্গার। বুধবার খুব ভোরে মন্দিরে ঢুকে পরেন বছর ৪০ এর দুই মহিলা। সঙ্গে ছিল সাদা পোশাকে পুলিশ কর্মীরা। ২৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট রায় দেবার পর এই প্রথম মন্দিরে ঢুকতে পারলেন মহিলারা। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেন। খবর জানাজানি হতেই ক্ষুব্ধ মন্দির কর্তৃপক্ষ শুদ্ধিকরণের জন্য মন্দির বন্ধ করে দিলেন।

আরও পড়ুনঃ দেশপ্রেম বাড়াতে স্কুলের রোল কলে এবার ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় ভারত’

শেষ পর্যন্ত ইতিহাস সৃষ্টি হল শবরীমালা মন্দিরে। ৪২ বছরের বিন্দু ও ৪৪ বছরের কনকদূর্গা ভারতে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। বুধবার ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ তাঁরা মন্দিরে প্রবেশ করলেন। মন্দিরে পুজোও দিলেন তাঁরা। গতকালই বামেদের তরফ থেকে মানব দেওয়াল তৈরি করা হয় শবরীমালা মন্দিরে নারীদের প্রবেশের জন্য।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনাকে প্রথম অভিনন্দন জানালেন নরেন্দ্র মোদী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এর আগে ২৩ শে ডিসেম্বর, কয়েকশ বিক্ষোভকারীর তাড়ায় কেরলের শবরীমালা মন্দিরের খুব কাছ থেকে ফিরে আসতে হয়েছিল ১১জন মহিলার একটি দলকে। তাতে দমে না গিয়ে ফের ২৪শে ডিসেম্বর সোমবার মন্দিরের উদ্দেশে রওনা হন দুই মহিলা।

আরও পড়ুনঃ অবিশ্বাস্য জয়, ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৮৮ আসনে জিতে ফের ক্ষমতায় শেখ হাসিনা

তাঁদের নিরাপত্তার জন্য বিরাট পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। কিন্তু মন্দিরের খুব কাছাকাছি পৌঁছেও দুজন মহিলাকে বিক্ষোভকারীদের চাপে ফিরে আসতে হয়। দুই মহিলা শেষ অবধি নতুন বছরের দ্বিতীয় দিন বুধবার ভোরে ঢুকে পড়লেন শবরীমালা মন্দিরে। গড়লেন ইতিহাস।

আরও পড়ুনঃ নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে

জানা গেছে দুই মহিলার একজনের নাম বিন্দু, অপরজনের নাম কনকদূর্গা। বিন্দুর বাড়ি কেরলেরই মালাপ্পুরমে। কনকদূর্গার বাড়ি কোঝিকোড়ে। তাঁরা বলেছেন, “আমরা আয়াপ্পা দেবতার কাছে প্রার্থনা করতে এসেছিলাম। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ভরসা পেয়ে মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করেছি বারবার। আজ সফল হলাম”।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে অনুপ্রবেশকারী হিংস্র পাকিস্তান ব্যাট সেনাকে খতম ভারতীয় সেনার

শবরীমালা মন্দিরটি যে পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত তার নীচে জড়ো হন হাজার হাজার দর্শনার্থী। মন্দির থেকে চার কিলোমিটার দূরে পম্বা নামে এক জায়গা থেকে হেঁটে শবরীমালায় যেতে হয়।

আরও পড়ুনঃ চিন সীমান্তে ভগবান হয়ে পর্যটকদের উদ্ধার ভারতীয় সেনার

এর আগেও ২৩ ডিসেম্বর তামিলনাড়ুর মহিলা সংগঠন মানিথি-র সদস্যরা মন্দিরে ঢুকতে চেষ্টা করেছিলেন। তারও আগে অনেক মহিলা মন্দিরে ঢুকতে চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রত্যেককেই বিক্ষোভকারীদের তাড়ায় ফিরে আসতে হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভূমিকম্পে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়বে সল্টলেক নিউটাউনের বাড়িঘর

নিয়মমতো শবরীমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ‘ঋতুমতী’ মহিলাদের ঢুকতে দেওয়া হত না। গত ২৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, ‘ওই নিয়ম অসাংবিধানিক’। শবরীমালা মন্দিরে সবাই প্রবেশ করতে পারবেন বলেই রায় দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: ৫৫ নম্বরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে ৫৯ দিয়ে এসএসসি-র নতুন কীর্তি

কিন্তু রায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে কংগ্রেস ও বিজেপি উভয়েই। ভক্তরা যাতে কোনভাবে অশান্তি সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য কেরল হাইকোর্ট তিন সদস্যের এক কমিটি গড়ে দেয়। তাদের কাজ মন্দিরের আশপাশে আইন-শৃঙ্খলার দিকে নজর রাখা।

আরও পড়ুনঃ নতুন বছরের প্রথম দিনেই চিতা বাঘ দেখতে গিয়ে বড় বিপদের সামনে

শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশ করার বিষয়টিকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছিল কেরল রাজ্য সরকার। অন্যদিকে নিজেদের মধ্যে হাজার বিরোধিতা থাকা সত্ত্বেও একযোগে মহিলাদের প্রবেশের বিরোধিতা করছে কংগ্রেস আর বিজেপি। তবে দুই দলই এতে সাধারণ মানুষের ইচ্ছের কথাই বলেছেন।

আরও পড়ুন: পুরীর ‘স্যান্ড আর্ট ফেস্টিভ্যাল’ এর কিছু মনমুগ্ধকর ছবি

তবে শেষ পর্যন্ত জয়ী হল সমাজ ও বিশেষ করে কেরলের নারী সমাজ। বিন্দুকে নিয়ে মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সেই মা দূর্গারই। তবে মন্দিরে ঢুকে বেরনোর পরই নিরাপত্তার জন্য ওই দুই মহিলাকে খুব তাড়াতাড়ি কোন অজানা জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, মন্দিরের সব সিসিটিভি খতিয়ে দেখছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। বন্ধ আছে শবরীমালা মন্দির। ঋতুমতী নারী ঢুকে পরায় মন্দির অপবিত্র হয়েছে, তাই শুদ্ধ করার পরই খোলা হবে মন্দির, জানানো হয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ এর তরফ থেকে।

]]>
ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’ https://thenewsbangla.com/two-women-entered-sabarimala-temple-create-history-in-india/ Wed, 02 Jan 2019 04:56:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5089 The News বাংলা: শবরীমালা মন্দিরে ইতিহাস তৈরি করলেন দুই মহিলা। ভারতে নতুন ইতিহাস বিন্দু ও কনকদূর্গার। বুধবার খুব ভোরে মন্দিরে ঢুকে পরেন বছর ৪০ এর দুই মহিলা। সঙ্গে ছিল সাদা পোশাকে পুলিশ কর্মীরা। ২৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট রায় দেবার পর এই প্রথম মন্দিরে ঢুকতে পারলেন মহিলারা।

আরও পড়ুনঃ দেশপ্রেম বাড়াতে স্কুলের রোল কলে এবার ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় ভারত’

শেষ পর্যন্ত ইতিহাস সৃষ্টি হল শবরীমালা মন্দিরে। ৪২ বছরের বিন্দু ও ৪৪ বছরের কনকদূর্গা ভারতে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। বুধবার ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ তাঁরা মন্দিরে প্রবেশ করলেন। মন্দিরে পুজোও দিলেন তাঁরা। গতকালই বামেদের তরফ থেকে মানব দেওয়াল তৈরি করা হয় শবরীমালা মন্দিরে নারীদের প্রবেশের জন্য।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনাকে প্রথম অভিনন্দন জানালেন নরেন্দ্র মোদী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এর আগে ২৩ শে ডিসেম্বর, কয়েকশ বিক্ষোভকারীর তাড়ায় কেরলের শবরীমালা মন্দিরের খুব কাছ থেকে ফিরে আসতে হয়েছিল ১১জন মহিলার একটি দলকে। তাতে দমে না গিয়ে ফের ২৪শে ডিসেম্বর সোমবার মন্দিরের উদ্দেশে রওনা হন দুই মহিলা।

আরও পড়ুনঃ অবিশ্বাস্য জয়, ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৮৮ আসনে জিতে ফের ক্ষমতায় শেখ হাসিনা

তাঁদের নিরাপত্তার জন্য বিরাট পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। কিন্তু মন্দিরের খুব কাছাকাছি পৌঁছেও দুজন মহিলাকে বিক্ষোভকারীদের চাপে ফিরে আসতে হয়। দুই মহিলা শেষ অবধি নতুন বছরের দ্বিতীয় দিন বুধবার ভোরে ঢুকে পড়লেন শবরীমালা মন্দিরে। গড়লেন ইতিহাস।

আরও পড়ুনঃ নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে

জানা গেছে দুই মহিলার একজনের নাম বিন্দু, অপরজনের নাম কনকদূর্গা। বিন্দুর বাড়ি কেরলেরই মালাপ্পুরমে। কনকদূর্গার বাড়ি কোঝিকোড়ে। তাঁরা বলেছেন, “আমরা আয়াপ্পা দেবতার কাছে প্রার্থনা করতে এসেছিলাম। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ভরসা পেয়ে মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করেছি বারবার। আজ সফল হলাম”।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে অনুপ্রবেশকারী হিংস্র পাকিস্তান ব্যাট সেনাকে খতম ভারতীয় সেনার

শবরীমালা মন্দিরটি যে পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত তার নীচে জড়ো হন হাজার হাজার দর্শনার্থী। মন্দির থেকে চার কিলোমিটার দূরে পম্বা নামে এক জায়গা থেকে হেঁটে শবরীমালায় যেতে হয়।

আরও পড়ুনঃ চিন সীমান্তে ভগবান হয়ে পর্যটকদের উদ্ধার ভারতীয় সেনার

এর আগেও ২৩ ডিসেম্বর তামিলনাড়ুর মহিলা সংগঠন মানিথি-র সদস্যরা মন্দিরে ঢুকতে চেষ্টা করেছিলেন। তারও আগে অনেক মহিলা মন্দিরে ঢুকতে চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রত্যেককেই বিক্ষোভকারীদের তাড়ায় ফিরে আসতে হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভূমিকম্পে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়বে সল্টলেক নিউটাউনের বাড়িঘর

নিয়মমতো শবরীমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ‘ঋতুমতী’ মহিলাদের ঢুকতে দেওয়া হত না। গত ২৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, ‘ওই নিয়ম অসাংবিধানিক’। শবরীমালা মন্দিরে সবাই প্রবেশ করতে পারবেন বলেই রায় দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: ৫৫ নম্বরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে ৫৯ দিয়ে এসএসসি-র নতুন কীর্তি

কিন্তু রায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে কংগ্রেস ও বিজেপি উভয়েই। ভক্তরা যাতে কোনভাবে অশান্তি সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য কেরল হাইকোর্ট তিন সদস্যের এক কমিটি গড়ে দেয়। তাদের কাজ মন্দিরের আশপাশে আইন-শৃঙ্খলার দিকে নজর রাখা।

আরও পড়ুনঃ নতুন বছরের প্রথম দিনেই চিতা বাঘ দেখতে গিয়ে বড় বিপদের সামনে

শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশ করার বিষয়টিকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছিল কেরল রাজ্য সরকার। অন্যদিকে নিজেদের মধ্যে হাজার বিরোধিতা থাকা সত্ত্বেও একযোগে মহিলাদের প্রবেশের বিরোধিতা করছে কংগ্রেস আর বিজেপি। তবে দুই দলই এতে সাধারণ মানুষের ইচ্ছের কথাই বলেছেন।

আরও পড়ুন: পুরীর ‘স্যান্ড আর্ট ফেস্টিভ্যাল’ এর কিছু মনমুগ্ধকর ছবি

তবে শেষ পর্যন্ত জয়ী হল সমাজ ও বিশেষ করে কেরলের নারী সমাজ। বিন্দুকে নিয়ে মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সেই মা দূর্গারই। তবে মন্দিরে ঢুকে বেরনোর পরই নিরাপত্তার জন্য ওই দুই মহিলাকে খুব তাড়াতাড়ি কোন অজানা জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

]]>
সাবারিমালায় হিন্দু মহিলারা ঢুকতে পারলে, মসজিদে মুসলিম মহিলারা নয় কেন https://thenewsbangla.com/if-there-were-hindu-women-in-sabarimala-why-not-muslim-women-in-the-mosque/ Fri, 12 Oct 2018 09:57:15 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1093 কেরালা: ঋতুমতী মহিলারা সাবারিমালা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারতেন না। সম্প্রতি, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বহুবছর ধরে চলে আসা সেই প্রথা বন্ধ হয়েছে। এখন সব মহিলারাই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। মন্দিরে সব হিন্দু মহিলারা ঢুকে পুজো দিতে পারলে, মসজিদে মুসলিম মহিলারা ঢুকে নমাজ পড়তে পারবেন না কেন ? উঠছে প্রশ্ন।

হিন্দু মহিলারা সাবারিমালা মন্দিরে ঢোকার অধিকার পাওয়ার পর এবার মসজিদে ঢোকার অধিকার পাবার লড়াই শুরু করলেন মুসলিম মহিলারা। কেরালায় একটি মুসলিম মহিলা সংগঠন এবার মসজিদে ঢুকে নমাজ পড়ার অধিকার পেতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন।

কেরালার নিসা সংগঠন এই লড়াই শুরু করছেন। The Nisa Progressive Muslim Women’s Forum সংগঠনটি Nisa বা নিসা নামেও পরিচিতি। আরবীতে নিসা মানে Women বা নারী। মুসলিম মহিলাদের অধিকার রক্ষার আন্দোলন করে এই সংগঠন।

কেরালার কোজিকোটে অবস্থিত নিসা সংগঠন জানিয়েছে, এমাসের শেষেই তারা সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের আবেদন জানিয়ে পিটিশন দায়ের করবেন। মন্দিরে প্রবেশের অধিকার পর আদায় করে নেবার পর এবার কেরালায় মসজিদে ঢোকার অধিকার আদায় করার লড়াই মহিলাদের।

যদিও ইসলামিক আইন অনুযায়ী, মুসলিম মহিলারা মসজিদে ঢুকে নমাজ পড়তে পারেন। কিন্তু, কেরালায় সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসলিমরা আজও মহিলাদের মসজিদে ঢুকতে দেন না। মুসলিম মহিলাদের আজও মসজিদে ঢুকে নমাজ পড়ার অধিকার নেই।

ঠিক যেমন মন্দিরে ঢুকে মহিলাদের পুজো দিতে কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও সাবারিমালা মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হত না ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী মহিলাদের। দেশের সব থেকে শিক্ষিত রাজ্য কেরালায় ঠিক তেমনই মসজিদে ঢুকতে দেওয়া হয় না মহিলাদের। এরই প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে নিসা।

কেরালায় মুসলিমদের মধ্যে সুন্নি সম্প্রদায়ের সংখ্যাই বেশি। রাজ্যের জনসংখ্যার মধ্যে ২৬ শতাংশই সুন্নি মুসলিম। আর তাই, কেরালার অধিকাংশ মসজিদেই ঢুকতে পারেন না মুসলিম মহিলারা। এই অধিকার পেতেই এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে চলেছে মুসলিম মহিলা সংগঠনটি।

নিসার প্রধান ভি পি জুহারা জানিয়েছেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের কাছে আমাদের অবদান রয়েছে, যেসব মহিলা ইসলামিক ধর্ম ও আইন নিয়ে পড়েছেন ও নমাজ নিয়ে জ্ঞান অর্জন করেছেন, তাদের নমাজ পড়ানোর অধিকার দেওয়া হোক’। মহিলা ইমামদের নমাজ পড়ানোর অধিকার চাওয়া হবে এই মামলায়।

শুধু তাই নয়, সেই সমস্ত শিক্ষিত ও জ্ঞানী মহিলাদের মুসলিমদের বিয়ে নিয়েও নতুন চিন্তাধারা নিয়ে আসার সুযোগ দেওয়া হোক। তিন তালাক বন্ধ হবার পর, মুসলিম বিয়ে ও বিয়ে সংক্রান্ত ব্যপারে নতুন করে আইন আনতে আরো ভাবনা চিন্তা করা উচিত বলেই মনে করেন নিসার প্রধান ভি পি জুহারা।

নিসা এমন সময়ে অধিকার চেয়ে আদালতে মামলা করতে চলেছে যখন সাবারিমালা মন্দির নিয়ে গোটা রাজ্য চর্চার মধ্যে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনও চলছে রাজ্য জুড়ে।

সাবারিমালা মন্দিরে সব মহিলারাই ঢুকতে পারবেন, এই রায়ের পরই একটি হিন্দু সংগঠন মুসলিম মহিলাদের মসজিদে ঢোকার অধিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেছিল। যদিও অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার সেই মামলা খারিজ হয়ে যায় উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে। কেরালায় মুসলিম মহিলাদের মসজিদে ঢুকতে দেওয়া হয় না, এর স্বপক্ষে কোন প্রমাণ দিতে পারে নি তারা।

এই একই বিষয়ে এবার মামলা করছে মুসলিম মহিলাদের সংগঠন নিসা। তবে, এই নিয়ে চিন্তায় নেই সংগঠনটি। সবরিমালা মন্দির নিয়ে রায় দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলে, মহিলাদের শারীরবৃত্তীয় কোন পদ্ধতি মন্দিরে ঢোকার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে না। তেমনই, কেরলেও মুসলিম মহিলাদের মসজিদে ঢুকে নমাজ পড়ার ব্যপারে সবুজ সংকেত দেবে আদালত, এমনটাই আশা নিসের সদস্যদের।

মুসলিম মহিলারা মক্কায় ঢুকতে পারেন, হজ করতে যেতে পারেন। তাহলে, শুধুমাত্র কেরালায় মসজিদে ঢুকে নমাজ পড়তে পারবেন না কেন ? এই ইস্যুতে তাদের জয় নিশ্চিত বলে মনে করছে The Nisa Progressive Muslim Women’s Forum বা নিসা। তবে এই নিয়ে মুখ খুলতে চান নি সুন্নি মুসলিম সম্প্রদায়ের ইমামরা।

]]>